নির্বাচন কমিশন
ইসির স্থানীয় নির্বাচনের সময়সূচি সম্ভাব্য, চূড়ান্ত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সময়সূচি ঘোষণা করেছে, সেটি কেবল ‘সম্ভাব্য’ পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আগামী ১২ নভেম্বর থেকে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ইসির পরিকল্পনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কমিশন যে সময়সূচি উপস্থাপন করেছে, সেখানে সেটিকে স্পষ্টভাবেই ‘সম্ভাব্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং এর জন্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ঢাকা শহরে মেগা প্রকল্পের কারণে সৃষ্ট যানজট রোধ-সংক্রান্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসির ঘোষণা এবং পরে এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আইন অনুসারে চলে। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনের দুটি দায়িত্ব হলো জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। এর বাইরে আইনে প্রদত্ত অন্যান্য নির্বাচন-সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করার কথা বলা আছে।’
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকারগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখানে আইনের মধ্যে এমন কিছু নেই যে সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ছাড়া নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কাজ করতে পারে। এটি সমন্বয়ের বিষয়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশন গতকাল (সোমবার) ‘টেন্টেটিভ’ একটি পরিকল্পনা দিয়েছে, যার ভিডিও তিনি দেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘টেন্টেটিভ’ মানেই তারা ‘সম্ভাব্য’ সময়সূচি দিয়েছে। মনে হয়, গণমাধ্যমে বিষয়টি অন্যভাবে এসেছে, যেন কমিশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে। তারা বক্তব্যেই বলেছে, এটি একটি ‘টেন্টেটিভ প্ল্যান’। ‘টেন্টেটিভ’ পরিকল্পনার ওপর কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি।
এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সম্ভবত নির্বাচন কমিশন ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আহ্বান করেছে। ওই সভায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা অংশ নেবেন।’
আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা যে মতামত দেবেন, তার আলোকে নির্বাচন কমিশন সম্ভাব্য তফসিল সাজাবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এর আগে ইসি যে পরিকল্পনার কথা বলেছে, সেটি ‘টেন্টেটিভ’। তাই সেটিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
৪ দিন আগে
প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচন ১২ নভেম্বর
দেশজুড়ে সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সে অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে ৬৩ জেলার ৮০টি উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কমিশনের প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব প্রাথমিক সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সভা শেষে সাংবাদিকদের জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, আমরা ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের নির্বাচন করতে পারব। এ ধাপে তিনি প্রায় ৮০টি উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের ভোটগ্রহণ আয়োজনের আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক সময়সূচি অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন হবে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ১২ এপ্রিল ও সপ্তম ধাপ ২৭ মে অনুষ্ঠিত হবে।
সারা দেশে মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ইসি সানাউল্লাহ।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করবে কমিশন। ২৩, ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে ইসি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিটি রাজনৈতিক দল থেকে দুজন করে প্রতিনিধি এসব সংলাপে আমন্ত্রণ পাবেন বলে জানিয়েছেন ইসি সালাউল্লাহ।
এছাড়া ইসি জানিয়েছে, ঠাকুরগাঁও ছাড়া দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে ইউপি নির্বাচন শুরু করার চেষ্টা করা হবে। কারণ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে ইসি। আগামী ২৯ অক্টোবর ওই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
৫ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার তিন সপ্তাহর মাথায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর এ উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে জ্যেষ্ঠ ইসি সচিব আখতার আহমেদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৭ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২৯ সেপ্টেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর।
প্রতীক বরাদ্দ ৮ অক্টোবর এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৯ অক্টোবর।
গত ২০ অগাস্ট জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির এ প্রার্থী পরদিন শপথ নিলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়।
৯ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জানতে ইসির সঙ্গে বসবে সরকার
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে, তা জানতে আগামী সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে আলোচনা করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আগামী সপ্তাহে হয়তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আমি হয়তো কথা বলব যে তাদের প্রস্তুতিটা কতদূর বা কী অবস্থা।’
তিনি বলেন, আসলে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও পরিচালনা করবে ইসি। মাঠ থেকে নির্বাচন উঠিয়ে নিয়ে আসবে তারাই।
মন্ত্রী বলেন, তবে যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে, এখানে নির্বাচনের যে খরচ এবং অন্যন্য যে বিষয়গুলো যেমন: মেয়াদ কবে উত্তীর্ণ হচ্ছে, কী হচ্ছে—এই বিষয়গুলো আমরা সহায়তা দেব।
তফসিলের বিষয়ে কোনো তথ্য জানা গেছে কি না, জানতে চাইলে মীর শাহে আলম বলেন, তফসিলের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিটা আমরা এখনও জানি না। তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। এ প্রশ্নের উত্তর ইসি দিতে পারবে।
সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সরকারের প্রস্তাব তো আমি এর আগেও বহুবার বলেছি যে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে এই পাঁচটি নির্বাচন করবার জন্য যে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন, সেটা আমরা রেখেছি।’
২৫ দিন আগে
মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরে এ প্রজ্ঞাপন জারি হয়।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ২৭ নম্বর আইন)-এর ধারা ১১ অনুসারে নির্বাচনী কর্তা ও নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা মোতাবেক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পিতা- মির্জা রুহুল আমিন, গ্রাম-কালিবাড়ী, ডাকঘর-ঠাকুরগাঁও ৫১০০, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও পৌরসভা, ঠাকুরগাঁওকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১-এর বিধি ১২ (৬) অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মর্মে ঘোষণা করা হলো।
এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়। ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলে গণনা শেষে ফল ঘোষণা করেন এই নির্বাচনের কর্তা সিইসি এ এমএম নাসির উদ্দিন।
ঘোষিত ফল অনুসারে, ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
সিইসির ঘোষণার পর টেবিল চাপড়ে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান সংসদ সদস্যরা। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ আসন থেকে উঠে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে করমর্দন করেন। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা।
এরপর নিজ আসন থেকে উঠে যান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান উঠে এসে তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন। একে একে অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন।
এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন, এর মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট দেননি।
৩০ দিন আগে
আড়াই মাসে দেশে ভোটার বেড়েছে ৩,০৯,৩১৫ জন
দেশে ৩১ জুলাই পর্যন্ত মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৪ জন। গত ১৪ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত আড়াই মাসে দেশে ভোটার বেড়েছে ৩ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জন।
রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।
অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ধরে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করেছে ইসি। সে অনুযায়ী, গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছিল।
বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত করে আখতার আহমেদ বলেন, ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটারের সংখ্যা হচ্ছে ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৪ জন। ১৪ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটারের সংখ্যা বেড়েছে ৩ লাখ ৯ হাজার ৩১৫।
তিনি বলেন, যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন হয় বা কমিশন অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেটা সম্পূরক তালিকা হিসেবে আসবে।
৪১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি পদে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছে বিএনপি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।
রবিবার (৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এ মনোনয়ন সংগ্রহ করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি গণমাধ্যমকে বলেন, ফরম একজনের জন্য নিয়েছি, কিন্তু কোনো ধরনের ভুল ত্রুটি যেন না হয় এ জন্য দুইটা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছি। তবে কারও নামে সেটি সংগ্রহ করা হয়নি। তফসিল অনুযায়ী আমরা মনোনয়ন জমা দেব।
এর আগে, ২০২৩ সালে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগও রাষ্ট্রপতি পদে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিল। সদ্য পদত্যাগকারী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের নামে দুটো মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়া হয়েছিল।
একজনের একাধিক মনোনয়ন ফরম জমা দেয়ার সুযোগ আছে। এক্ষেত্রে একটি বৈধ হলে বাকিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।
গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ভোট গ্রহণের তারিখ আগামী ২০ আগস্ট। একাধিক প্রার্থী থাকলে ওই দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের তারিখ ১৩ আগস্ট সকাল ১০ টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৬ই আগস্ট। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৮ই আগস্ট। আর ভোটগ্রহণ ২০ আগস্ট। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটকক্ষ জাতীয় সংসদকক্ষ।
এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিরোধী দল জামায়াত।
প্রধান নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদের অধিবেশন না থাকলে স্পিকারের পরামর্শে এক দিনের বৈঠক আহ্বান করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট ভোট হবে। শেষ পর্যন্ত একাধিক প্রার্থী থাকলে তার সাত দিন আগে এক দিনের বৈঠক আহ্বান করবেন সিইসি। তবে সেটি সংসদের নিয়মিত অধিবেশন হিসেব গণ্য হবে না।
৪১ দিন আগে
যেকোনো সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনে ইসি প্রস্তুত আছে: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, যেকোনো সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে, সিইসির নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল প্রায় এক ঘণ্টা ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সিইসি বলেন, বৈঠকে নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়াগত বিষয়গুলো নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল কবে ঘোষণা করা হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনো সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে তার ভাষ্য, ‘দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। সূর্য উঠলে জানতে পারবেন।’ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, সম্ভাব্য ভোটার তালিকা চেয়ে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।
বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাসুদ, তাহমিদা আহমদ ও মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এবং ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে নির্বাচন কমিশনকে স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শ করতে হয়।
সংসদ অধিবেশন চলাকালে ভোটগ্রহণের অন্তত সাত দিন আগে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। আর সংসদ অধিবেশন না থাকলে স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচন কমিশনকে ভোটের অন্তত সাত দিন আগে সংসদ সদস্যদের একটি সভা আহ্বান করতে হবে।
নির্বাচনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ সচিবালয় সংসদ সদস্যদের তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাবে। সেই তালিকার ভিত্তিতে কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশ করবে। এরপর তফসিল ঘোষণা করা হবে।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হবে। সর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন সিইসি। সমান ভোট পড়লে লটারির মাধ্যমে ফল নির্ধারণ করা হবে এবং এ বিষয়ে সিইসির ঘোষণাই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
৫৩ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক মঙ্গলবার
আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠকে বসবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় সংসদ ভবনে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কার্যালয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (২৭ জুলাই) সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) রাশেদ মিজান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল আগামীকাল ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করবে।’
এর আগে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়ে সংসদ সচিবালয়ে চিঠি পাঠায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।
জ্যেষ্ঠ ইসি সচিব আখতার আহমেদের সই করা ওই চিঠিতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের দফা ২-এর বিধান অনুসারে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগের কারণে ওই পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর ৫ ধারার (২) ও (৩) উপধারার বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য স্পিকারের সঙ্গে সানুগ্রহ আলোচনাক্রমে নির্বাচন কমিশনকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে ঘোষণা করতে হবে। এ বিষয়ে স্পিকার কর্তৃক নির্ধারিত সুবিধাজনক তারিখ ও সময়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাক্ষাতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সাক্ষাতের সময় সিইসির সঙ্গে অন্য নির্বাচন কমিশনাররা এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়াও, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আশ্রাফুল আলম সহযোগী কর্মকর্তা হিসেবে স্পিকারের দপ্তরে অবস্থান করবেন।
আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে আলোচনার উদ্দেশ্যে স্পিকারের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাক্ষাতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার আগে স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শ করবে নির্বাচন কমিশন।
সংসদ অধিবেশন চলমান থাকলে ভোটগ্রহণের অন্তত সাত দিন আগে নির্বাচনের প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। আর অধিবেশন না থাকলে স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শ করে ভোটের অন্তত সাত দিন আগে সংসদ সদস্যদের সভা আহ্বান করতে হবে।
নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ সচিবালয় সংসদ সদস্যদের তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠাবে। এরপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করে তফসিল ঘোষণা করবে ইসি।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত শুক্রবার পদত্যাগ করার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ কারণে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। আর স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ডেপুটি স্পিকার স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫৪ দিন আগে
জামায়াতের চিঠির ভিত্তিতে এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই: ইসি রহমানেল
জামায়াতে ইসলামীর বহিষ্কৃত নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্যপদ নিয়ে দলটির চিঠির ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সরাসরি কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তবে সংসদ জানতে চাইলে শুনানির পর বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার কারণে আলোচনায় আসা সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এরপর থেকে তার সংসদ সদস্য পদ থাকা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি ইসিকে জানাবে বলে জানিয়েছে বিরোধী দল।
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি মাছউদ বলেন, ‘কোনো সংসদ সদস্যকে কেবল তার নিজ দল বহিষ্কার করলেই আইন অনুযায়ী সরাসরি তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয় না। বিষয়টিতে আইনগত প্রক্রিয়া রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে যদি জাতীয় সংসদের স্পিকার বা সংসদ কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি পাঠান, তাহলে কমিশন উভয় পক্ষের শুনানি গ্রহণ করবে। এরপর সংবিধান ও সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।’
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য স্বেচ্ছায় দলত্যাগ করলে বা সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হওয়ার বিধান রয়েছে। তবে দল থেকে বহিষ্কারের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে–এমন কোনো স্পষ্ট বিধান সেখানে নেই।
অন্যদিকে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ এবং সংসদ সদস্য বিরোধ নির্ধারণ আইন অনুযায়ী, কোনো সদস্যের যোগ্যতা বা আসন শূন্য হওয়া নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে স্পিকার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে পাঠাবেন। আইন অনুযায়ী বিরোধ উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে বিষয়টি ইসিতে পাঠানোর কথা। এরপর নির্বাচন কমিশন দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার প্রয়োগ করে শুনানি গ্রহণ করবে এবং সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত স্পিকারকে জানাবে। কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে আইনে উল্লেখ রয়েছে।
৫৮ দিন আগে