হত্যা
কুষ্টিয়ায় মা-চাচির ঝগড়ার বলি আড়াই বছরের নুজাইফা
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মা-চাচির ঝগড়ার জেরে প্রাণ দিতে হলো আড়াই বছরের শিশু নুজাইফা আক্তারকে। অভিযোগ উঠেছে, নিজের ছোট চাচি কল্পনা আক্তার (১৫) শ্বাসরোধ করে হত্যার পর তার মরদেহ গাছে ঝুলিয়ে রেখে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দক্ষিণ দাড়ের পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নুজাইফা ওই গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান।
তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কল্পনা আক্তার স্বীকার করেছেন যে, শিশু নুজাইফার মা প্রিয়া খাতুনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। সেই ক্ষোভ থেকে তিনি নুজাইফাকে বাড়ির পাশের একটি মেহগনি বাগানে নিয়ে যান। সেখানে নিজের ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে শিশুটিকে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে শিশুটির মরদেহ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকেল ৪টার দিকে বাগানে শিশুটিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় গ্রামবাসী। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাটি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয়রা অভিযুক্ত কল্পনা ও তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একপর্যায়ে কল্পনা তার অপরাধ স্বীকার করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তৌহিদুল হাসান তুহিন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছিল।
ওসি আরিফুর রহমান জানান, শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
২ দিন আগে
নবীগঞ্জে শাশুড়িকে হত্যার অভিযোগে পুত্রবধূ গ্রেপ্তার
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে শাশুড়িকে হত্যার অভিযোগে পুত্রবধূকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।
নিহত ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫৩), নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তার ছেলে রফিকুল ইসলাম চৌধুরী দুবাই প্রবাসী । বাড়িতে তিনি পুত্রবধূ তামান্না আক্তারের সঙ্গে বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে নিজ বাড়ি থেকে ফেরদৌসী ইসলামের হাত-পা বাঁধা এবং মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুত্রবধূ তামান্না আক্তারকে (২২) আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
অভিযুক্ত তামান্নার জবানবন্দিতে জানা যায়, তার সঙ্গে সুনামগঞ্জের এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার রাতে ওই যুবকসহ আরও ২-৩ জন তাদের বাড়িতে আসে। তারা আলমারি ভেঙে স্বর্ণ ও টাকা লুট করে। সে সময় শাশুড়ি ফেরদৌসীর গলার হার নিতে গেলে তিনি জেগে ওঠেন। তিনি চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্তরা তাকে হাত-পা বেঁধে এবং মুখে টেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে তামান্না ও তার কথিত প্রেমিকসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামল দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
৩ দিন আগে
চাঁদপুরে ঈদে শোকের ছায়া নিয়ে বাড়ি ফিরলেন জাবির খাদিজা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থী শারমিন জাহান খাদিজা (২৫) সাভারে রহস্যজনক হত্যাকাণ্ডের পর চাঁদপুরে নিজ বাড়িতে ফিরলেন শোকের ছায়া নিয়ে। ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে পরিবারের কাছে ফেরার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নিথর দেহ হয়ে বাড়ি ফিরতে হয়েছে তাকে।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে আছরের নামাজের পর জানাজা শেষে তার মরদেহ কচুয়ার তেতৈয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহত খাদিজা কচুয়া উপজেলার ৬ নম্বর কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী শাহজাহান মোল্লার মেয়ে ছিলেন। জাবির লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম রোকেয়া হলের তিনি আবাসিক ছাত্রী ছিলেন।
এদিকে, ঈদের আনন্দের সময় এমন মর্মান্তিক ঘটনায় কচুয়া উপজেলার তেতৈয়া গ্রামসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গ্রামের প্রতিবেশিরা জানান, খাদিজা খুবই মেধাবী ও ভদ্র স্বভাবের মেয়ে ছিলেন। পরিবারের স্বপ্ন ছিল উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ শেষে দেশের নামকরা মানুষ হবে খাদিজা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন সাভারের ইসলামনগর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে দ্রুত সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ফাহিম আল হাসান (২২) নামে এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। তিনি ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাসিন্দা।
এ হত্যার ঘটনার রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ জিতু ও সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম।
এর আগে, এ ঘটনায় নিহত খাদিজার চাচা মনিরুল ইসলাম (৪৬) বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মনিরুল ইসলাম মামলার এজাহারে অভিযোগ করে বলেন, শারমিন জাহান খাদিজার সঙ্গে ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম আল হাসানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং তারা গত ২৪ জুন ইসলামি শরিয়ত মেনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর আমাদের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়।
মামলার এজহারে আরও উল্লেখ করা হয়, সেপ্টেম্বর মাস থেকে আশুলিয়া থানার ইসলামনগর জামে মসজিদ-সংলগ্ন জনৈক সুপ্তদের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়া বসবাস করেছিলেন তারা। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই উভয়ের দাম্পত্য জীবনে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে কলহ সৃষ্টি হয়। কলহের বিষয়টি খাদিজা তার বাবা ও মাকে জানিয়েছিলেন।
মনিরুল ইসলাম বলেন, চতুর্থ তলা বাড়িটির নীচ তলার বাম পাশের রুমে ঢুকে খাদিজাকে খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। তখন আমি আশপাশের লোকজনের সহায়তায় আমার ভাতিজিকে চিকিৎসার জন্য এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, মর্গে মরদেহ পাঠানোর আগে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। খাদিজার কপালের ডান পাশে, মাথার ওপরে গভীর কাটা রক্তাক্ত জখম দেখা যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে জানতে পারি, আসামি ফাহিম সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভাড়া বাসায় ফিরে যান। এই সময়ের মধ্যেই ফাহিমসহ অজ্ঞাতনামারা পরস্পরের যোগসাজশে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা, কপালসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে হত্যা করেন।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন ইসলামনগর গ্রামের একটি ভাড়া বাড়িতে নৃশংসভাবে খুন হন জাবির লোক প্রশাসন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের (৫১তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী শারমিন জাহান খাদিজা।
৪ দিন আগে
ঝিনাইদহে পাম্পে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
ঝিনাইদহ শহরের সৃজনী পেট্রোল পাম্পে তেল দেওয়া নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে নিরব নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পাম্পকর্মীদের বিরুদ্ধে।
শনিবার (৭ মার্চ) রাত ১০টার দিকে ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত নিরব কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার এলাকার বাদুরগাছা গ্রামের আলীমুর রহমানের ছেলে। তিনি ঝিনাইদহ পৌর এলাকার ব্যাপারীপাড়ায় পালক পিতা আবুল কাশেমের সঙ্গে বসবাস করতেন। ঝিনাইদহ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে তার একটি ফাস্টফুডের দোকান ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার রাতে নিরব ও তার এক সঙ্গী মোটরসাইকেলে তেল নিতে তাজ ফিলিং স্টেশনে যান। সে সময় পাম্পকর্মীরা তাদের মোটরসাইকেলে তেল দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে তারা ফিরে আসার সময় দেখেন, অন্য একজনকে পাঁচ লিটারের বোতলে তেল দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে পাম্পকর্মীদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। সে সময় পাম্পকর্মীর লাঠির আঘাতে নিরব গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিরবের পালক পিতা আবুল কাশেম অভিযোগ করেন, তাদের মোটরসাইকেলে তেল না দিয়ে অন্যদের বোতলে তেল দেওয়ার প্রতিবাদ করায় পাম্পকর্মীরা তার ওপর হামলা চালান।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ ‘দ্য রেড জুলাই’ সংগঠনের যুগ্ম সদস্য সচিব আবু হাসনাত তানাইম বলেন, বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা বলায় তাদের এক সহযোদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তিনি।
ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সুমন জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামসুল আরেফিন বলেন, তেল নেওয়া নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে লাঠির আঘাতে নিরবের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত মূল তিন আসামিকে আটক করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
১৩ দিন আগে
নওগাঁয় স্ত্রী-সন্তানকে ছুরিকাঘাতে ‘হত্যার’ পর স্বামীর আত্মহত্যা
নওগাঁর আত্রাইয়ে স্ত্রী ও দুই বছরের সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছেন এক ব্যক্তি।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বলরামচক চৌধুরীপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— উপজেলার বলরামচক চৌধুরীপাড়া গ্রামের গৌতম সকারের ছেলে রাজ সরকার জয় (২৭), তার স্ত্রী বৃষ্টি সরকার (২২) ও কন্যাশিশু জিনি সরকার (২)।
স্থানীয়রা জানান, নিহত রাজ সরকার জয় মাদকাসক্ত ছিলেন। স্বামী মাদকাসক্ত ও বেপরোয়া হওয়ার কারণে স্ত্রী বৃষ্টি সরকার এর আগে অনেকবার সংসার ছেলে চলে যান এবং আবার ফিরে আসেন। গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়লে জয় তার স্ত্রী ও সন্তানকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার স্ত্রী মারা যান। পরে নিজেও ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা টের পেয়ে সেখানে গিয়ে জয় ও জিনিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় সেখানকার চিকিৎসক তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। রামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ (শুক্রবার) সকালে তারা উভয়ই মারা যান।
আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) আব্দুল করিম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গুরুতর আহত অবস্থায় তার স্বামী ও সন্তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পারিবারিক কলহ ও মাদকাসক্তির কারণে স্ত্রী-সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন জয়; পরে তিনি নিজেও ছুরিকাঘাতে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করছেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
১৫ দিন আগে
খুলনায় শ্রমিক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা
খুলনার রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি ও রূপসা–বাগেরহাট আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহকে (৫৫) প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (৪ মার্চ) রাত ১০টার দিকে মহানগরীর ডাকবাংলোর মোড়ের বাটার শোরুমের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত অশোক ঘোষ নামে এক ব্যক্তিকে বিদেশি পিস্তলসহ আটক করেছে পুলিশ।
নিহত মাসুম বিল্লাহ রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের মৃত মিনহাজ উদ্দীন মুন্সীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, ডাকবাংলা মোড়ে মাসুম বিল্লাহ অবস্থান করছিলেন। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর গুলি চালায়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) তাজুল ইসলাম বলেন, ৬ থেকে ৭ জন সন্ত্রাসী মাসুমকে ভাড়ায় খুন করতে আসে। কে কত টাকা পাবে, তাদের মধ্যে তা হিসাব করা ছিল। ৭ জন মিলে মাসুমকে গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় ট্রাফিক পুলিশের একজন পরিদর্শক অশোক ঘোষকে কোমড়ে পিস্তল রাখতে দেখে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করেন। আটক ব্যক্তির কাছ থেকে জানতে পেরেছি, এ অপারেশনে ৭ জন জড়িত ছিল। তাদের কাছে নানা ধরনের ধারালো অস্ত্র ও পিস্তল ছিল।
খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা খাইরুল ইসলাম জানান, মাসুম বিল্লাহ রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি বিএনপির পরীক্ষিত নেতা ছিলেন। বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রামে মাসুমের রাজপথে ভূমিকা ছিল।
১৬ দিন আগে
গাজীপুরে মাদরাসাছাত্র হত্যার রহস্য উন্মোচন, ভাইসহ গ্রেপ্তার ২
গাজীপুরে মাদরাসাছাত্র আব্দুর রাহিমকে (১৩) হত্যার পর গভীর শালবনে গর্ত করে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে গুম করা হয়। হত্যার রহস্য উদঘাটন করে এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাইসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন।
তিনি জানান, জেলার জয়দেবপুর থানার ডগরি নয়াপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে আব্দুর রাহিম স্থানীয় নয়াপাড়া এবাদিয়া দাখিল মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। গত ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সে নিখোঁজ হয়। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তার বাবা ৩ ফেব্রুয়ারি জয়দেবপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি জয়দেবপুর থানাধীন বিকেবাড়ি পদ্মপাড়া এলাকায় বাঁশরী রিসোর্টের দক্ষিণ পাশে সরকারি শালবনের গভীরে গর্তের ভেতর মাটি চাপা দেওয়া অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে মরদেহটি শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হলে পোশাক দেখে রাহিমের বাবা তার ছেলেকে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় ২৭ ফেব্রুয়ারি জয়দেবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়।
মামলার তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রাহিম তার বাবার কাছে মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করছিল। এ বিষয় নিয়ে বড় ভাই আলামিন হোসেন ক্ষুব্ধ হয়ে বন্ধু আশিক আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পনা করেন। সে অনুযায়ী ১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তারা রাহিমকে শালবনের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মাফলার দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে মুখে স্কচটেপ লাগানো হয়। একপর্যায়ে রাহিম বিষয়টি বাবাকে জানিয়ে দেবে বললে আলামিন তাকে গলাটিপে হত্যা করেন। পরে ঘটনাস্থলের পাশেই গর্ত করে মাটি চাপা দেওয়া হয় এবং আলামত নষ্ট করতে তার জ্যাকেট আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
পরবর্তী সময়ে গতকাল (৩ মার্চ) ভোরে জয়দেবপুর থানার মির্জাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলামিন হোসেন (২৩) ও আশিক আহমেদকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ২৬ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার বিকে বাড়ি এলাকার বাঁশরী রিসোর্টের দক্ষিণ পাশে শালবানের ভেতর বেশ কয়েকজন কিশোর টিকটক ভিডিও করতে যায়। শুটিং করার সময় বনের ভেতরে তীব্র দুর্গন্ধ তাদের নাকে আসে। পরে তারা সামনে এগিয়ে মাটিতে চাপা দেওয়া ও কিছু অংশ বের হওয়া অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পায়। তারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
১৭ দিন আগে
বগুড়ায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা খুন, আটক ২
বগুড়া শহরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সাইফুল ইসলাম (৪৫) নামের এক জামায়াত নেতাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত দুই জনকে আটক করেছে র্যাব ।
রবিবার (১ মার্চ) সকালে শহরের মাহবুবনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তারেক (৩০) নামের আরও একজন আহত হয়েছেন।
নিহত সাইফুল ইসলাম বগুড়া শহরের খান্দার এলাকার মৃত নওশেদ আলীর ছেলে ছিলেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বগুড়া শহর শাখার ওলামা বিভাগের রুকন ও দায়িত্বশীল ছিলেন বলে জানিয়েছেন শহর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক ইকবাল হোসেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল (রবিবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের মাহবুবনগর এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র (চাকু) নিয়ে সাইফুল ও তারেকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের দুজনকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের জরুরি বিভাগে ভর্তির পরামর্শ দেন। এরপর সাইফুল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে রাতে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পুনরায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুজন আটক হয়েছেন। তারা হলেন: বগুড়া শহরের খান্দার ভিআইপি রোড এলাকার মেহেদী হাসান টিটু ও মোস্তাকিন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। থানায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এদিকে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর শাখার আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলাানা আবিদুর রহমান সোহেল, সেক্রেটারি আ স ম আব্দুল মালেক এবং উলামা বিভাগ বগুড়া শহর শাখার সভাপতি মাওলানা আলমগীর হোসাইন।
১৯ দিন আগে
নরসিংদীতে কিশোরীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যা: ৭ আসামি রিমান্ডে
নরসিংদীতে কিশোরীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরাসহ গ্রেপ্তার ৭ আসামির ৮দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রবিবার (১ মার্চ) জুডিশিয়াল দ্বিতীয় আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান এই আদেশ দেন।
এর আগে, গত শুক্র ও শনিবার দুদিনে ৭ আসামির ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওমর কাইয়ুম। এরপর আজ (রবিবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নরসিংদী জজ কোর্টের দ্বিতীয় জুডিশিয়াল আদালতে তোলা হয় ওই ৭ আসামিকে।
এদিন বাদীপক্ষ স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনজীবী আদালতে দাঁড়ালেও আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী আদালতে দাঁড়াননি।
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা থেকে শুক্রবার দিবাগত রাতে নূরা এবং একই সময়ে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর মাধ্যমে নিয়ে কিশোরীর মা ফাহিমা বেগমের করা মামলায় ৯ জন আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
তার আগে, গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কিশোরী আমিনার বাবার কাছ থেকে নূরার নেতৃত্বে একটি চক্র তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষাখেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলার এজহারের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ৪ জন এবং বিচারকাজে সহায়তাকারী সাবেক মেম্বারসহ ৩ জন নিয়ে মোট ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। বাকী দুই পলাতক আসামিকেও দ্রুতই আইনের আওতায় আনা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
২০ দিন আগে
পাবনায় দাদিকে হত্যা করে নাতনিকে ‘ধর্ষণের পর হত্যা’
পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় দাদিকে কুপিয়ে হত্যার পর নাতনিকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোনো একসময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে প্রতিবেশীরা ঘর থেকে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে যাওয়ায় তারা আবারও নিজ নিজ ঘরে ফিরে যান। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এ সময় নাতনি জামিলাকে বাড়িতে খুঁজে না পাওয়া গেলেও পরে পার্শ্ববর্তী একটি সরিষাখেত থেকে তার বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্বজন ও এলাকাবাসীর ধারণা, জামিলাকে অপহরণের পর ধর্ষণ শেষে হত্যা করেছে ঘাতকরা। পরে মরদেহ সরিষাখেতে ফেলে রেখে গেছে তারা।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কী কারণে এই জোড়া হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
২১ দিন আগে