বাংলাদেশ
বাংলাদেশ-চীন যৌথ উদ্যোগে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে শিক্ষকদের মানের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এজন্য আমরা চীনের সঙ্গে যৌথভাবে সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
শনিবার (৯ মে) ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে চীন দূতাবাস ও ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন’ আয়োজিত চায়না-বাংলাদেশ এজুকেশন কোঅপারেশন ফোরাম-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়ন করতেই হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। এজন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করতে হবে। বর্তমান সরকার শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করেছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে সিলেবাস, কারিকুলাম এবং একাডেমিক ক্যালেন্ডার পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে শিক্ষকদের মানের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এজন্য আমরা চীনের সঙ্গে যৌথভাবে সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের সেতুবন্ধন আরো সুদৃঢ় করে চাই। সেই সেতুর মূল উপকরণ হবে শিক্ষা।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাই তাদের দেশের নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য যোগ্য হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।
ফোরামে শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ ও চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষা ও প্রযুক্তিবিষয়ক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এবিএম বদরুজ্জামান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
১২ ঘণ্টা আগে
দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার: শিল্পমন্ত্রী
শিল্প, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে এই প্রক্রিয়ায় আখচাষি, শ্রমিক এবং প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি লাভজনক পরিচালনা—এই তিনটি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শনিবার (৯ মে) পঞ্চগড় সুগার মিলস লিমিটেড কারখানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত আখচাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এই মিলগুলো বাংলাদেশের মানুষের সম্পদ। তাই এগুলোর সৎ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। আমরা চাই, বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো আবার উৎপাদনে ফিরুক, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হোক এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন গতি নিয়ে আসুক।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে কয়েকটি চিনিকল বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি চালু থাকা অনেক মিলও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। অধিকাংশ মিলের বয়স ৫০ থেকে ৭০ বছর অতিক্রম করেছে। ফলে আধুনিকায়ন, সংস্কার ও নতুন প্রযুক্তি সংযোজন ছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠানের কার্যকর পুনরুজ্জীবন সম্ভব নয়।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, কোনো কোনো মিল নতুন যন্ত্রপাতি সংযোজনের মাধ্যমে চালু করতে হবে, কোথাও অবকাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন, আবার কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিকল্প পরিকল্পনাও বিবেচনা করতে হবে। তবে সবক্ষেত্রেই আখচাষিদের স্বার্থ, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান এবং লাভজনক পরিচালনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি শিল্পকারখানা সচল থাকলে শুধু সরাসরি শ্রমিক নয়, এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আরও অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়। ফলে বন্ধ মিলগুলো পুনরায় সচল করা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দারিদ্র্য হ্রাসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান বাড়লে মানুষের হাতে অর্থের প্রবাহ বাড়বে, স্থানীয় অর্থনীতি সক্রিয় হবে এবং দারিদ্র্য কমবে। সেই লক্ষ্য নিয়েই সরকার শিল্প পুনরুজ্জীবনের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন—বিএসএফআইসিয়ের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম, পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. তৌহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন এবং পঞ্চগড় সুগার মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপক আতিকুজ্জামানসহ আখচাষি প্রতিনিধি, শ্রমিক নেতারা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পঞ্চগড় সুগার মিলস লিমিটেড ১৯৬৬-৬৯ সালে দৈনিক ১ হাজার ১৬ টন আখ মাড়াই ক্ষমতা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৬৯-৭০ সালে চূড়ান্ত উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৩৫
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৫টি শিশু।
শনিবার (৯ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৯১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৩৫২টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪৬। এই সময়ে ৭৬৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৯৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ৬৫৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৯৭৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৩৩ হাজার ৬৩১ রোগী, যাদের মধ্যে ২৯ হাজার ৭৪৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে তৃণমূলের নেতাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
সরকারকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি যে ইশতেহার দিয়েছিল তা সর্বশক্তি দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না।
শনিবার (৯ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বৈঠকে দলের তৃণমূলের নেতাদের এই বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মানুষকে বলেছিলাম যে আমরা সুশাসন দেব। আমরা বলেছিলাম, আমরা একটি দেশ তৈরি করতে চাই, যে দেশে শিক্ষার্থী একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে, যেখানে নারী-পুরুষ-শিশু সবাই নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারবে।
তিনি বলেন, আমরা যখন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম, তখন আমরা বলেছিলাম যে আমাদের উপরে যেরকম অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা যেমন গুম-খুনের শিকার হচ্ছে, আমরা চাই দেশে এমন একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক যেখানে আমরা বিতর্ক করব, কথা বলব, কিন্তু এরকম পরিস্থিতি আমরা তৈরি হতে দেব না।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, একটি যুদ্ধ শেষ হয়েছে, এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কী সেই যুদ্ধ? সেই যুদ্ধটি হচ্ছে আমরা মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেই প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন করা।
তিনি বলেন, মানুষ আমাদের দলের পক্ষে, আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে। নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত এই ইশতেহার ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ইশতেহার। নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে, বিশেষ করে আমরা (বিএনপি) সরকার গঠন করার পরে সেটি সরকারের তথা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। কাজেই ইশতেহারে আমরা যা যা বলেছি, তা বাস্তবায়ন করার জন্য এখন সর্বশক্তি দিয়ে সরকারকে চেষ্টা করতে হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির মরদেহ
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।
শনিবার (৯ মে) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়।
বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করতে উপস্থিত ছিলেন বৃষ্টির বাবা-মা ও নিকটাত্মীয়রা। এ সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। মেয়ের কফিন দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন শোকাতুর স্বজনরা।
মরদেহ হস্তান্তর প্রক্রিয়ার সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
একই ঘটনায় নিহত হন আরেক বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন। তিনিও ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী ছিলেন।
মেধাবী এই দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ মে জামিলের মরদেহ দেশে আসে।
নিহত দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা কর্তৃপক্ষ।
১৬ এপ্রিল ওই দুইজন নিখোঁজ হন। তাদের ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া গেলে পরিবারের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে জামিলের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘরবেহকে তার পারিবারিক বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আবুঘরবেহকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ২৪ এপ্রিল ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকায় আবর্জনা ফেলার কালো ব্যাগের মধ্যে জামিলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়। এ ঘটনায় হিশাম আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে হত্যার দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ঢাবি সাংবাদিকতা বিভাগ অ্যালামনাইয়ের নেতৃত্বে ইলিয়াস-রিনভী-মাসউদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (ডিইউএমসিজেএএ) ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি পদে ইলিয়াস খান, সাধারণ সম্পাদক পদে শাহনাজ শারমিন রিনভী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মাসউদ বিন আব্দুর রাজ্জাক নির্বাচিত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র—টিএসসিতে ডিইউএমসিজেএএ’র বার্ষিক সাধারণ সভা ও দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ভোট গণনা শেষে এদিন দিবাগত রাত ১২টার দিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মাহফুজুর রহমান। এ সময় নির্বাচন কমিশনার জাহিদ নেওয়াজ খান, দৌলত আক্তার মালা, আবু সালেহ আকন এবং আঙ্গুর নাহার মন্টি উপস্থতি ছিলনে।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে ইলিয়াস খান ২৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. এম কামাল উদ্দিন জসিম পেয়েছেন ১২৬ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে বিজয়ী ৫ জন হলেন— তারিকুল ইসলাম খান রবিন (৩৪০ ভোট), মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া (৩২২ ভোট), কবির আহমেদ খান (২৮৯ ভোট), শারমিন আক্তার (২৩৩ ভোট) এবং শাহেদ আলম (২০৯ ভোট)।
একক প্রার্থী হওয়ায় সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন শাহনাজ শারমীন রিনভী।
এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে শাকিল হাসান ৩২৫ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন। এই পদে অন্য দুই বিজয়ী হলেন— জেসমিন জাহান মুন (২৬৫ ভোট) এবং মো. মাজেদুল হাসান পায়েল (১৯৭ ভোট)।
অর্থ সম্পাদক পদে তাকী মোহাম্মদ জোবায়ের এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মাসউদ বিন আব্দুর রাজ্জাক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
এ ছাড়াও সহ-অর্থ সম্পাদক পদে লিঙ্কন মো. লুৎফরজ্জামান সরকার (২৯২ ভোট) ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রফিকুল ইসলাম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা), সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোস্তফা মোহাম্মদ তাহান (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা), গবেষণা ও সেমিনার সম্পাদক পদে মাসুম বিল্লাহ (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা), কল্যাণ সম্পাদক পদে তারেক হাসান নির্ঝর (৩৩২ ভোট), ক্রীড়া সম্পাদক পদে মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি (২৪৯ ভোট), যোগাযোগ সম্পাদক পদে মেহেদী হাসান (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে তানিয়া সুলতানা (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা) এবং দপ্তর সম্পাদক পদে মো. রাফিজ খান (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা) দায়িত্ব পেয়েছেন।
১০টি নির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ীরা হলেন— আবুল কালাম আজাদ, হাসান উল্লাহ খান (রানা হাসান), মো. আনোয়ার হোসেন মজুমদার, শারমিন ইফফাত শামস তুলি, আলী আসিফ শাওন, ইশরাত জাহান শোভা, নাজমা বিনতে আলমগীর, শওকত এম ওবায়েদ হাসান রুকুন, মুহাম্মদ রেজাউল করিম শাম্মী এবং তৌফিক মাহমুদ।
এর আগে, গতকাল বিকেলে থেকে আয়োজিত ‘যোগাযোগ উৎসব’-এ প্রধান অতিথি ছিলেন ডিইউএমসিজেএএ’র অ্যালামনাই সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। অ্যালামনাইয়ের সভাপতি মো. শামসুল হকের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী। এ সময় বিভাগের প্রবীণ শিক্ষক ড. গোলাম রহমান, প্রধানমন্ত্রীর স্ক্রিপ্ট রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান, অ্যালামনাইয়ের সাধারণ সম্পাদক মীর মাসরুরুজ্জামান রনি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শাকিল হাসান।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের স্বতস্ফূর্ত ‘যোগাযোগ উৎসব’ এদিন এক প্রাণবন্ত মিলন মেলায় পরিণত হয়। উৎসব ও নির্বাচন উপলক্ষে মুখর ছিল পুরো ক্যাম্পাস। দীর্ঘদিন পর পুরনো সহপাঠী ও শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা হওয়া, স্মৃতিচারণ এবং আড্ডায় পুরো আয়োজনটি এক অন্যরকম উৎসবে রূপ নেয়।
২০ ঘণ্টা আগে
চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য গেলেন রাষ্ট্রপতি
ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ শনিবার সকালে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শনিবার (৯ মে) সকাল পৌনে ৮টায় রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০১ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।
রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য, তার চিকিৎসক, স্টাফ নার্স ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে মো. সাহাবুদ্দিনের কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ফলো-আপ হিসেবে যুক্তরাজ্যের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।
চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
জ্বালানির অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর সুযোগ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এ বিষয়ে সরকার নজরদারি রাখবে বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে সিলেট জেলা পরিষদের ন্যাচারাল পার্ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য যে পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে পণ্যমূল্য খুব বেশি বাড়ার কথা না। কেউ যদি বাড়তি মূল্য রাখে, তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে। তবে দাম বাড়বে বলে অনুমান করেও দাম বাড়িয়ে দেওয়া ঠিক না।
এ বিষয়ে সরকারের তদারকির সুযোগ রয়েছে এবং বাজার পরিস্থিতি নজরদারিতে রাখা হবে। কেউ বাজার প্রভাবিত করার চেষ্টা করলে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার ঘাটতির কারণে পণ্য পরিবহন ব্যয় বাড়ছে। সেটি কমাতে বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এজন্য একটি ডেনিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বন্দরের কাজ দ্রুত হলে ইউনিটপ্রতি খরচ কমে আসবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধারা যদি দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, তাহলে তা পরিবর্তনের সুযোগ চুক্তির মধ্যেই রয়েছে।’
সরকারি কল কারখানা বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সরকারের কাজ ব্যবসা করা না। সরকার যেখানেই ব্যবসা করতে যায়, সেখানেই অদক্ষতার কারণে লোকসান হয়। এতে জনগণের টাকা অপচয় হয়।
তিনি আরও বলেন, সবগুলো লোকসানি প্রতিষ্ঠান সরকার ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগকারীদের কাছে ছেড়ে দিতে চাচ্ছে। এসব কল-কারখানা চালু করে যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রাজস্ব আহরণের ব্যবস্থা করা হয় সরকার সেই চেষ্টা করছে।
বাইশটিলায় ন্যাচারাল পার্ক নির্মাণ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাইশটিলা এলাকায় সিলেট জেলা পরিষদের ৪৩ একর জায়গা রয়েছে। এটিকে পর্যটক আকর্ষনীয় স্থানে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখানে ন্যাচারাল পার্কে ক্যাবল কার থাকবে, রোপ ব্রিজ থাকবে— এরকম অনেক কিছু থাকবে। শিশু থেকে প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য অনেক উপকরণ থাকবে। এটি নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান করেছে জেলা পরিষদ। এটি সিলেটের অন্য পর্যটক আকর্ষণীয় স্থান হবে। সরকার এতে অর্থায়ন করবে।
এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমসহ রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী এই সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়: মির্জা ফখরুল
একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠি এই সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রাইয়ের পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী আছে, তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্ন সময় এই সমাজকে আবার অস্থির করে রাখতে চায়। আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির কথা বলতে চাই না। আমাদের রাজনীতি সুন্দর-পরিচ্ছন্ন না। বারবার মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে, পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি।
তিনি আরও বলেন, আমি শুধু বলতে চাই আমাদের যে মূল জায়গাটা—১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের যে সক্রিয়তা ও পরিচয়—আমরা বাংলাদেশি তা সবার আগে মনে রাখতে হবে। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করেছি। এই যুদ্ধ করেই আমরা স্বাধীনতা নিয়ে এসেছি। আবার গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি লড়াই করেই। এমনি এমনি গণতন্ত্র ফিরে পাইনি।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ে আমাদের সন্তানেরা সবাই মিলে যে লড়াইটা করল, আমরা একে বলি জুলাই যুদ্ধ। পরিবর্তন এসেছে, নতুন নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশা নিয়ে আছে।
তিনি বলেন, যারা ফ্যাসিস্ট ছিল তারা দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে, অর্থনীতিকে বিদেশে লুটপাট করে নিয়ে গেছে, ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করেছে, প্রশাসনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে লড়াই করেই আমরা আজকে এই অবস্থাতে এসেছি। অনেকেই চেষ্টা করছে এই পরিবর্তনটাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে। ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করতে। আমরা কেউ চাই না দেশে আর কোনো গোলযোগ হোক।
তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ এখানে যখন আসতেন, তিনি কৃষকদের দুঃখ দুর্দশা দেখে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। কৃষিকে আধুনিক করার জন্য আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি কাজ শুরু করেছিলেন। এটি তার জীবন, কাজ ও কবিতার বাইরের ব্যপার ছিল। রবীন্দ্রনাথের কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্ব মানবতার কবি। আমার প্রায়ই মনে হয়, রবীন্দ্রনাথকে সারা জীবন পড়লেও পড়া যায় না।
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারি টিপু, নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, বাংলাদেশ দূতাবাস মেক্সিকোর সাবেক রাষ্ট্রদূত এম. মুশফিকুল ফজল আনসারী, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নুসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভা শেষে ঢাকা ও স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে আবৃত্তি, রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত পতিসরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে দিনভর ভিড় করেন হাজারো দর্শনার্থী ও রবীন্দ্রপ্রেমী মানুষ।
১ দিন আগে
কৃষকদের জন্য শস্য বীমা চালু করা হবে: প্রতিমন্ত্রী
কৃষকদের জন্য শস্য বীমা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে যশোরে অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ যৌথভাবে সরকারি খাদ্য গুদামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘হাতের কালি মুছার আগেই সরকার কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা সরকারি ভর্তুকি মূল্যে সব ধরনের কৃষি উপকরণ কিনতে পারবেন। প্রয়োজনে কৃষকরা স্বল্প সুদে কৃষিঋণ নিতে পারবেন। সরকার তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘আজ কৃষি ক্ষেত্রে যে অগ্রযাত্রা, তার সূচনা করেছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি খাল খনন কর্মসূচি থেকে শুরু করে বিদেশ থেকে উন্নতমানের সার, বীজ, যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ এনে দেশের কৃষিতে সবুজ বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। ফলে দেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। দেশের কৃষি খাতের এই অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার পিতার কর্মসূচিগুলো নতুনভাবে শুরু করেছেন।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ, ডিজেল ও সার সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধান ক্রয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এ সময় প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের মাধ্যমে বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে তিনি সেখানে একটি বৃক্ষরোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান, সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. মামুনুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক এবং জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। এ সময় স্থানীয় কৃষকসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন কৃষকরা। এর মাধ্যমে ধানের ন্যায্যমূল্য পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে যশোর জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ১৬৬ টন। সরকারিভাবে প্রতি কেজি ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ টাকা।
১ দিন আগে