বাংলাদেশ
নয়াদিল্লিতে ইলিশ ফেস্ট
বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশকে ঘিরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বর্ণাঢ্য ‘ইলিশ ফেস্ট’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের মৈত্রী মিলনায়তনে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
উৎসবে ভারতীয় রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
ঢাকায় পাওয়া হাইকমিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও খাদ্যরসিকতার অন্যতম অনুষঙ্গ ইলিশকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উৎসব অতিথিদের মধ্যে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আতিথেয়তার এক অনন্য আবহ তৈরি করে।
অনুষ্ঠানে ইলিশের নানা পদ পরিবেশনের পাশাপাশি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও রন্ধনশৈলীর বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়।
অতিথিরা বাংলাদেশের ইলিশের স্বাদ গ্রহণের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বাঙালির আবেগ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা দিক উপভোগ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্ট সাংবাদিক এম জে আকবর, সাবেক কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ মণি শংকর আইয়ার, মানবাধিকারকর্মী ও সমাজচিন্তক সাইদা হামদি, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত রনেন সেন, বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী আশিস নন্দীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
আয়োজনে অংশ নেওয়া অতিথিরা বাংলাদেশের ইলিশের স্বাদ ও আয়োজনের প্রশংসা করেন। ইলিশ ফেস্টের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তা ভারতের বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের সামনে তুলে ধরা হয়।
এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ভারতীয় নাগরিকরা ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘এ ফিশ কলড হিলসা’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।
উন্মোচন শেষে হাইকমিশনার মু রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, প্রকৃত অর্থে ইলিশ বাংলাদেশের পরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ইলিশ বাংলাদেশের সমাজ ও অর্থনীতির সঙ্গে মিশে আছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ইলিশ মাছের পাঁচটি অভয়াশ্রম রয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে ইলিশের সংরক্ষণ ও উৎপাদন ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সব কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
১২ ঘণ্টা আগে
ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আর ছাড় নয়: ডিএনসিসি প্রশাসক
অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ফুটপাতগুলো জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংস ও প্রতিরোধে ডিএনসিসির আয়োজনে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক অভিযোগ করেন, ব্যবসার উদ্দেশ্যে ফুটপাত দখল করে রাখা ব্যক্তিদের ডিএনসিসির পক্ষ থেকে আগে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা এর পরিপ্রেক্ষিতে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি।
সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘এখন আর নোটিশ নয়, যেখানেই ফুটপাত দখল করা হবে, সেখানেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলবে এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করে জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত পথচারীদের জন্য এবং নিরাপদে তা ব্যবহারের অধিকার জনগণের রয়েছে।
জনগণই সব ক্ষমতার উৎস উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ডিএনসিসি সহযোগিতা করবে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা কেউ প্রতিহত করতে চাইলে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে তা মোকাবিলা করব।’
এ সময় ডিএনসিসি প্রশাসক তিন মাসের মধ্যে নগরকে ডেঙ্গুমুক্ত এবং ফুটপাতকে অবৈধ দখলমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার অনুযায়ী তিন মাসের মধ্যে ঢাকা উত্তরকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে আমরা প্রতিদিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।’
ডিএনসিসি তিন মাস ধরে ঢাকা উত্তরকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে কাজ করছে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত আবাসিক ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং যেখানে লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু সম্পর্কে নগরবাসীকে সচেতন করতে স্থানীয় প্রতিনিধি ও আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে খোলা চিঠি বিতরণ করা হবে।
বিশেষ পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধনের পর দোকানিদের নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার উৎসাহ দিতে মেট্রোরেলের নিচে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে বিশেষ ময়লার বিন স্থাপন করা হয়।
ডিএনসিসি প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি র্যালিও বের করা হয়। পরে মিরপুর-১০ ফলপট্টি এলাকায় অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এসব স্থাপনা আবার বসানো হলে পুনরায় উচ্ছেদ করা হবে বলেও জানান প্রশাসক।
এছাড়া মেট্রোরেলের পিলারে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর লাগানো পোস্টার ও লিফলেট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনি কর্মকর্তাদের আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মেট্রোরেলের পিলার থেকে সব অবৈধ পোস্টার অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন।
নগরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ডিএনসিসি প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
১২ ঘণ্টা আগে
ভাড়ানৈরাজ্য ঠেকাতে সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি
গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে অবিলম্বে সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানিয়েছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংগঠনের সভাপতি হাজি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক যৌথ বিবৃতিতে সরকারের প্রতি এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সরকার বাসসহ বিভিন্ন গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ালেও ঢাকা মহানগরীতে চলাচলকারী কোনো বাসে মালিকপক্ষ ভাড়ার তালিকা টানায়নি। অথচ নগর পরিবহন ও দূরপাল্লার সব ধরনের বাসে দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়ার তালিকা টানানো বাধ্যতামূলক।
ভাড়ার তালিকা না থাকার সুযোগে বাসের কন্ডাক্টররা ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়। এ নিয়ে পরিবহনকর্মী ও যাত্রীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হচ্ছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
কমিটি আরও অভিযোগ করেছে, চার-পাঁচ দিন ধরে রাজধানী ঢাকার নগর পরিবহন এবং ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর মধ্যে চলাচলকারী বাস সার্ভিসগুলোতে এমন অরাজকতা চললেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নীরব রয়েছে।
বিবৃতিদাতারা গণপরিবহনের এই ভাড়াসন্ত্রাস ও অরাজকতা ঠেকাতে অবিলম্বে ঢাকাসহ সারা দেশে বিআরটিএ ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
১৫ ঘণ্টা আগে
ফ্যাসিবাদের দোসরদের আইনের আওতায় আনলে পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশ বাহিনীকে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগিয়ে ‘ফ্যাসিবাদের দোসরদের’ আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি এ কাজে ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত পদক প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ ঘোষণা দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ফ্যাসিবাদ ও আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবে, তাদের আমরা পুরস্কৃত করব।’
এ সময় তিনি জানান, সম্প্রতি এ ধরনের কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে গত সপ্তাহে ‘ফ্যাসিবাদের দুই শক্ত দোষর’ এবং শুক্রবার আরও একজনকে আটক করা হয়।
পুলিশকে নিজস্ব গোয়েন্দা সক্ষমতার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘তারা (আটক) এতদিন এখানেই লুকিয়ে ছিল। আমাদের গোয়েন্দা সহায়তা কোথায় ছিল?’
দেশে যারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
জাতিসংঘের পরিসংখ্যানের উদ্ধৃতি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, চব্বিশের আন্দোলনের সময় এক মাসে দেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছে। তিনি গত ১৭ বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত পরিসংখ্যানের কথাও উল্লেখ করেন। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দলীয়করণ এবং এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের মানুষ কখনও আবার রাজনীতিতে দেখতে চাইবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর যারা কোনো অনুশোচনা, ক্ষমাপ্রার্থণা করেননি বা দুঃখ প্রকাশ করেননি, তারা এখন বাংলাদেশের বাইরে থেকে কথা বলছেন।
শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাদের ফেরত পাঠাতে প্রতিবেশী দেশটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফিরে এসে আইনের মুখোমুখি হলে আইনি প্রক্রিয়া নিজস্ব গতিতেই চলবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে বিপিএম ও পিপিএম পদক প্রদান করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৪৩২
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৪৩২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এ মৃত্যুর পর চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১৯ জনে।
এর আগে ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় সংশোধিত প্রতিবেদনে নতুন এই মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করে অধিদপ্তর।
অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে একজন এবং সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে ঢাকা বিভাগে দুজন ও খুলনা বিভাগে পাঁচজন মারা গেছে।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৭১ হাজার ৫৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ৬৬ হাজার ২৫১ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,০৬৪
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৪টি শিশু।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৯৮৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ৮৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৮৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৮০। এই সময়ে ৯০৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৬৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮১৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৯৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৫৫ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
পুলিশের অপরাধে বিভাগীয় শাস্তির পাশাপাশি ফৌজদারি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব পালনের সময় শৃঙ্খলাভঙ্গ বা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করলে বিভাগীয় শাস্তির পাশাপাশি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাসহ ফৌজদারি আইনে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬-এর পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ সতর্কবার্তা দেন।
পুলিশ সদস্যদের দ্রুত নিজেদের সংশোধন করার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় কেউ শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে বা কোনো ধরনের অপরাধ করলে বিষয়টি শুধু বিভাগীয় শাস্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। কোনো ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফৌজদারি আইন, দণ্ডবিধি বা ফৌজদারি কার্যবিধির আওতায় বিচার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে, মাঠপর্যায়ের কিছু পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালনে অবহেলা করছেন এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে গোপনে তথ্য দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে সহায়তা করছেন।
এছাড়া জনগণের প্রত্যাশা বুঝতে ব্যর্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, পদমর্যাদা যা-ই হোক, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা যদি জনগণের প্রত্যাশা বুঝতে ব্যর্থ হন, তাহলে এর পরিণতি ভালো হবে না।
তিনি পুলিশকে জনবান্ধব হওয়ার আহ্বান জানান এবং জনগণের কাছে অস্বাভাবিক বা অগণতান্ত্রিক মনে হয়—এমন আচরণ থেকে বিরত থাকতে বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ আমাদের রাজা বা বাদশাহ হিসেবে দেখতে চায় না। তারা জনবান্ধব পুলিশ চায়।’
একই সঙ্গে তিনি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার আহ্বান জানান, যা মানুষের অস্বস্তি, অশান্তি বা দুর্ভোগের কারণ হয়। অধীনস্থদের এমন আচরণ করতে না দেওয়া এবং তাদের প্রশ্রয় না দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, সরকার ‘শাস্তি ও পুরস্কার’ নীতিতে বিশ্বাস করে এবং ভালো কাজের জন্য পুরস্কার ও অন্যায়ের জন্য শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি’ পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহার ও নিপীড়ন করেছে এবং জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়েছে। অনেক পুলিশ সদস্যকে বেআইনি বা অবৈধ আদেশ পালন করতে বাধ্য করা হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকার তাদের সংস্কার এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের সুযোগ দিয়েছে।
একই সময়ে মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় সৎ উদ্দেশ্যে করা ছোটখাটো ভুলকে আলাদাভাবে বিবেচনা করা হবে।
মন্ত্রী ২০২৪ সালের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান থেকে উঠে আসা পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ও বৈষম্যহীন সমাজের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে সরকার পুলিশ বাহিনীর জনবল ও সক্ষমতা বাড়াবে। এর মধ্যে ব্যাপক পরিসরে স্বল্পমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে কর্মকর্তা ও সদস্য নিয়োগের বিষয়টিও রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশের শক্তি, সংখ্যা, সরঞ্জাম ও রসদ বাড়ানো হবে এবং আমরা তা বাড়াচ্ছি।’
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহারে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন পদক্ষেপ হিসেবে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে কৌশলগত চুক্তি সই করেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ এ চুক্তিতে সই করেন। বিএনপির মিডিয়া সেল তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোরের বাংলাদেশ সফরের সময় ওয়াশিংটন ঢাকার সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারকের প্রস্তাব দেয়।
৩ আগস্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছিলেন, বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবকে বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে দেখছে। এতে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা হলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো সম্পৃক্ততা বিবেচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ‘ইতিবাচক’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘ সফরে ৭ রাষ্ট্র-সরকারপ্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে (ইউএনজিএ) অংশগ্রহণের পাশাপাশি নিউইয়র্কে চার কর্মদিবসে তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তানসহ সাত দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এই সাত নেতা হলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ, হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিস-আমে, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল।
ইউএনজিএতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী এসব নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, বৈঠকগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার, বাণিজ্য ও ব্যবসা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতবিনিময় হয়েছে।
তারেক রহমান মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ, কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ আল সৌদ এবং সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমার স্টেনারগার্ডের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন।
এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহ, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেইদ রাদ আল হুসেইন ও গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক সুজম্যানের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
আগের সরকারের গাফিলতিতে হামে বহু শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে দীর্ঘ চার বছর গাফিলতি ও বিলম্বের কারণে বহু শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দেশব্যাপী বিশাল পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে বলেও জানান তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বনানীর কড়াইল টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে দ্বিতীয় ধাপে হামের টিকা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ রাখা এবং ওপেন টেন্ডার সিস্টেমের অজুহাতে বিদেশ থেকে ভ্যাকসিন আমদানিতে আগের সরকারের দীর্ঘসূত্রতা ও গাফিলতির খেসারত জাতিকে দিতে হয়েছে। অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে।
তিনি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে জানান, প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুর মধ্যে এক হাজারের মতো শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। প্রতিটি শিশুর মৃত্যু সরকারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও লজ্জাজনক।
মন্ত্রী আরও জানান, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই গত ৫ এপ্রিল থেকে তিন পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। সর্বশেষ গত ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী এই কর্মসূচিতে প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া আরও ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য এই ক্যাম্পেইন আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনের জন্য ১০ লাখ টিকা সংরক্ষিত আছে, স্বাভাবিক টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে এই টিকা দেওয়া অব্যাহত থাকবে।
১৮ ঘণ্টা আগে