আজকের খবর - 19-08-2026
ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ দিয়ে নয়, হাম ঠেকাতে টিকাই একমাত্র পথ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
আইসিইউ বা ভেন্টিলেটর দিয়ে নয়, সঠিক সময়ে কার্যকর টিকাদানের মাধ্যমেই কেবল হামের মতো মারাত্মক সংক্রামক রোগের বিস্তার ও মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ‘হামের বিস্তার ও জিনগত নজরদারি’ বিষয়ক কর্মশালা এবং গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত বলেন, ‘২০২৪ সালের টিকাদান ক্যাম্পেইনে সময়মতো উদ্যোগ না নেওয়া এবং নীতিগত গাফিলতির কারণে যে অনাক্রম্যতার ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তারই ফল আজকের এই মহামারি। হাজারটা ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ বেড বসিয়ে এই মৃত্যুর ঢল থামানো যাবে না। প্রতিরোধ এবং টিকাদানই এর একমাত্র সমাধান।’
অবাস্তব আশ্বাসের সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকাদানের গতি শতভাগ বাড়ালেও প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। তবে এ সময়ের মধ্যেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও মাঠপর্যায়ের নজরদারির মাধ্যমে শিশুমৃত্যু কমিয়ে আনার জোর প্রচেষ্টা চলছে।
শিশু স্বাস্থ্যসেবাকে বিকেন্দ্রীকরণ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী অক্টোবরের মধ্যেই দেশের ৫টি বিভাগীয় ও জেলা শহরে নবনির্মিত ৫টি পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করবে। তৃণমূল পর্যায়ের চিকিৎসাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে দেশের প্রতিটি ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে।
উপজেলা পর্যায়ে শিশু স্বাস্থ্য (পেডিয়াট্রিকস), মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনি—এই চার মূল বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে বড় ধরনের জনবল নিয়োগের কথা জানিয়ে ডা. এম এ মুহিত বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে খুব দ্রুত ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্য মাঠকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। সংকট কাটাতে শিগগিরই ৫ হাজার নতুন চিকিৎসক এবং পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতের জনবল কাঠামোকে ভারসাম্যপূর্ণ (পিরামিড শেপ) করতে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনোলজিস্টদের অনুপাত আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, বারডেম কিংবা হলি ফ্যামিলির মতো স্বায়ত্তশাসিত কিন্তু সরকার-সমর্থিত ব্যবস্থাপনা মডেল স্বাস্থ্য খাতের জন্য অত্যন্ত কার্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ। ঢাকার বাইরে বিশেষায়িত সেবা না থাকায় সারা দেশ থেকে রোগীদের রাজধানীতে ছুটতে হচ্ছে, যা জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা। তাই ঢাকার ইনস্টিটিউটগুলোর মতো একই মানের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পর্যায়ক্রমে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে গড়ে তোলা হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মো. নুরুল ইসলাম এবং আইইডিসিআর-এর পরিচালক ডা. কাজী আহমেদ জাকি। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক।
এ সময় হাসপাতালটির রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগ এবং আইসিডিডিআর, বি-এর যৌথ উদ্যোগে এ গবেষণা ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে এই গবেষণার মূল ফলাফল ও তথ্য-উপাত্ত যৌথভাবে উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম এবং আইসিডিডিআর, বি-র ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান বিজ্ঞানী ড. মুস্তাফিজুর রহমান।
গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৬ সালে ছড়িয়ে পড়া হামের মূল কারণ ভাইরাসের নতুন কোনো রূপ নয়, বরং বিশ্বজুড়ে প্রচলিত তীব্র সংক্রামক ‘B3’ ধরনের বিস্তার এবং টিকাদান ও মাতৃদুগ্ধের অ্যান্টিবডির ঘাটতি। বিশেষ করে ৯ মাস বয়সের আগেই মায়ের দেওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত কমে যাওয়ায় এবং নিয়মিত টিকাদানে অবহেলার ফলে ৬ থেকে ৯ মাস বয়সী অপুষ্ট শিশুরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়েছে।
৯ মিনিট আগে
কলকাতার হোটেলে আগুনে ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু, আহত ৬ জন
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় একটি হোটেলে আজ ভোরে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ও আহতদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত মোট নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি বলে স্থানীয় পুলিশ পরিচয় নিশ্চিত করেছে।
উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে চারজন একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে। অপর নিহতদের পরিচয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি।
এছাড়া, অগ্নিকাণ্ডে আহত ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দেওয়ার জন্য উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। ইতোমধ্যে উপ-হাইকমিশন একটি সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন চালু করেছে।
পরিস্থিতি সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে।
৫৩ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) সভা শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনে এ সভা শুরু হয়েছে।
একনেকের এ সভায় ১১টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ একনেকের অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে যোগ দিয়েছেন।
উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন ও আলোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত রয়েছেন।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনা কমিশন মিলনায়তনে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।
১ ঘণ্টা আগে
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ড, বাংলাদেশিসহ নিহত ৯
ভারতের কলকাতায় একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে ওই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
আগুনে হোটেলের কয়েকজন অতিথি ভেতরে আটকা পড়েন। পরে প্রায় ৬০ জনকে উদ্ধার করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি।
এদিকে, ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, নিহত বাংলাদেশিরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন।
কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলটিতে অগ্নিনিরাপত্তার মৌলিক ব্যবস্থা ছিল না। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। হোটেলের মালিক ও কর্মীদের খোঁজা হচ্ছে। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, হোটেলের তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও এর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আগুন ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হোটেলের কক্ষগুলো ধোঁয়ায় ভরে যায়। আতঙ্কিত অতিথিরা দ্রুত বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। রাত ২টা ৭ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি গাড়ি ঘটনাস্থলে যায়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ভবনের ভেতরে আটকা পড়াদের উদ্ধারে কাজ করেন এবং একপর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পুলিশের এক কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, ঘন ধোঁয়ার কারণে দমকলকর্মীদের সিঁড়ি দিয়ে উঠে উপরের তলায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। নয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি বলেন, আটকা পড়াদের উদ্ধার করা এবং আগুনের কারণ নির্ধারণ করাই তাদের অগ্রাধিকার ছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
কলকাতার এই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের মাত্র দুই দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় আরেকটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত আটজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন।
১৭ আগস্ট ভোরে তারাপীঠের হোটেল বিদেশিনীতে ওই আগুন লাগে। পাঁচতলা হোটেলটির নিচতলায় ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। তখন অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন।
মেঘালয়ের একটি পরিবারের পাঁচ সদস্য ওই ঘটনায় নিহত হন। তারা হোটেলের সর্বোচ্চ তলায় অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার পর শিশুদের নিয়ে একসঙ্গে বের হওয়ার চেষ্টা করার সময় নিচে নামার পথে আগুনের মুখে পড়েন তারা।
১ ঘণ্টা আগে
চুয়াডাঙ্গায় সব সরকারি আইনজীবীর নিয়োগ বাতিল, নতুন জিপি-পিপি নিয়োগ
চুয়াডাঙ্গা জেলার বিচার বিভাগীয় বিভিন্ন আদালতে আগে নিয়োগ পাওয়া সব সরকারি আইনজীবীর নিয়োগের আদেশ বাতিল করে নতুন করে আইন কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের (জিপি-পিপি শাখা) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারা এবং ১৯৬০ সালের ‘লিগ্যাল রিমেমব্রান্সার্স ম্যানুয়াল’-এর সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সরকারের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) পদে অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল খালেক এবং পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) পদে অ্যাডভোকেট মো. মারুফ সারোয়ার বাবুকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর পদে অ্যাডভোকেট মুন্সি মো. শাহাজাহান মুকুল এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর পদে আ স ম আবদুর রউফকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
একই প্রজ্ঞাপনে পারিবারিক আপিল আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. বদিউজ্জামান বদি এবং অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে অ্যাডভোকেট সাঈদ মাহমুদ শামীম রেজা ডালিমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জেলা জজ আদালতে অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি পদে অ্যাডভোকেট এস এম আসাদুজ্জামান গনি সালাম ও অ্যাডভোকেট সৈয়দ হেদায়েত হোসেন আসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
দায়রা জজ আদালতে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম-১, অ্যাডভোকেট এস এন এ হাসেমী, অ্যাডভোকেট মো. আহসান আলী, অ্যাডভোকেট ওয়াহেদুজ্জামান বুলা, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ এবং অ্যাডভোকেট মোছা. আফরোজা আক্তার।
এছাড়া, জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এজিপি) পদে অ্যাডভোকেট মো. আলী হোসেন, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এরশাদ, অ্যাডভোকেট মো. জামাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট এস এম হুমায়ুন কবীর ও অ্যাডভোকেট মোছা. সেলিনা খাতুনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) পদে ১৮ জন আইনজীবী নিয়োগ পেয়েছেন। তারা হলেন: মো. মঈন উদ্দীন (মঈনুল), মো. মানজার আলী জোয়ার্দ্দার (হেলাল), এস এম সাইদুজ্জামান গনি টোটন, মো. জিলুর রহমান জালাল, মো. আসাদুজ্জামান মিল্টন, মো. মাসুদুর রহমান, মো. ফারজ আলী, মো. মশিউর রহমান পারভেজ, মোছা. রুবিনা পারভীন রুমা, মো. শাহাজামাল জামাল, মো. জহুরুল ইসলাম, মো. হাসানুজ্জামান, মো. আশরাফুল হক উজ্জ্বল, মো. শাহরিয়ার নেওয়াজ অতি, মো. আবদুস সালাম মুক্তা, মো. আতিয়ার রহমান-২, মো. ওহিদুজ্জামান মুকুল এবং মেহেদী হাসান নয়ন।
আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব (জিপি-পিপি) মো. ফারুক হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে নতুন নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আদেশ পুনর্বিবেচনা বা নতুন কোনো আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিয়োগপ্রাপ্ত আইন কর্মকর্তারা নিজ নিজ পদে দায়িত্ব পালন করবেন। এর ফলে চুয়াডাঙ্গার বিচার বিভাগীয় আদালতগুলোতে সরকারি পক্ষের আইনি কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নতুন আইন কর্মকর্তারা দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
২ ঘণ্টা আগে
জরাজীর্ণ সেই কাঠের সেতুটিও ভেঙে গেছে, ডিঙি নৌকাই এখন ভরসা
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার শহীদবাগ ইউনিয়নের প্রাণনাথ চর এলাকায় নদী পারাপারের জন্য নির্মিত কাঠের সেতুটি ভেঙে গেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অন্তত ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, নদী পারাপারের জন্য নির্মিত কাঠের সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। সম্প্রতি সেতুটির একাংশ ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। সেতু ভেঙে যাওয়ায় এলাকার স্বাভাবিক যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতু না থাকায় সত্যিই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থী, গর্ভবতী নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ।
প্রাণনাথ চর ও আশপাশের এলাকাগুলো মূলত কৃষিনির্ভর। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় কৃষকরাও উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সময়মতো হাট-বাজারে নিয়ে যেতে পারছেন না। ফলে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
স্থানীয়রা জানান, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডিঙি নৌকা কিংবা ব্রিজের অবশিষ্ট অংশ ব্যবহার করে নদী পারাপার করছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে