আজকের খবর - 09-02-2026
বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য মিডিয়া গাইড প্রকাশ করল পিআইডি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বাংলাদেশে আগত বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করতে তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) একটি মিডিয়া গাইড প্রকাশ করেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পিআইডি থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বার্তায় বলা হয়েছে, সহজে বহনযোগ্য এ বইটিতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত সরকারি দপ্তর, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সকল রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োজিত বিভিন্ন এজেন্সির ফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানাসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের তথ্য রয়েছে। একইসঙ্গে ঢাকার সংবাদপত্র, সংবাদসংস্থা ও স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের সঙ্গে যোগাযোগের ফোন নম্বর, পিআইডির মিডিয়া সেন্টারের তথ্য এবং বিদেশ থেকে আগত গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রয়োজন বিবেচনায় মানি এক্সচেঞ্জ, হোটেল-রেস্টুরেন্ট, ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস প্রোভাইডার ও জরুরি প্রয়োজনে দরকারি ফোন নম্বরগুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এতে।
গাইডটিতে গণভোট ও নির্বাচনের প্রেক্ষাপট, অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল, নির্বাচনি আচরণবিধি এবং নির্বাচন কাভারেজে আগত বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রণীত আচরণবিধি যুক্ত রয়েছে। ১১২ পৃষ্ঠার এই প্রকাশনাটি বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে।
৩০ মিনিট আগে
ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নেই: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে চার শ্রেণির নির্ধারিত ব্যক্তি ছাড়া বাকিদের জন্য বিধিনিষেধ প্রযোজ্য থাকবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে ফলাফল বুথ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মোবাইল ফোনসহ সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে কোনো সমস্যা হবে না।
এর আগে, নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের সই করা এক চিঠিতে এই আদেশ জারি করে ইসি।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রিসাইডিং কির্মকর্তাসহ নির্দিষ্ট ৩ শ্রেণির কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। ওই ব্যক্তিরা হলেন— ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ এবং ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী আনসার বা ভিডিপির দুই সদস্য। এই নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা
নির্দেশনার ফলে ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের পরিসীমার মধ্যে প্রার্থী বা সাংবাদিকদেরও মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহার করার অনুমতি ছিল না।
চিঠিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাসহ মোট ৬৯ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা সিদ্ধান্তটির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
ইসির এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) আজ (সোমবার) নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রের ভেতরে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানায়।
সংগঠনটির সভাপতি কাজী জেবেল বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরএফইডি। ইসিকে জানানো হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করবে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে মোবাইল ফোন একটি অপরিহার্য উপকরণ।’
আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ হবে। এবার ৬৪ জেলায় মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজারের বেশি; মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ।
সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পাশাপাশি ওই দিন একযোগে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ নিয়েও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
৪৩ মিনিট আগে
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে রিট
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে রিট করেছেন ঢাকা ১১ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) সমর্থিত প্রার্থী শামীম আহমেদ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দেশের সর্বোচ্চ আদালতে এ রিট করা হয়। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নাহিদ ইসলামকে বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, নাহিদ ইসলাম ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্র ডোমিনিকার নাগরিকত্ব নেন। রিটটি গতকাল (রবিবার) দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শামীম আহমেদের আইনজীবী মোহাম্মদ মজনু মোল্যা।
তিনি বলেন, আগামীকাল (মঙ্গলবার) রিটটি শুনানির জন্য হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হবে।
আইনজীবী মজনু মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, নাহিদ ইসলাম ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অপব্যবহার করে রাতারাতি কমনওয়েলথ অব ডমিনিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। নির্বাচনি হলফনামায় তিনি তা গোপন করেন, যা সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২(গ)-এর সরাসরি লঙ্ঘন। সংবিধানের ৬৬(২) (গ) অনুযায়ী তিনি নির্বাচনের অযোগ্য। তাই বিষয়টি নিয়ে আবেদনকারী আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।
গুলশান এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১, ২২, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ এবং সবুজবাগ এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১১ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন। আর তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন ভোটার রয়েছেন।
প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির এম এ কাইয়ুম, এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম, স্বতন্ত্র কোহিনূর আক্তার বীথি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, গণফোরামের মো. আবদুল কাদের, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. জাকির হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির মো. মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।
৫০ মিনিট আগে
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন সুরাইয়া আখতার জাহান
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার জাহানকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ (ক)-এর ১ উপধারার অনুবৃত্তিক্রমে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নিয়োগ করা প্রশাসক ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ (ক)-এর ১ উপধারা অনুযায়ী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে এ দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধিমোতাবেক দায়িত্বভাতা প্রাবেন।
ভাতা ছাড়া কোনো আর্থিক বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রশাসক পাবেন না বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
এর আগে ডিএনসিসির প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন মোহাম্মদ এজাজ।
৫৪ মিনিট আগে
কুষ্টিয়ার সাবেক পৌর মেয়রসহ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
পৌর তহবিলের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কুষ্টিয়া পৌরসভার আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র আনোয়ার আলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায় মামলাটি করেন।
মামলার আসামিরা হলেন— আনোয়ার আলী, সাবেক পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন ও সাবেক হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২৬ জুলাই কোনো রেকর্ডপত্র বা রেজুলেশন ছাড়াই অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির থানাপাড়া শাখায় ‘দরিদ্র তহবিল’ নামে একটি চলতি হিসাব একক সইয়ে খোলা হয়। পরে ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভবনের নকশা অনুমোদন ও লাইসেন্সের ক্ষেত্রে সরকারি ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, আদায়কৃত অর্থ ব্যাংকে জমা দিয়ে যথাযথ রেকর্ড বা রেজুলেশন ছাড়াই বিভিন্ন খাতে ব্যয় দেখিয়ে পরস্পর যোগসাজস ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে মোট ৫ কোটি ২১ লাখ ৭ হাজার ৫৬৯ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
দুদকের কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মইনুল আহসান রওশনী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
১ ঘণ্টা আগে
হেলিকপ্টারে করে খাগড়াছড়ির ৩ ভোটকেন্দ্রে পৌঁছেছে নির্বাচনি সরঞ্জাম
খাগড়াছড়ি ২৯৮ নম্বর সংসদীয় আসনের অতি দুর্গম এলাকায় অবস্থিত ৩টি ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টারযোগে নির্বাচনি সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে।
কেন্দ্র ৩টি হলো— দীঘিনালা উপজেলার নাড়াইছড়ি, লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার শুকনাছড়ি ও ফুত্যাছড়ি কেন্দ্র। খাগড়াছড়ি আসনের মধ্যে এসব কেন্দ্র সবচেয়ে বেশি দুর্গম হিসেবে বিবেচিত।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রথমে সেনাবাহিনীর লক্ষ্মীছড়ি জোনের হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টার উড়ে যায় দুর্গম শুকনাছড়ি কেন্দ্রে। পরে পর্যায়ক্রমে একই হেলিকপ্টারে করে লক্ষ্মীছড়ির ফুত্যাছড়ি এবং দীঘিনালার নাড়াইছড়ি কেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়া হয়।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন বলেন, শুধু ব্যালট বাক্স ও নির্বাচনি সরঞ্জামই নয়, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদেরও ওই দুর্গম ভোটকেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি, পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। বিশেষ করে সেনাবাহিনী, র্যাব ও বিজিবি বিভিন্ন এলাকায় টহল দিচ্ছে।
খাগড়াছড়ি আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন। জেলার ২০৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে ১২১টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬৮টি কেন্দ্র অতিঝুঁকিপূর্ণ।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপিই একমাত্র দল যারা দেশ পুনর্গঠন করতে পারবে: তারেক রহমান
দেশ পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা ও বাস্তব পরিকল্পনা আছে উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপিই একমাত্র দল যারা দেশ পুনর্গঠন করতে পারবে।
সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ মাঠে আয়োজিত ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি একটি নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বিচার হবে। জনগণই রাষ্ট্রক্ষমতার প্রকৃত উৎস এই বিশ্বাস থেকেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ পুনর্গঠনের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি অভিজ্ঞতা ও পরিকল্পনার সমন্বয়ে দেশ পুনর্গঠন করবে। নির্বাচন ঘিরে মানুষের মধ্যে এক ধরনের প্রত্যাশা তৈরি হয়। বিএনপির প্রতি জনগণের প্রত্যাশা থাকে বেশি। সেভাবেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আমরা নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চাই।
এ সময় তিনি স্বাধীনতার পর দেশের দুর্দশার কথা উল্লেখ করে বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সেখানে লাখো মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। যে দেশ একসময় দুর্ভিক্ষে জর্জরিত ছিল, সেই দেশ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে, এমনকি খাদ্য রপ্তানিও করে।
নব্বইয়ের দশকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে তারেক বলেন, দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর জনগণ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব বিএনপির হাতে তুলে দেন। বিভিন্ন সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশ তখন একটি উদীয়মান টাইগারে পরিণত হয় এবং হাজার হাজার শিল্পকারখানা গড়ে ওঠে।
তারেক রহমান বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটাররা যদি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেন, তাহলে বিএনপি অতীত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশ পুনর্গঠন করবে এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে। এখন আমাদের প্রধান কাজ রাষ্ট্র পুনর্গঠন। আমরা স্বৈরতন্ত্রকে বিদায় করেছি। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য দেশ গড়া।
তিনি বলেন, ‘আর দুই দিন পরে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের বহু প্রত্যাশিত সেই নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যে নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের বহু মানুষ গত ১৬ বছরে হত্যার শিকার হয়েছে, জুলাই আন্দোলনে আমরা দেখেছি, কত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে…।’
ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এই এলাকায় প্রার্থী ছিলেন খালেদা জিয়া। আমি এবার প্রার্থী। এই এলাকায় আমার বেড়ে ওঠা, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে আমি এই এলাকাতেই বড় হয়েছি, আমার ভাই এই এলাকাতেই বড় হয়েছে, আমাদের পরিবার, আমাদের সন্তানেরা এই এলাকাটিতে জন্মগ্রহণ করেছে।’
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে করণীয় ও পরিকল্পনা সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। স্বাভাবিকভাবেই বিশেষ করে বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক দলের কাছে সারা বাংলাদেশের মানুষ শুধু ঢাকা শহরে নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের অনেক প্রত্যাশা।
‘আমাদের সামনে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ আছে। প্রায় ২০ কোটি মানুষের এই দেশ, এই দেশের যারা সন্তান আছে, আমাদের যুবক আছে, তরুণ আছে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এই দেশের ভবিষ্যৎ সন্তানদের জন্য আমাদেরকে সুন্দরভাবে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। সমগ্র বাংলাদেশে বিভিন্ন জায়গায় যানজট আছে, রাস্তাঘাট সংস্কার করতে হবে। আমরা শুধু গত ১৫ বছরে দেখেছি মেগা প্রজেক্ট হয়েছে। মেগা মেগা দুর্নীতি হয়েছে…এই অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। সেজন্য আমরা জনগণের সমর্থন চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধে সিদ্ধান্তে বিএসআরএফের প্রতিবাদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিএসআরএফের সভাপতি মাসউদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল বলেন, একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য জাতি দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন হঠাৎ মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করে সাধারণ মানুষকে নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণসহ গণমাধ্যম কর্মীদেরও পেশাদারত্বে বাধা সৃষ্টি করছে।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হলো সংবাদমাধ্যম। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বা বিধিনিষেধ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং আইনের শাসনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী বলে মনে করে বিএসআরএফ ।
সংগঠনটি আরও বলেছে, নির্বাচন কমিশনের অনাকাঙ্ক্ষিত বিধিনিষেধ সাধারণ মানুষের স্বার্থের পরিপন্থী। ইসিকে তাদের এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে বিএসআরএফ। একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে গণমাধ্যম কর্মীদের অবাধে কাজ করার সুযোগ প্রদানে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে, গতকাল রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের সই করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, আসন্ন গণভোট ও সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রিসাইডিং কির্মকর্তাসহ নির্দিষ্ট ৩ শ্রেণির কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। ওই ব্যক্তিরা হলেন— ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ এবং ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী আনসার বা ভিডিপির দুই সদস্য। এই নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জানা গেছে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্র থেকে তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য বা ছবি আদান-প্রদান বন্ধ করতেই এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে নির্বাচনের মাঠে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করবেন বলে তাদের জন্য এই নিয়ম শিথিল করা হয়েছে।
নির্দেশনার ফলে ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের পরিসীমার মধ্যে প্রার্থী বা সাংবাদিকদেরও মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহার করার অনুমতি থাকছে না।
চিঠিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাসহ মোট ৬৯ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা সিদ্ধান্তটির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ হবে। এবার ৬৪ জেলায় মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজারের বেশি; মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ।
সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পাশাপাশি ওই দিন একযোগে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ নিয়েও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
১ ঘণ্টা আগে
হংকংয়ের মিডিয়া মোগল জিমি লাইকে ২০ বছরের কারাদণ্ড
হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের দায়ে গণতন্ত্রপন্থী ব্যক্তিত্ব ও অ্যাপল ডেইলি সংবাদপত্রের মালিক জিমি লাইকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তার পরিবার এই সাজাকে ‘হৃদয়বিদারক নিষ্ঠুরতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তারা মেয়ে বলেছেন, ‘জেলে তার মৃত্যু হলে তিনি “শহিদ” হবেন।’ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এই সাজাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সাংবাদিকতার ওপর বড় আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছে।
সমালোচকদের বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, এই সাজা হলো বহু বছর ধরে চলে আসা লড়াইয়ের চূড়ান্ত পরিণতি, যার মাধ্যমে হংকং একটি স্বাধীন শহর থেকে এমন একটি শহরে পরিণত হয়েছে, যেখানে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি-নিয়ন্ত্রিত সরকার ভিন্নমত পোষণকারীদের কঠোরভাবে দমন করছে।
ডিসেম্বরে লাইয়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ এবং বিদেশি বাহিনীর সঙ্গে যোগসাজশের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছিল। এসব অভিযোগে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। লাইয়ের এই ২০ বছরের কারাদণ্ড হংকংয়ের ইতিহাসে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক অপরাধের সবচেয়ে বড় সাজা।
লাইয়ের সাজার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তাইওয়ান এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষের মানবাধিকার সংগঠনগুলো। রিপোর্টার্স উইদআউট বর্ডারস নামের সাংবাদিকদের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন বলেছে, ‘হংকংয়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আজ পর্দা নেমে এসেছে। আদালতের এ সিদ্ধান্ত হংকংয়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সম্পূর্ণ পতন এবং সাংবাদিকতার প্রতি চরম অবমাননার সামিল।’
লাইয়ের এই দীর্ঘ সাজাকে ‘সত্যিকার অর্থে মৃত্যুদণ্ড’ বলে আখ্যা দিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। বিবৃতিতে মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, ‘এই মাত্রার সাজা নিষ্ঠুর ও অন্যায্য। লাইয়ের ওপর বছরের পর বছর ধরে চলা নির্যাতন চীন সরকারের স্বাধীন সাংবাদিকতাকে চূর্ণ করার এবং কমিউনিস্ট পার্টির সমালোচনা করে এমন যে কাউকে চুপ করিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ।’
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই মামলাটিকে ‘আইন দ্বারা শাসিত শহর’ থেকে ‘ভয় দ্বারা শাসিত শহরে’ রূপান্তরের আরেকটি ভয়াবহ মাইলফলক বলে অভিহিত করেছে। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো এবং ব্রিটিশ সরকার লাইয়ের মামলাকে রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত বলে বর্ণনা করে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছে।
তবে লাইকে সরকারবিরোধী উসকানিদাতা এবং বিশ্বাসঘাতক হিসেবে বর্ণনা করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। তাদের মতে, লাই একজন ব্রিটিশ নাগরিক যিনি শিশু শরণার্থী হিসেবে চীন থেকে পালিয়ে আসার পর থেকে হংকংয়ে বসবাস করছেন।
লাই হংকংয়ের বিলুপ্ত সংবাদপত্র অ্যাপল ডেইলির প্রতিষ্ঠাতা। এটি একটি জনপ্রিয় হংকংভিত্তিক সংবাদপত্র ছিল। ২০১০-এর দশকে হংকংজুড়ে ছড়িয়ে পড়া গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকে সমর্থন করে জনপ্রিয়তা পায় সংবাদপত্রটি।
২০২০ সালের জুনে একটি কঠোর জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এই আন্দোলন দমন করেছিল সরকার। সে সময় বেশিরভাগ ভিন্নমত পোষণকারীদের এই আইনের আওতায় ‘অপরাধী’ ঘোষণা করা হয়। লাইকে সে বছরের আগস্টে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালে অ্যাপল ডেইলি বন্ধ করে দেয় দেশটির চীন সরকার।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, জানুয়ারিতে বেইজিংয়ে চীনের নেতা শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দেখা করার সময় তিনি লাইয়ের বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছিলেন যে তিনি লাইয়ের মুক্তি নিশ্চিত করবেন।
কারাগারে থাকা মিডিয়া উদ্যোক্তা জিমি লাইয়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন বন্দি থাকার কারণে লাইয়ের ওজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং তার দাঁতও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে তিনি কারাবন্দি এবং অধিকাংশ সময় নির্জন সেলে কাটিয়েছেন।
তবে হংকং কর্তৃপক্ষ বলছে, লাই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা পেয়েছেন এবং অন্য বন্দিদের থেকে আলাদা থাকার আবেদন তিনিই করেছিলেন। সোমবার সাজা ঘোষণার পর জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ প্রধান স্টিভ লি বলেন, রায় যথাযথ হয়েছে। সেইসঙ্গে লাইয়ের শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে করা অভিযোগকে তিনি অতিরঞ্জিত বলে মন্তব্য করেন।
এই ঐতিহাসিক জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় লাইয়ের সঙ্গে আরও আটজন অভিযুক্তকে সাজা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে দুজন ছিলেন অধিকার কর্মী এবং বাকি ছয়জন লাইয়ের মালিকানাধীন মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের সাবেক নির্বাহী। মামলায় সংশ্লিষ্ট সবাই দোষী সাব্যস্ত হন।
১ ঘণ্টা আগে
মাগুরায় বাড়ির পাশের ঝোপ থেকে দুটি পিস্তল উদ্ধার
মাগুরা সদর উপজেলার রাউতাড়া গ্রামে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুটি পিস্তল উদ্ধার করেছে পুলিশ ও র্যাবের যৌথ দল।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে সদর থানাধীর রাউতাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে পিস্তল দুটি উদ্ধার করা হয়।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান জানান, ওই গ্রামে মৃত প্রদ্যুৎ কুমারের একটি বাড়ি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। অভিযানের সময় ওই বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড় থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া দুটি পিস্তলের মধ্যে একটির সঙ্গে ম্যাগাজিন ছিল, অপরটি ছিল ম্যাগাজিনবিহীন। তবে অস্ত্র জব্দ করা হলেও ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করা যায়নি।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রমে জব্দকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাগুরা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাফিজুর রহমান।
এ বিষয়ে র্যাব জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো কীভাবে সেখানে এলো এবং এর সঙ্গে কোনো অপরাধচক্র জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
২ ঘণ্টা আগে