সারাদেশ
চুয়েট ক্যাম্পাসে পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থী নিহত
চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল-সংলগ্ন পুকুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন: ২৪তম ব্যাচের অর্ণব চন্দ (২২) ও শান্ত দেব (২৩)। তাদের দুইজনের বাড়ি সিলেট বলে জানা গেছে। নিহত অর্ণব চন্দ কম্পিউটার সায়েন্স এবং শান্ত দেব ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, দুপুরে ফুটবল খেলা শেষে হলের পুকুরে তারা গোসল করতে যান। তবে সাঁতার কাটতে গিয়ে তারা পুকুরের মাঝ অংশে ডুবে যান। ডুবে যাওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে অর্ণবকে এবং প্রায় ৪৫ মিনিট পর শান্তকে উদ্ধার করা। পরে চট্টগ্রাম শহরের এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে দুজনকেই চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি দুঃখজনক। মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। তাদের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে, গত ২৮ জুলাই রাতে ওই পুকুরে ডুবে মারা যান যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহা (২২)।
৬ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ায় গরুর খামার ভাড়া নিয়ে বানানো হচ্ছিল নকল সিগারেট
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একটি নকল সিগারেট উৎপাদন কারখানার সন্ধান মিলেছে। গরুর খামার ভাড়া নিয়ে সেখানে নকল সিগারেট তৈরি করা হচ্ছিল। অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা মূল্যের নকল সিগারেট ও কাঁচামাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দৌলতপুর ইউনিয়নের গড়বাড়িয়া গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গড়বাড়িয়া গ্রামের আহসান হাবিব মাস্টারের একটি গরুর খামার ভাড়া নিয়ে গড়ে তোলা ওই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে অভিযানকালে কারখানার ভেতরে কাউকে পাওয়া যায়নি।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, জয়রামপুর গ্রামের আজিরুদ্দিন সরকারের ছেলে শাকিল আহমেদ ও বৈদ্যনাথতলা গ্রামের ইনসার আলীর ছেলে লোকমান হোসেন লিওন খামারটি ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে নকল সিগারেট তৈরি করে আসছিলেন।
অভিযানে মোট ২৫ লাখ ৫০ হাজার শলাকা নকল সিগারেট ও বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৬ লাখ টাকা মূল্যের ১২ লাখ শলাকা ‘ডার্বি’, ৮৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ১১ লাখ ৫০ হাজার শলাকা ‘রয়েলস’ ও ‘রয়েল নেক্সট’, ২০ লাখ টাকা মূল্যের ২ লাখ শলাকা ‘নেভি’ এবং ১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা মূল্যের ৩০ বস্তা (২১০০ কেজি) পচা তামাক রয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের সর্বমোট আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা।
অভিযানের বিষয়ে প্রদীপ কুমার দাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট ও নিম্নমানের তামাক উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা আগেই পালিয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে ও জনস্বাস্থ্যের হুমকিস্বরূপ এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে কারখানার মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত শাকিল আহমেদ ও লোকমান হোসেন লিওনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ম্যাজিস্ট্রেট।
৭ ঘণ্টা আগে
মুন্সীগঞ্জে কুলসুম হত্যা মামলায় এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে কুলসুম বেগম (৩৫) হত্যা মামলায় মো. সুমন হোসেন ওরফে সুমন শেখকে (৩৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফুল আলম ভূঁইয়া এ রায় দেন। ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
নিহত কুলসুম বেগম ও দণ্ডিত সুমন শেখ দুজনই শ্রীনগর উপজেলার পূর্ব হাসাড়গাঁও গ্রামে পাশাপাশি বাড়িতে থাকতেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে পূর্ব হাসাড়গাঁওয়ে স্বামীর বাড়ির উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর নিখোঁজ হন কুলসুম। সে সময় তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।
নিখোঁজের ১৯ দিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি পূর্ব হাসাড়গাঁও গ্রামের পশ্চিম চকের একটি পতিত জমি থেকে মানুষের হাড়, মাথার খুলি, স্যান্ডেল, মাথার ক্লিপ ও কাপড়ের অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের ছেলে কামরুল হাসান অয়ন ও পরিবারের অন্য সদস্যরা এসব আলামত দেখে কঙ্কালটি কুলসুমের বলে দাবি করেন। পরে আদালতের নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আলামত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানো হয়।
ডিএনএ পরীক্ষায় আলামতগুলো কুলসুম বেগমের বলে প্রমাণিত হওয়ার পর তার ছেলে কামরুল হাসান অয়ন বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি মুন্সীগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) হস্তান্তর করা হয়।
পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসে, কামরুলকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে সুমন বিভিন্ন সময়ে ৬ লাখ টাকা নেন। পরে আরও ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়া এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কুলসুমের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সুমন কুলসুমকে পূর্ব হাসাড়গাঁওয়ের একটি অনাবাদি জমিতে ডেকে নিয়ে ধারালো দা দিয়ে মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ঘাসের স্তূপের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। হত্যায় ব্যবহৃত দা ও ভ্যানিটি ব্যাগ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সুমনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
রায়ের পর মামলার আইনজীবী ও সাবেক সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. হালিম হোসেন বলেন, আদালতের রায়ে তিনি সন্তুষ্ট ও খুশি। এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
অন্যদিকে, বাদী ও নিহতের ছেলে কামরুল হাসান অয়ন বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম আসামির ফাঁসির আদেশ হবে। সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে আদালতের রায়কে আমরা সম্মান করি।
৭ ঘণ্টা আগে
রূপপুরে আরও এক রুশ নাগরিকের মৃত্যু
পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দোরোখিন সের্গেই নামে আরও এক রুশ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে প্রকল্পের ৫.৭ ভবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
দোরোখিন সের্গেই (৫১) রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পে রুশ পারমাণবিক প্রযুক্তি ও প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাটমটেকএনার্জো’-এর কর্মী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, সকালে ৫.৭ বিল্ডিংয়ের ভেতরে কাজ করার সময় হঠাৎ অসুস্থতা অনুভব করে মাটিতে ঢলে পড়েন সের্গেই। খবর পেয়ে কোম্পানির চিকিৎসক ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান বলেন, সের্গেই অসুস্থ বোধ করলে প্রথমে প্রকল্পের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন এবং হাসপাতালে যেতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়ে মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, আইনগত ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। চিকিৎসকের রিপোর্ট ও ময়নাতদন্ত শেষে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
এর আগে, গত ১ মে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নতুনহাট গ্রিন সিটির আবাসিক এলাকায় জিমে ব্যায়াম করার সময় চুরকিন ভ্লাদিমির (২৫) নামে এক রুশ নাগরিকের মৃত্যু হয়। তিনি চুরকিন রুশ পরমাণু সংস্থা ‘রোসাটমে’-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান অটোমটেক ইনির্গতে কর্মরত ছিলেন। ব্যায়ামের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন তিনি। সে সময় তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করেন চিকিৎসকরা। পুলিশের তৈরি করা সুরতহাল প্রতিবেদনেও তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
চলতি বছরের ৯ জানুয়ারিও রূপপুর প্রকল্পের আবাসিক গ্রিন সিটির ১৪ নম্বর ভবনের নবম তলার একটি ফ্ল্যাটের শৌচাগার থেকে ইভান কাইটমাজোভ নামে এক রুশ নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গলায় রশি লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া গিয়েছিল। এছাড়া গত ৪ জানুয়ারি রূপপুর প্রকল্পের আবাসিক গ্রিন সিটির চারতলা থেকে পড়ে পোশতারুক কেসেনিয়া নামে এক রুশ নারী কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।
৭ ঘণ্টা আগে
সাভারে উদ্ধার হওয়া বস্তুটি ‘প্রেসার কুকার বোমা’, নিষ্ক্রিয় করল বোম ডিসপোজাল ইউনিট
সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নের সাধাপুর এলাকায় স্কচটেপে মোড়ানো উদ্ধার হওয়া বস্তুটি একটি ‘প্রেসার কুকার বোমা’ বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধারের পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে সেটি নিরাপদভাবে নিষ্ক্রিয় করেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে বোমাসদৃশ বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করেন ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সাধাপুর গোপের বাড়ি লালটেক ঘোড়া মসজিদের মাঠে একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতরে কাপড়চোপড়, কোরআন শরীফ এবং একটি প্রেসার কুকার দেখতে পান স্থানীয়রা। সন্দেহজনক বস্তুটি ড্রাম থেকে বের করে মাঠে রেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, রাতের বেলা অজ্ঞাতপরিচয় তিন ব্যক্তি ড্রামটি মসজিদের মাঠে রেখে চলে যান। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইমরান হোসাইন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল এটি একটি প্রেসার কুকার বোমা। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। ইউনিটের সদস্যরা ৪ ঘণ্টা চেষ্টার পর আজ (বুধবার) বিকেলে বোমাসদৃশ বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করেন।
এর আগে, গত ৩০ জুলাই রাতে আশুলিয়ার খেজুর বাগান এলাকায় ‘জয়ী জেনারেল স্টোর’-এর সামনে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে একটি প্রেসার কুকার বোমা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেবারও ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিট নিরাপদ স্থানে নিয়ে সেটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে।
এদিকে, গতকাল রাতে সাভারের হেমায়েতপুরের শ্যামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচটি তাজা হাতবোমাসহ আরিফ হোসেন নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আব্দুল জলিলের মালিকানাধীন একটি চারতলা ভবনের নিচতলায় অভিযান চালিয়ে আরও নয়টি পাইপ বোমাসদৃশ বস্তু, জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) বেশ কিছু লিফলেট এবং বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির উপকরণ ও সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
সিটিটিসির একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, ওই ভবনে বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম মজুত রাখা হয়েছিল—এমন তথ্যের ভিত্তিতে সিটিটিসির পাশাপাশি স্থানীয় থানা পুলিশ, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
বাড়ির মালিক আব্দুল জলিল ও তার মেয়ে ইলমা জানান, গত ২ আগস্ট আব্বাস আলী নামে এক ব্যক্তিসহ দুইজন আমাদের ভবনের একটি বাসা ভাড়া নেন। এ সময় তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বলেছিলেন, তাদের গ্রামের বাড়ি পাবনার হেমায়েতপুরে এবং তারা ড্রাইভিংয়ের কাজ করেন।
পরিবার নিয়ে বসবাস করবেন বলেই তাদের বাসা ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। তারা বাসার ভেতরে বোমা ও বিস্ফোরক লুকিয়ে রেখেছিলেন এমন তথ্য তাদের কাছে ছিল না বলেও জানান তারা।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, ঘটনাগুলোর সঙ্গে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ এবং সিটিটিসি সূত্র।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ‘শ্যামপুর এলাকা থেকে মোট ১৪টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিটিটিসি বিস্ফোরক চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।’
সাম্প্রতিক সময়ে সাভারে পরপর দুটি প্রেসার কুকার বোমা উদ্ধার এবং একই এলাকায় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
খুলনা যুবদল নেতার ভাইকে গুলি করে হত্যা
খুলনার রুপসা উপজেলায় যুবদল নেতা ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই ফখরুলকে (৩২) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাতে উপজেলার শ্রীরামপুরে রূপসা ব্রিকস নামক ইটভাটায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত ফখরুল উপজেলার নৈহাটি গ্রামের মমিন উদ্দিনের ছেলে। তিনি রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইটভাটায় বিভিন্ন সময় চুরির ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তার জন্য মাঝেমধ্যে তিনি রাতে সেখানে পাহারা দিতেন। গতকাল রাতে ভাটার ভেতরে অবস্থান করছিলেন ফখরুল। এ সময় রাত ১টার দিকে দুর্বৃত্তরা সেখানে গিয়ে তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে তার বড় ভাই ফরহাদ দ্রুত সেখানে গিয়ে তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ফখরুলকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রুপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক মীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
ঢামেকে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ ফেলে পালাল ২ ব্যক্তি
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ট্রলির ওপর অজ্ঞাতনামা এক কিশোরীর মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়েছে দুই ব্যক্তি।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত কিশোরীর বয়স আনুমানিক ১৫ বছর।
হাসপাতালের ট্রলিম্যান আব্দুর রউফ জানান, ৩৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী দুই পুরুষ একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে ওই কিশোরীকে ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন। তাদের দেখে তিনি ট্রলি নিয়ে এগিয়ে গেলে ওই দুই ব্যক্তি মেয়েটিকে ট্রলিতে তোলেন এবং জরুরি বিভাগের টিকিট কাটার কথা বলে কৌশলে সেখান থেকে সরে পড়েন। পরে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মেয়েটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত কিশোরীর গলায় ফাঁস লাগার স্পষ্ট দাগ এবং দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক।
তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাত ও গলায় ফাঁসের চিহ্ন রয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, বা অন্য কী কারণে মারা যেতে পারে, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পরিদর্শক মো. ফারুক আরও বলেন, প্রযুক্তির সহায়তায় ওই কিশোরীর নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অটোরিকশাসহ পালিয়ে যাওয়া দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
সিলেটে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
সিলেট মহানগরীর রায়নগর আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে এক দম্পতির ও তাদের গৃহকর্মীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রায়নগরের মিতালী ১১১ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতরা হলেন: রায়নগর রাজবাড়ী এলাকার বাসিন্দা মৃত আবরু মিয়ার ছেলে এমএ সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং একই বাসার গৃহকর্মী নগরীর জল্লারপাড় এলাকার তাহমিনা (২৫)।
পুলিশ জানায়, ৪ তলা ভবনের দুতলার ফ্লাটে মালিক আব্দুস সত্তার মিয়া, তার স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকাই শুধু থাকতেন। বাকি ফ্লাটগুলোতে ভাড়াটেরা থাকেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুস সত্তার মিয়া আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সদস্য ছিলেন। রায়নগরে নিজের বাসায়ই থাকতেন তিনি। আজ সকালে তার বাসা থেকে চিৎকার শোনা গেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
এই দম্পত্তির চার সন্তানের মধ্যে দুই সন্তান লন্ডনে ও দুই সন্তান যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন।
নিহত দম্পতির ভাগ্নে মুন্না মিয়া জানান, রায়নগরের এই বাসায় আমার মামা-মামি একাই থাকতেন। তাদের সঙ্গে থাকত এক গৃহকর্মী। তিনি বলেন, আজ সকাল ৯টার দিকেও তাদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। তার পরে কোনো সময় তাদের হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা মুন্না মিয়ার।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. মনজুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে রায়নগর আবাসিক এলাকার মিতালী ১১১ নম্বর বাসার ভেতরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ গৃহকর্মীকে খুন করেছে।
তিনি বলেন, নিহতদের মরদেহ সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির বলেন, হাজী আব্দুস সত্তার মিয়া, তার স্ত্রী ও গৃহকর্মীকে দুর্বৃত্তরা বাসায় ঢুকে খুন করেছে। আব্দুস সত্তার মিয়া ওই এলাকার প্রবীণ মুরব্বি হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এসএমপির কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ শামীম বলেন, আজ সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় একজন আমাকে ফোন করে বলেন, মিতালী ১১১ নম্বর বাসার দোতলার ফ্ল্যাটের বন্ধ দরজার ভেতর থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের একটি দল নিয়ে আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। ওই বাসায় গিয়ে দরজা খুলে দেখতে পাই, বাসাটির মালিক এমএ সাত্তার, তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও গৃহপরিচারিকা তাহমিনাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ক্রাইম সিন ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করেছে। পিবিআই ও সিআইডির ক্রাইম সিন বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। তদন্তের জন্য একটা স্পেশাল টিম গঠন করা হয়েছে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘এই বাড়ির এক ভাড়াটিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, সকালে তিনি চিৎকার-চেঁচামেচি শুনেছেন। সে হিসেবে ঘটনাটি সকালেই ঘটেছে বলে ধারণা করছি।’
তিনি বলেন, বাসাটির পরিবারের সদস্যদের ব্যবহৃত ওয়ারড্রোব ও আলমারিগুলো খোলা অবস্থায় পাওয়া গেছে। সেখান থেকে স্বর্ণালংকার বা অন্য কোনো মূল্যবান জিনিস সরানো হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনাটি ডাকাতি, নাকি এর পেছনে পারিবারিক কোনো শত্রুতা বা পূর্ববিরোধ রয়েছে, সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। এখানে একটি দলিলও পাওয়া গেছে। সেটিও আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।’ শিগগিরই হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
খবর পেয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সকালে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
৯ ঘণ্টা আগে
বরিশালে আদালতের সামনে বোমা বিস্ফোরণ
বরিশালে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতের সামনে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদালতের প্রধান ফটকের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
আদালত প্রাঙ্গণে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদালতের ১০ তলা ভবনের সামনে প্রধান ফটকের ঠিক ভেতরে বিকট শব্দে একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের শব্দে সবাই আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন।
তবে কে বা কারা এটি ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে কেউ কোনো তথ্য দিতে পারেনি।
চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (সিএমএম) আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, পুলিশ কমিশনারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দিয়ে তাদের বিস্ফোরণকারী শনাক্তে সহায়তা করছি।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন ইসলাম বলেন, বোম্ব ইউনিটের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে কাজ করছে। বিস্ফোরিত বোমার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটে হাসপাতাল চত্বরে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, চালক দগ্ধ
বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল চত্বরে একটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডে অ্যাম্বুলেন্সটির চালক দগ্ধ হয়েছেন। এ সময় আগুনের ধোঁয়া হাসপাতালের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় ছড়িয়ে পড়ায় হুড়োহুড়িতে রোগীসহ ৮ জন আহত হয়েছেন। আগুনে অ্যাম্বুলেন্সটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। একই সঙ্গে পাশে থাকা ৯টি মোটরসাইকেলও সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের পুরাতন ভবনের প্রধান ফটকের কাছে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় ২০ মিনিট চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হন।
অগ্নিদগ্ধ অ্যাম্বুলেন্সচালক ফরিদ হোসেনকে (৬৮) প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আগুনের ঘটনা তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
খবর পেয়ে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাছান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার, সিভিল সার্জন ডা. মাহাবুবুল আলম এবং হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমদ্দার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে থাকা ফিটনেসবিহীন অ্যাম্বুলেন্স বাগেরহাট জেলা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি রোগী নেওয়ার জন্য হাসপাতালের পুরাতন ভবনের ফটকে আসে। তবে রোগী ওঠানোর আগেই সেটিতে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের তীব্রতা বেড়ে আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আগুনের ধোঁয়া হাসপাতালের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার কক্ষগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। তখন রোগী ও স্বজনরা আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে বের হতে থাকেন। আগুনে অ্যাম্বুলেন্সচালক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।
১ দিন আগে