অন্যান্য
জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৭ জনের ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা হবে
নাশকতামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সন্দেহে রাজধানীর জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৭ জনের মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
জাসদ কার্যালয়ে একটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশ থেকে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন নেতাকর্মীকে আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক কার্যালয়ে আলাপ-আলোচনা করতে অনুমতি লাগে না। তবে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু লোকজন জড়ো হয়েছে এবং নাশকতামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছে।
তিনি আরও বলেন, সেই তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে পুলিশ যায় এবং অনেককে আটক করে।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, জিজ্ঞাসাবাদের পর ২৫০ জনের মতো আটক ছিল। ২৭ জন বাদে পুলিশ সবাইকে ছেড়ে দিয়েছে। তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের মোবাইল ফোনের ফরেনসিক এবং অন্যান্য বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হবে। যদি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে তাদের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।
কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ অভিযান চালানো হয়নি বলেও দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
২ ঘণ্টা আগে
সালমান মুক্তাদির চাঁদাবাজির ঢালাও অভিযোগ করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগকে ‘ঢালাও’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলের জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে, যার জেরে সেখানে ভাঙচুর হয়েছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
গতকাল (শনিবার) একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার তার স্টুডিওতে ভাঙচুরের শিকার হওয়ার পর বলেছেন, বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। একই সঙ্গে তিনি বিএনপিকে ‘চাঁদাবাজ দল’ বলেছেন। চাঁদা না দেওয়ার কারণেই এই ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন। আপনাকে (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) নিয়েও কথা বলেছেন—এভাবে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে উদ্দেশ্য করে তো বলতেই পারে, এটাই গণতন্ত্র, বাক-স্বাধীনতা।’
তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যিনি এই অভিযোগটা ফেসবুকে লাইভে এসে করছেন, তিনি কি কোনো মামলা দায়ের করেছেন? করেননি।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘তিনি (সালমান মুক্তাদির) এক পর্যায়ে বলেছেন, তার কাছে কেউ চাঁদা চায়নি, চাইলে নাকি তিনি দিত। অডিওতেও...। তো যার কাছে সরাসরি কোনো চাঁদা দাবি করেনি, তিনি বলছেন চাইলে দিত। তাহলে এটা চিহ্নিত কেউ না এবং তিনি বিএনপিকে চাঁদাবাজ দল বলছেন, এটা ঢালাও অভিযোগ।’
এ সময় তিনি জানান, এ ঘটনায় সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা করা হলে বিষয়টির সঠিক তদন্ত করে দেখা হবে।
সালমান মুক্তাদির ভাঙচুরের ঘটনার ভুক্তভোগী জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই ঘটনায় তিনি ভিকটিমাইজড (ভুক্তভোগী) হয়েছেন, তা আমরা দেখেছি। এ বিষয়ে আমরা একটি খুব সংক্ষিপ্ত প্রাথমিক তদন্ত করেছি, তবে আরও বিস্তারিত তদন্ত করতে হবে।’
এই বিষয়ে মামলা, জিডিসহ আইনি প্রক্রিয়া চালু আছে জানিয়ে তিনি বলেন, হয়ত খুব শিগগিরই মামলা হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত মামলা হয়নি।
ঘটনাস্থল সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্যান্টনমেন্ট থানার অন্তর্গত মানিকদী নামাপাড়ায় একটা বিতর্কিত জমি আছে, সম্ভবত ৩৫ কাঠার। এই জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ আছে।
তিনি যতটুকু জানতে পেরেছেন, দুই পক্ষের মধ্যে একটি হলো নিউ গিনি প্রপার্টিজ নামের একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান। আরেক পক্ষে আছেন একজন অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে জমিটা নিয়ে বিরোধ চলছে।
প্রাথমিক প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত ওই সামরিক কর্মকর্তার পক্ষের বেশ কিছু লোক রাতের অন্ধকারে জায়গাটি দখল করতে গিয়েছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওই প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালায় তারা।
তিনি আরও বলেন, সেখানে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের একটি টিনশেড স্থাপনা রয়েছে, যা মূলত শুটিং ও কনটেন্ট তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো। সেখানে ভাঙচুরের ভিডিও তিনি দেখেছেন বলেও জানান।
এছাড়া বিতর্কিত জমি নিয়ে সংঘর্ষের বিষয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, বিতর্কিত এই জায়গা নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে যে সংঘর্ষ হয়েছে, সে বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িত তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসাসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্রওে উদ্ধার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেহেতু বিষয়টা তদন্তাধীন এবং মামলা দায়ের হবে বলে জেনেছি, তাই এই বিষয়ের অগ্রগতি পরে জানানো যাবে।
৩ ঘণ্টা আগে
নয়াদিল্লিতে ইলিশ ফেস্ট
বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশকে ঘিরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বর্ণাঢ্য ‘ইলিশ ফেস্ট’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের মৈত্রী মিলনায়তনে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
উৎসবে ভারতীয় রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
ঢাকায় পাওয়া হাইকমিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও খাদ্যরসিকতার অন্যতম অনুষঙ্গ ইলিশকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উৎসব অতিথিদের মধ্যে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আতিথেয়তার এক অনন্য আবহ তৈরি করে।
অনুষ্ঠানে ইলিশের নানা পদ পরিবেশনের পাশাপাশি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও রন্ধনশৈলীর বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়।
অতিথিরা বাংলাদেশের ইলিশের স্বাদ গ্রহণের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বাঙালির আবেগ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা দিক উপভোগ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্ট সাংবাদিক এম জে আকবর, সাবেক কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ মণি শংকর আইয়ার, মানবাধিকারকর্মী ও সমাজচিন্তক সাইদা হামদি, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত রনেন সেন, বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী আশিস নন্দীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
আয়োজনে অংশ নেওয়া অতিথিরা বাংলাদেশের ইলিশের স্বাদ ও আয়োজনের প্রশংসা করেন। ইলিশ ফেস্টের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তা ভারতের বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের সামনে তুলে ধরা হয়।
এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ভারতীয় নাগরিকরা ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘এ ফিশ কলড হিলসা’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।
উন্মোচন শেষে হাইকমিশনার মু রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, প্রকৃত অর্থে ইলিশ বাংলাদেশের পরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ইলিশ বাংলাদেশের সমাজ ও অর্থনীতির সঙ্গে মিশে আছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ইলিশ মাছের পাঁচটি অভয়াশ্রম রয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে ইলিশের সংরক্ষণ ও উৎপাদন ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সব কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আর ছাড় নয়: ডিএনসিসি প্রশাসক
অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ফুটপাতগুলো জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংস ও প্রতিরোধে ডিএনসিসির আয়োজনে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক অভিযোগ করেন, ব্যবসার উদ্দেশ্যে ফুটপাত দখল করে রাখা ব্যক্তিদের ডিএনসিসির পক্ষ থেকে আগে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা এর পরিপ্রেক্ষিতে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি।
সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘এখন আর নোটিশ নয়, যেখানেই ফুটপাত দখল করা হবে, সেখানেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলবে এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করে জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত পথচারীদের জন্য এবং নিরাপদে তা ব্যবহারের অধিকার জনগণের রয়েছে।
জনগণই সব ক্ষমতার উৎস উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ডিএনসিসি সহযোগিতা করবে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা কেউ প্রতিহত করতে চাইলে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে তা মোকাবিলা করব।’
এ সময় ডিএনসিসি প্রশাসক তিন মাসের মধ্যে নগরকে ডেঙ্গুমুক্ত এবং ফুটপাতকে অবৈধ দখলমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার অনুযায়ী তিন মাসের মধ্যে ঢাকা উত্তরকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে আমরা প্রতিদিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।’
ডিএনসিসি তিন মাস ধরে ঢাকা উত্তরকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে কাজ করছে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত আবাসিক ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং যেখানে লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু সম্পর্কে নগরবাসীকে সচেতন করতে স্থানীয় প্রতিনিধি ও আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে খোলা চিঠি বিতরণ করা হবে।
বিশেষ পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধনের পর দোকানিদের নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার উৎসাহ দিতে মেট্রোরেলের নিচে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে বিশেষ ময়লার বিন স্থাপন করা হয়।
ডিএনসিসি প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি র্যালিও বের করা হয়। পরে মিরপুর-১০ ফলপট্টি এলাকায় অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এসব স্থাপনা আবার বসানো হলে পুনরায় উচ্ছেদ করা হবে বলেও জানান প্রশাসক।
এছাড়া মেট্রোরেলের পিলারে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর লাগানো পোস্টার ও লিফলেট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনি কর্মকর্তাদের আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মেট্রোরেলের পিলার থেকে সব অবৈধ পোস্টার অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন।
নগরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ডিএনসিসি প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
১ দিন আগে
ভাড়ানৈরাজ্য ঠেকাতে সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি
গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে অবিলম্বে সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানিয়েছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংগঠনের সভাপতি হাজি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক যৌথ বিবৃতিতে সরকারের প্রতি এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সরকার বাসসহ বিভিন্ন গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ালেও ঢাকা মহানগরীতে চলাচলকারী কোনো বাসে মালিকপক্ষ ভাড়ার তালিকা টানায়নি। অথচ নগর পরিবহন ও দূরপাল্লার সব ধরনের বাসে দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়ার তালিকা টানানো বাধ্যতামূলক।
ভাড়ার তালিকা না থাকার সুযোগে বাসের কন্ডাক্টররা ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়। এ নিয়ে পরিবহনকর্মী ও যাত্রীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হচ্ছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
কমিটি আরও অভিযোগ করেছে, চার-পাঁচ দিন ধরে রাজধানী ঢাকার নগর পরিবহন এবং ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর মধ্যে চলাচলকারী বাস সার্ভিসগুলোতে এমন অরাজকতা চললেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নীরব রয়েছে।
বিবৃতিদাতারা গণপরিবহনের এই ভাড়াসন্ত্রাস ও অরাজকতা ঠেকাতে অবিলম্বে ঢাকাসহ সারা দেশে বিআরটিএ ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
১ দিন আগে
বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্যিক জোটে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ
বিশ্বের বৃহত্তম মুক্তবাণিজ্য ব্লক রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়েছে। বাংলাদেশসহ চার দেশ ও অঞ্চলের অন্তর্ভুক্তির আনুষ্ঠানিক একটি বিশেষ (অ্যাডহক অ্যাকসেশন ওয়ার্কিং) গ্রুপ গঠনের সুপারিশ অনুমোদন করেছেন জোটের বাণিজ্যমন্ত্রীরা।
গত ২১ সেপ্টেম্বর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম আরসিইপি মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীরা আরসিইপি যৌথ কমিটির (আরজেসি) দেওয়া এ সুপারিশে আনুষ্ঠানিক সম্মতি জানান। বাংলাদেশের পাশাপাশি এ তালিকায় রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ চিলি, দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা ও হংকং (চীন)।
বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, আরসিইপি চুক্তি একটি উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জোটের পরিধি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এবং নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির রোডম্যাপ অনুযায়ী বাংলাদেশসহ আগ্রহী দেশগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও কারিগরি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে এ ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করবে।
বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, আসিয়ানভুক্ত ১০টি দেশ ছাড়াও চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো অর্থনৈতিক পরাশক্তিদের নিয়ে গঠিত এই মেগা বাণিজ্যিক জোটে বাংলাদেশের যোগদান দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় মাইলফলক হতে পারে। বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা বজায় রাখা, বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ এবং দেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণে এটি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।
বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে নিবিড় সহযোগিতা ও গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমেই একটি কার্যকর ও ভবিষ্যৎমুখী আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে জানানো হয়।
এ সময় সদস্যপদ চেয়ে আবেদন করা দেশগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিদ্যমান অপ্রয়োজনীয় বাধা দূরীকরণ এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সংস্কার প্রক্রিয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্য উপমন্ত্রী দিয়াহ রোরো এস্তি উইদিয়া পুত্রি ও নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্টের পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্য কমিটির সদস্য ড. শেন রেটি এ যৌথ বৈঠকে সহ-সভাপতিত্ব করেন।
৩ দিন আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের এক যৌথ প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নেন্স অ্যাডভাইজার লুইস বেননের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সিলর রায়ান ডানকানসন, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসান ও সিনিয়র প্রোগ্রাম ডিরেক্টর লিপিকা বিশ্বাস।
বৈঠকে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির গঠন ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইনসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক ও বহিরাগমন) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
ঢাকার চারপাশের নদী রক্ষায় সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের আহ্বান পানিসম্পদমন্ত্রীর
রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদী রক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি বলেন, রাজধানীর পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নদী ব্যবস্থাপনা করতে হবে।
তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) বিজ্ঞপ্তিতে অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে আলোকিতে টিম ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন আয়োজিত ‘হাই লেভেল ইভেন্ট অন বাংলাদেশ রিভার্স পলিউশন কন্ট্রোল, কনজারভেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অব দ্য রিভার্স সারাউন্ডিং ক্যাপিটাল ঢাকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে দূষণ ও দখলমুক্ত রাখা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার।
নদীতে শিল্পবর্জ্য, পয়ঃবর্জ্য ও কঠিন বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে বলেও মত দেন তিনি।
নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণ কোনো একক মন্ত্রণালয় বা সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পানিসম্পদ, পরিবেশ, নৌপরিবহন, স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন, শিল্প, রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে নদীর তীরবর্তী জনগণ, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
এ্যানি বলেন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে জলাবদ্ধতা, পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা ও জনদুর্ভোগ বাড়ে। এ জন্য নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও জলাধারগুলোও সংরক্ষণ করতে হবে। নদী ও খালের সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ সচল রাখার ওপর জোর দেন তিনি।
সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে দেশব্যাপী নদ-নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ বাংলাদেশ পার্লামেন্টের মহাপরিচালক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিনিস্টার কাউন্সিলর অ্যান্ড হেড অব ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।
৩ দিন আগে
উন্নয়নের অধিকার বাস্তবায়নে সম্মিলিত পদক্ষেপের আহ্বান ঢাকার
উন্নয়নের অধিকার নিশ্চিত করতে সব দেশের অঙ্গীকার, দায়িত্ববোধ ও সম্মিলিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত উন্নয়নের অধিকারবিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।
উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহ উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
উন্নয়নের অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র গৃহীত হওয়ার ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই ঘোষণাপত্রে উন্নয়নকে একটি অবিচ্ছেদ্য মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী সরকারের জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।
তিনি উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে নারী ও তরুণদের ভূমিকার ওপরও গুরুত্ব দেন এবং এমন একটি ‘রেইনবো নেশন’-এর প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরেন, যেখানে কেউ পিছিয়ে থাকবে না।
অনুষ্ঠানে শামা ওবায়েদ কয়েকটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে আরও ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো, পূর্বানুমানযোগ্য ও ন্যায্য উন্নয়ন এবং জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (এআই) সমান সুযোগ। উন্নয়নের অধিকারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে আইনিভাবে বাধ্যতামূলক একটি কাঠামো প্রয়োজন বলেও মত দেন তিনি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অনুষ্ঠানে উন্নয়নের অধিকার পুনর্ব্যক্ত এবং অভিন্ন সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে বিভিন্ন সদস্যরাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশ নেন।
শামা ওবায়েদ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি (ডব্লিউপিএস) ফোকাল পয়েন্টস নেটওয়ার্কের বার্ষিক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে ফিলিপাইন, ইতালি ও ইউএন উইমেনের উদ্যোগে নারীর শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাবের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে ওই প্রস্তাবের বাস্তবায়ন ও জবাবদিহিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
২০০০ সালে নির্বাচিত নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হিসেবে ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাব সমর্থনে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার কথা স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি নারী নেতৃত্বাধীন আগাম সতর্কতা ও মধ্যস্থতা জোরদার, শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, জলবায়ু ও মানবিক কর্মকাণ্ডে ডব্লিউপিএসকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং নারীর বিরুদ্ধে সংঘটিত লঙ্ঘনের বিষয়ে জবাবদিহিতা জোরদারের আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের দ্বিতীয় ডব্লিউপিএস জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে চলমান উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
তিনি ‘ঢাকা ডায়ালগ’ নামের বাংলাদেশ-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন, যার লক্ষ্য নারীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল হয়রানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর নিপীড়ন মোকাবিলা করা। এ উদ্যোগের আসন্ন ‘গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস’-এ যোগ দিতে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতি আমন্ত্রণ জানান তিনি।
জাতিসংঘের ডব্লিউপিএস এজেন্ডা বাস্তবায়ন জোরদার এবং শান্তি ও নিরাপত্তায় নারীর নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন।
৩ দিন আগে
৭১ ও ২৪-এর পরাজিত শক্তি সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: প্রতিমন্ত্রী
একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত অপশক্তি বর্তমান সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এই দুই পরাজিত শক্তিকে সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কুষ্টিয়ার একটি বেসরকারি সংস্থার মিলনায়তনে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তির আজও বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, ঠিক তেমনি চব্বিশের পরাজিত শক্তিরও বাংলাদেশের গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। এই দুই রাজনৈতিক শক্তির ঐক্য আমরা এদেশের রাজনীতিতে প্রায়ই দেখতে পাই। আমরা আবারও দেখতে পাচ্ছি, মাত্র সাত মাস বয়সী একটি সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। সেই ঐক্য আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাই এই দুই পরাজিত শক্তিকে সবাই মিলে মোকাবিলা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া অঞ্চলে জাতীয়তাবাদী দল খুব খারাপ ফলাফল করেছে। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপির প্রার্থীদের বিজয়ী করার মধ্য দিয়ে কুষ্টিয়ার সেই হারানো সম্মান ফেরত আনতে হবে।
সাংগঠনিক এ মতবিনিময় সভায় দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতারাও তাদের বক্তব্যে দলের ভেতরের অনৈক্য ও বিভেদের কথা তুলে ধরেন।
এদিকে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে বিএনপির নেতাকর্মীদের বক্তব্য চলাকালীন সভাস্থলে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের হাতাহাতি হয়। পরে নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারসহ আরও অনেকে।
৩ দিন আগে