রাজনীতি
সাভারে এনসিপির দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুবশক্তির ঢাকা জেলা উত্তরের আহ্বায়ক সেজুতি হোসাইনসহ দুই শতাধিক নেতা-কর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর হাতে ফুল দিয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন।
সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকায় ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর বাসভবনে এ উপলক্ষে এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় ডা. সালাউদ্দিন বাবু বিএনপিতে যোগ দেওয়া সেজুতি হোসাইন ও এনসিপির নেতাকর্মীদের স্বাগত জানান। তিনি বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। জুলাই যোদ্ধারা এ দলে যোগ দিতে চাইলে তাদের স্বাগত জানানো হবে।
বিএনপিতে যোগদান শেষে সেজুতি হোসাইন বলেন, দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দলের হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি সমাজ উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
সংবর্ধনা সভায় এনসিপি থেকে যোগদান করা নেত্রী হেলেন জাহান রিফা ও সুজন আহমেদ বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাভার উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা দেওয়ান মইন উদ্দিন বিপ্লব, সাভার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বদীর, পৌর বিএনপির সহসভাপতি ফেরদৌস আহমেদ প্রদীপ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহমানসহ অন্যান্য নেতারা।
৬ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ
রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচি চলাকালে আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাটিকে ‘অনাকাক্ষিত, অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক’ উল্লেখ করে এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে দলের পক্ষে এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় একটি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার যে অনাকাক্ষিত, অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে, আমরা তার জন্য আন্তরিকভাবে গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি।’
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আমরা অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বদা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং যেকোনো গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক সমাজ বিনির্মাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর যেকোনো ধরনের চড়াও হওয়া বা সহিংসতা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, ‘ধানমণ্ডি জোনের বিক্ষোভ কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ার পর সেখানে উপস্থিত কিছু অতি উৎসাহী ব্যক্তি বহিরাগতদের উসকানিতে এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বা কোনো উগ্র আচরণকে জামায়াতে ইসলামী কখনোই প্রশ্রয় দেয় না।’
জামায়াতের এই সেক্রেটারি বলেন, এই ঘটনার পেছনে প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত এবং কীভাবে এই ভুল বোঝাবুঝির সূত্রপাত হলো, তা খতিয়ে দেখতে দলের পক্ষ থেকে একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা করা হবে। যদি আমাদের কোনো স্তরের কর্মীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ফ্যাসিবাদমুক্ত এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার এই ক্রান্তিলগ্নে গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতা বজায় থাকা অত্যন্ত জরুরি। কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যেন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি বা ফাটল সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য আমরা সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আশা করছি এই বিবৃতির পর ভুল বুঝাবুঝির অবসান হবে।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দৈনিক সকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহফুজুর রহমান শিশির আহত হয়েছেন। আমি তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি এবং তার প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে জামায়াতে ইসলামী আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। আমরা আবারও এই অনভিপ্রেত ঘটনার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
৩ দিন আগে
মঙ্গলবার সারা দেশে এনসিপির বিক্ষোভ সমাবেশ
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সংঘটিত সকল গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার কর্তৃক সংঘটিত সকল গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে এনসিপি ঘোষিত কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে দলটির সকল জেলা ও মহানগর শাখাকে আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় নিজ নিজ জেলা শহর ও মহানগর এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজনের জন্য জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে ১১ দলীয় জোট।
এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ। সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ জোটের দলগুলোর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানান তিনি।
৪ দিন আগে
আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজ (আইসিএপিপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
সোমবার (২২ জুন) আইসিএপিপির মহাসচিব এক ই-মেইল বার্তায় এ তথ্য জানান।
এর আগে, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের পক্ষ থেকে আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর নাম প্রস্তাব করেন।
আগামী ২৫ থেকে ২৮ জুন মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটরে অনুষ্ঠিতব্য আইসিএপিপির ৪৫তম স্থায়ী কমিটির সভায় মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল দলের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেবেন।
সভায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক সহযোগিতা, রাজনৈতিক সংলাপ, গণতন্ত্র, সুশাসন, উন্নয়ন এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদারের বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।
এর আগে, ২০০৪ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত আব্দুল্লাহ আল নোমান এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর এ মনোনয়নকে বিএনপির আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিএনপির কূটনৈতিক সফলতা ও গ্রহণযোগ্যতার একটি মাপকাঠি হিসেবেও এ মনোনয়নকে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এর মাধ্যমে এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং বহুপাক্ষিক সংলাপে অংশগ্রহণের ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আইসিএপিপি ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম। এর লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ, সহযোগিতা, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থা বৃদ্ধি করা এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখা।
৪ দিন আগে
‘নব্য ফ্যাসিবাদকে’ বিদায় জানাতে আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন: ডা. শফিকুর রহমান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
তিনি বলেছেন, ‘যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতি প্রয়োজন হয় না, সেখানেই আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। দেশের মাঠে-ময়দানে গণজাগরণ সৃষ্টি হবে।’
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
যুব সমাজের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।’
বিরোধী দলের নেতা বলেন, ‘যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতি প্রয়োজন হয় না, সেখানেই আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। দেশের মাঠে-ময়দানে গণজাগরণ সৃষ্টি হবে।’
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে তাদের অবস্থান তুলে ধরবেন।
জামায়াত আমির বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনও পূরণ হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ ও দুর্বল করার মাধ্যমে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাদের আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়; বরং একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য।
বিরোধী দলের নেতা বলেন, ‘আমরা দেশে কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না। কিন্তু অন্যায়, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করব না।’
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আপনারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। দেশের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও জনগণের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তবে তিনি বলেন, এই বিপ্লব কোনো দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য নয়; বরং দুর্নীতি, বৈষম্য, দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।
একটি দুর্নীতিমুক্ত, চক্রান্তমুক্ত, দলীয় প্রভাবমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের যুব সমাজকে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।
সমাবেশে অতিথি হিসেবে এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
৬ দিন আগে
সরকার একদলীয় শাসন কায়েমের চেষ্টা করছে: জামায়াত আমির
ব্যাংক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন পদে নিজ দলীয় লোক বসিয়ে সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের জনগণ এ একদলীয় শাসন ব্যবস্থা মেনে নেবে না।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক কর্মী সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এ কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত সময়ে সংসদে বিরোধী দলকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কথা বলত আওয়ামী লীগ। তারা সবচেয়ে বেশি বলতো বিএনপিকে, তারপর জামায়াতে ইসলামীকে। বর্তমান সরকারও বিরোধী দলকে বিভিন্ন রকমের ট্যাগ দিয়ে কথা বলে। কিন্তু দেশের জনগণ এগুলো খায় না।
সরকারের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আপনারা তরুণ সমাজের ভাষা বুঝার চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের পথে হাঁটবেন না।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল জব্বারের সভাপতিত্বে সম্মেলন অনুাষ্ঠত হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও এমপি সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
৭ দিন আগে
অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর
জনগণের অর্থ বিদেশে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের অর্থ জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই ব্যবহার করা হবে।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘যারা এই দেশ থেকে টাকা পাচার করেছে এবং যারা জনগণের অর্থ বিদেশে পাঠাতে চায়, আজ থেকে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করব।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সবাই চোখ-কান খোলা রাখি, তাহলে কেউ দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করতে পারবে না। আমরা সবাই মিলে কাজ করব এবং সেই অর্থ দিয়ে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করব।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, দেশের মানুষের ভাগ্য বদলের এ উদ্যোগে জনগণ সরকারের পাশে থাকবে কি না। জবাবে উপস্থিত হাজার হাজার চা শ্রমিকসহ শ্রীমঙ্গলের নারী-পুরুষ সমস্বরে ‘হ্যাঁ’ বলে সাড়া দেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘ইনশাল্লাহ, আসুন তাহলে আজকের এই আনন্দের দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক একটাই—দেশের জন্য কাজ করব, সবার আগে বাংলাদেশ।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রী নতুন একটি স্লোগান দেন। তিনি বলেন, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।’
পবিত্র কোরআনসহ বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের অনুষ্ঠান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রথমে জাতীয় সঙ্গীত এবং পরে বিএনপির দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ১০টি পরিবারের নারীর হাতে সরাসরি ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে কম্পিউটারে বাটন চেপে ফ্যামিলি কার্ড তৃতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। একইসঙ্গে চা শ্রমিকদের আবাসন সমস্যা সমাধানে দুই লাখ টাকা করে অনুদান, চা শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য আর্থিক অনুদানের চেকও প্রদান করেন।
এ সময় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ হচ্ছে আমাদের প্রথম ঠিকানা, বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের শেষ ঠিকানা। আমাদের একটাই কাজ—বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আসুন, এ দেশ আমাদেরকেই গড়তে হবে। এ দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শ্রমের শক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে। তাহলেই আমরা বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা বিভ্রান্তি ছড়াতে চান প্রায়ই জানতে চান, ফ্যামিলি কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে? কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে?’
তিনি বলেন,‘আপনাদের সবাইকে সাক্ষী রেখে তাদের উদ্দেশে আমি বলতে চাই, এই যে চা শ্রমিকদের ঘর নির্মাণের জন্য দুই লাখ টাকা দেওয়া হলো, চা শ্রমিকদের সন্তানদের লেখাপড়া করানোর জন্য ১০ হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হলো, মানুষের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হলো—এগুলো কোনো সময়ে আপনারা শুনেছেন, কখনো দেখেছেন? আগের সরকার কোনো দিন দিয়েছে কি? দেয়নি। এগুলো কার অর্থ? জনগণের অর্থ। ’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা দেখেছি কিভাবে ১৭ বছরে এদেশ থেকে অর্থ পাচার হয়ে গেছে। জনগণের অর্থ জনগণকে না দিয়ে একটি দল বিদেশে পাচার করে দিয়েছিল।’
তারেক রহমান বলেন, ‘যারা বলে কোথা থেকে আসবে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা, কোথা থেকে আসবে কৃষক কার্ডের টাকা—তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না আমরা। জনগণের টাকা দিয়েই জনগণের জন্য কাজ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘জনগণের অর্থ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করা হবে, দেশের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কাজ করা হবে, জনগণের জন্য কাজ করা হবে। কাজেই টাকার অভাব হবে না।’
ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের জন্য প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থ বরাদ্দের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেই বাজেটে ৬০টি পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে, সেই বাজেটকে একটি দল গণবিরোধী বাজেট বলে। জনগণের জন্য যেই বাজেটে সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, সেই বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলতে পারে, তারা কি কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে? তারা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়—সেটি সংসদের ভেতরেই হোক কিংবা সংসদের বাইরেই হোক—তাদের ব্যাপারে আপনাদের সচেতন থাকতে হবে। কারণ এই লোকেরা, এই দলগুলো দেশে যদি অশান্তি করার সুযোগ পায়, তাহলে আমরা ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করতে পারব না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাফ কথা, যদি দেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে হয়, যদি মা-বোনদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে হয়, কৃষক ভাইদের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে হয়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করতে হয়, যদি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হয়, তাহলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে পারবে না। জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র কেউ নষ্ট করতে পারবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখেছি দেশ স্বাধীন হওয়ার সময়, স্বাধীনতার আগে এবং পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র বিনষ্টকারী ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা সবসময় একসঙ্গে ছিল। মুখে বলত তারা একসঙ্গে নয়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে সবসময় একসঙ্গেই কাজ করেছে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘প্রত্যেক সময় বিএনপি জনগণের কাতারে ছিল। সেজন্যই বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি জনগণের শক্তি। বিএনপি সবসময় বলে, জনগণই আমাদের সকল ক্ষমতার উৎস।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনের সময় অনেককে বিদেশে চলে যেতে। খালেদা জিয়া আপনাদের রেখে কোথাও যাননি। খালেদা জিয়া বলেছিলেন, বাংলাদেশই আমার প্রথম ঠিকানা, বাংলাদেশই আমার শেষ ঠিকানা। আমরা হচ্ছি খালেদা জিয়ার সৈনিক।’
সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফরজানা শারমিন, মৌলভীবাজার জেলা কমিটির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম নয়ন, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন বিশ্বাস এবং ফ্যামিলি কার্ডপ্রাপ্ত নারীদের মধ্যে শিউলী রানী দাস ও ওয়াজেদা বেগম।
৯ দিন আগে
চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি উপজেলার বেতাগী এলাকার মৃত খালেদ চৌধুরীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন মাকসুদুল। তবে বালুর ব্যবসা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা তাদের।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে দলীয় নেতাকর্মীরা ইছাখালী এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে কাপ্তাই সড়ক অবরোধ করেছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। অবরোধের কারণে কাপ্তাই সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।
১৩ দিন আগে
‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে যুবদলকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান ফখরুলের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্য ও ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের নিয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় সারা দেশ থেকে আগত যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়নে দেশের তরুণ সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। যুবদল সেই লক্ষ্য অর্জনে একটি কার্যকর শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।
তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে তরুণদের হাত ধরেই। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথ অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।
এর আগে, আজ সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘রোডম্যাপ অন ট্রেড গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি কনফারেন্স’-এ বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
১৩ দিন আগে
বড় বাজেটে বড় দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয়েছে: নাহিদ ইসলাম
বড় বাজেটে বড় দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর যে অর্থনৈতিক সংস্কারের কথা বলা হচ্ছিল, প্রস্তাবিত বাজেটে তার কোনো প্রতিফলন নেই।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, বাজেটে রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, তা বাস্তবতাবিবর্জিত। তাই এ বাজেট বাস্তবায়নও সম্ভব নয়।
বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী লুটেরাদের বিচার এবং বিদেশে পাচার করা টাকা ফেরত আনার বিষয়ে কোনো দিকনির্দেশনা দেননি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
এ সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভারত সীমান্তে পুশইন করে দক্ষিণ এশিয়াকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করছে। একইসঙ্গে ভারত দেশে আওয়ামী লীগকে মাঠে নামাতে চাচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকার এখনও নমনীয়।
এর আগে, দুই নেতা চট্টগ্রামে এসে নগরীর ষোলশহর জামিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসায় জুমার নামাজ আদায় করেন। পরে তারা মাদ্রাসার মাঠে ছাত্র-জনতার উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।
১৪ দিন আগে