জামায়াত
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং না হলে ১০৮টি আসন পেত জামায়াত: গোলাম পরওয়ার
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেছেন, বিএনপি ও তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর কারণে জামায়াত ভোটে প্রত্যাশিত ফল পায়নি। এ ধরনের প্রভাব না থাকলে দলটি ১০৮টি আসন পেত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবের’ দাবিতে আয়োজিত ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে আয়োজিত এ সমাবেশের আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য, ময়মনসিংহ বিভাগ।
সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপি অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে মিলে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে আমাদের হারিয়েছে। তা না হলে আমরা ১০৮টি আসন নিয়ে সংসদে যেতাম। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, রাজনৈতিক সংঘাত, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বার্থে আমরা নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছি।
তিনি বলেন, আজ গণভোটের রায় কার্যকর না করলে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চলবে। যদি বিএনপি সেই বিপদজনক পথে হাঁটে এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ৭০ ভাগ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চেষ্টা করে, তাহলে যে পথে শেখ হাসিনা গেছেন, সেই পথেই তারেক রহমান যাবেন।
এ সময় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকুন। আমরা মানুষের অধিকার আদায় করেই ঘরে ফিরব ইনশাল্লাহ।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মুহাম্মদ মামুনুল হক বলেন, কৃষক কার্ড আর ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে দেশের ৭০ ভাগ মানুষের ভোটের রায় নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চাইলে যে পথে শেখ হাসিনা গেছেন, সেই পথেই তারেক রহমান যাবেন।
তিনি বলেন, গণভোটে দেশের ৭০ ভাগ মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে। আমরা তার শান্তিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি। বর্তমান সরকার যদি তা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, আর যদি বিএনপি ও তারেক রহমান পাকিস্তানি স্বৈরশাসক ও ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার মতো জনগণের ভোটাধিকার হরণের পথে হাঁটে, তাহলে তাদেরও ভিন্ন পরিণতি হবে না।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঞা বলেন, দেশ পরিচালনায় বিএনপি বারবার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। গণহত্যার বিষয়ে তাদের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। তেল, বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি চীন ও মালয়েশিয়া সফরে গিয়ে দেশের জন্য কী নিয়ে এসেছেন, তা দেশের মানুষকে জানাতে পারছেন না।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সোবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ ১১ দলের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন।
২১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ
রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচি চলাকালে আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাটিকে ‘অনাকাক্ষিত, অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক’ উল্লেখ করে এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে দলের পক্ষে এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় একটি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার যে অনাকাক্ষিত, অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে, আমরা তার জন্য আন্তরিকভাবে গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি।’
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আমরা অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বদা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং যেকোনো গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক সমাজ বিনির্মাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর যেকোনো ধরনের চড়াও হওয়া বা সহিংসতা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, ‘ধানমণ্ডি জোনের বিক্ষোভ কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ার পর সেখানে উপস্থিত কিছু অতি উৎসাহী ব্যক্তি বহিরাগতদের উসকানিতে এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বা কোনো উগ্র আচরণকে জামায়াতে ইসলামী কখনোই প্রশ্রয় দেয় না।’
জামায়াতের এই সেক্রেটারি বলেন, এই ঘটনার পেছনে প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত এবং কীভাবে এই ভুল বোঝাবুঝির সূত্রপাত হলো, তা খতিয়ে দেখতে দলের পক্ষ থেকে একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা করা হবে। যদি আমাদের কোনো স্তরের কর্মীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ফ্যাসিবাদমুক্ত এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার এই ক্রান্তিলগ্নে গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতা বজায় থাকা অত্যন্ত জরুরি। কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যেন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি বা ফাটল সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য আমরা সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আশা করছি এই বিবৃতির পর ভুল বুঝাবুঝির অবসান হবে।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দৈনিক সকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহফুজুর রহমান শিশির আহত হয়েছেন। আমি তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি এবং তার প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে জামায়াতে ইসলামী আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। আমরা আবারও এই অনভিপ্রেত ঘটনার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
৫ দিন আগে
‘নব্য ফ্যাসিবাদকে’ বিদায় জানাতে আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন: ডা. শফিকুর রহমান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
তিনি বলেছেন, ‘যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতি প্রয়োজন হয় না, সেখানেই আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। দেশের মাঠে-ময়দানে গণজাগরণ সৃষ্টি হবে।’
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
যুব সমাজের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।’
বিরোধী দলের নেতা বলেন, ‘যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতি প্রয়োজন হয় না, সেখানেই আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। দেশের মাঠে-ময়দানে গণজাগরণ সৃষ্টি হবে।’
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে তাদের অবস্থান তুলে ধরবেন।
জামায়াত আমির বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনও পূরণ হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ ও দুর্বল করার মাধ্যমে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাদের আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়; বরং একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য।
বিরোধী দলের নেতা বলেন, ‘আমরা দেশে কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না। কিন্তু অন্যায়, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করব না।’
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আপনারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। দেশের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও জনগণের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তবে তিনি বলেন, এই বিপ্লব কোনো দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য নয়; বরং দুর্নীতি, বৈষম্য, দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।
একটি দুর্নীতিমুক্ত, চক্রান্তমুক্ত, দলীয় প্রভাবমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের যুব সমাজকে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।
সমাবেশে অতিথি হিসেবে এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
৭ দিন আগে
সরকার একদলীয় শাসন কায়েমের চেষ্টা করছে: জামায়াত আমির
ব্যাংক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন পদে নিজ দলীয় লোক বসিয়ে সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের জনগণ এ একদলীয় শাসন ব্যবস্থা মেনে নেবে না।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক কর্মী সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এ কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত সময়ে সংসদে বিরোধী দলকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কথা বলত আওয়ামী লীগ। তারা সবচেয়ে বেশি বলতো বিএনপিকে, তারপর জামায়াতে ইসলামীকে। বর্তমান সরকারও বিরোধী দলকে বিভিন্ন রকমের ট্যাগ দিয়ে কথা বলে। কিন্তু দেশের জনগণ এগুলো খায় না।
সরকারের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আপনারা তরুণ সমাজের ভাষা বুঝার চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের পথে হাঁটবেন না।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল জব্বারের সভাপতিত্বে সম্মেলন অনুাষ্ঠত হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও এমপি সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
৯ দিন আগে
মির্জা আব্বাসকে দেখতে মালয়েশিয়ার হাসপাতালে গোলাম পারওয়ার
রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশের সৌহার্দ্য ও মানবিক সম্পর্কের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অসুস্থ বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিতে মালয়েশিয়ার হাসপাতালে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুটা সুস্থ হলেও এখনও তার ফিজিওথেরাপি চলছে। নিউরো-সংক্রান্ত বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হলেও বর্তমানে সেটি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত ফলোআপ ও ফিজিওথেরাপির পরামর্শ দিয়েছেন।
এরই মধ্যে মঙ্গলবার (১৯ মে) তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে এবং সাক্ষাৎ করতে ওই হাসপাতালে যান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সেক্রেটারি মুজিবুল আলম।
সাক্ষাৎকালে গোলাম পারওয়ার মির্জা আব্বাসের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনায় দোয়া করেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন (এমপি)।
গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। পরে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তাকে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়।
৪০ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সংশয় জামায়াত আমিরের
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রংপুর জেলা শিল্পকলা অডিটরিয়ামে দলের সুধী সমাবেশে এসে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান।
জামায়াত আমির বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর যে দুটি উপনির্বাচন হয়েছে তার চিত্র দেখেই শঙ্কিত তার দল। তবে জামায়াত নির্বাচনমুখী দল, তাই তার দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে, তবে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় রয়েছে। এ সময় জনগণকে তাদের অধিকার আদায়ে আরেকবার সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির ব্যাপারে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে তৎকালীন সরকার জামায়াতকে কিছু জানায়নি।
তিনি বলেন, রংপুর অঞ্চলকে অগ্রাহ্য করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, তা কখনোই সম্ভব নয়। তাই তিস্তা চুক্তির বিষয়ে সর্বদা আন্তরিক থাকবে তার দল। এ ছাড়াও আগামী দিনগুলোতে রংপুরের উন্নয়নে সোচ্চার থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বিরোধীদলীয় এই নেতা। পরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, আইনজীবী, ব্যবসায়ীদের নিয়ে সুধী সমাবেশে যোগ দেন জামায়াতে আমির।
এর আগে, সকালে রংপুর মডেল কলেজে রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের উপজেলা ও থানা আমিরদের নিয়ে আমির সম্মলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. শফিকুর রহমান।
৪৩ দিন আগে
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ-গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ঝালকাঠিতে ১১ দলের গণমিছিল
ঝালকাঠিতে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে গণমিছিল করেছে ১১ দলীয় জোট।
রবিবার (৩ মে) শহরের ফায়ার সার্ভিস মোড় এলাকায় আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে এ মিছিল বের করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান, নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ও এনসিপি জেলা শাখার আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মানানসহ অন্যান্য নেতারা।
বক্তারা বলেন, চলমান জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এছাড়া বক্তারা দ্রুত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের দাবি জানান। অন্যথায়, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
পরে ফায়ার সার্ভিস মোড় এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
৫৬ দিন আগে
একাত্তরের জামায়াত আর বর্তমান জামায়াত এক নয়: গোলাম পরওয়ার
১৯৭১ সালের জামায়াত আর বর্তমান জামায়াত এক নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শুক্রবার (১ মে) সকাল ১১টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগর শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সময়ের প্রয়োজনে দলটির গঠনতন্ত্র বহুবার পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমান গঠনতন্ত্রের ভূমিকায় মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামকে শ্রদ্ধার সঙ্গে ধারণ করার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।
তিনি বলেন, এত সাংবিধানিক পরিবর্তনের পরও একটি মহল পুরোনো বিতর্ককে জিইয়ে রাখতে চায়। এটি দেশপ্রেম বা স্বাধীনতার চেতনার বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং জাতিকে বিভক্ত করার বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে এসব বিতর্কের দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন। নতুন প্রজন্মকে একটি সুন্দর ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিতে জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগর শাখার আমির কাজী দীন মোহাম্মদ এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মো. মজিবুর রহমান ভূঁইয়া।
এ সময় সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
৫৮ দিন আগে
সংসদে মানুষের মৌলিক অধিকারের অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে: আযাদ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, সংসদে মানুষের মৌলিক অধিকারের অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে, যেগুলো পাস করা হয়েছে তা মৌলিক অধিকারের নয়।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর শহরতলীর মুসলিম মিশন মিলনায়তনে ফরিদপুর অঞ্চলের উপজেলা/থানার আমির, নায়েবে আমির ও সেক্রেটারি সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
বর্তমান সরকারপ্রধান নির্বাচনের আগে তাদের দলীয় প্রতীক ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেও সমর্থন চেয়েছিলেন। তবে কেন একই তফসিলের দুটি ভোটে অংশ নিয়ে একটি শপথ পড়লেন, আর ‘হ্যাঁ’ ভোটের রায়কে ছুড়ে ফেললেন।
তিনি বলেন, আপনারা দেশের ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে এভাবে ছুড়ে ফেলতে পারেন না। আপনাদের মনে রাখতে হবে দেশটা সরকারের নয়, এটি সবার বাংলাদেশ।
ডাকসুর নেতাদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হলো থানা, আর ছাত্র নেতারা থানায় গিয়ে হামলার শিকার হন। তাদের অপরাধ কী ছিল?’
জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন— আবার কি আয়নাঘর, গুমের মতো ঘটনা তৈরি করে বিরোধী দলকে দমন করা হবে?’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারকে বলব আপনার দলের মাস্তানদের নিয়ন্ত্রণ করুন, নয়তো জনগণ তাদের প্রতিহত করবে, তখন কিন্তু পালাবার পথ পাবেন না।’
বিএনপির উদ্দেশে আযাদ বলেন, শিবিরকে রগ কাটার অপবাদ দেওয়া হয়, কিন্তু আমরা চট্টগ্রামে কী দেখলাম, আমার ভাইয়ের পায়ের রগ কেটেছে কারা?
তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রয়োজন হলে আবারও জুলাইয়ের মতো আন্দোলন হবে, এখনও সময় আছে জনগণের ভাষা বোঝার চেষ্টা করুন।
এ সময় নিজ দলের নেতা-কর্মীদের আগামীতে আন্দোলনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ফরিদপুর জেলার আমির মাওলানা বদরুদ্দীন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য শামসুল ইসলাম বরাটি, অধ্যাপক আবদুত তাওয়াব, ইমতিয়াজউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
৬৫ দিন আগে
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে গণমিছিল, সভা-সমাবেশ, সেমিনারসহ নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির ১১ দলীয় জোট। ঘোষণা অনুযায়ী, ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত তাদের এ কর্মসূচি চলবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
সংবাদ সম্মেলনের আগে জোটের শীর্ষ নেতারা জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এক বৈঠকে এসব কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন। রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের মাধ্যমে ৫ কোটি মানুষ বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার করে নতুন রাষ্ট্রকাঠামোর মধ্য দিয়ে উন্নয়ন ও অগ্রগতির লক্ষ্যে দলীয়করণ, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত এবং একক ব্যক্তির কর্তৃত্ব থেকে দেশকে মুক্ত করতে চেয়েছিল। আমরা এখন বেদনার সঙ্গে দেখতে পাচ্ছি, ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত বর্তমান সরকার তা থেকে ইউটার্ন করে নানান অজুহাত তুলে ব্যাখ্যা দিচ্ছে। জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের কণ্ঠরোধ করে গুরুত্বপূর্ণ নানা ইস্যুতে বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ১৩৩টি অধ্যাদেশের প্রতি অবিচার করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
জ্বালানিমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, গণভোটের যে গণরায়, তা বাস্তবায়নই আমাদের আন্দোলনের প্রধানতম লক্ষ্য। কিন্তু, বিদ্যমান যে জনদুর্ভোগ, জ্বালানি সংকট চললেও জ্বালানিমন্ত্রী হাস্যকরভাবে বলছেন, দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য গাড়ির দীর্ঘ লাইন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তেল পাচ্ছেন না। এমনকি সংসদ সদস্যরা তেল না পেয়ে সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
তিনি আরও বলেন, সার সংকট জ্বালানি থেকেই তৈরি হচ্ছে। আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি দিয়ে ফসল কাটা, মাড়াইয়ের জন্য জ্বালানি প্রয়োজন। আসন্ন বোরো মৌসুমেও জ্বালানির প্রয়োজন।
দেশের হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে গোলাম পরওয়ার বলেন, সারা দেশে দেড় লক্ষাধিক হামের রোগী সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। স্বাস্থ্যখাত একেবারে ভেঙে পড়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য ও হাসপাতালের চেহারা বিপরীত।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, খুনখারাবি ও দখলদারি আবারও চলছে। একটি দলের নেতৃত্বে বিভিন্ন দখলবাজি শুরু হয়েছে। ব্যাংক খাত ধ্বংস করা হয়েছে। এমন কোনো নজির আছে কি যে একটি দল ক্ষমতায় এসে দেড় মাসে ৪০-৪২ হাজার কোটি টাকা শুধু ব্যাংক থেকে ঋণ করেছে, প্রশ্ন তোলেন তিনি।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ব্যাংকগুলো খালি করে নিজেদের সিন্ডিকেটের লোকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলোয় আমানত রাখা কোটি কোটি সাধারণ গ্রাহক এখন রাজপথে নামছেন, কথা বলছেন। প্রশাসনে সচিবালয় থেকে শুরু করে সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অধস্তন পর্যন্ত দলীয়করণ, পদত্যাগে বাধ্য করা, ওএসডি করে ফ্যাসিবাদী কায়দায় সব সরিয়ে দিচ্ছে সরকার। দৃশ্যত, শাসন ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় কোনো গুণগত পরিবর্তন হয়নি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের গণরায়কে বাস্তবায়নের চলমান আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা পরিস্থিতির আলোকে দফায় দফায় বৈঠক করছেন। জনদুর্ভোগ কমানোর দাবিতে ১১ দলের আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় তিনি জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৮ এপ্রিল রাজধানীতে গণমিছিল করবে ১১ দলীয় জোট। এরপর ২৫ এপ্রিল রাজধানী বাদে অন্যসব মহানগরীতে গণমিছিল করবে তারা। তারপর ২ মে সব জেলা শহরে গণমিছিল।
এছাড়া ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত জোটের পক্ষ থেকে সারা দেশে লিফলেট বিতরণ এবং সকল মহানগরী ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে সেমিনার আয়োজন করা হবে।
এ ছাড়াও পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে সকল বিভাগে জনসভা করা হবে। সেখানে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে ঢাকায় মহাসমাবেশ করা হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৭২ দিন আগে