স্থানীয়-ব্যবসা-বাণিজ্য
দেশে আবারও বাড়ল সোনার দাম
দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বৃদ্ধি করে ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
তেজাবি (পাকা) সোনার দাম বাড়ায় দেশের বাজারে সোনা ও রূপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস। তবে অলঙ্কারের নকশাভেদে মজুরির পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।
বাজুস আরও জানিয়েছে, সোনা ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এছাড়া মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার বিনিময়ের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এসব ক্ষেত্রেও আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
এর আগে গত ২ নভেম্বর সকালে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এদিকে দেশের বাজারে রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট রূপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৯৯ টাকায়, ২১ ক্যারেট ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯১৬ টাকায ও সনাতন পদ্ধতির রূপা ২ হাজার ২১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
১ দিন আগে
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২,০৬০ টাকা
বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগের মধ্যেই ১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে দুই হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভোক্তাদের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়বে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
এদিন রাত ৮টা থেকে নতুন মূল্যহার কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এর আগে অক্টোবরে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে রাজধানীতেই এ সিলিন্ডার দুই হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
মোটরযানে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে।
নভেম্বর মাসের জন্য প্রতি লিটার অটোগ্যাসের ভোক্তা পর্যায়ের দাম ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।
৩ দিন আগে
দেশে সোনার দামে আবারও পতন, ভরিতে কমেছে ৩,৩২৪ টাকা
দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাজুস। স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পাকা) সোনা ও রূপার দাম কমায় দেশের বাজারেও সোনা-রূপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি ভিন্ন হতে পারে। যেহেতু সোনা ও রূপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এছাড়া নির্ধারিত মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালা অপরিবর্তিত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ২৩ অক্টোবর ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তবে দেশের বাজারে রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট রূপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায়, ২১ ক্যারেট রূপা ৩ হাজার ৬৭৪ টাকায়, ১৮ ক্যারেট রূপা ৩ হাজার ১৪৯ টাকায় এবং ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে তৈরি রূপা ২ হাজার ৩৯১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
১১ দিন আগে
খাদ্য ব্যবসায় বাধ্যতামূলক হলো নিবন্ধন ও লাইসেন্স
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা ও খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৬ জুলাই ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। সে অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সব খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১ নভেম্বর থেকে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।
নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ ও নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী, নির্ধারিত চার শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক লাইসেন্স, প্রিমিসেস লাইসেন্স, উৎপাদিত ও আমদানিকৃত পণ্যের লাইসেন্স এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার ক্ষেত্রে নিবন্ধন গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে।
পথের ধারের ভ্রাম্যমাণ বা অস্থায়ী খাবারের দোকান, ছোট রেস্তোরাঁ, আমদানিকারক, বড় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানসহ খাবারের ব্যবসায় জড়িত সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে।
প্রবিধানের তফসিলে খাদ্য ব্যবসাকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রচলিত ১৬ ধরনের খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে শুধু নিবন্ধনই যথেষ্ট হবে। তবে বিশেষ ধরনের বা সুপারফুড নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স নিতে হবে।
রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ ও ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে।
প্যাকেটজাত বা মোড়কজাত খাবার উৎপাদনকারী, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী ও আমদানিকারকদেরও নিবন্ধন করতে হবে। তবে কাঁচা ও তাজা খাবার আমদানির ক্ষেত্রে আলাদা বিধান রয়েছে। রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজুর মতো খাবার বিক্রি করা ব্যক্তিদেরও নতুন নিয়মের আওতায় নিবন্ধন নিতে হবে।
এছাড়া পাইকারি মুদি খাদ্য ব্যবসা, কাঁচা ও তাজা খাদ্য আমদানি, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও কোল্ড স্টোরেজ, ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদন, বিশেষ খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ (ফর্টিফায়েড) খাদ্য, স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণ-প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, স্বতাত্ত্বিকভাবে পরিবর্তিত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, ব্যবহারিক খাদ্য, একাধিক ধাপে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং খাদ্য সংযোজন দ্রব্যের (ফুড অ্যাডিটিভস) উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, আমদানি, রপ্তানি ও বিপণনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নির্ধারিত ব্যবসার জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
অন্যদিকে শিশুদের ফর্মুলা দুধ এবং বয়স্ক বা নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বিশেষ ধরনের খাবারের মতো বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য নিয়ে কাজ করা চার শ্রেণির ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের বিধান রাখা হয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালসহ অনুরূপ খাদ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, আমদানি ও বিপণন।
এছাড়া বংশগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত বা সংশোধিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণ-প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, স্বতাত্ত্বিকভাবে পরিবর্তিত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, ব্যবহারিক খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য এবং নিরাপদ খাদ্য (বিজ্ঞাপন ও দাবি) প্রবিধানমালা, ২০২৫ অনুযায়ী স্বাস্থ্য সহায়ক দাবি বা রোগের ঝুঁকি হ্রাস-সংক্রান্ত দাবি রয়েছে—এমন খাদ্যের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও নিবন্ধন নিতে হবে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬-এর তফসিল-১০-এ নির্ধারিত ফি পরিশোধ এবং সংশ্লিষ্ট প্রবিধানে বর্ণিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে হবে। বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ফরম ৬.১, ৭.১, ৮.১ ও ৯.১ এবং নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ফরম ৫.১ অনুযায়ী আবেদন দাখিল করতে হবে।
পাশাপাশি কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক হওয়া সত্ত্বেও তা ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্স নেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। এরপর সেগুলো নবায়ন করতে হবে। প্রবিধানমালা অনুযায়ী, প্রচলিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার জন্য প্রথমবার নিবন্ধন বিনা মূল্যে করা হবে।
সুপারফুড প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের প্রিমিসেস লাইসেন্সের ফি প্রতিষ্ঠানের আয়তনের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের জন্য এ ফি ১০ হাজার টাকা। অন্যদিকে ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্স নিতে ৬০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে।
প্রতিটি খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এতে ভোক্তারা পণ্য দেখেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন রয়েছে কি না, তা জানতে পারবেন। এছাড়া নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করে যেকোনো অভিযোগ জানানো যাবে।
প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে লাইসেন্স ও নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা যাবে। তবে কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ অনলাইনে আবেদন গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মতে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও বিপণন আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার কার্যক্রম অধিকতর কার্যকর হবে।
১৫ দিন আগে
দেশে সোনার দামে আবারও পতন, ভরিতে কমেছে ৩,২৬৬ টাকা
দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাজুস। স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পাকা) সোনা ও রূপার দাম কমায় দেশের বাজারেও সোনা-রূপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি ভিন্ন হতে পারে। যেহেতু সোনা ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এছাড়া নির্ধারিত মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালা অপরিবর্তিত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ৯ অক্টোবর ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
সোনার দাম কমানোর সঙ্গে রূপার দামও কমিয়েছে বাজুস। নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৯৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৪১ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৬২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে
সোনার দামে আবারও পতন, ভরিতে কমেছে ১,৬৯১ টাকা
দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৯ হাজার ৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাজুস। স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পাকা) সোনা ও রূপার দাম কমায় দেশের বাজারেও ধাতু দুটির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি ভিন্ন হতে পারে। যেহেতু সোনা ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এছাড়া নির্ধারিত মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালা অপরিবর্তিত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে সোনার দাম ১২১ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯ বার দাম বেড়েছে, ৬১ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয়ের কারণে মূল্য পরিবর্তন করা হয়েছে।
তবে সোনার দাম কমলেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৭৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ বার দাম বেড়েছে ও ৩৭ বার কমেছে।
৩১ দিন আগে
সোনার দামে আবারও পতন, ভরিতে কমেছে ২,২১৬ টাকা
দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাজুস। স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পাকা) সোনা ও রূপার দাম কমায় দেশের বাজারেও সোনা-রূপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি ভিন্ন হতে পারে। যেহেতু সোনা ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এছাড়া নির্ধারিত মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালা অপরিবর্তিত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১১৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৮ বার দাম বেড়েছে, ৬০ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয়ের কারণে মূল্য পরিবর্তন করা হয়েছে।
এদিকে সোনার পাশাপাশি রূপার দামও কমানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৭৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ বার দাম বেড়েছে এবং ৩৭ বার কমেছে।
৩৭ দিন আগে
সোনার দামে পতন, ভরিতে কমেছে ১,৬৯১ টাকা
পরপর দুইবার দাম বাড়ানোর পর এবার সোনার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাজুস। স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পাকা) সোনা ও রূপার দাম কমায় দেশের বাজারেও সোনা-রূপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি ভিন্ন হতে পারে। যেহেতু সোনা ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এছাড়া নির্ধারিত মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালা অপরিবর্তিত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১১৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৮ বার দাম বেড়েছে, ৫৮ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয়ের কারণে মূল্য পরিবর্তন করা হয়েছে।
এদিকে সোনার পাশাপাশি রূপার দামও কমানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৮৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৭১ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ বার দাম বেড়েছে এবং ৩৫ বার কমেছে।
৪০ দিন আগে
মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে
মার্চ মাসে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম অপরিবর্তিত থাকবে।
সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে, যা আজ (রবিবার) সকালে প্রকাশ করা হয়।
সর্বশেষ গত ১ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে দুই টাকা কমানো হয়েছিল। তখন ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১০২ টাকা থেকে দুই টাকা কমে হয় ১০০ টাকা। এছাড়া দুই টাকা কমে প্রতি লিটার অকটেন ১২০ টাকা এবং পেট্রোল ১১৬ টাকা হয়। কেরোসিনের দাম প্রতি লিটার ১১৪ টাকা থেকে ২ টাকা কমে হয় ১১২ টাকা।
মার্চ মাসেও ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা বিক্রি হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমা-বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এ কারণে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত) আলোকে মার্চ মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে।
২৪৯ দিন আগে
ডিএসইর আরও ১৩ ব্রোকারেজ হাউজ পেল ফিক্স সার্টিফিকেশন
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) নিজস্ব অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওএমএস) চালুর লক্ষ্যে এপিআই সংযোগের মাধ্যমে আরও ১৩টি ব্রোকারেজ হাউজকে ফিক্স সার্টিফিকেশন দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ডিএসই ট্রেনিং একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে এসব সার্টিফিকেশন দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ফিক্স সার্টিফিকেশন তুলে দেন ডিএসই'র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম। বলেন, ‘যে ১৩টি ব্রোকারেজ হাউজ ফিক্স সার্টিফিকেশন গ্রহণ করেছে, তাদের ধন্যবাদ জানাই। তবে যেসব ব্রোকারেজ হাউজ এখনও সার্টিফিকেশনের আওতায় আসতে পারেনি, তাদের সহযোগিতা করার জন্য ডিএসই কাজ করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। চলমান পরিবর্তনগুলো বাজারকে ইতিবাচক দিকে এগিয়ে নিচ্ছে।’
যেসব ব্রোকারেজ হাউজ সার্টিফিকেশন পেল
এপেক্স ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ইবিএল সিকিউরিটিজ পিএলসি, গ্রীনডেল্টা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড, ইসলামি ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এনএলআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এনআরবিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ওয়ান সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, স্মার্ট শেয়ার অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ডিএসইর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুর রহমান। বক্তব্য দেন ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাহমাত পাশা। সমাপনী বক্তব্য দেন ডিএসইর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আসিফুর রহমান।
এছাড়া ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন, রিচার্ড ডি রোজারিও, আইসিটি ডিভিশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক এএনএম হাসানুল করিম, প্রোডাক্ট অ্যান্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ডিভিশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক সাইয়িদ মাহমুদ জুবায়েরসহ ডিএসই ও বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডিএসইর এপিআই উদ্যোগ
ডিএসই ২০২০ সাল থেকে এপিআই-ভিত্তিক ব্রোকার হাউজ অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (BHOMS) চালুর উদ্যোগ নেয়। এরপর থেকে ৬৫টি ব্রোকারেজ হাউজ নাসডাক ম্যাচিং ইঞ্জিনে সংযোগ নিয়ে নিজস্ব ওএমএসের মাধ্যমে লেনদেনের আবেদন করেছে। আজকের ১৩টিসহ মোট ৩৯টি ব্রোকারেজ হাউজ ফিক্স সার্টিফিকেশন পেয়েছে। এর মধ্যে ২২টি হাউজ ইতোমধ্যেই নিজস্ব ওএমএস চালু করেছে।
৪৩৪ দিন আগে