পরিবেশ
ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা
দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল দক্ষিণের জেলা সাতক্ষীরা। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১ ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র সাতক্ষীরার কলারোয়া। কেন্দ্র থেকে এর গভীরতা ১৫০ কিলোমিটার।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ছিল ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
৬ দিন আগে
অকারণে হর্ন বাজানো আমাদের বদভ্যাস, এটি পরিবর্তন করতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব আমাদের সবার। শুধু সরকারের উপর দায়িত্ব ছেড়ে দিলে হবে না। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে। অকারণে হর্ন বাজানো আমাদের বদভ্যাস। এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।’
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিমানবন্দর এলাকায় ‘ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ কর্মসূচি’ বাস্তবায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢকা মেট্রোপলিট্রন পুলিশ (ডিএমপি), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), ঢাকা উত্তরা সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিভিল এভিয়েশন) সমন্বিত অভিযানে হর্নের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আয়োজিত সমাবেশে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা রিজওয়ানা বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা শুধু হর্নের ওপর জোর দিচ্ছি। কোনো অজুহাতেই হর্ন বাজানো যাবে না। তিনি বলেন, অন্যান্য আইন ভঙ্গ করলে আধুনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পুলিশ যেভাবে গাড়ির ব্যাপারে দণ্ড আরোপ করে, একইভাবে হর্নের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।
উপদেষ্টা বলেন, ইতোমধ্যে ‘শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫’-হয়েছে। পুলিশকেও এ কাজে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষ বেশকিছু তরুণকে এ কাজে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তারা এখন আনুষ্ঠানিক ট্রাফিক পুলিশের অংশ। সিভিল এভিয়েশন বিমানবন্দরের ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বন্ধে স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় কার্যক্রম শুরু করতে পারে। বিমানবন্দর এলাকা হর্নমুক্ত করে সকলে একটা উদাহরণ তৈরি করতে পারি।
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আহ্বান জানিয়ে পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, উচ্চশব্দের কারণে ঢাকা শহরে শতকরা ৬৫ ভাগ চালক কানে কম শুনেন। একটা বাচ্চা যখন স্কুলে যায় হর্নের আওয়াজ তার জন্য খুবই অস্বস্তিকর। জাতিগতভাবে আমাদের সকলকে দায়িত্ব নিতে হবে। উপদেষ্টা জনগণকে সচেতন করতে গণমাধ্যমকর্মীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তাদের স্বপ্রণোদিত হয়ে, নিজেদের দায়িত্বের জায়গা থেকে কাজ করার অনুরোধ জানান তিনি।
সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে যে বিধিমালাটি করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ ব্যাপারে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করছেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক প্রমুখ।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এছাড়া, পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ, ডিএনসিসি ও সিভিল এভিয়েশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
১৫ দিন আগে
হাওর ও জলাভূমি দখল-দূষণে ২ বছরের জেল, অধ্যাদেশ জারি
দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে জারি করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬।’
এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি জলাভূমি দখল, ভরাট এবং পরিবেশের ক্ষতিসাধনকারীদের জন্য জেল ও মোটা অঙ্কের জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
অধিদপ্তরের নতুন ক্ষমতা ও মহাপরিকল্পনা
নতুন এই আইনের আওতায় হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরকে সুনির্দিষ্ট কার্যাবলী বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকদের তালিকার ভিত্তিতে সরকার গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে হাওর ও জলাভূমির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে। ‘মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়ন করবে, যা জলাভূমির সুরক্ষা ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় কাজ করবে। যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আগে এখন থেকে হাওড় ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের মতামত নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সরকার চাইলে বিশেষ সুরক্ষার প্রয়োজনে যেকোনো হাওর বা জলাভূমিকে ‘সংরক্ষিত এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতামতের ভিত্তিতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে।
অপরাধ ও দণ্ড
নতুন এই অধ্যাদেশে হাওর ও জলাভূমি রক্ষায় অপরাধের ধরনভেদে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিশেষ করে, যারা অবৈধভাবে হাওর ও কান্দার জমি দখল, ভরাট, অননুমোদিত খনন কিংবা জলাভূমির পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত করে কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করবেন, তাদের জন্য অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। একই সাজা কার্যকর হবে যদি কেউ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মাটি, বালু, পাথর বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করেন।
মৎস্য ও জলজ প্রাণী রক্ষায়ও সরকার শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করেছে। নিষিদ্ধ জাল, বিষটোপ বা বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরা এবং হাওর এলাকার পরিযায়ী পাখি শিকার বা জলাবন ধ্বংস করলে অপরাধীকে ২ বছরের জেল ও ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।
এছাড়া, যদি মাছের প্রজনন বিঘ্নিত হয় এমনভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করা হয়, তবে তার জন্য ১ বছরের জেল বা ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
পরিবেশ দূষণ রোধে এই আইনে বলা হয়েছে, যদি কেউ এমন কোনো কাজ করেন যার ফলে হাওরের পানি ও মাটি দূষিত হয়, তবে তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হবে।
এ ছাড়াও, অধিদপ্তরের জারি করা কোনো বিশেষ সুরক্ষা আদেশ বা নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে এবং সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষিত জায়গায় বিধিনিষেধ অমান্য করলেও দোষী ব্যক্তিকে ২ বছরের জেল ও ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড ভোগ করতে হবে।
যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কারণে জলাভূমির প্রতিবেশ ব্যবস্থার ক্ষতি হয়, তবে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সেই ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে তা আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবেন। একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিতে পারবেন, যা পালন করা বাধ্যতামূলক।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অধ্যাদেশ বাস্তবায়িত হলে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর ও জলাশয়গুলোর জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে এবং অবৈধ দখলদারদের দৌরাত্ম্য কমবে।
২৫ দিন আগে
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজের ধারাবাহিকতা প্রয়োজন: রিজওয়ানা হাসান
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং বন ও নদী রক্ষায় কাজের ধারাবাহিকতা প্রয়োজন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) আয়োজিত জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘদিনের বিরাজমান সমস্যাগুলো সমাধানে অন্তর্বর্তী সরকার আইনের সংশোধন ও নতুন নীতিমালা প্রণয়ন সংস্কার গ্রহণ করেছে। সরকার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা উন্নয়ন, শিল্প ও গৃহস্থালি দূষণ, লবণাক্ততা ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ হ্রাস মোকাবিলায় গুরুত্ব দিচ্ছে।
উপদেষ্টা বলেন, ২০০২ সাল থেকে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও এটি কার্যকর করা যায়নি। কাঁচাবাজারে পলিথিন ব্যবহার হলেও সুপারশপে তা অনেকাংশে বন্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা করা হয়েছে। এতে পুলিশকে জরিমানা ও শাস্তির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ঢাকার পাঁচটি নদী- বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু, তুরাগ ও ধলেশ্বরী এবং দেশের আট বিভাগের আটটি গুরুত্বপূর্ণ নদী নিয়ে পৃথক প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। এসব নদী থেকে বর্জ্য অপসারণ ও ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি কাজগুলো শুরু করে দিয়ে যেতে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্ক (বেন)-এর আয়োজনে ৯ ও ১০ জানুয়ারি জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
বাপা সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সম্মেলনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ফিরোজ আহমদ এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাপা সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম।
৩১ দিন আগে
ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপল সিলেট
সিলেট ও আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ইউরো-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) ও আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪।
মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস ও ইউরো-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ভারতের আসাম রাজ্যের ধিং শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে এবং গুয়াহাটি থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ৩৫ কিলোমিটার।
নগরীর কুমারপাড়া, জিন্দাবাজার, উপশহর, আম্বরখানা, টিলাগড়, শাহপরান থানা এলাকা ছাড়াও দক্ষিণ সুরমা, জৈন্তাপুর ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায়ও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
এদিকে ভূকম্পনের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই পোস্ট দিয়ে জানান, তারা ভোরে ভূকম্পন অনুভব করেছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ভূকম্পনের মাত্রা ও উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে কিছু জানায়নি। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সর্বশেষ গত ১০ ডিসেম্বর মধ্যরাতে সিলেটে মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ওই দিন দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে প্রথম ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর ঠিক পাঁচ মিনিট পর ২টা ২৫ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে দ্বিতীয়বার কেঁপে উঠে সিলেট। দুটি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বিয়ানিবাজারে।
উল্লেখ্য, সিলেট অঞ্চল ভূতাত্ত্বিকভাবে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। এর আগে বিভিন্ন সময়ে এখানে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।
৩৫ দিন আগে
অসময়ে ভাঙন, গড়াইয়ের পাড়জুড়ে আতঙ্ক
তোমারে চাচা চলে গেছে (মারা গেছেন) সেই মেলা দিন। এহেনে (এখানে) ৩০ বছর ধরে বাস করতেছি। তয় আগে কোনোদিন এ্যাম্বা (এভাবে) ভাঙা দেখিনি। কিছুক্ষণ পরপরই পাড় ভাঙে ঢপ্পাস করে পড়ছে। কখন জানি ঘরখানায় ভাঙে যায়—এই ভয়ে আছি।
আক্ষেপ করে কথাগুলো বলছিলেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভায় তেবাড়িয়া এলাকার মৃত সেকেন্দার আলীর স্ত্রী মদিনা খাতুন (৬২)। তার ভাষ্য, নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। এ বছর চর জেগেছে নদীর মাঝে। কিনারা দিয়ে স্রোত গড়াচ্ছে, আর পাড় ভেঙে ভেঙে পড়ছে। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
গড়াই নদীর কূলঘেঁষে কুমারখালী পৌরসভা ও উপজেলা শহর অবস্থিত। ১৮৬৯ সালে গঠিত প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভায় প্রায় ৬০ হাজার মানুষের বসবাস। পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তেবাড়িয়ার শহীদ গোলাম কিবরিয়া সেতু থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আগ্রাকুণ্ডা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় বাঁধ নেই। এরই মধ্যে সেখানে ভাঙন শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে ফসলসহ প্রায় ৩০ বিঘা কৃষিজমি ও নদীপাড় ভেঙে চলে গেছে নদীগর্ভে।
ভাঙন রোধে এখন পর্যন্ত তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এতে হুমকিতে পড়েছে আরও প্রায় ৫০ বিঘা কৃষিজমি এবং অন্তত ৩০০টি পরিবার।
৪৯ দিন আগে
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৩.৬ মাত্রার ভূমিকম্প
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩.৬। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা ইউএনবিকে বলেন, বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়। এটা স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প ছিল। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর ঘোড়াশালে, যা আগারগাঁওয়ের সিসমিক সেন্টার থেকে ২৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে।
এর আগে, গত শুক্র (২১ নভেম্বর) ও পরদিন শনিবার প্রায় ৩১ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা ও এর আশপাশে চারবার ভূমিকম্প হয়। এর মধ্যে শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটির উৎস ছিল নরসিংদীর মাধবদী। উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
শুক্রবারের ভূমিকম্পে দুই শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারান। এর মধ্যে ঢাকায় চারজন, নরসিংদীতে পাঁচজন ও নারায়ণগঞ্জে একজন নিহত হন। এ ছাড়া বিভিন্ন জেলায় কয়েকশ’ মানুষ আহত হন।
৭৪ দিন আগে
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের আরও শক্তিশালী অংশীদারত্ব প্রয়োজন: বিশ্বব্যাংক
সরকারি, বেসরকারি ও কমিউনিটি পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও অংশীদারত্বমূলক কার্যক্রম বৃদ্ধির মাধ্যমে জলবায়ু সংকটের বুদ্ধিদীপ্ত সমাধান করতে পারে বাংলাদেশ, যা শুধু জলবায়ু ঝুঁকিই কমাবে না বরং টেকসই সমাধান দেবে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত ‘ফ্রম রিস্ক টু রেজিলিয়েন্স: হেলপিং পিপল অ্যান্ড ফার্মস অ্যাডাপ্ট ইন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে, এই অংশীদারত্বমূলক কাজকে অগ্রাধিকার দিলে পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো আরও বেশি শক্তিশালী হবে, দীর্ঘ মেয়াদে যার অগ্রগতি হবে আরও স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক।
বেসরকারি খাতের সম্পদ ও বিনিয়োগ উপযুক্ত স্থানে সরিয়ে নেওয়া হলে জলবায়ু সংকটজনিত ক্ষয়ক্ষতি এক-তৃতীয়াংশ কমানো সম্ভব বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বাজেট সংকটের মধ্যেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো অর্থায়নে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, পরিবহন ও ডিজিটাল নেটওয়ার্কের উন্নয়ন ও নমনীয় সামাজিক সুরক্ষা কাঠামো প্রবর্তনের মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে দিতে পারে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জনসংখ্যার আধিক্য, উচ্চ তাপমাত্রা ও অবস্থানগত কারণে দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের সর্বোচ্চ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্যতম, আর এই অঞ্চলে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০৩০ সালের মধ্যে এই অঞ্চলের ৯০ শতাংশ মানুষ চরম উচ্চ তাপের ঝুঁকিতে থাকবে ও প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষ বন্যার ঝুঁকিতে থাকবে। ইতোমধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে পানি ও মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের জীবন প্রভাবিত হচ্ছে।
দেশের ২৫০টি উপকূলীয় গ্রামে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সবচেয়ে জরুরি জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো। দীর্ঘ মেয়াদে ৫৭ শতাংশ পরিবার পর্যাপ্ত দুর্যোগ-সুরক্ষা অবকাঠামোর অভাবকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে; ৫৬ শতাংশ পরিবার বলেছে, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তারা প্রয়োজনীয় অভিযোজন করতে পারছে না।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব শুধু পরিবেশগত নয়, বরং মানবিক। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভুগছে দরিদ্র ও কৃষিনির্ভর পরিবারগুলো।
জরিপে দেখা যায়, আগামী ১০ বছরে আবহাওয়াজনিত ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছে দক্ষিণ এশিয়ার তিন-চতুর্থাংশ পরিবার ও প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যে ৬৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠান এবং ৮০ শতাংশ পরিবার কোনো না কোনোভাবে অভিযোজনমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের উন্নত প্রযুক্তি বা অবকাঠামোর বদলে কম খরচের সাধারণ সমাধানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের বাঁধ, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণসহ বিভিন্ন সরকারি বিনিয়োগ দুর্যোগের সময় অনেক প্রাণ বাঁচিয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের বিভিন্ন ঘটনা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সঠিকভাবে পরিকল্পিত সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি এবং হালনাগাদ তথ্য দুর্যোগের সময় দরিদ্র মানুষের বড় সহায়ক হতে পারে। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে সরকারি উদ্যোগের পরিধি সীমিত। এ অবস্থায় জলবায়ু অভিযোজনে বেসরকারি খাতকে সামনে এনে একটি সমন্বিত নীতিপ্রকল্প প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে বলেন, ‘বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা বারবার নতুনভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে। অভিযোজন ব্যাপক হলেও ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে, ফলে আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। দুর্যোগ সহনশীলতা গড়ে তুলতে আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষা, জলবায়ুবান্ধব কৃষি এবং ঝুঁকিভিত্তিক অর্থায়ন বাড়াতে হবে। শহরাঞ্চলেও পরিকল্পিত হস্তক্ষেপ জরুরি।’
জলবায়ু অভিযোজনে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি উদাহরণ বলে উল্লেখ করেছেন প্রতিবেদনটির সহ-লেখক ও বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ সিদ্ধার্থ শর্মা। তার মতে, পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে অভিযোজন করছে, কিন্তু সংকটের প্রকৃতি এতটাই জটিল ও বিস্তৃত যে সরকার ও বেসরকারি খাতকে আরও সমন্বিত ও জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।
প্রতিবেদনটি আরও বলছে, বাংলাদেশ অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে পারে। আগাম সতর্কবার্তা ও সাইক্লোন সেন্টারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুফল ইতোমধ্যে মিলেছে; প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সঠিক বিনিয়োগ ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারলে স্থানীয় অভিযোজনে সাফল্য আরও বাড়ানো সম্ভব বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর অভিযোজন কৌশল গ্রহণ করতে পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করবে এবং মানবসম্পদের সুরক্ষা দেবে।
৭৭ দিন আগে
রাজধানীতে আবারও ভূমিকম্প, মাত্রা ৪ দশমিক ৩
সকালের আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রাজধানী ঢাকা।
শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৫ সেকেন্ডে এই মৃদু কম্পনটি অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.৩।
আবহাওয়া অফিসের টেলিপ্রিন্টার অপারেটর মো. গোলাম মোস্তফার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানীর বাড্ডা এলাকা, ঢাকা ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে যা মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে।
তবে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৩ এবং এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদী থেকে ১১ কিলোমিটার পশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হয়েছে।
এ ছাড়া, ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৭।
এর আগে, আজ সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে ৩ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সেটির উৎপত্তিস্থল শুরুতে সাভারের বাইপাইল বলে জানালেও পরে সেই তথ্য সংশোধন করে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর পলাশ উপজেলা।
এ ছাড়া গতকাল (শুক্রবার) সকালে ঢাকা থেকে ১৩ কিলোমিটার পূর্বে পাঁচ দশমিক সাত মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে দুই শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারান।
এর মধ্যে ঢাকায় চারজন, নরসিংদীতে পাঁচজন ও নারায়ণগঞ্জে একজন নিহত হন। এ ছাড়া বিভিন্ন জেলায় কয়েকশ’ মানুষ আহত হন।
৭৯ দিন আগে
এবার বাইপাইলে ৩.৩ মাত্রার ভূমিকম্প
নরসিংদীর মাধবদীতে ভূমিকম্পের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই সাভার ও গাজীপুরের মাঝামাঝি বাইপাইল এলাকায় আবারও কম্পন রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র।
শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে এই কম্পন রেকর্ড করা হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল তিন দশমিক তিন।
ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ঢাকা থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ছিল প্রায় ২৯ কিলোমিটার। রাজধানীর বেশ কিছু স্থানে খুব হালকা কম্পন অনুভূত হওয়ার কথাও জানিয়েছেন কয়েকজন বাসিন্দা। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে, গতকাল (শুক্রবার) সকালে ঢাকা থেকে ১৩ কিলোমিটার পূর্বে পাঁচ দশমিক সাত মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে দুই শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
এর মধ্যে ঢাকায় চারজন, নরসিংদীতে পাঁচজন ও নারায়ণগঞ্জে একজন নিহত হন। এ ছাড়া বিভিন্ন জেলায় কয়েকশ’ মানুষ আহত হন।
৭৯ দিন আগে