রাষ্ট্রপতির-কার্যালয়
দেশের উন্নয়নে নৈতিক ও দায়িত্বশীল এআই ব্যবহারের ওপর জোর রাষ্ট্রপতির
দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শিল্পের আধুনিকায়ন, রপ্তানি সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ ও তরুণদের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, এআই বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শক্তিতে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিশ্ব বর্তমানে বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী দশকে এ প্রযুক্তি দেশের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শিল্প, বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে। একই সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ সম্মেলনকে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের দিকনির্দেশনা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, শিল্পের আধুনিকায়ন, রপ্তানি সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ ও তরুণদের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এআইকে কাজে লাগাতে হবে। তবে এ প্রযুক্তির ব্যবহার ও বিস্তারের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তি মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হতে হবে, মানুষ যেন প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে না পড়ে। বিশেষ করে এআইয়ের অগ্রগতির কারণে দেশের বেকারত্বের সমস্যা যাতে আরও জটিল না হয়, সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রযুক্তির সম্ভাবনার পাশাপাশি এর ঝুঁকির বিষয়েও সতর্ক করেন রাষ্ট্রপতি।
তার মতে, এআই যেন মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
এ জন্য প্রযুক্তিটির নিরাপদ ব্যবহার, যথাযথ তদারকি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। তা না হলে মানবসভ্যতা বড় ধরনের অস্তিত্বসংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
নতুন জ্ঞান ও বিজ্ঞান দ্রুত গ্রহণের সক্ষমতার ওপর দেশের অগ্রগতি নির্ভর করে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেই নতুন জ্ঞানের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। বিদ্যুৎ যেমন একসময় সভ্যতার গতিপথ বদলে দিয়েছিল, তেমনি এআইও বিশ্বব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন নিয়ে আসছে।
বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তরুণরা প্রযুক্তিবান্ধব এবং নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়নে সক্ষম। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে তারাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে এ বিপ্লবের সুফল পেতে হলে তাদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে।
মির্জা ফখরুল আশা প্রকাশ করেন, দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের মতো ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক শিল্পও বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে নতুন পরিচিতি এনে দিতে পারে।
তিনি জানান, নৈতিকতা, মানবাধিকার, ঝুঁকিভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ও দায়িত্বশীল উদ্ভাবনের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে সরকার এআই নীতিমালা প্রণয়নে কাজ করছে।
এছাড়া বাংলা ভাষাভিত্তিক নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতা তৈরির চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্য তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, আগামী কয়েক বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্ব অর্থনীতিতে বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক মূল্য যোগ করবে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে শুধু এআই ব্যবহারকারী নয়, বরং উদ্ভাবন ও প্রয়োগে সক্ষম একটি দেশে পরিণত হতে হবে।
ব্যবসায়ী সমাজের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, এআইকে কেবল ব্যয় কমানোর মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বরং নতুন পণ্য ও সেবা তৈরি, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয় ও তরুণ প্রজন্ম সম্মিলিতভাবে কাজ করলে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ২০৪১ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনেও বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে।
রাষ্ট্রপতি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যেখানে দেশ শুধু এআই প্রযুক্তি ব্যবহারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং উদ্ভাবনেও বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে।
প্রযুক্তির পরিবর্তনের অংশীদার হওয়ার পাশাপাশি উদ্ভাবনের পথপ্রদর্শক হয়ে ওঠার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
পরে ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি।
সম্মেলনের আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানান তিনি। তাদের মধ্যে বিজ্ঞানী, গবেষক, প্রযুক্তিবিদ, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীরা রয়েছেন। পাশাপাশি সম্মেলনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রবীণদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি
প্রবীণদের সুস্থ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন সুনিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
প্রবীণদের চাহিদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে একটি আলাদা ‘প্রবীণ সেল’ গঠনসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের সভাপতি ফেরদৌস আরা বেগমের নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল প্রবীণদের জন্য বয়স্ক ভাতা, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব নাগরিকদের মেট্রোরেল, ট্রেন ও গণপরিবহনে ৫০ শতাংশ ছাড়, প্রবীণবান্ধব চিকিৎসা সুবিধা প্রদান এবং সার্বজনীন সিনিয়র সিটিজেন কার্ড চালুসহ নানা দাবি তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রপতি দাবিগুলোর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং প্রতিনিধিদলকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো. খবির উদ্দিনসহ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতিকে জাপান সফরের অভিজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক জাপান সফরের বিভিন্ন দিক এবং সফরে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
এ সময় তারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন।
এছাড়া একান্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাপানের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার আলোচনার বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে জানান।
রাষ্ট্রপতি এ সফরে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব, বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে জাপানি বিনিয়োগসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফর দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও আরও সুদৃঢ় করতে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল।
এর আগে দুপুরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান এবং বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব, অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও একান্ত সচিব-২সহ বঙ্গভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
দেশের জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগাতে দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান ও তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রবিবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান মানবসম্পদ এবং জাতীয় উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি।
তিনি আরও বলেন, শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়া যাবে না। দেশের সক্ষমতা জোরদার ও স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিতে বৃহৎ তরুণ জনগোষ্ঠীকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাতে হবে।
মির্জা ফখরুল তরুণদের কর্মমুখী করে গড়ে তোলা এবং উৎপাদনশীল দক্ষতায় দক্ষ করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন, যাতে তারা জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারেন।
নারী উদ্যোক্তাসহ তরুণ উদ্যোক্তাদের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সীমিত পুঁজি নিয়েও অনেকে সফলভাবে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করছেন এবং পণ্য রপ্তানি করছেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের স্বাবলম্বী হতে সরকারকে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও ন্যূনতম আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।
তিনি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রম সারা দেশে সম্প্রসারণেরও আহ্বান জানান, বিশেষ করে প্রশিক্ষণ ও ঋণসুবিধা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি, যাতে আরও বেশি তরুণ এসব সুবিধা নিতে পারেন।
৪ দিন আগে
মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে তরুণদের আন্দোলনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
মাদক প্রতিরোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধসহ সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে দেশের তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রবিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
দিবসটিতে এবারের প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে যুবসমাজের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি মাদক প্রতিরোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে তরুণদের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যুবসমাজ একটি জাতির প্রাণশক্তি ও উন্নয়নের প্রধান নিয়ামক। সুশৃঙ্খল, দক্ষ ও প্রতিশ্রুতিশীল যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।
ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানসহ গণতান্ত্রিক গুরুত্বপূর্ণ অর্জনে যুবসমাজের অগ্রণী ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, যুবসমাজকে দক্ষ ও কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে পারলে স্বনির্ভর, উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে। এ প্রেক্ষাপটে এবারের প্রতিপাদ্য যথার্থ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
বাণীতে তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার বড় একটি অংশ যুবসমাজ, যা বাংলাদেশের প্রধান সম্ভাবনা।
অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ অর্জনে এই জনমিতিক সুবিধা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে এবং এ জন্য মানসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ঙ্গো টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বল মত দেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তরুণদের উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে সুদূরপ্রসারী দর্শন ও কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সেই ধারাকে শক্তিশালী করেন। বর্তমান সরকার সরকারি ও বেসরকারি সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে এ ধারাকে আরও সুদৃঢ় ও যুগোপযোগী করতে বিভিন্ন কর্মসূচি ও উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি জানান, এসব উদ্যোগের অংশ হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কৃষি, হস্তশিল্প, কারিগরি শিক্ষা, ফ্রিল্যান্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নেওয়া এসব কর্মসূচি যুবসমাজকে উদ্যোক্তা ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে যুব জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নতি ও কল্যাণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, সামাজিক সংগঠন, বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিটি পরিবারকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
যুবদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাকে সবার অঙ্গীকার হিসেবে নেওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্যও কামনা করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল।
৫ দিন আগে
বগুড়ার উন্নয়নে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা এমপি মোশারফের
বগুড়া-৪ (কাহালু–নন্দীগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ও বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন বগুড়ার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং দেশবাসীর জীবনমান উন্নয়নে সহযোগিতা কামনা করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে বঙ্গভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে তার স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে বঞ্চিত বগুড়ার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন মোশারফ হোসেন।
পাশাপাশি সারা দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানানোর বিষয়টিও উল্লেখ করেন সংসদ সদস্য।
সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন তিনি।
৭ দিন আগে
মালদ্বীপের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির
মালদ্বীপের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, পর্যটন, মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনীন রশীদ বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।
পারস্পরিক আস্থা, সৌহার্দ্য ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দেন হাইকমিশনার।
এ জন্য রাষ্ট্রপতি তাকে ধন্যবাদ জানান এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে শুভেচ্ছা জানান।
ঢাকায় একটি বিজনেস সামিট আয়োজনের পরিকল্পনার কথা রাষ্ট্রপতিকে জানান হাইকমিশনার।
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।
মালদ্বীপের অর্থনীতিতে কর্মরত এক লাখেরও বেশি বাংলাদেশির অবদানের কথা উল্লেখ করে দেশটির সরকারকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে জনশক্তি, পর্যটন, মৎস্য, মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে সহযোগিতা আরও জোরদার করা যেতে পারে।
বাংলাদেশে মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনার সুযোগের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, এ ক্ষেত্রে দেশটির শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরও কার্যকর ও জোরদার করতে আগ্রহী বলেও জানান রাষ্ট্রপতি।
এ লক্ষ্য অর্জনে মালদ্বীপের সহযোগিতা ও ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।
৭ দিন আগে
শ্রমবাজারে অবস্থান সুদৃঢ়ে দক্ষ জনশক্তি ও বহুভাষা শিক্ষায় গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির
আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং একাধিক ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কারিকুলাম প্রস্তুত করার ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে বঙ্গভবনে আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথক দুটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিনিধিদল দুটির নেতৃত্ব দেন আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান এবং গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিগণ নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মমুখী শিক্ষা, সিলেবাস ও সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদল জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬-এ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২ অর্জনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ৫৭তম স্থান লাভ করেছে তারা।
এসব সাফল্যের কথা শুনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল হক জানান, তাদের শিক্ষার্থীরা দেশে ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে সুনামের সঙ্গে নিজেদের অবস্থান করে নিচ্ছেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশংসা করেন।
দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা প্রস্তাবিত সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয় দুটির উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও ট্রেজারাররা উপস্থিত ছিলেন।
৭ দিন আগে
প্রথমবার বঙ্গভবন পরিদর্শন ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ স্কুলশিক্ষার্থীদের
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন চালু হওয়া নীতির আওতায় প্রথমবারের মতো বঙ্গভবনে স্কুলশিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সুশিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বঙ্গভবনে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘তোমরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। তোমাদের মধ্যেই আমরা দেখতে পাই নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন।’
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের বঙ্গভবন ভ্রমণ-সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬-এর আওতায় প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক লাল মোহাম্মদের নেতৃত্বে শিক্ষকদের সঙ্গে সপ্তম থেকে নবম শ্রেণির নির্বাচিত একদল মেধাবী শিক্ষার্থী বঙ্গভবন পরিদর্শনে যায়।
শিক্ষার্থীরা বঙ্গভবনের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখার পর দরবার হলে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সেখানে রাষ্ট্রপতি তাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। পরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশ নেন তিনি।
তরুণ প্রজন্মকে বঙ্গভবন ও রাষ্ট্রের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্যে মির্জা ফখরুল মা-বাবা, শিক্ষক ও বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি সন্তানদের মা-বাবার ত্যাগের কথা মনে রাখার আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নিজেদের সুশিক্ষিত ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে যেমন মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ হবে, তেমনি জাতির প্রত্যাশাও পূরণ হবে।
বঙ্গভবন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, এটি শুধু একটি ভবন নয়; এটি রাষ্ট্রের প্রতীক ও ইতিহাসের সাক্ষী।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গভবন, রাষ্ট্র ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের বিষয়ে আগ্রহ গড়ে তুলতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে বঙ্গভবনে নিয়ে আসা হবে।
তথ্যপ্রযুক্তির যুগে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন উদ্ভাবন নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান মির্জা ফখরুল।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিব, প্রেস সচিব ও বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১০ দিন আগে
গণতান্ত্রিক গণমাধ্যম জনগণের সবচেয়ে বেশি উপকারে আসে: রাষ্ট্রপতি
গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম যদি গণতান্ত্রিক হয় এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে কাজ করে, তাহলে তা জনগণের সবচেয়ে বেশি উপকারে আসে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।
গণমাধ্যম কর্মীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিতে সংগঠনের ভূমিকার ওপরও গুরুত্বরোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, সব কর্মী ও সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণে সোচ্চার হতে হবে। তিনি সাংবাদিকদের নিজেদের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ানোর ওপরও জোর দেন।
এ সময় অন্যায়ভাবে চাকুরিচ্যুতি, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন, সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতার বিচার নিশ্চিতসহ গণমাধ্যম কর্মীদের মূল সমস্যাগুলো সমাধানে পেশাদার সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
সাক্ষাৎকালে ডিআরইউ প্রতিনিধিদল সংগঠনের পরিচিতি ও সংগঠনের সদস্যের জন্য ডিআরইউ পরিচালিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে।
তারা সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানায় প্রতিনিধিদল।
রাষ্ট্রপতি এ সময় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে তার বিভিন্ন কর্মসূচির কথা স্মরণ করেন এবং সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি ডিআরইউর উন্নয়নে সহায়তার বিষয়ে সদস্যদের আশ্বস্ত করেন এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা ছিলেন।
এছাড়া সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৭ দিন আগে