ঢাকা
দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুর রহমান।
বাসডুবির ঘটনায় ডুবুরি দল ২১ জনের মরদেহ উদ্ধার করে। তার আগে, দুজনকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ নিয়ে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
এখন পর্যন্ত যে ২৩ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে, তারা হলেন— রাজবাড়ী পৌরসভার লালমিয়া সড়ক ভবানীপুর এলাকার মৃত ইসমাঈল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬১) ও ছেলে আহনাফ তাহমিদ খান (২৫), কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ড মজমপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৫৬), কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাগড়বাড়ীয়া গ্রামের হিমাংশু বিশ্বাসের ছেলে রাজীব বিশ্বাস (২৮), রাজবাড়ী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সজ্জনকান্দা গ্রামের মৃত আব্দুল আলীমের মেয়ে জহুরা অন্তি (২৭) এবং একই মহল্লার কাজী মুকুলের ছেলে কাজী সাইফ (৩০), গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের চর বারকিপাড়া গ্রামের রেজাউল করিমের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (৩২) ও তার মেয়ে সাফিয়া আক্তার রিন্থি (১২), কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার ধুশুন্দু গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইস্রাফিল (৩), রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের সন্তান ফাইজ শাহানূর (১১) এবং একই উপজেলার মহেন্দপুর ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামের আব্দুল আজিজের স্ত্রী নাজমিরা ওরফে জেসমিন (৩০), রতনদিয়া ইউনিয়নের মহেন্দপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে আব্দুর রহমান (৬), রাজবাড়ী পৌরসভার সজ্জনকান্দা মহল্লার কেবিএম মুসাব্বিরের ছেলে তাজবিদ (৭), বালিয়াকান্দি উপজেলার পশ্চিম খালখোলা গ্রামের আরব খানের ছেলে বাসচালক আরমান খান (৩১), সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের সোবাহান মন্ডলের মেয়ে লিমা আক্তার (২৬), একই ইউনিয়নের চর বেনিনগর গ্রামের মান্নান মন্ডলের স্ত্রী জোস্না (৩৫) এবং সদর উপজেলার দাদশি ইউনিয়নের আগমারাই গ্রামের শরিফুল ইসলামের শিশু সন্তান সাবিত হাসান (৮); গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের নোয়াধা গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে মুক্তা খানম (৩৮), দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মথুয়ারাই গ্রামের মৃত নূর ইসলামের স্ত্রী নাছিমা (৪০), ঢাকার আশুলিয়া উপজেলার বাগধুনিয়া পালপাড়া গ্রামের মো. নুরুজ্জামানের স্ত্রী আয়েশা আক্তার সুমা (৩০), রাজবাড়ী পৌরসভার সোহেল মোল্লার মেয়ে সোহা আক্তার (১১), কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার সমসপুর ইউনিয়নের গিয়াস উদ্দিন রিপনের মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা (১৩) এবং ঝিনাইদহর শৈলকুপা উপজেলার কাচেরকোল ইউনিয়নের খন্দকবাড়িয়া গ্রামের নুরুজ্জামানের শিশুসন্তান আরমান (৭ মাস)।
এদের মধ্যে ২১ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাসচালক আরমান খান এবং দিনাজপুরের নাছিমা (৪০) নামের নারীর মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুর রহমান।
১ দিন আগে
ঢামেক হাসপাতালের পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের মসজিদের পাশ থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নিহতের বয়স আনুমানিক ৪০ বছর।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আজিম জানান, আজ সকালে খবর পেয়ে নতুন ভবনের নুর মসজিদের পাশে অচেতন অবস্থায় ওই যুবককে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে কয়েকজন ট্রলিম্যানের সহায়তায় তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক জানান তিনি আর বেঁচে নেই।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকদের জিজ্ঞেস করে ওই যুবকের নাম পরিচয় জানা যায়নি। তাই প্রযুক্তির সহায়তায় তার নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১ দিন আগে
জমির দ্বন্দ্বে বড় ভাইয়ের গুলিতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বড় ভাইয়ের ছোড়া গুলিতে নিহত হয়েছেন ছোট ভাই। জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার চতুল এলাকায় ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের পেছনে রেলগেটে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সকালে চতুল ফায়ার সার্ভিসের পেছনে রেলগেট এলাকায় গাছ বিক্রিকে কেন্দ্র করে তারা দুজন বিতর্কে জড়ান। বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ডা. গোলাম কবির তার ছোট ভাই মিন্টুকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন।
সে সময় গুরুতর অবস্থায় মিন্টুকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান স্থানীয়রা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত গোলাম কবীরকে আটক করেন। পরে বোয়ালমারী থানা পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় গোলাম কবিরকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত ডা. গোলাম কবির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন।
২ দিন আগে
কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষ: রেলক্রসিং কর্মী গ্রেপ্তার
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে বাস-রেল সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় অভিযুক্ত গেটম্যান হেলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় জেলার বুড়িচং উপজেলার শংকুচাইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন র্যাব-১১-এর কোম্পানি-২ কুমিল্লার সদস্যরা।
এর আগে, গত সোমবার এ ঘটনায় গেটম্যান এবং সহকারীকে আসামি করে লাকসাম রেলওয়ে থানায় একটি মামলা করা হয়।
গত শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে পদুয়া বাজার বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচের রেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রেনের ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী বাসের ১২ যাত্রী নিহত হয়। এ দুর্ঘটনায় আহত হন আরও অন্তত ৫ যাত্রী। নিহতদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ, ৩ নারী ও ২ শিশু ছিল।
ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ৩টায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ওয়ান আপ ট্রেন কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড অতিক্রমকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নোয়াখালীগামী মামুন স্পেশাল নামে একটি যাত্রীবাহী বাস ওই লেভেল ক্রসিং পার হচ্ছিল। সে সময় চলন্ত ট্রেনের সঙ্গে বাসটির ধাক্কায় ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গে বাসটি আটকে যায়। এরপর ইঞ্জিনের সঙ্গে বাসটি আটকে থাকায় ট্রেনটি প্রায় এক কিলোমিটার দূরে এসে দাঁড়িয়ে যায়। এতে করে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যাওয়ায় যাত্রীরা গুরুতর আহত হয়।
এ সময় ট্রেন যাত্রীদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে পাঠান।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, ঘটনাস্থল থেকে তারা তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে
রাজবাড়ীতে ফিলিং স্টেশনে তেলের সিরিয়াল নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২
রাজবাড়ীর কালুখালীতে জ্বালানি তেল নেওয়ার সিরিয়াল দেওয়াকে কেন্দ্র করে একটি তেলের পাম্পে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ২ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সোমবার (২৩ মার্চ) রাত ১১টার দিকে কালুখালী উপজেলার মোহনপুর এলাকার শেখ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে স্থানীয়দের করা একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে সোমবার দিবাগত রাতে ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। এ সময় কয়েকজন সিরিয়াল ভেঙে আগে তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে অপেক্ষমাণ অন্যদের সঙ্গে প্রথমে কথা কাটাকাটি, পরে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তা মারামারিতে রূপ নেয়। এতে উপস্থিতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাময়িকভাবে তেল সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চরম হট্টগোল চলছে। একে অপরকে কিলঘুষি মারছে। একজনকে শার্টের কলার ধরে রাখছে, অপর কয়েকজন কিলঘুষি মারছে। আবার অপর একজনকে হ্যান্ড মাইক নিয়ে হট্টগোল থামানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়। আরেকজনকে তেল নিতে আসা হাতে প্লাস্টিকের বোতল নিয়ে তেলের ড্রামের ওপর বারবার আঘাত করতে দেখা যায়। এ সময় তেল নিতে আসা অন্যান্য মোটরসাইকেল আরোহীদের চোখেমুখে ছিল স্পষ্ট আতঙ্কের ছাপ।
ঈদের পর গত দুই দিন জেলার বিভিন্ন তেল পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ বন্ধ থাকায় নানা স্থানে উত্তেজনা দেখা যায়।
এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (নেজারত শাখা) মো. হাফিজুর রহমান জানান, আজকে (সোমবার) থেকে সবগুলা পাম্প তেল পাবে। গত ২দিন ডিপো থেকে তেল সরবরাহ না করায় অধিকাংশ পাম্পেই তেল শেষ। সপ্তবর্ণা ও করিম ফিলিং স্টেশনে সীমিত পরিসরে তেল দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার রাতের মারামারি প্রসঙ্গে কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন জানান, তেলের লাইনে দাঁড়ানো এবং আগে তেল নেয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী আফরা এলাকা থেকে আসা এক যুবক তার হাতে থাকা চাবির রিং দিয়ে স্থানীয় মোহনপুর এলাকার এক যুবকের শরীরে আঘাত করলে তার মাথায় সামান্য রক্তপাত হয়। পরে আহত ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে স্থানীয় পর্যায়ে মীমাংসা হওয়ায় কোনো পক্ষ অভিযোগ দেয়নি।
২ দিন আগে
কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ১২ প্রাণহানি: তদন্তে ৩ কমিটি, ২ গেটম্যান বরখাস্ত
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় বাস ও ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় রেলওয়ে ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে কর্তব্যে অবহেলার দায়ে সংশ্লিষ্ট রেললাইনের দুই গেটম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে পদুয়া বাজার বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচের রেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরগামী ‘মামুন স্পেশাল’ পরিবহনের একটি বাসের সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এর মধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (চট্টগ্রাম) আনিসুর রহমানকে আহ্বায়ক করে ৬ সদস্যের একটি কমিটি এবং জোনাল পর্যায়ে চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (পূর্ব) মোহাম্মদ সফিকুর রহমানকে আহ্বায়ক করে আরও একটি ৬ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে বিআরটিএ, হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।
এছাড়া দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে গেটম্যান মেহেদী হাসান ও মো. হেলাল উদ্দিনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
দুর্ঘটনায় আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৫ জন সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং ১৮ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ শুরু করে। ইতোমধ্যে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি লাইন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী জানান, দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হলেও বর্তমানে ডাউন লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে কুমিল্লা স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ট্রেন ছেড়ে গেছে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর শোনার পরপরই জেলা প্রশাসক, হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার এবং রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
৫ দিন আগে
পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে শোলাকিয়ায় উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত
প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায়। এবার শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত।
নিরাপত্তাব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই হয়েছে ঈদের জামাত। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত জামাতে ইমামতি করেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।
এবারের ঈদ জামাতে বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরীফুল আলমসহ কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ ও জেলা প্রশাসক এবং মাঠ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা মাঠে নামাজ আদায় করেন।
আগত মুসল্লিদের প্রত্যেককে তল্লাশি করে মাঠে প্রবেশ করানো হয়। জেলার স্থানীয় মুসল্লিসহ দেশ-বিদেশের পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজ শুরুর ঘণ্টাখানেক আগেই পুরো মাঠটি মুসল্লিতে ভরে যায়। পরবর্তীতে আগত মুসল্লিরা মাঠে জায়গা না পেয়ে পাশের রাস্তায়, বিভিন্ন বাড়ির আঙ্গিনায় নামাজ আদায় করেন।
এ সময় নিরাপত্তার জন্য ১১০০ পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়। সেই সঙ্গে ছিল সেনাবাহিনী ৪ প্লাটুন, র্যাবের ৬টি টিম, ৫ প্লাটুন বিজিবিসহ সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা। মাঠের ভেতরে নির্মিত ৬টি ওয়াচ টাওয়ার থেকে সার্বক্ষণিকক নজরদারি করে পুলিশ প্রসাশন।
এই জামাতে অংশ নেওয়ার সুবিধার্থে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি স্পেশাল ট্রেন দিয়েছিল বাংলাদেশ রেলওয়ে।
রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে মুসল্লিদের সংকেত দিতে শটগানের ৬টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। ৩টি গুলি করা হয় জামাত শুরুর ৫ মিনিটি আগে, ২টি ২মিনিট আগে এবং শেষটি জামাত শুরুর ১ মিনিট আগে।
৫ দিন আগে
পদ্মায় তেলবাহী জাহাজের সঙ্গে লঞ্চের ধাক্কা, অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুই শতাধিক যাত্রী
পদ্মা নদীতে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া এবং মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে তেলবাহী জাহাজের সঙ্গে যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন লঞ্চটিতে থাকা দুই শতাধিক যাত্রী।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। লঞ্চটি দৌলতদিয়া ঘাটে নোঙর করে রাখা হয়েছে।
লঞ্চে থাকা যাত্রীদের অভিযোগ, আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়া ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা এমভি রেজোয়ান লঞ্চটি মাঝ নদীতে পৌঁছালে তেলবাহী একটি জাহাজের পেছনের অংশের সঙ্গে লঞ্চটির ধাক্কা লাগে। এতে প্রায় ১০ জনের মতো যাত্রী কমবেশি আহত হন। কেউ হাতে-পায়ে গুরুতর আঘাত পান, কেউ মাথায় আঘাত পান।
দুই যাত্রী এ সময় নদীতে পড়েও যান। তবে তারা স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরে সাঁতরে লঞ্চে উঠতে সক্ষম হন। লঞ্চের মাস্টারের গাফিলতির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
তেলবাহী জাহাজটি সিরাজগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল বলে জানা গেছে।
দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটে কর্মরত রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর মো. জিল্লুর রহমান প্রামাণিক বলেন, মাঝ নদীতে তেলবাহী জাহাজের সঙ্গে এমভি রেজোয়ান লঞ্চের ধাক্কা লাগে। এতে কিছু সংখ্যক যাত্রী আহত হন। আহত যাত্রীরা দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটে ঘাটে পৌঁছালে আমরা তাদের নিরাপদে লঞ্চ থেকে নামিয়েছি।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচা কার্যালয়ের টার্মিনাল তত্বাবধায়ক মো. শিমুল ইসলাম বলেন, জাহাজ বা লঞ্চ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হওয়ায় সংঘর্ষ ঘটে। তবে কয়েকজন যাত্রী সামান্য আহত হলেও বড় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি নৌপুলিশ দেখভাল করছে।
দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ত্রিনাথ সাহা দুপুর ১২টার দিকে বলেন, আহত যাত্রীদের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সহযোগিতায় তার স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে সবাই প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। ঈদের সময় হওয়ায় লঞ্চটি আটকে না রেখে যাত্রীর ট্রিপ নিতে ইতোমধ্যে বহরে যুক্ত করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।
৭ দিন আগে
১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত আয়োজনে প্রস্তুত শোলাকিয়া
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের জামাত আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ঈদের দিন সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে দেশের অন্যতম বৃহৎ এই জামাত।
শতবর্ষের ধারাবাহিকতায় এবার শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত। এতে দেশ-বিদেশ থেকে আগত লাখো মুসল্লির সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। এবারের জামাতে ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
জামাতকে কেন্দ্র করে মাঠের দাগ কাটা, মেহরাব নির্মাণ, দেয়ালে চুনকাম, ওজুখানা স্থাপন এবং সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজকরা জানান, একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মুসল্লির নামাজ আদায় ও দোয়া কবুলের বিশেষ গুরুত্বের কারণে শোলাকিয়ায় নামাজ পড়তে মুসল্লিদের আগ্রহ থাকে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ২০১৬ সালের জঙ্গি হামলার অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবারও নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাঠ ও আশপাশে বসানো হয়েছে ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরা। ছয়টি ওয়াচ টাওয়ার থেকে পুলিশ ও র্যাব সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে। মোতায়েন থাকবে প্রায় এক হাজার ১০০ পুলিশ সদস্য, র্যাবের ছয়টি টিম, পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, পাঁচ প্লাটুন আনসার ও চার প্লাটুন সেনাবাহিনী। এছাড়া থাকবে ড্রোন নজরদারি, মেটাল ডিটেক্টর, আর্চওয়ে এবং একাধিক চেকপোস্ট। মুসল্লিদের ঈদগাহে প্রবেশের আগে পুলিশের চারটি নিরাপত্তা স্তর অতিক্রম করতে হবে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, মেডিক্যাল টিম এবং কুইক রেসপন্স ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
দূর-দূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের যাতায়াত সহজ করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করেছে।
ঐতিহ্য অনুযায়ী, ঈদ জামাত শুরুর আগে বন্দুকের গুলির মাধ্যমে সংকেত দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে তিনটি, ১০ মিনিট আগে দুটি এবং ৫ মিনিট আগে একটি গুলি ছুড়ে মুসল্লিদের সতর্ক করা হবে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারও মুসল্লিদের শুধুমাত্র জায়নামাজ সঙ্গে নিয়ে মাঠে প্রবেশ করতে হবে।
৮ দিন আগে
গাজীপুরের দুইটি মহাসড়কে নেই দীর্ঘ যানজট, তবে রয়েছে বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ
ঈদযাত্রায় আজ বুধবার ভোর থেকেই গাজীপুরের ঢাকা- টাঙ্গাইল ও ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়ক হয়ে উত্তরবঙ্গ ও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন রুটের যানবাহনের চাপ রয়েছে। যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
দুইটি মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে বিপুল সংখ্যক ঘরমুখো মানুষ থাকায় সেখানে কিছুটা ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করলেও এবার দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তি ছাড়াই সবাই যাচ্ছেন তাদের গন্তব্যে। তবে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীদের।
ভোর থেকে উত্তরবঙ্গ ও উত্তরাঞ্চলগামী ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে ওই দুইটি মহাসড়কে। চন্দ্রা ত্রিমোর ঘিরে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে সকালে। তবে নবীনগর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সড়কে অন্যান্য বছরের মতো যানজট দেখা যায়নি। চন্দ্রা ত্রিমোর এলাকায় গণপরিবহনে যাত্রী তোলাকে কেন্দ্র করেই মূলত এ দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গাজীপুর মহানগর পুলিশ ও জেলা পুলিশ মহাসড়কের অতিরিক্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়ন করেছে। মহাসড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় মহানগর পুলিশের প্রায় ১ হাজার এবং জেলা পুলিশের ৮৫৯ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া হাইওয়ে পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবীরাও কাজ করছেন।
গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার বলেন, ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করে হাইওয়ে ও শিল্প পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। শ্রমিকেরা যেন ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি ফিরতে পারেন, সে জন্যই ধাপে ধাপে কল-কারখানা বিশেষ করে পোশাক কারখানা ছুটি দেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা ও অবৈধ পার্কিং বন্ধে এবং নিষিদ্ধ যানবাহন চলাচল বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
৯ দিন আগে