শিক্ষা
ঢাবির আন্তঃহল হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় জগন্নাথ ও রোকেয়া হল চ্যাম্পিয়ন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃহল হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতার ছাত্র বিভাগে জগন্নাথ হল এবং ছাত্রী বিভাগে রোকেয়া হল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ছাত্র বিভাগে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল এবং ছাত্রী বিভাগে শামসুন নাহার হল রানার্স-আপ হয়েছে।
ছাত্র বিভাগের প্রতিযোগিতায় হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের মানিক হাসান মীর ২৪টি গোল করে সেরা গোলদাতা নির্বাচিত হয়েছেন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের মো. মোনায়েম বিশ্বাস সেরা গোলরক্ষক এবং জগন্নাথ হলের গাথী ডারড সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন।
ছাত্রী বিভাগের প্রতিযোগিতায় রোকেয়া হলের ইশরাত জাহান ২২টি গোল করে সেরা গোলদাতা নির্বাচিত হয়েছেন। একই হলের তিথি রানী সেরা গোলরক্ষক এবং শামসুন নাহার হলের লামিয়া আক্তার লিমা সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রতিযোগিতা শেষে সোমবার (১০ আগস্ট) শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এস এম মোস্তফা আল মামুনসহ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা, ডাকসুর নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন হলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
৮ ঘণ্টা আগে
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসির স্থগিত বাংলা পরীক্ষা ২৯ আগস্ট
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এর স্থগিত বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা আগামী ২৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।
বাউবির ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. হাবিবুল্যাহ মাহামুদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, বাউবির এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬ গত ২৪ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে। প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র ও বাংলা (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা দুটি স্থগিত করা হয়। স্থগিত ওই পরীক্ষাগুলো আগামী ২৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া ব্যবহারিক বিষয়ের পরীক্ষা আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য পরীক্ষার সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
শাবিপ্রবিতে ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত শিক্ষকদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ অনুসন্ধানে ৬ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই কমিটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে লিপ্ত শিক্ষকদেরও চিহ্নিত করবে।
রবিবার (৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ সলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কোনো শিক্ষকের রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কার্যকলাপে জড়িত থাকার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই প্রতিবেদনের আলোকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এ-সংক্রান্ত কাজে জড়িত থাকার বিষয়ে তদন্তপূর্বক অনতিবিলম্বে প্রতিবেদন প্রদানের জন্য কর্তৃপক্ষ এই তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
তদন্ত কমিটিতে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিমকে আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইসমাঈল হোসেন, গণিত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ উদ্দিন, নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল ফজল মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, কমিটিকে অবিলম্বে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকেই শাবিপ্রবির শিক্ষকদের সংশ্লিষ্টতা তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কার্যপরিধি অনুযায়ী, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে এই কমিটি।
এছাড়া বিগত সরকারের সময় শিক্ষকরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হুমকি বা নিপীড়নে লিপ্ত ছিলেন কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে অনুসন্ধান করে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
১ দিন আগে
চলতি অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬,৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩০১টি গির্জা রয়েছে। এ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসেই এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।
সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে গঠিত সেলের সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ সম্মানী ভাতার জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন হতে ১৫টি মসজিদ নির্বাচন করা হবে। পৌরসভাসমূহের মধ্য হতে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড হতে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড হতে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড হতে দুইটি মসজিদ নির্বাচন করা হবে।
এছাড়া, সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড হতে ছয়টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে।
চলতি অর্থবছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা হতে পাঁচটি মন্দির নির্বাচন করা হবে যার মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি হতে দুইটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি হতে একটি মন্দির নির্বাচন করা হবে। অবশিষ্ট মন্দির ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নির্বাচন করা হবে।
তবে, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলাভিত্তিক ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।
এ কার্যক্রমের অধীনে নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক প্রত্যেকে পাঁচ হাজার টাকা করে মাসিক সম্মানী পেয়ে থাকেন। অন্যদিকে, মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজক তিন হাজার টাকা এবং মসজিদের খাদেম মাসিক দুই হাজার টাকা সম্মানী পান। সম্মানীর এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো হয়।
মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদানের জন্য চলতি অর্থবছরে বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ অর্থবছের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় উপাসনালয় রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসছে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসবে।
উল্লেখ্য, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইতসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত মোট ১৩ হাজার ৯৪৯ জনকে প্রথমবারের মতো সম্মানী দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের একমাস না পেরোতেই চলতি বছরের ১৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও সেলের সভাপতি মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, গাইবান্দা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ সেলের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
এসএসসি পরীক্ষা: বিদেশে পাসের হার ৮৮.০৬ শতাংশ
২০২৬ সালে সারা দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের ক্ষেত্রে গত বছরের তুলনায় হতাশাজনক চিত্র দেখা গেলেও দেশের বাইরে থেকে পরীক্ষা দেওয়া শিক্ষার্থীরা অনেক ভালো করেছে।
দেশে সব মিলিয়ে এবার ঢাকা বোর্ডের পাশের হার সবচেয়ে বেশি ৭১.৬৩ শতাংশ। সেই তুলনায় বিদেশের কেন্দ্রগুলোতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ০৬ শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
এ বছর বিদেশকেন্দ্রে মোট ৪০২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে ৩৫৪ জন পাস করেছেন। তবে ৪৮ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
এ বছর বিদেশে মোট ৯টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। অন্যদিকে একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।
১ দিন আগে
এসএসসি পরীক্ষা: ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি
এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে অকৃতকার্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে আশঙ্কাহনক তথ্য উঠে এসেছে। গত বছরের তুলনায় এবার ৩০৩টি প্রতিষ্ঠান বাড়লেও ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী এবার পাস করতে পারেনি।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় মোট ৩০ হাজার ৪০২টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। তবে ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৩১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী এবার পাস করতে পারেনি।
এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবার শতভাগ অকৃতকার্য হয়েছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৪৮টি, অর্থাৎ এবার শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯টি।
এই তালিকায় সবচেয়ে আশঙ্কাজনক দশা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের; এই বোর্ডের ২২৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি। অথচ গত বছরও এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৮৬। অর্থাৎ গতবারের তুলনায় এবার শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৪০টি।
এমনকি, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গত বছর এই সংখ্যা ছিল শূন্য, আর এবার ২৯টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ অকৃতকার্য হয়েছে। এছাড়া বিদেশি কেন্দ্রের মধ্যে একটিতে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পূর্ণ সিলেবাস ও পূর্ণ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২০ মে পর্যন্ত চলে পরীক্ষা। সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্র এবং ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
১ দিন আগে
এসএসসি পরীক্ষা: ফেলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৯০ হাজার
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী। আর ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৯০ হাজার বেশি।
ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ৭৪ হাজার ৬০১ জন। বিপরীতে ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৮৯ হাজার ৯২৮ জন।
সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ ফল ঘোষণা করেন।
গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন এবং উত্তীর্ণ হতে পারেনি ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ শিক্ষার্থী। অর্থাৎ মোট পরীক্ষার্থীর ৩৭ দশমিক ৭৫ শতাংশই অকৃতকার্য হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন। সে বছর উত্তীর্ণ হয়েছিল ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন। অর্থাৎ অনুত্তীর্ণ হয়েছিল প্রায় ৬ লাখ ৬৬০ জন। সেই হিসেবে, এক বছরে পরীক্ষার্থী কমেছে ৭৪ হাজার ৬০১ জন। কিন্তু অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্টো বেড়েছে ৮৯ হাজার ৯৪৮ জন।
এবারের পরীক্ষায় মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের অকৃতকার্যের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেশি লক্ষ করা গেছে।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মোট ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্র। তাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৭৫৬ জনই অকৃতকার্য হয়েছে, যার শতকরা হার ৪২ দশমিক ১৪ শতাংশ। বিপরীতে ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন ছাত্রী পরীক্ষা দিয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৩ লাখ ৩ হাজার ৮৫২ জন, যার হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ফলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় সমান হলেও মেয়েদের তুলনায় ৮২ হাজার ৯০৪ জন বেশি ছাত্র অকৃতকার্য হয়েছে।
বোর্ডভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর হার শতকার হিসেবে অনেক বেশি। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৪ লাখ ৪ হাজার ৫৩৯ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫ লাখ ৫ হাজার ৩২৯ জন শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, যা মোট শিক্ষার্থীর ৩৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। অন্যদিকে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণের হার সবচেয়ে বেশি; এখানে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৩২ হাজার ১৮৫ জনই অকৃতকার্য হয়েছে। এই বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৫১ শতাংশ পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৫৩,০৯৫ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৪১ দশমিক ৫০ শতাংশ।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পূর্ণ সিলেবাস ও পূর্ণ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২০ মে পর্যন্ত চলে পরীক্ষা। সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্র এবং ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
১ দিন আগে
এসএসসি পরীক্ষা: পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে মেয়েরা এগিয়ে
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবারও পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আর ছাত্রদের পাসের পার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও এগিয়ে ছাত্রীরা। এ বছর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। তাদের মধ্যে ছাত্রী ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন এবং ছাত্র ৫২ হাজার ৭৮০ জন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ ফল ঘোষণা করেন।
এবার পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রের সংখ্যা ছাত্রীদের চেয়ে ৫ হাজার ৯০৩ জন বেশি।
তবে উত্তীর্ণের সংখ্যায় মেয়েরা অনেক এগিয়ে। এবার ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে। অর্থাৎ ছেলেদের চেয়ে ৭৭ হাজার ১ জন বেশি মেয়ে পাস করেছে।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এবার ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র এবং ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পাওয়া ছাত্রীর সংখ্যা ছাত্রদের চেয়ে ১১ হাজার ১১৬ জন বেশি।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিভাগভিত্তিক ফলাফলেও মেয়েদের এগিয়ে থাকার চিত্র দেখা গেছে। বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, আর ছাত্রীদের ৮৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। মানবিক বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৪১ দশমিক ১৪ শতাংশ, ছাত্রীদের ৫৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ, আর ছাত্রীদের ৬৯ দশমিক ৯২ শতাংশ।
অর্থাৎ তিনটি বিভাগেই মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে বেশি হারে উত্তীর্ণ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ব্যবধান মানবিক বিভাগে—এখানে ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের চেয়ে ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি।
সামগ্রিকভাবে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে সামগ্রিক পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশীয় পয়েন্ট।
এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
১ দিন আগে
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের চেয়ে এবার পাসের হার কমেছে।
গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসেবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ ফল ঘোষণা করেন।
এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় ২২ হাজার ৩৫৬ কম।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৬ হাজার ৯ জন।
এবার সর্বোচ্চ পাসের হার ঢাকা বোর্ডে ৭১.৬৩ শতাংশ। এরপর রয়েছে যশোর বোর্ডে ৬৬.২৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯.৪৮শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫৮.৩৩ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৬৩.৬৭ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮.০৫ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫.৪২ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭.৩৯ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে ৬০.৩৫ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন।
আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ পরীক্ষার্থী।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
অন্যদিকে, ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
অর্থাৎ ছাত্রদের তুলনায় ৭৭ হাজার ১ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হারেও ছাত্রদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।
এছাড়া, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষায় মোট ১৪ লাখ ৪ হাজার ৫৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৩ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৬ জন।
ছাত্রদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮১৪ জন এবং ছাত্রীদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৩ হাজার ৭৯৬ জন। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ।
ছাত্রদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৬৭ দশমিক ৯১ শতাংশ।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের গ্রুপভিত্তিক ফলে বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৮৩ দশমিক ৭০ শতাংশ।
মানবিক বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৪১ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৫৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৬৯ দশমিক ৯২ শতাংশ।
বিদেশের নয়টি কেন্দ্রে মোট ৪০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৫৪ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৪৮ জন। পাসের হার ৮৮ দশমিক ০৬ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফলের তথ্যমতে, বিদেশের দুটি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি। এসব কেন্দ্রে কোনো পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জুলাই মাসে দেশব্যাপী প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার কারণে কিছু বোর্ডের পরীক্ষকদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিলম্ব হয়। এ কারণে এবার ফল প্রকাশে কিছুটা দেরি হয়েছে।
এবারই প্রথম পরীক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডগুলোর নিজস্ব শর্ট কোড ১৬১৪০-এর মাধ্যমে এসএমএসে ফল জানতে পারবে।
এর আগে, গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হলেও প্রকাশ-সংক্রান্ত প্রস্তুতি সময়মতো শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরিচালনার জন্য সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্র এবং ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করা হয়েছিল।
১ দিন আগে
এসএসসি পরীক্ষার ফল জানবেন যেভাবে
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টায় সারা দেশে একযোগে প্রকাশ করা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করবেন।
ফলাফল একযোগে সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এসএমএস সার্ভিসের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
ফলাফল জানার প্রক্রিয়া
শিক্ষার্থীরা অফিশিয়াল শিক্ষা বোর্ড রেজাল্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘SSC/Dakhil’ পরীক্ষা নির্বাচন করে, বছর ২০২৬ ও সংশ্লিষ্ট বোর্ড বেছে নিয়ে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়া এবং সিকিউরিটি ক্যাপচা পূরণ করে তাদের ফলাফল দেখতে পারবে।
এসএমএসের মাধ্যমেও ফলাফল জানা যাবে। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ‘SSC’ লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম ৩টি অক্ষর, রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা বোর্ডের একজন শিক্ষার্থী পাঠাতে পারে: ‘SSC Dha 123456 2026’ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে।
দাখিল পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের নামের প্রথম ৩টি অক্ষর, রোল নম্বর ও বছর লিখে ‘Dakhil’ টাইপ করে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে ফলাফল দেখতে পারবে।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা ‘SSC’ টাইপ করে বোর্ডের নামের প্রথম ৩টি অক্ষর, রোল নম্বর ও বছর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে পারবে।
শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফল পাওয়া যাবে না।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের রেজাল্ট সেকশন থেকে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবে।
পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আগামী ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যাবে।
এর আগে, গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হলেও প্রকাশ-সংক্রান্ত প্রস্তুতি সময়মতো শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরিচালনার জন্য সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্র এবং ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করা হয়েছিল।
২ দিন আগে