আবহাওয়া
ঈদের দিন সারা দেশে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় এবং মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় গত কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন স্থানে কমবেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই ধারা আগামীকাল ঈদুল ফিতরের দিনসহ পরবর্তী কয়েকদিনও অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
লঘুচাপের কারণে আজ রাজধানী ঢাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময় দমকা হাওয়ার প্রাবল্যও ছিল চোখে পড়ার মতো। দুপুরের পর থেকে বৃষ্টি না হলেও আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
আগামীকালও (শনিবার) দেশজুড়ে ঝড়বৃষ্টির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
শুক্রবার (২০ মার্চ) আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত
এদিকে, আজ দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দগুলোর জন্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, যশোর, খুলনা, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, রাঙামাটি এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তাছাড়া ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
৫ দিন আগে
দুই বিভাগে ঝড়, আগামী ৫ দিন সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে, আর মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। এর ফলে গত দুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হচ্ছে, যা আরও অন্তত পাঁচ দিন চলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।
সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি। এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পরের চার দিন, অর্থাৎ রবি, সোম, মঙ্গল ও বুধবারও বৃষ্টিপাতের এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আহওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রবি ও সোমবার সারা দেশের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও মঙ্গলবার থেকে তা আবার বাড়তে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এই পাঁচ দিনের শেষের দিকে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে। এছাড়া শ্রীমঙ্গলে ৪১ মিলিমিটার এবং ঢাকায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে। এছাড়া সর্বোচ্চ ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল যশোরে এবং সর্বনিম্ন ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়।
দুই বিভাগে ঝড়ের সম্ভাবনা
আজ (শনিবার) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
১১ দিন আগে
বসন্ত পড়তেই বৃষ্টিতে ভিজল ঢাকা
বর্ষা শেষ হয়ে শরৎ, হেমন্ত পেরিয়ে শীত; দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুম শেষ হয়ে বসন্ত এসেছে কয়েকদিন হলো। এর মধ্যেই বৃষ্টির আগমনে প্রাণ সঞ্চার হলো প্রকৃতিতে।
সোমবার (২ মার্চ) সকাল থেকেই আকাশে ছিল মেঘের আনাগোনা। সূর্যের দেখা তেমনভাবে মিলছিল না। এরপর দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই নামে বৃষ্টি।
বিকেল সাড়ে ৩টার পরপরই ঝুপ করে শুরু হয় বৃষ্টি। তার সঙ্গে ছিল ঝড়ো হাওয়া। সব মিলিয়ে শুষ্ক ধুলায় ঢাকা রাজধানীতে স্বস্তির পরশ নিয়ে এসেছে এই বৃষ্টি।
অবশ্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসও বলছিল একই সম্ভাবনার কথা। আজ দুপুর ১টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টায় ঢাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার বেগে হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া, আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এর প্রভাবে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
বৃষ্টির এই পূর্বাভাস আগামীকালও দেশের চার বিভাগে অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলেছে, আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
২৩ দিন আগে
সিলেটে ভূমিকম্প, উৎপত্তি ছাতকে
সিলেটে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।
ইএমএসসি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায়। আর মাই আর্থকোয়েক অ্যালার্ট জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উত্তপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ১৮১ কিলোমিটার দূরে সুনামগঞ্জের ছাতকে।
জানা গেছে, সিলেট নগরীসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ড ধরে কম্পন অনুভূত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসাইন জানান, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ১ এবং এর গভীরতা স্বল্পমাত্রার হওয়ায় আশপাশের এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬২৬ কিলোমিটার গভীরে।
৩৪ দিন আগে
মৃদু শৈতপ্রবাহের কবলে নওগাঁ, পারদ নেমেছে ৯ ডিগ্রিতে
পৌষের তৃতীয় সপ্তাহে এসে দেশের উত্তরের জেলা নওগাঁয় শুরু হয়েছে মৃদু শৈতপ্রবাহ। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় শীতের দাপট স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে স্বাভাবিক জনজীবন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় নওগাঁ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র, যা চলতি বছর এখন পর্যন্ত এই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।
এর আগে গতকাল (শুক্রবার) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পারদ নেমেছে ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
স্থানীয়রা বলেছেন, সন্ধ্যার পর থেকে ঘন কুয়াশার সঙ্গে বেশ শীত অনুভূত হয়। রাতভর কুয়াশার ঢেকে থাকে পথঘাট এলাকা। সকালে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডার অনুভূতি কিছুটা কমে যায়।
আজ সকাল থেকে নিরুত্তাপ সূর্যের দেখা মিলেছে। সূর্য উঠলেও হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলার হাপানিয়া এলাকার জয়নাল আবেদীন বলেন, দিনের বেলা রোদ থাকায় শীতের তীব্রতা কিছুটা কম থাকে, কিন্তু সন্ধ্যা হলেই গায়ে পরতে হয় শীতের কাপড়। ঘুমোতে গেলে ২/৩টা লেপ-কম্বল ছাড়া উপায় থাকে না।
বরুনকান্দি এলাকার ভ্যানচালক সোবহান বলেন, ‘সন্ধ্যা পর ঠান্ডা বাতাস ও শীতের কারণে রিকশা চালানো কষ্ট হয়ে যায়। আজ সূর্য ওঠার আগপর্যন্ত কুয়াশা ছিল। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত ভ্যান চালানোই কষ্ট। সকালে যাত্রীও পাওয়া যায় না।’
৮১ দিন আগে
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’, বাংলাদেশে কেমন প্রভাব পড়তে পারে?
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে এটি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল দিয়ে অতিক্রম করে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। এর প্রভাবে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তেমন কোনো বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, এবার ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করেছে থাইল্যান্ড। এর অর্থ সুন্দর ফুল।
আবহাওয়া অফিস বিশেষ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় মোন্থাতে পরিণত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।
আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আজ (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৬০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩০০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১২৮০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৬০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। এটি ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যা/রাত নাগাদ ভারতের উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া বার্তায়।
তবে ঘূর্ণিঝড়ের তেমন প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসা। তিনি বলেন, এর প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াও সম্ভাবনা নেই।
এদিকে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।
১৪৯ দিন আগে
দেশে বর্ষাকাল শেষ হলেও অক্টোবরে কেন বৃষ্টি?
বাংলাদেশে সাধারণত আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসকে বর্ষাকাল হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যদিকে, ইংরেজি ক্যালেন্ডারে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার মাসকে বৃষ্টিপাতের মৌসুম হিসেবে ধরা হলেও চলতি অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনের মধ্যেই সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে।
অক্টোবরের এই বৃষ্টিতে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে অনেকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে এই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. শহীদুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, মৌসুমি বায়ুর অক্ষরেখা (মনসুন এক্সিস) এই সময় বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করার কারণে এই বৃষ্টি হচ্ছে। অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে ২৬০ থেকে ২৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে, যেখানে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ধরা হয়েছে ১৬৭ মিলিমিটার। এছাড়া, রাষ্ট্রীয় সংস্থার এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে ১২ ঘণ্টায় ১০৭ মি.মি. বৃষ্টি, জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তি
বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে।
শহীদুল ইসলাম ইউএনবিকে বলেন, সাধারণত জুন মাসে মৌসুমি বায়ুর অক্ষরেখা বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং অক্টোবরের মাঝামাঝিতে বিদায় নেয়। চলতি বছরের এই সময় অক্ষরেখাটি দেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করছে, যার কারণে বৃষ্টি হচ্ছে। তিনি আরও জানান, সাধারণত অক্টোবরের ১৫ তারিখের মধ্যে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিলে দেশের আবহাওয়া শুষ্ক হয়ে যায়।
বর্ষাকালের বৃষ্টিপাতের তুলনায় চলতি বছরে তা বেশি হয়েছে কিনা জানতে চাইলে শহীদুল আলম বলেন, গড় হিসেবে গত বছরের তুলনায় বিশেষ পার্থক্য দেখা যায়নি। পুরো বছরের তথ্য এখনো হাতে নেই। তবে মাসভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, জুনে বৃষ্টিপাত কম ছিল, জুলাইয়ে বেশি, আর আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে স্বাভাবিক ছিল।
১৬৫ দিন আগে
আগস্টে উত্তরের জেলাগুলোতে কম বৃষ্টিপাত, প্রকৃতি ও জনজীবনে প্রভাব
উত্তরের আট জেলা— রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, পঞ্চগড়, নীলফামারী, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করতে হচ্ছে এই অঞ্চলের মানুষকে। আর এর প্রভাব পড়ছে কৃষি সহ সব জায়গাতেই। ধীরে ধীরে রুক্ষ হয়ে উঠছে এই অঞ্চলের আবহাওয়া। তীব্র গরমে মানুষ হাঁসফাঁস করছে।
উত্তরের জেলাগুলোতে এ বছর আগস্ট মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। মাসজুড়ে ২৫ দিন বৃষ্টি হলেও প্রকৃতিতে ছিল খরতাপ ও রুক্ষভাব। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮ থেকে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রংপুর বিভাগীয় আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আগস্ট মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হওয়ার কথা প্রায় ১ হাজার ৩৫০ মিলিমিটার। সেখানে গত মাসে বৃষ্টিপাত হয়েছে মাত্র ৭১৭ মিলিমিটার। মাসের প্রথম দিনে ১১ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টির মাধ্যমে শুরু হয় বর্ষণ। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে ৮ আগস্ট, ৭৮ দশমিক ৪ মিলিমিটার। এরপর ১৪ আগস্টে ৫৬ মিলিমিটার, ৯ আগস্টে ২৭ দশমিক ২ মিলিমিটার এবং ১৯ আগস্টে ২১ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
আরও পড়ুন: তীব্র দাবদাহে পুড়ছে সিলেট, বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ
এপ্রিল ও মে মাসেও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম বৃষ্টি হয়েছিল, যদিও জুন মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছিল। আগস্টে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি না হওয়ায় পুরো বিভাগের কৃষিখাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আগস্টে উত্তরের জেলাগুলোতে কম বৃষ্টিপাত, প্রকৃতি ও জনজীবনে প্রভাব যাওয়া ও গরম-ঠান্ডার মিশ্র আবহাওয়ার কারণে রোগবালাইও বেড়েছে। এ সময় ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি-কাশি, হিটস্ট্রোক, চর্মরোগ, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।
২০১ দিন আগে
তীব্র দাবদাহে পুড়ছে সিলেট, বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ
সিলেটে আজ সোমবার সকাল থেকে বইছে অসহনীয় দাবদাহ। দুপুর ১টায় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সময় গড়ালে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ রুদ্র তালুকদার। তবে এর মাঝে বৃষ্টি হতে পারে বলেও সুসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
পড়ুন: দিল্লিতে তীব্র দাবদাহ, রেড অ্যালার্ট জারি
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দিনে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে।
মঙ্গল এবং বুধবারও (২ ও ৩ সেপ্টেম্বর) এমন আবহাওয়া বিরাজ করতে।
এদিকে, সিলেটে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম তীব্র হওয়ায় বিপাকে পড়েন কাজে বাইরে বের হওয়া মানুষজন। বিশেষ করে দিনমজুরদের কষ্ট বেড়েছে।
গরমে অতিষ্ঠ হয়ে সিলেট মহানগরের বিভিন্ন সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা বিক্রেতাদের কাছ থেকে শরবত কিনে পান করছেন মানুষজন। রিকশা-ভ্যানচালকরা একটু জিরিয়ে নিচ্ছে গাছ বা ভবনের ছায়ায়।
২০৫ দিন আগে
আরও একটি লঘুচাপ আসছে, তিন নম্বর সংকেত বহাল
গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই সময়ে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এরই মধ্যে আরও একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী সোমবারের (২৫ আগস্ট) মধ্যে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আরও একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া বিদ্যমান লঘুচাপের প্রভাবে আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা আগামী অন্তত দুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: সমুদ্রবন্দরের সংকেত নামলেও সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস
এদিকে, আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজের সই করা পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
২১৪ দিন আগে