বাংলাদেশ
কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের কৃষক ও কৃষাণী ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই বিএনপির রাজনীতি। বিএনপি জনগণের দল জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা সরকার পরিচালনা করব।
সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় ‘শাহাপাড়া খাল’ পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এদিন দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে দেশের ৫৩টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এই কর্মসূচির আওতায় পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, খাল খনন কর্মসুচির মাধ্যমে আমরা দেশ গড়ার কর্মসুচিতে হাত দিলাম। কৃষক ও কৃষানের ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
তারেক রহমান বলেন, ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ শাহাপাড়া খালটির খনন কাজ শেষ হলে এলাকার প্রায় ৩৩ হাজার কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। এর মাধ্যমে ১২০০ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে এবং এলাকার সাড়ে তিন লাখ মানুষ নানাভাবে এই খালের সুবিধা ভোগ করবেন। এতে এই এলাকায় আগের চেয়ে প্রায় ৬০ হাজার টন বেশি ফসল উৎপাদিত হবে।
এ সময় শুধু খাল খননই নয়, খালের দুই পাড়ে সাত হাজার বৃক্ষরোপণ এবং মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণেরও ঘোষণা দেন তিনি।
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে কথা দিয়েছিলাম ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করব। সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই আমরা সুদসহ সেই কৃষি ঋণ মওকুফের ব্যবস্থা করেছি। দেশের চার কোটি পরিবারের মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার মায়ের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামী মাস থেকে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
উত্তরাঞ্চলের কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় কৃষিপ্রধান এলাকা। এখানকার বেকার যুবক ও নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য ইপিজেডগুলোতে কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঈদের পর এ বিষয়ে বড় বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আমরা বসব।
বিএনপি সরকারকে ‘কৃষকবান্ধব’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য হলো মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করা। আজকে যে মানুষটি মাসে পাঁচ হাজার টাকা আয় করে, আগামী দুই থেকে চার বছরের মধ্যে তার আয় যেন ১০ হাজার টাকায় পৌঁছায়, আমরা সেই পলিসি নিয়েই কাজ করছি। কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে।
দেশের উন্নয়ন ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সমর্থন ছাড়া দেশের উন্নয়ন কাজ করা সম্ভব নয়। জনগণই হচ্ছে আমাদের সব ক্ষমতার উৎস। এই দেশের মানুষই একাত্তর সালে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে এবং ২৪ সালে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচার বিদায় করেছে। এ মানুষগুলোই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
তবে বিভিন্ন রকম মিষ্টি কথা বলে যারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান তুলে দেশ গড়ার কাজে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল কাটার উদ্বোধন করেন এবং সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
৭ দিন আগে
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে ১১ রানের জয়ে ইতিহাস গড়ে সিরিজ নিশ্চিত করায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
সোমবার (১৬ মার্চ) তথ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক অভিনন্দন বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ক্রিকেটারদের এই অদম্য স্পৃহা এবং লড়াকু মানসিকতায় আমি অত্যন্ত গর্বিত। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজ জয় আমাদের ক্রিকেটের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক। মাঠের লড়াইয়ে খেলোয়াড়রা যে ধৈর্য ও সাহসিকতা দেখিয়েছেন, তা পুরো জাতিকে আনন্দিত করেছে। খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ ও বোর্ড-সংশ্লিষ্ট সকলকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ দলের এই জয়ের ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী দল হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
৭ দিন আগে
বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী লন্ডন
নীল অর্থনীতি খাতে বিনিয়োগ, মেড ইন বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের প্রসার, শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ বহুপক্ষীয় বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার পরিধি জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির লন্ডনে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী স্যার ক্রিস ব্রায়ান্টের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে তারা বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা, মেড ইন বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের প্রসার, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা, শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
চলতি মাসের শেষের দিকে ক্যামেরুনে অনুষ্ঠিতব্য ১৪তম ডব্লিউটিও মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনকে সামনে রেখে উভয় পক্ষ ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ-বিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারনেস রোজি উইন্টারটন লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশনে ড. খলিলুর রহমান এবং হুমায়ূন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
তারা এভিয়েশন বা বিমান চলাচল খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করার পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে এগিয়ে নিতে প্রতিনিধি দলটি দুটি পৃথক বৈঠক করেন।
২০২৭–২০৩৬ মেয়াদের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) বিচারক পদের ব্রিটিশ প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক ডাপো আকান্দে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সহযোগিতা কামনা করেন।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরাম ও নির্বাচনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতায় উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা আগামী দিনগুলোতে আন্তর্জাতিক আইনি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে এই অংশীদারত্ব আরও গভীর করার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
১৩ দিন আগে
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে তার পদ থেকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৭ মার্চ) লন্ডনে পৌঁছে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে এদিন লন্ডনে পৌঁছান।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আবিদা ইসলাম লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনকে অনেকটা ‘আওয়ামীকরণ’ করে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে এই পদ থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
গত বছরের জানুয়ারিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠিয়েছিল। এর আগে, বহুল আলোচিত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আবিদা ইসলাম এর আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তার আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে তিনি আমেরিকা অনুবিভাগসহ বিভিন্ন শাখায় দায়িত্ব সামলেছেন।
১৫ দিন আগে
আর্জেন্টিনার সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা বাংলাদেশের
অগ্রাধিকারমূলক খাতগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আর্জেন্টিনা ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুসংহত ও গভীর করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বুধবার (৪ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে অগ্রাধিকারমূলক ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করেন।
বৈঠকে তারা বিশেষ করে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, কৃষিতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদার করা এবং ফুটবলের বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। এছাড়া জ্বালানি বাণিজ্য, সরবরাহ চেইন অংশীদারত্ব এবং বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাকে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে একটি বহু-খাতভিত্তিক সংলাপের প্রস্তাব দেন।
তিনি ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস পুনরায় চালু করার প্রশংসা করেন এবং সম্প্রতি বুয়েনস আইরেসে বাংলাদেশের দূতাবাস পুনরায় খোলার বিষয়ে আর্জেন্টিনার সম্মতির জন্য ধন্যবাদ জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দ্বিপাক্ষিক কার্যক্রমকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বুয়েনস আইরেসে বাংলাদেশের আবাসিক মিশনটি যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার বিষয়ে আর্জেন্টিনার মূল্যবান সমর্থন কামনা করেন।
এ সময় রাষ্ট্রদূত নতুন দায়িত্বে নিযুক্ত হওয়ার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি আর্জেন্টিনা সরকারের শুভকামনাও পৌঁছে দেন তিনি। রাষ্ট্রদূত বলেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হওয়ার পথে রয়েছে।
এর আগে, আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
প্রতিমন্ত্রী দুই দেশের মানুষের মধ্যে বিদ্যমান অনন্য বন্ধন—বিশেষ করে ফুটবলের মাধ্যমে তৈরি হওয়া সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন এবং তরুণ ও নারী ফুটবল উন্নয়নে কাঠামোগত সহযোগিতার প্রস্তাব দেন।
শামা ওবায়েদ ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ-আর্জেন্টিনা চেম্বার অব কমার্স’-এর মতো একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির ওপর জোর দেন। তিনি তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ওষুধ, সিরামিক এবং পাটজাত পণ্য আমদানির প্রস্তাব দেন।
উভয় পক্ষই বাংলাদেশ-আর্জেন্টিনা সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে। সুনির্দিষ্ট ও ফলাফলভিত্তিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই অংশীদারত্বকে একটি গতিশীল ও বহুমাত্রিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তারা।
১৮ দিন আগে
ফিলিস্তিনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে প্রার্থী দিল বাংলাদেশ
২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে ফিলিস্তিন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছে। এরপর ওই পদে প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২ জুন। প্রার্থী দেওয়ায় এ পদে এবার বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে মনোনয়ন দিয়েছিল। কিন্তু তিনি বর্তমানে দায়িত্বে না থাকায় তার পরিবর্তে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ।
৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে ফিলিস্তিনের আগেই প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ। তবে ফিলিস্তিনকে আসন ছেড়ে দেওয়ার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হবে। এর আগে ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক আবর্তন নীতিমালা অনুযায়ী, এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অব স্টেটস থেকে এবার সভাপতি নির্বাচন করা হবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক ২০২৬ সালের মে মাসে প্রার্থীদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভার আহ্বান করবেন।
বাংলাদেশ সর্বশেষ ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে এ মর্যাদাপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। চার দশক পর আবারও এ পদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার আশা করা হচ্ছে।
২৫ দিন আগে
অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনে তারেক-সরকার বদ্ধপরিকর: লন্ডনে হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম
লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম বলেছেন, সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি সত্যিকারের মাইলফলক। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার যে ভিশন উপস্থাপন করেছে, তা গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ পার্লামেন্টের একটি কমিটি রুমে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইলেকশন: হোয়াট নেক্সট’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য আপসানা বেগমের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ আলোচনায় অংশ নেন যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস উইন্টারটন, চ্যাথাম হাউজের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো সিতেজ বাজপেয়ী এবং ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ-এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সোহেলা নাজনীন।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির সাবেক নেতা জেরেমি করবিন, সংসদ সদস্য রূপা হকসহ বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অর্থবহ পরিবর্তন আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ও ‘জুলাই সনদ’-এর সংস্কার প্রস্তাবনার মধ্যে কয়েকটি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সামঞ্জস্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ভিত্তিতে একটি আধুনিক রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখছেন। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। বিশেষ করে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনাকে তিনি সামাজিক অন্তর্ভুক্তির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন, যা নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির মূল দর্শন হলো দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা।
অন্যদিকে, ব্যারোনেস উইন্টারটন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করতে আগ্রহী। বাংলাদেশ সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকলে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে অর্থ পাচারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ব্যারোনেস উইন্টারটন জানান, পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা বা আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে যুক্তরাজ্য সরকার সহযোগিতা করছে।
প্যানেলিস্ট সিতেজ বাজপেয়ী বলেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিএনপির এই নির্বাচনী বিজয় প্রত্যাশিতই ছিল।
২৬ দিন আগে
বাংলাদেশে আরও বেশি হারে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
বাংলাদেশে আরও বেশি হারে বিনিয়োগ করার জন্য চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সাক্ষাৎ করতে এলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। আঞ্চলিক, কৌশলগত ও ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে চাই। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার ও অনেক বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। অদূর ভবিষ্যতে এ বিনিয়োগের পরিমাণ আরো বাড়াতে রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান তিনি।
এ সময় রাষ্ট্রদূত বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে চীন সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে প্রায় ১০ হাজার চীনা নাগরিক কাজ করছেন। উন্নয়ন ও নিরাপত্তা পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত। তাই তিনি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপের আহ্বান জানান।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জনগণের ম্যান্ডেটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের এক নম্বর অগ্রাধিকার হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
রাষ্ট্রদূত চীনের জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গঠিত হতে চলা ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যালায়েন্স কমব্যাটিং টেলিকম অ্যান্ড সাইবার’ জোটে বাংলাদেশকে যোগদানের অনুরোধ করেন এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাব যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বলে জানান। তিনি দুই দেশের মধ্যে ‘প্লান অব অ্যাকশান অন ল এনফোর্সমেন্ট ট্রেনিং কর্পোরেশন’-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ ২০২৩ সালে শেষ হওয়ায় এটি পুনরায় রিভিউ করার জন্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় তার সুবিধাজনক সময়ে চীন সফর করবেন বলে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং সাইবার অপরাধ দমন, পুলিশ প্রশিক্ষণ খাতে সহযোগিতা, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। তিনি মন্ত্রীকে চীন সরকারের জননিরাপত্তা মন্ত্রীর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন এবং চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয় ও চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাইয়ে তাকাইচি জাপানের সরকার ও দেশটির জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
অভিনন্দন বার্তায় তাকাইচি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই জাপান একটি বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনে ধারাবাহিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অভিনন্দন বার্তার মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রাকে স্বাগত জানান তাকাইচি। দুই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি তার বার্তায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও মজবুত এবং একটি সমৃদ্ধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ার লক্ষ্য অর্জনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একযোগে কাজ করার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
৩৩ দিন আগে
জাতিসংঘ শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশ
২০২৬ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে কমিশনের ৫ সদস্যের ব্যুরো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
কমিশনের ২০তম অধিবেশনের প্রথম সভায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতিক্রমে মরক্কোকে সভাপতি এবং জার্মানি, ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া ও বাংলাদেশকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করে।
পিবিসি একটি আন্তঃসরকারি উপদেষ্টা সংস্থা, যা সংঘাত-আক্রান্ত দেশগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে। এ কমিশন ৩১টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত, যারা সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ এবং জাতিসংঘ ব্যবস্থায় নেতৃস্থানীয় সৈন্য এবং আর্থিক অবদানকারী দেশগুলো থেকে নির্বাচিত।
বাংলাদেশ ২০০৫ সালে কমিশনটি প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই এর সদস্য। এর আগে, বাংলাদেশ ২০১২ ও ২০২২ সালে কমিশনের সভাপতি এবং ২০১৩ ও ২০২৩ সালে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) একটি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০তম অধিবেশনের প্রথম সভায় বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সহ-সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি এবং মহাসচিবের পক্ষে তার সচিবালয়ের প্রধান সভায় উপস্থিত ছিলেন। তারা শান্তি বিনির্মাণে কমিশনের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য দেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের জন্য বাংলাদেশের ওপর আস্থা রাখায় কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। সেইসঙ্গে জাতিসংঘের শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
৫২ দিন আগে