এনবিআর
এনবিআর ভেঙে দুই বিভাগ: অধ্যাদেশ যাচাইয়ে কমিটি
রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিদ্যমান অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ দিতে একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার।
গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে সভাপতি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ৯ সদস্যের এই কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে কমিটির সদস্য করা হয়েছে।
এছাড়া জনপ্রশাসন, অর্থ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিবদের কমিটির সদস্য করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব কমিটিতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটিকে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ যাচাই-বাছাই করে অধিকতর প্রায়োগিক করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। কমিটির সভা প্রয়োজন অনুসারে হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি বিভাগ করে ২০২৫ সালের ১২ মে অধ্যাদেশ জারি করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার। এর প্রতিবাদে রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নজিরবিহীন আন্দোলন করেন। এরপর ওই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কয়েকজনকে ঢাকার বাইরে বদলি করে সরকার, কয়েকজনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরে শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা।
গত ২০ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউসূসের সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভায় এনবিআর ভেঙে নতুন যে দুই বিভাগ গঠনের কথা, সেই বিভাগুলোর দায়িত্ব ও জনবল কাঠামো চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
৬ দিন আগে
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল আরও এক মাস
ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ব্যতীত অন্যান্য সব করদাতার জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর ফলে ২০২৫–২০২৬ করবর্ষের রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে আগামী ১৫ মে পর্যন্ত। অর্থাৎ কোম্পানিগুলো এই সময়সীমার মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে পারবে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) জারি করা আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানায় এনবিআর।
আদেশে বলা হয়েছে, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৩৩৪-এর দফা (খ)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সময় বাড়ানো হয়েছে। স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ব্যতীত অন্যান্য সকল করদাতা, যাদের অর্থবছর ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হয়েছে, তাদের ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ পুনরায় এক মাস বাড়িয়ে ১৫ মে নির্ধারণ করা হলো।
এর আগে এসব কর রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ছিল ১৫ এপ্রিল। তবে নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ যোগ্য করদাতারা রিটার্ন দাখিলের জন্য অতিরিক্ত সময় পাচ্ছেন।
করদাতাদের রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল প্রক্রিয়া সহজতর করা এবং নির্ধারিত সময়ে অধিক সংখ্যক রিটার্ন জমা নিশ্চিত করতেই এই সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
২৩ দিন আগে
অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানোর ব্যবস্থা চালু করল এনবিআর
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদনের জন্য অনলাইন সিস্টেম চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত করদাতারা এখন সহজেই সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে পারবেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় এনবিআর।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের রাজস্ব নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ ব্যক্তিগত করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রায় ৫০ লাখ ব্যক্তিগত করদাতা ইতোমধ্যে তাদের ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়েছেন এবং চলতি করবর্ষে প্রায় ৪১ লাখ করদাতা তাদের রিটার্ন জমা দিয়েছেন।
এনবিআর জানিয়েছে, ব্যক্তিগত করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে যেসব করদাতা এই সময়সীমার আগে লিখিত আবেদন করবেন, তারা সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারের অনুমোদন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ আরও ৯০ দিন অতিরিক্ত সময় পেতে পারেন।
সময় বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ করতে এনবিআর তাদের ই-রিটার্ন সিস্টেমের ভেতরে একটি বিশেষ অনলাইন সুবিধা চালু করেছে। করদাতারা এখন সিস্টেমে লগ-ইন করে ‘টাইম এক্সটেনশন’ মেনুর মাধ্যমে অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার অনলাইনে আবেদনটি পর্যালোচনা করে তা অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করবেন।
সংস্থাটি জানিয়েছে, আবেদন অনুমোদিত হলে করদাতারা কোনো জরিমানা বা অতিরিক্ত কর ছাড়াই বর্ধিত সময়ের মধ্যে তাদের রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তবে এই অনলাইন সুবিধা পেতে করদাতাদের অবশ্যই ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধিত হতে হবে এবং ৩১ মার্চের আগেই আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
যেসব করদাতার জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক নয়, তারা অনলাইনে অথবা সরাসরি সংশ্লিষ্ট ট্যাক্স সার্কেলে লিখিত আবেদনের মাধ্যমে সময় বৃদ্ধির অনুরোধ জানাতে পারবেন।
সকল ব্যক্তিগত করদাতাকে ৩১ মার্চের মধ্যে অথবা কর কমিশনার কর্তৃক অনুমোদিত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে ই-রিটার্ন সিস্টেমের মাধ্যমে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এনবিআর।
৫১ দিন আগে
আয়কর রিটার্ন দেওয়ার সময় আরও বাড়ল
আয়কর রিটার্নের সময় আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২৮ ফেব্রুয়ারি পরিবর্তে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে এ সম্পর্কিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আয়কর আইন-২০২৩-এর ধারা ৩৩৪ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, জনস্বার্থে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার করদাতাগণের ২০২৫-২৬ করবর্ষের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি-২০২৬ তারিখের পরিবর্তে ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখ নির্ধারণ করা হলো।
আয়কর রিটার্নের এ সময় বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে চলতি কর বছরে চারবার আয়কর রিটার্ন দেওয়ার সময় দেওয়া হলো।
৬৯ দিন আগে
জানুয়ারির ই-ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ল
পবিত্র শবে বরাত ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘ সরকারি ছুটি এবং এ-চালান সিস্টেমে সার্ভার জটিলতার কারণে জানুয়ারি-২০২৬ কর মেয়াদের অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ই-ভ্যাট সিস্টেমে জানুয়ারি মাসের রিটার্ন আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দাখিল করা যাবে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবন থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র শবে বরাত এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘসময় সরকারি ছুটি ছিল। এছাড়া ১৫ ফেব্রুয়ারি ই-চালান সিস্টেমের ওটিপি সার্ভার ডাউন থাকার কারণে জনস্বার্থে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানুয়ারি ২০২৬ মাসের ই-ভ্যাট রিটার্ন অনলাইন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়েছে।
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪-এর উপ-ধারা (১ক)-এর ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী করদাতারা আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইন রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।
এনবিআরের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে আইন অনুযায়ী বিলম্ব ফি ও আর্থিক জরিমানার বিধান রয়েছে। ফলে সার্ভার জটিলতার কারণে যাতে কোনো করদাতা অযথা জরিমানার মুখে না পড়েন, সে জন্য সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আইন অনুযায়ী, প্রতি মাসের ভ্যাটের তথ্য পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিল করতে হয়। সময়মতো রিটার্ন দাখিল না করলে মাসিক ৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
৭৯ দিন আগে
মোবাইল ফোন আমদানিতে বিরাট শুল্ক ছাড়, দাম কমবে
মোবাইল ফোনের মূল্য সাধারণ ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার লক্ষ্যে এই প্রযুক্তি পণ্যটি আমদানিতে শুল্কহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এনবিআর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে এনবিআর। এর ফলে মোবাইল ফোন আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে।
এছাড়া কাস্টমস ডিউটি হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে, সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান উপকরণ আমদানি করলে তার ওপর কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ ধার্য করে আরও একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে।
এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দুটি জারির ফলে ৩০ হাজার টাকার বেশি দামের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম অন্তত সাড়ে ৪ হাজার টাকা কমবে। এ ছাড়া ৩০ হাজার টাকার বেশি দামের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম অন্তত দেড় হাজার টাকা হ্রাস পাবে।
সরকার আশা করছে, মোবাইল ফোন আমদানি এবং মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শুল্ক কমানোর ফলে সব ধরনের মোবাইল ফোনের দাম সর্বসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। সেইসঙ্গে দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ আরও সহজ হবে।
মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
১১৩ দিন আগে
আয়কর রিটার্ন জমার সময় আরও এক মাস বাড়ল
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আবারও এক মাস বাড়িয়েছে। এর ফলে ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) জারি করা এক বিশেষ আদেশে কর কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
এনবিআরের জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ৩৩৪-এর ক্ষমতা অনুযায়ী সরকারের পূর্ব অনুমোদন নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, করদাতাদের বিভিন্ন সমস্যার কারণে রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় এক মাস বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর করা হয়েছিল।
চলতি করবর্ষের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী, শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ও মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন তারা। তবে বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে এ বিধান শিথিল রাখা হয়েছে। তারা চাইলে ই-রিটার্নও দাখিল করতে পারবেন।
করদাতার পক্ষে তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিও এ বছর অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করতে পারছেন। এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশির ক্ষেত্রে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা না থাকলেও তার পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ই-মেইল অ্যাড্রেস ইত্যাদি তথ্য দিয়ে বিদেশে বসেই ই-রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রয়েছে।
বর্তমানে কোনো নথি বা দলিলাদি আপলোড ছাড়াই অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া যাচ্ছে। ব্যাংকিং সেবার যে কোনো মাধ্যম বা মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ করে সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয় ই-রিটার্ন দাখিলের স্বীকারপত্র পাচ্ছেন করদাতারা।
ই-রিটার্ন সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যায় করদাতাদের সহায়তা প্রদানের জন্য ০৯৬৪৩৭১৭১৭১ নম্বরটি চালু রয়েছে। তাছাড়া সারা দেশের সব কর অঞ্চলে স্থাপিত ই-রিটার্ন হেল্প-ডেস্ক থেকেও সহায়তা মিলছে।
চলতি করবর্ষে শনিবার পর্যন্ত ২৮ লাখ ৮৫ হাজার করদাতা রিটার্ন দাখিল করেছেন।
গত বছর কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি শেষ সময় দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও জরিমানা দিয়ে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আয়কর আইন অনুযায়ী মাসিক ২ শতাংশ হারে বিলম্ব সুদ দিতে হবে।
১২৯ দিন আগে
হাদিকে গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন মাসুদের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ ছাড়া মাসুদের আইটি প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেড’-এর ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়েছে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে সব ব্যাংককে এ সংক্রান্ত নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে এনবিআরের একটি সূত্র ইউএনবিকে নিশ্চিত করেছে।
ফয়সাল করিম মাসুদ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) একজন সদস্য।
এনবিআরের গোয়েন্দা শাখা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে ফয়সাল করিম মাসুদের ব্যক্তিগত সব ব্যাংক হিসাবের পাশাপাশি তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের হিসাবও সাময়িকভাবে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য যাচাই এবং সম্ভাব্য অর্থের উৎস শনাক্ত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ফয়সাল করিম মাসুদের মালিকানাধীন ‘অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেড’ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর সদস্য প্রতিষ্ঠান।
‘অ্যাপেল সফট আইটি লিমিটেড’ ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়া তিনি ওয়াইসিইউ টেকনোলজি লিমিটেড–এরও মালিক। এই প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)–এর সহযোগিতা এবং সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কেন্দ্র করে ‘ব্যাটল অব ৭১’ নামে একটি কম্পিউটার গেম তৈরি করে।
রাজনৈতিকভাবে ফয়সাল করিম মাসুদ কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৯ সালের ১১ মে ঘোষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তিনি সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।
এদিকে শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তি ও সম্ভাব্য আর্থিক যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় মোটরসাইকেলে এসে দুই দুর্বৃত্ত শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই চলছে তার চিকিৎসা।
হাদিকে গুলি করা ব্যক্তিদের ধরতে এরই মধ্যে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ, র্যাপিড অ্যানকশন ব্যাটালিয়নসহ (র্যাব) যৌথবাহিনী।
১৪৩ দিন আগে
আয়কর আইনের ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশ
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ইংরেজি সংস্করণ সরকারি গেজেট নোটিফিকেশন আকারে প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
গেল বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বাংলা ভাষায় প্রণীত আয়কর আইন, ২০২৩-এর স্বীকৃত ইংরেজি সংস্করণ (Authentic English Text) সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশ করে এনবিআর।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এনবিআর এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ বাতিল করে ২০২৩ সালে বাংলা আয়কর আইন, ২০২৩ প্রণয়ন করার পর থেকেই বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে আয়কর আইনের ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশের দাবি জানাচ্ছিলেন।
‘আয়কর আইনের স্বীকৃত ইংরেজি সংস্করণ না থাকায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আইনের সঠিক ব্যাখ্যা ও অনুশীলনের বিষয়ে সংশয়ের মধ্যে থাকতেন এবং বিভিন্ন আইনি জটিলতার সম্মুখীন হতেন।’
এবার আয়কর আইনের ইংরেজি সংস্করণ সরকারি গেজেটে প্রকাশ হওয়ার ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আয়কর আইন সম্পর্কে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা পাবেন। এতে করে করদাতাদের আস্থা আরও বাড়বে এবং আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে দ্ব্যর্থবোধকতা দূর করে স্বচ্ছতা ও সঠিকতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ইংরেজি সংস্করণ সরকারি গেজেটে প্রকাশের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। খুব শিগগিরই এই দুটি আইনের ইংরেজি সংস্করণ সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে বলে আশা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
২০০ দিন আগে
প্রথম ১০ দিনেই প্রায় এক লাখ করদাতার ই-রিটার্ন দাখিল
২০২৫-২৬ করর্ষের প্রথম ১০ দিনেই প্রায় ১ লাখ করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ৪ আগস্ট অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ই-রিটার্ন কার্যক্রম উদ্বোধনের পর থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ৯৬ হাজার ৯৪৫ জন করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) এনবিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, গত বছর একই সময়ের তুলনায় এ বছর অনলাইন রিটার্ন দাখিলের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া প্রথম ১০ দিনে ই-রিটার্ন জমা পড়েছিল মাত্র ২০ হাজার ৫২৩টি। এ হিসেবে এবার দৈনিক গড় জমা সংখ্যা গত বছরের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ।
আরও পড়ুন: জিরো রিটার্ন’ দাখিল বেআইনি, শাস্তি সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড
এনবিআর গত ৩ আগস্ট এক বিশেষ আদেশে জানায়, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী প্রবীণ, শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা এবং মৃত করদাতার আইনগত প্রতিনিধি ব্যতীত সব ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পরবর্তীতে ১১ আগস্টের সংশোধিত আদেশে বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের এ বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এনবিআর জানায়, ই-রিটার্ন নিবন্ধনে সমস্যা হলে করদাতারা যৌক্তিক কারণসহ ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত বা যুগ্ম কর কমিশনারের কাছে আবেদন করতে পারবেন। অনুমোদন পেলে তারা পেপার রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।
করদাতারা ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যানশিয়াল সেবার মাধ্যমে কর পরিশোধ করে তাৎক্ষণিকভাবে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রাপ্তির রশিদ ও কর সনদ প্রিন্ট করতে পারছেন।
ই-রিটার্ন সংক্রান্ত সহায়তার জন্য এনবিআর কল সেন্টার (০৯৬৪৩-৭১ ৭১ ৭১) চালু করেছে। এ ছাড়া www.etaxnbr.gov.bd-এর eTax Service অপশনে লিখিতভাবে সমস্যার সমাধান নেওয়া যাবে।
করদাতাদের যথাসময়ে www.etaxnbr.gov.bd পোর্টাল ব্যবহার করে প্রকৃত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় উল্লেখপূর্বক রিটার্ন জমা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে এনবিআর।
২৬৫ দিন আগে