এনবিআর
৩০ নভেম্বরের মধ্যে নতুন বিআইএন ব্যবহারের নির্দেশ এনবিআরের
ভ্যাট কমিশনারেট পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে স্থানান্তরিত ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) ব্যবহার নিশ্চিত করতে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পুরোনো বিআইএনের সব কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সেজন্য আপাতত পুরোনো ও নতুন—উভয় বিআইএনই কাস্টমসের ব্যবস্থায় সক্রিয় রাখা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এনবিআর জানায়, কর জাল সম্প্রসারণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং করদাতাদের সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে আরও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যমান ভ্যাট কমিশনারেটগুলোর অধিক্ষেত্র পুনর্নির্ধারণ করে নতুন কমিশনারেট গঠন করা হয়েছে। পরোক্ষ কর ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও আধুনিক করতে এ প্রশাসনিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
পুনর্গঠনের ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিআইএন নতুন অধিক্ষেত্র অনুযায়ী স্থানান্তর করা হয়েছে। স্থানান্তরিত বিআইএনের ক্ষেত্রে শুধু শেষ চারটি সংখ্যা পরিবর্তন হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেট ও বিভাগকে নির্দেশ করে। তবে প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য বিআইএন-সংক্রান্ত তথ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।
এনবিআর জানায়, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন এড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পুরোনো ও নতুন—উভয় বিআইএনই কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড (ASYCUDA World) ব্যবস্থায় সাময়িকভাবে সক্রিয় রাখা হয়েছে। ফলে পুরোনো বিআইএন ব্যবহার করে ইতোমধ্যে খোলা ঋণপত্র (এলসি), বিল অব এন্ট্রি, ঘোষণাপত্র এবং অন্যান্য চলমান কাস্টমস কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন করা যাবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পুরোনো বিআইএনের আওতাধীন সব চলমান কার্যক্রম শেষ করে নতুন বিআইএন ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
এনবিআর আরও জানায়, ৩০ নভেম্বরের পর কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড ব্যবস্থায় পুরোনো বিআইএন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। এরপর আমদানি-রপ্তানি-সংক্রান্ত সব কাস্টমস কার্যক্রম শুধুমাত্র নতুন বিআইএন ব্যবহার করেই সম্পন্ন করতে হবে।
রাজস্ব বোর্ড দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখা এবং রাজস্ব প্রশাসনকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও আধুনিক করতে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে।
১ দিন আগে
ছাগলকাণ্ডে আলোচিত সেই মতিউরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার বিচার শুরু
ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে করা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত।
সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীর অভিযোগ গঠনের এ আদেশ দেন। এর ফলে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।
এর আগে, গত ৫ জুলাই দুদকের পক্ষ থেকে মতিউরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের প্রার্থনা করে শুনানি করেন মীর আহমেদ আলী সালাম।
অপরদিকে, মামলা থেকে আসামির অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও বিডিআর বিদ্রোহ মামলার প্রসিকিউটর মো. বোরহান উদ্দিন।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ২১ জুলাই এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য করেন আদালত। পরে তা পিছিয়ে সোমবার দিন ধার্য করা হয়।
এদিন শুনানিতে মতিউর রহমানকে আদালতে হাজির করা হয়। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়। এ সময় তিনি দোষী না নির্দোষ জানতে চাইলে, মতিউর রহমান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্য গ্রহণের দিন রাখেন।
এরপর মতিউর রহমানের জামিন চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবী আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও মো. বোরহান উদ্দিন। এ সময় দুদক প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম জামিনের বিরোধিতা করেন। পরে আদালত তার জামিনের আবেদন নাকচ করে দেন।
দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের দাখিল করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
২০২৪ সালের ২ জুলাই মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদ বিবরণী চেয়ে পৃথক নোটিশ পাঠায় দুদক। এসব নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ২৯ আগস্ট মতিউর, তার দুই স্ত্রী এবং ছেলে-মেয়েসহ পাঁচজনের সম্পদ বিবরণী দুদকে জমা দেন।
এরপর গত বছরের ৬ জানুয়ারি মামলা করে দুদক। আর ১৪ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রসঙ্গত, কোরবানির জন্য ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। বলা হয়, তার বাবা এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমান। এরপর আলোচনায় চলে আসে মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের কোথায় কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে।
এসব আলোচনার মধ্যে একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে মতিউর পরিবারের বিপুল বিত্তবৈভবের চাঞ্চল্যকর তথ্য।
১ দিন আগে
৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিলে মিলবে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর ছাড়
চলতি করবর্ষে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতা ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার (এইচইউএফ) সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাবেন বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
রবিবার (২ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর এ তথ্য জানিয়েছে।
করদাতাদের স্বেচ্ছায় কর পরিপালনে উৎসাহিত করতে আয়কর আইন, ২০২৩-এর নতুন বিধান অনুযায়ী এ কর প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলকারী স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার করদাতারা আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭৩ অনুযায়ী রিটার্নের সঙ্গে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর ছাড় পাবেন। তবে এই ছাড়ের সর্বোচ্চ সীমা হবে ২৫ হাজার টাকা।
তবে ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে কোনো কর প্রণোদনা দেওয়া হবে না।
এদিকে, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭৩(২) অনুযায়ী পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর দিতে হবে।
এছাড়া ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হবে।
এনবিআরের মতে, নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই কর ছাড় দেওয়ার ফলে অধিক সংখ্যক করদাতা সময়মতো রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত হবেন। এতে কর পরিপালনের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রম আরও দক্ষ ও সুশৃঙ্খল হবে।
সংস্থাটি জানায়, গত ২২ জুলাই থেকে ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের ই-রিটার্ন সেবা চালু করা হয়েছে। করদাতারা www.etaxnbr.gov.bd-এর মাধ্যমে ঘরে বসেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে কর পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।
সঠিক তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও আয়কর সনদ পাওয়া যাবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে কোনো সমস্যা হলে সরকারি ছুটির দিন ছাড়া অফিস চলাকালে এনবিআরের কল সেন্টার (০৯৬৪৩৭১৭১৭১) এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া যাবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর ৩০ সেপ্টেম্বরের পর দাখিল করা রিটার্নের ক্ষেত্রে কর প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না উল্লেখ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করে কর ছাড়ের সুবিধা গ্রহণের জন্য করদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
২ দিন আগে
রাজস্ব ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের লক্ষ্যমাত্রা কমাল এনবিআর
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের রাজস্ব ঘাটতির পর ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানিকৃত পণ্য থেকে ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন এ লক্ষ্যমাত্রা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭০২ কোটি টাকা কম।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসকে ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল। তবে অর্থবছর শেষে আদায় হয় মাত্র ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। একই সময়ে বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পণ্যের পরিমাণও প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার টন কমে যায়।
এ অবস্থায় নতুন অর্থবছরের জন্য তুলনামূলক কম লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও তা অর্জনে আশাবাদী বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
তবে ব্যবসায়ীদের মতে, বৈধ আমদানি বাণিজ্যে আরও সুবিধা নিশ্চিত করা, পণ্য পাচার ও রাজস্ব ফাঁকি কার্যকরভাবে রোধ এবং বাণিজ্যের ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে নতুন লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করা কঠিন হবে।
কাস্টমস সূত্র জানায়, গত ছয় মাসে বেনাপোল কাস্টমসে ১৩০টি জালিয়াতির ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া গত মাসে প্রায় ২০ কোটি টাকার পণ্য পাচারের অভিযোগে দায়ের করা চারটি মামলায় কাস্টমস, বন্দর, নিরাপত্তা সংস্থা ও ব্যবসায়ীসহ ৫৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি আলহাজ আমিনুল হক বলেন, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আমদানি কার্যক্রম বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং পাচার ও অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, রাজস্ব আহরণ বাড়াতে কাস্টমস কর্মকর্তারা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা ও জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।
১২ দিন আগে
দেশব্যাপী উৎসে কর কর্তন তদারকি ও যাচাইকরণ কার্যক্রম জোরদার এনবিআরের
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনায় দেশের বিভিন্ন কর অঞ্চলের বিশেষ টিম উৎসে কর কর্তন (টিডিএস) মনিটরিং ও যাচাইকরণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। এ প্রেক্ষাপটে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারায় কর কর্মকর্তাদের ক্ষমতা ও কর্মপরিধি সম্পর্কে সচেতন থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।
রবিবার (১৯ জুলাই) এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা অনুযায়ী কর কর্মকর্তারা যেকোনো বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ, ব্যবসাকেন্দ্র বা দপ্তরে প্রবেশ করে সরেজমিন পরিদর্শন করতে পারবেন।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, রসিদ এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম-সংক্রান্ত যেকোনো নথি পরীক্ষা ও তলব, কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংরক্ষিত তথ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজন হলে পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ভেঙে প্রবেশের ক্ষমতাও থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উৎসে কর্তিত করের সত্যতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় হিসাবের খাতা, নথিপত্র, ইলেকট্রনিক রেকর্ড বা ডিভাইস সাময়িকভাবে জব্দ করে নিজস্ব হেফাজতে রাখা এবং প্রয়োজনীয় নথি, ইমেজ বা অ্যাকাউন্টের অনুলিপি সংগ্রহ করে তাতে সনাক্তকরণ চিহ্ন বা সিলমোহর ব্যবহার করতে পারবেন কর কর্মকর্তারা।
এনবিআর জানায়, রাজস্ব আহরণের এসব কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি বা অসহযোগিতা করলে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭(২) ধারা অনুযায়ী জরিমানার বিধান রয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সম্মানিত করদাতাদের সঠিক আইনি ধারা ও আয়কর জমার নির্ধারিত অর্থনৈতিক কোড উল্লেখ করে ই-চালানের মাধ্যমে উৎসে কর্তিত কর সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, ১৪৭ ধারা প্রয়োগ নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা, জটিলতা, হয়রানি বা অভিযোগ থাকলে করদাতারা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ১৪৭ ধারা-সংক্রান্ত কমিটির সদস্য সচিবের কাছে [email protected] ই-মেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারবেন।
১৭ দিন আগে
কাস্টমস সার্ভার হ্যাক করে মদ-সিগারেট খালাসের চেষ্টা, চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার
কাস্টমসের নথিপত্র জালিয়াতি এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিয়ন্ত্রণাধীন কাস্টমস সার্ভারে অবৈধভাবে প্রবেশ করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে বিদেশি মদ ও সিগারেট আমদানি করে বন্দরে খালাসের চেষ্টার অভিযোগে শেখ সেজান (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে সিএমপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. ফয়সাল আহমেদ।
গত ১৫ জুলাই নেপাল পালানোর সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জানান, চট্টগ্রামের বন্দর থানায় দায়ের করা দুটি মামলার তদন্তে শেখ সেজানের নাম উঠে আসে। এর মধ্যে একটি মামলায় চীন থেকে বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে ফেব্রিকস আমদানির মিথ্যা ঘোষণার আড়ালে একটি কনটেইনারে ১১ হাজার ৬৭৬ লিটার বিদেশি মদ আমদানির অভিযোগ রয়েছে।
তিনি জানান, অপর একটি ঘটনায় একটি কনটেইনারে প্রায় ৫০ লাখ শলাকা বিদেশি সিগারেট আমদানি করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাসের চেষ্টা করা হয়।
এ ঘটনার তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংঘবদ্ধ চক্রটি কাস্টমসের গুরুত্বপূর্ণ সার্ভার ‘অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম’ এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) পোর্টালে অবৈধভাবে প্রবেশ করে অন্যের ইউজার আইডি ব্যবহার, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন ও প্রতারণামূলক কাস্টমস কার্যক্রম পরিচালনা করত। এতে অন্তত ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অপচেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
সিএমপি জানায়, মামলাগুলো দায়েরের পর আগে গ্রেপ্তার হওয়া ৭ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শেখ সেজানের সন্ধান পাওয়া যায়। তিনি তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ এবং কাস্টমস ও বন্দরের সার্ভারে অবৈধ প্রবেশে কারিগরি সহায়তা দিয়েছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।
তদন্তে পাওয়া ডিজিটাল আলামত পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০২৪ সালের ২০ মে একটি মোবাইল অপারেটরের মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে কাস্টমসের এক কর্মকর্তার ইউজার আইডি দিয়ে অননুমোদিতভাবে লগইন করা হয়। পরে একই ইউজার আইডি ব্যবহার করে সিগারেট চোরাচালান-সংক্রান্ত মামলায় এলসি-জিআই রেজিস্ট্রেশন ও ওপেন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
এর আগে, সেজানকে গ্রেপ্তারের জন্য নড়াইলের লোহাগড়া থানার অধীন তার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তখন তিনি পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ওই সময় তার বাড়ি থেকে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে অবৈধ প্রবেশ এবং এলসি-জিআই রেজিস্ট্রেশন ও ওপেন কার্যক্রমে ব্যবহৃত একটি স্যামসাং মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সিএমপি আরও জানায়, সেজান এর আগেও সরকারি বিভিন্ন জনসেবামূলক ওয়েবসাইট ক্লোনিং, জাতীয় পরিচয়পত্র, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ, জন্মনিবন্ধন এবং টিকা সনদসহ বিভিন্ন সরকারি ডিজিটাল সেবা জালিয়াতির অভিযোগে সিএমপি ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় সাইবার অপরাধ ও প্রতারণা-সংক্রান্ত সাতটি মামলা রয়েছে।
মামলা দুটির তদন্তে এ পর্যন্ত সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান ‘হাফেজ ট্রেডিং প্রাইভেট লিমিটেড’-এর পরিচালক ও চেয়ারম্যান খালেদ হোসেন মামুন ও বাকির হোসেন, প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী খোরশেদ আলম রিপন ও মিজান এবং চক্রের অপর সদস্য আশরাফ হোসেন রাজু, খায়েজ আহমেদ ওরফে আরিফ এবং বড় রাজুকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে
এনবিআর ভেঙে দুই বিভাগ: অধ্যাদেশ যাচাইয়ে কমিটি
রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিদ্যমান অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ দিতে একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার।
গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে সভাপতি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ৯ সদস্যের এই কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে কমিটির সদস্য করা হয়েছে।
এছাড়া জনপ্রশাসন, অর্থ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিবদের কমিটির সদস্য করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব কমিটিতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটিকে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ যাচাই-বাছাই করে অধিকতর প্রায়োগিক করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। কমিটির সভা প্রয়োজন অনুসারে হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি বিভাগ করে ২০২৫ সালের ১২ মে অধ্যাদেশ জারি করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার। এর প্রতিবাদে রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নজিরবিহীন আন্দোলন করেন। এরপর ওই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কয়েকজনকে ঢাকার বাইরে বদলি করে সরকার, কয়েকজনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরে শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা।
গত ২০ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউসূসের সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভায় এনবিআর ভেঙে নতুন যে দুই বিভাগ গঠনের কথা, সেই বিভাগুলোর দায়িত্ব ও জনবল কাঠামো চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
৯৬ দিন আগে
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল আরও এক মাস
ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ব্যতীত অন্যান্য সব করদাতার জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর ফলে ২০২৫–২০২৬ করবর্ষের রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে আগামী ১৫ মে পর্যন্ত। অর্থাৎ কোম্পানিগুলো এই সময়সীমার মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে পারবে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) জারি করা আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানায় এনবিআর।
আদেশে বলা হয়েছে, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৩৩৪-এর দফা (খ)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সময় বাড়ানো হয়েছে। স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ব্যতীত অন্যান্য সকল করদাতা, যাদের অর্থবছর ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হয়েছে, তাদের ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ পুনরায় এক মাস বাড়িয়ে ১৫ মে নির্ধারণ করা হলো।
এর আগে এসব কর রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ছিল ১৫ এপ্রিল। তবে নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ যোগ্য করদাতারা রিটার্ন দাখিলের জন্য অতিরিক্ত সময় পাচ্ছেন।
করদাতাদের রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল প্রক্রিয়া সহজতর করা এবং নির্ধারিত সময়ে অধিক সংখ্যক রিটার্ন জমা নিশ্চিত করতেই এই সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
১১৩ দিন আগে
অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানোর ব্যবস্থা চালু করল এনবিআর
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদনের জন্য অনলাইন সিস্টেম চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত করদাতারা এখন সহজেই সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে পারবেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় এনবিআর।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের রাজস্ব নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ ব্যক্তিগত করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রায় ৫০ লাখ ব্যক্তিগত করদাতা ইতোমধ্যে তাদের ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়েছেন এবং চলতি করবর্ষে প্রায় ৪১ লাখ করদাতা তাদের রিটার্ন জমা দিয়েছেন।
এনবিআর জানিয়েছে, ব্যক্তিগত করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে যেসব করদাতা এই সময়সীমার আগে লিখিত আবেদন করবেন, তারা সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারের অনুমোদন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ আরও ৯০ দিন অতিরিক্ত সময় পেতে পারেন।
সময় বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ করতে এনবিআর তাদের ই-রিটার্ন সিস্টেমের ভেতরে একটি বিশেষ অনলাইন সুবিধা চালু করেছে। করদাতারা এখন সিস্টেমে লগ-ইন করে ‘টাইম এক্সটেনশন’ মেনুর মাধ্যমে অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার অনলাইনে আবেদনটি পর্যালোচনা করে তা অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করবেন।
সংস্থাটি জানিয়েছে, আবেদন অনুমোদিত হলে করদাতারা কোনো জরিমানা বা অতিরিক্ত কর ছাড়াই বর্ধিত সময়ের মধ্যে তাদের রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তবে এই অনলাইন সুবিধা পেতে করদাতাদের অবশ্যই ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধিত হতে হবে এবং ৩১ মার্চের আগেই আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
যেসব করদাতার জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক নয়, তারা অনলাইনে অথবা সরাসরি সংশ্লিষ্ট ট্যাক্স সার্কেলে লিখিত আবেদনের মাধ্যমে সময় বৃদ্ধির অনুরোধ জানাতে পারবেন।
সকল ব্যক্তিগত করদাতাকে ৩১ মার্চের মধ্যে অথবা কর কমিশনার কর্তৃক অনুমোদিত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে ই-রিটার্ন সিস্টেমের মাধ্যমে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এনবিআর।
১৪১ দিন আগে
আয়কর রিটার্ন দেওয়ার সময় আরও বাড়ল
আয়কর রিটার্নের সময় আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২৮ ফেব্রুয়ারি পরিবর্তে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে এ সম্পর্কিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আয়কর আইন-২০২৩-এর ধারা ৩৩৪ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, জনস্বার্থে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার করদাতাগণের ২০২৫-২৬ করবর্ষের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি-২০২৬ তারিখের পরিবর্তে ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখ নির্ধারণ করা হলো।
আয়কর রিটার্নের এ সময় বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে চলতি কর বছরে চারবার আয়কর রিটার্ন দেওয়ার সময় দেওয়া হলো।
১৫৯ দিন আগে