বুদ্ধ পূর্ণিমা
সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
সকল ধর্মের মানুষ যাতে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে এবং সমান অধিকার ভোগ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) গৌতম বুদ্ধের জন্ম তিথি ‘বুদ্ধ পূর্ণিমা’ উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রতিনিধিরা সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি তাদের এ প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সবাই সকল ক্ষেত্রে সমানভাবে অধিকার ভোগ করবে, এটাই বর্তমান সরকারের নীতি।
তিনি বলেন, তার সরকার ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় না, বরং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সকল ক্ষেত্রে সমান অধিকার ভোগ করবে।
তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না। ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না, অতীতেও আমরা তা করিনি। আমাদের সরকারের দৃষ্টিভঙ্গ হচ্ছে, যা একটু আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আমিও জোর দিয়ে আবারও একই কথা বলতে চাই, ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।’
প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট এবং গৌতম বুদ্ধের মূর্তি তুলে দেন প্রতিনিধি দলের নেতারা।
সরকারপ্রধান বলেন, ‘বর্তমান সরকারের একটি রাজনৈতিক দর্শন হল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। বাংলাদেশে এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে, একমাত্র বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই দেশের সকল বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারে।
‘সুতরাং, আপনারা কেউ নিজেদের কখনোই সংখ্যালঘু ভাববেন না। রাষ্ট্র আমার, আপনার, আমাদের সবার পরিচয়। আমরা প্রত্যেকে, প্রত্যেক নাগরিক, সকলে আমরা বাংলাদেশি।’
বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি পৃথিবীতে অনেকগুলো ধর্ম আছে। প্রতি ধর্মেরই অসংখ্য অনুসারী রয়েছেন। প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণের দিকে আহ্বান করে। প্রতিটি ধর্মেরই কিছু বিধিবদ্ধ নিয়মনীতি রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিক যার যার ধর্মীয় নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করলে আমরা সকলে মিলে একটি মানবিক রাষ্ট্র এবং সমাজ নির্মাণ করতে পারব। সুতরাং, প্রতিটি নাগরিক যাতে তার ধর্মীয় রীতি নীতি ও অধিকার বিনা বাধায় স্বাধীনভাবে অনুসরণ-অনুকরণ ও ভোগ করতে পারে, এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব ও অঙ্গীকার।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী প্রত্যেকের জন্যই একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন।
‘মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই মিলে লাখো প্রাণের বিনিময়ে এই দেশটা আমরা স্বাধীন করেছিলাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় কে কোন ধর্মের অনুসারী, কে বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী এটি কারো জিজ্ঞাসা ছিল না। তাই, এই স্বাধীন বাংলাদেশ আপনার, আমার—আমাদের সকলের।’
বুদ্ধ পূর্ণিমার এই বিশেষ দিনটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ‘আনন্দময় ও তাৎপর্যপূর্ণ’ হয়ে উঠুক–সেই কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
৬ দিন আগে
কুয়াকাটায় বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে 'গুরুপূজা' অনুষ্ঠিত
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ' বুদ্ধ পূর্ণিমা' উপলক্ষে ‘উপকূলের অলংকার’ খ্যাত রাখাইন সম্প্রদায় পালন করেছে 'গুরুপূজা '। শুক্রবার (৫ মে) দিনব্যাপী কুয়াকাটা সংলগ্ন লতাচাপলী ইউনিয়নের নয়াপাড়া মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এ পূজা।
অনুষ্ঠানে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকার দুই শতাধিক রাখাইন অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া রাখাইনরা জানান, তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ' বুদ্ধ পূর্ণিমা' উপলক্ষে ধর্মীয় নিয়ম-নীতি অনুযায়ী নানা অনুষ্ঠান পালন করেছেন তারা।
এছাড়া গুরুপূজা উপলক্ষে শুক্রবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রাখাইনদের মাঝে খাবার ও বিভিন্ন প্রকারের পিঠা বিতরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত হচ্ছে আজ
১০৯৭ দিন আগে
সবার জন্য ভালো কিছু করুন, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বৃহস্পতিবার দেশবাসীকে সবার জন্য ভালো কিছু করার চিন্তা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘শুধু নিজের এবং পরিবারের জন্য ভালো কিছু করার কথা ভাববেন না। সবার জন্য ভালো কিছু করার চিন্তা করতে হবে।’
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব 'বুদ্ধ পূর্ণিমা' উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ভবনের সনদ হলে বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, জনগণকে আলো দেখান এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করুন।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের সব ধর্মই সর্বদা মানুষের কল্যাণের কথা বলে এবং প্রতিটি ধর্মেরই ভালো জিনিস রয়েছে।
গৌতম বুদ্ধকে মানবতা ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি সকল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষকে ধর্ম থেকে সেরা জিনিসটি গ্রহণ করার পরামর্শ দেন।
তিনি বৌদ্ধ নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অংশ... এই অঞ্চলে তথা বিশ্বে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করার জন্য আপনাদের অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।’
১০৯৮ দিন আগে
বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানিসহ সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
তবে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে উভয় দেশের মধ্যে পাসপোর্টে যাত্রী পারাপার চালু রয়েছে।
বাংলাহিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুর রহমান লিটন জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনেরা তাদের ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্নিমা উদযাপন করছে। দিনটি উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এই দুই দেশের মধ্যে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পণ্য আমদানি-রপ্তানিসহ সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কাল (শুক্রবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিন। তাই পরশু শনিবার থেকে পুনরায় শুরু হবে বন্দরের সকল কার্যক্রম।
আরও পড়ুন: বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত হচ্ছে আজ
বন্দরের বেসরকারি অপারেটর পানামা হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেডের সহ-ব্যবস্থাপক এসএম হায়দার জানান, সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় এই দিনটিতে বন্দরের ওয়্যারহাউজে পণ্য উঠা-নামাসহ সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বিষয়টি বন্দর ব্যবহারকারীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আশরাফুল জানান, সপ্তাহের প্রতিদিনই সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকে। ফলে ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম সরকারি ছুটির আওতামুক্ত। তাই আজ (বৃহস্পতিবার) স্থলবন্দরের কার্যক্রমসহ পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও এই চেকপোস্ট ব্যবহার করে পাসপোর্টে যাত্রীরা ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: বিটিভিতে বুদ্ধ পূর্ণিমার বিশেষ অনুষ্ঠান ‘জয়তু বুদ্ধ সাসানং’
১০৯৮ দিন আগে
বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত হচ্ছে আজ
দেশজুড়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত হচ্ছে আজ (বৃহস্পতিবার)।
বুদ্ধ পূর্ণিমা গৌতম বুদ্ধের জন্ম, জ্ঞান লাভ ও মৃত্যুকে চিহ্নিত করে। খ্রিস্টপূর্ব ৫৬৩ সালের এই দিনে হিমালয়ের পাদদেশে কপিলাবস্তুতে সিদ্ধার্থ গৌতম হিসেবে বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ৩৫ বছর বয়সে সর্বোচ্চ জ্ঞান লাভ করেন এবং অবশেষে খ্রিস্টপূর্ব ৪৮৩ সালে ৮০ বছর বয়সে ‘নির্বাণে’ চলে যান।
দিনটি বাংলাদেশে সরকারি ছুটির দিন।
দিবসটি উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বৌদ্ধ সভ্যতা এবং এর সংস্কৃতি প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। পাহাড়পুর ও ময়নামতি শালবন বিহার এর উজ্জ্বল উদাহরণ।’
তিনি বলেন, গৌতম বুদ্ধ সর্বদা মানবজাতির কল্যাণ চেয়েছিলেন এবং তিনি সমগ্র বিশ্বকে শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলেন।
মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘আমরা আশা করি বৌদ্ধ সম্প্রদায় এই ঐতিহ্য চর্চা ও বুদ্ধের মহান আদর্শকে সমুন্নত রেখে দেশের উন্নয়নে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।’
প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতে বাংলাদেশে সম্প্রীতির চর্চা ও বন্ধন আরও জোরদার করতে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ‘সহিংসতা দ্বারা চালিত নিষ্ঠুর শক্তিকে দমন করতে, মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ করতে এবং একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে আজকের বিশ্বে বুদ্ধের শিক্ষা অনুসরণ করা প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি গৌতম বুদ্ধের আদর্শকে সমুন্নত ও লালন-পালনের মাধ্যমে সবাই বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে।’
আরও পড়ুন: রাঙামাটিতে শেষ হলো বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কঠিন চীবর দানোৎসব
আজ মধু পূর্ণিমা: খাগড়াছড়ির বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে উৎসব পালন
১০৯৮ দিন আগে
এরকম কতজন পি কে হালদার আছে, জানতে চাই: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিদেশে অর্থ পাচারকারী এবং তাদের মদদদাতাদের তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের প্রশ্ন এরকম কতজন পি কে হালদার আছে, আর এরকম কতজন মানুষ আছে? আমরা জানতে চাই, এই ধরনের কত টাকা পাচার হয়েছে? কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে পাচার হল? কারা তার সঙ্গে জড়িত ছিল? কারা মদদ দিয়েছে? সেই বিষয়গুলো পরিষ্কার করে জাতির সামনে তুলে ধরার জন্য আমরা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।’
বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
বিএনপি নেতা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়িত্ব দুর্নীতি, চুরি ও অর্থ পাচারের ঘটনা তদন্ত করে ফাঁস করা। কিন্তু দুদক দীর্ঘদিন ধরে শুধু বিএনপি নেতাদের হয়রানি করছে।
বর্তমান সরকারের সঙ্গে জড়িত রাঘব বোয়াল ধরতে এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনতে দুদককে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান ফখরুল।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তার সাম্প্রতিক মন্তব্যের মাধ্যমে নিজেই স্বীকার করেছেন যে তাদের দলের নেতারা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন। তিনি বলেছেন, যারা হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে তাদের আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেয়া হবে না।’
দেশের বর্তমান দুর্বিষহ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান ফখরুল। তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা সবাই মিলে কাজ করি এবং এই ভয়ঙ্কর সরকারকে অপসারণ করতে এবং সত্যিকারের নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সত্যিকারের প্রতিনিধিত্বমূলক সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করি।’
কর্মসূচিতে বিএনপির সিনিয়র নেতারাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: পিকে হালদারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য জানানো হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পিকে হালদার ভারতে গ্রেপ্তার
১৪৫২ দিন আগে
আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা
যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রবিবার সারা দেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা পালিত হচ্ছে।
বৌদ্ধ ধর্মমতে, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে এ তিথিতে বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতমবুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেছিলেন নেপালের লুম্বিনী কাননে। এ রাতেই তিনি বোধিজ্ঞান লাভ করেছিলেন ভারতের বিহার রাজ্যের বুদ্ধগয়ায়। এছাড়া গৌতমবুদ্ধের মৃত্যুও হয়েছিল এ রাতেই। আর এ কারণেই এ তিথিকে বলা হয় ত্রিস্মৃতি বিজড়িত বুদ্ধপূর্ণিমা।
বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সারা দেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা দিনটি পালন করে থাকেন।
দিবসটি উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ‘বৌদ্ধ সভ্যতা ও এর সংস্কৃতি প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। পাহাড়পুর এবং ময়নামতি শালবন বিহার তার উজ্জ্বল উদাহরণ।’
ভবিষ্যতে করোনার বিস্তার রোধে স্বাস্থ্য নির্দেশিকা বজায় রেখে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন করার জন্য তিনি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সদস্যদের আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী আগামীতে বাংলাদেশে সম্প্রীতির চর্চা ও বন্ধন আরও জোরদার করতে সকলকে উদারভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, আমি আশা করি গৌতম বুদ্ধের আদর্শকে ধারণ ও লালন করে বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সবাই ভূমিকা রাখবে।
পড়ুন: বুদ্ধ পূর্ণিমা রবিবার
১৪৫২ দিন আগে
বুদ্ধ পূর্ণিমা রবিবার
যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রবিবার সারা দেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা পালিত হবে।
বৌদ্ধ ধর্মমতে, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে এ তিথিতে বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতমবুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেছিলেন নেপালের লুম্বিনী কাননে। এ রাতেই তিনি বোধিজ্ঞান লাভ করেছিলেন ভারতের বিহার রাজ্যের বুদ্ধগয়ায়। এছাড়া গৌতমবুদ্ধের মৃত্যুও হয়েছিল এ রাতেই। আর এ কারণেই এ তিথিকে বলা হয় ত্রিস্মৃতি বিজড়িত বুদ্ধপূর্ণিমা।
বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সারা দেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা দিনটি পালন করেন।
দিবসটি উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আরও পড়ুন: বিটিভিতে বুদ্ধ পূর্ণিমার বিশেষ অনুষ্ঠান ‘জয়তু বুদ্ধ সাসানং’
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ‘বৌদ্ধ সভ্যতা ও এর সংস্কৃতি প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। পাহাড়পুর এবং ময়নামতি শালবন বিহার তার উজ্জ্বল উদাহরণ।’
ভবিষ্যতে করোনার বিস্তার রোধে স্বাস্থ্য নির্দেশিকা বজায় রেখে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন করার জন্য তিনি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সদস্যদের আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী আগামীতে বাংলাদেশে সম্প্রীতির চর্চা ও বন্ধন আরও জোরদার করতে সকলকে উদারভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, আমি আশা করি গৌতম বুদ্ধের আদর্শকে ধারণ ও লালন করে বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সবাই ভূমিকা রাখবে।
১৪৫৩ দিন আগে
বিটিভিতে বুদ্ধ পূর্ণিমার বিশেষ অনুষ্ঠান ‘জয়তু বুদ্ধ সাসানং’
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে রবিবার (১৫ মে) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘জয়তু বুদ্ধ সাসানং’ একযোগে প্রচারিত হবে।
বিটিভির প্রযোজক (অনুষ্ঠান) সাদিকুল ইসলাম নিয়োগী পন্নী প্রযোজিত এই অনুষ্ঠানটিতে ধর্মীয় সংগীত, নৃত্য ও নাটক থাকবে।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে একটি বিশেষ নাটক উপস্থাপনার মাধ্যমে গৌতম বুদ্ধের জীবনের একটি অংশ তুলে ধরা হয়েছে।
রিয়েলিটি শো ‘ক্লোজ-আপ ওয়ান’ খ্যাত গায়িকা নিশিতা বড়ুয়া অনুষ্ঠানে ধর্মীয় গান পরিবেশন করেন। সেসময় ‘ধর্মরাজিক ললিতকলা একাডেমি’র প্রায় দুই শতাধিক শিল্পী অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিজস্ব স্টুডিওতে রেকর্ডকৃত এই অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা করেছেন ও লিখেছেন ড.সুমন কান্তি বড়ুয়া।
আরও পড়ুন: স্করপিয়ন্সের সঙ্গে ম্যাডিসন স্কয়ার মাতালো চিরকুট
এক দশক পর আবার প্লেব্যাকে গাইবেন লুৎফর
১৪৫৩ দিন আগে
অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র রচনার জন্যই বাংলাদেশের অভ্যুদয়: তথ্যমন্ত্রী
অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র রচনার জন্যই বাংলাদেশের অভ্যুদয় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
বুধবার সকালে রাজধানীর শাহবাগে বৌদ্ধ ধর্মের পবিত্রতম উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশ বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিষদ আয়োজিত জাতীয় সম্মিলিত প্রতীকী শান্তি শোভাযাত্রা ও সম্প্রীতি উৎসবে তিনি এসব কথা বলেন।
পবিত্র বুদ্ধ পূর্ণিমায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সকলের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'সকল ধর্মের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। আর স্বাধীনতার অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তেই পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি এবং সে কারণেই আমাদের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা বর্ণিত রয়েছে।'
আরও পড়ুন: মন্ত্রী, সচিব বা রোজিনা ইসলাম কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন: তথ্যমন্ত্রী
ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে অনেক অপপ্রচার চালানো হয়, কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, যে ফিলিস্তিনকে সব মুসলিম দেশ সমর্থন দেয়, সেই ফিলিস্তিনেও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি, ইরাকেও তাই।
হাছান মাহমুদ বলেন, 'আমাদের দল মনে করে, সবার আগে আমাদের পরিচয় আমরা বাঙালি, তারপর আমরা হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান বা অন্যান্য ধর্মের অনুসারী। কিন্তু বাংলাদেশে এমন একটি পক্ষ আছে যারা ধর্মের পরিচয়কেই আগে রাখে। আর তারপর তারা বাঙালি না বাংলাদেশি এ নিয়ে সার্বক্ষণিক দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভোগে। সেখানেই তাদের সাথে আমাদের পার্থক্য।'
আরও পড়ুন: রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করবে আ’ লীগ: তথ্যমন্ত্রী
তিনি বলেন, দেশের সকল ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী যেমন যুগান্তকারী নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন, একইসাথে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির মাথা চাড়া দিয়ে ওঠা ও সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানোর অপচেষ্টাও কঠোর হস্তে দমনে সরকার সবসময়ই বদ্ধপরিকর।
আরও পড়ুন: সাংবাদিক রোজিনা যাতে ন্যায় বিচার পান তার চেষ্টা থাকবে: তথ্যমন্ত্রী
মানুষের মাঝে শান্তি-সম্প্রীতি-সাম্য প্রতিষ্ঠাই সকল ধর্মের মূলমন্ত্র আর বৌদ্ধ ধর্ম আরও একধাপ এগিয়ে সকল জীবের কল্যাণে ব্রতী, বলেন ড. হাছান।
বুদ্ধ পূর্ণিমার এইদিনে সকলকে নিজ নিজ ধর্মের মূলমর্ম বুকে ধারণ করে শান্তি-সম্প্রীতি-সাম্য প্রতিষ্ঠার ব্রত নেবার আহ্বান জানান হাছান মাহমুদ।
ধর্মীয় উৎসবগুলো আমাদের সংস্কৃতি ও কৃষ্টির অংশ হয়ে উঠেছে বর্ণনা করে মন্ত্রী বলেন, বুদ্ধ পূর্ণিমা, দুর্গাপূজা, ঈদ, বড়দিনসহ সকল ধর্মীয় উৎসবই এদেশে সকল ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে সার্বজনীন রূপলাভ করে।
এই সার্বজনীন সম্প্রীতির চেতনা, যা জননেত্রী শেখ হাসিনা চিরজাগরূক রাখতে চান, তার ওপর কালিমা লেপন বা তাকে নস্যাৎ করার সকল অপচেষ্টা রুখে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানান তিনি।
সভাশেষে মন্ত্রী অতিথিদের নিয়ে পরিষদের পক্ষে সভায় আগতদের মাঝে উপহারসামগ্রী তুলে দেন ও বুদ্ধ পূর্ণিমা শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি ড. উত্তম কুমার বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি এবং মহাথেরো আশিনো দীনরক্ষিত আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য দেন।
১৮০৬ দিন আগে