ইসি
ইউপি নির্বাচনের সময়সীমা পর্যালোচনা করা হবে: ইসি সানাউল্লাহ
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের সময়সীমা নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার মতামত পর্যালোচনা করে নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, ইউপি নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত করার আগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার মতামত পর্যালোচনা করা হবে। তবে সবাই একমত হয়েছেন, আগামী ৬ জুনের আগেই নির্বাচন শেষ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে জাতীয় উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বেলা আড়াইটায় সভা শুরু হয়। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ ২০টির বেশি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
ইসি সানাউল্লাহ জানান, সভায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা নির্বাচনের সময় নিয়ে বেশ কয়েকটি অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তারা অনুরোধ করেছেন, আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বরজুড়ে স্কুলগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে—বিষয়টি যেন আমরা বিবেচনায় নিই।
কমিশনার বলেন, জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য কিছুটা সময় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মধ্যবর্তী সময়েও আরেকটি সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, রমজান শেষ হওয়ার পরপরই এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এরপর ৬ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে।
গত সোমবার ঘোষিত সাত ধাপে ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ প্রসঙ্গে সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছিলাম, ১৭ সেপ্টেম্বরের সভার পর এটি চূড়ান্ত করব।’
সভায় চার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে ইসি গত সোমবার সারা দেশে সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করে। এর প্রথম ধাপের নির্বাচন ১২ নভেম্বর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে মঙ্গলবার দুই মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, ইসি সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করার আগে সরকার এ বিষয়ে অবগত ছিল না।
২ দিন আগে
ইসির স্থানীয় নির্বাচনের সময়সূচি সম্ভাব্য, চূড়ান্ত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সময়সূচি ঘোষণা করেছে, সেটি কেবল ‘সম্ভাব্য’ পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আগামী ১২ নভেম্বর থেকে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ইসির পরিকল্পনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কমিশন যে সময়সূচি উপস্থাপন করেছে, সেখানে সেটিকে স্পষ্টভাবেই ‘সম্ভাব্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং এর জন্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ঢাকা শহরে মেগা প্রকল্পের কারণে সৃষ্ট যানজট রোধ-সংক্রান্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসির ঘোষণা এবং পরে এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আইন অনুসারে চলে। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনের দুটি দায়িত্ব হলো জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। এর বাইরে আইনে প্রদত্ত অন্যান্য নির্বাচন-সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করার কথা বলা আছে।’
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকারগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখানে আইনের মধ্যে এমন কিছু নেই যে সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ছাড়া নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কাজ করতে পারে। এটি সমন্বয়ের বিষয়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশন গতকাল (সোমবার) ‘টেন্টেটিভ’ একটি পরিকল্পনা দিয়েছে, যার ভিডিও তিনি দেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘টেন্টেটিভ’ মানেই তারা ‘সম্ভাব্য’ সময়সূচি দিয়েছে। মনে হয়, গণমাধ্যমে বিষয়টি অন্যভাবে এসেছে, যেন কমিশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে। তারা বক্তব্যেই বলেছে, এটি একটি ‘টেন্টেটিভ প্ল্যান’। ‘টেন্টেটিভ’ পরিকল্পনার ওপর কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি।
এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সম্ভবত নির্বাচন কমিশন ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আহ্বান করেছে। ওই সভায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা অংশ নেবেন।’
আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা যে মতামত দেবেন, তার আলোকে নির্বাচন কমিশন সম্ভাব্য তফসিল সাজাবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এর আগে ইসি যে পরিকল্পনার কথা বলেছে, সেটি ‘টেন্টেটিভ’। তাই সেটিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
৪ দিন আগে
ইউপি নির্বাচনের তারিখ নিয়ে সরকার কিছু জানে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছু জানে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
গতকাল (সোমবার) বিকেলে নির্বাচন কমিশনের কমিশনের প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আমরা ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের নির্বাচন করতে পারব।
এ ধাপে তিনি প্রায় ৮০টি উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের ভোটগ্রহণ আয়োজনের আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক সময়সূচি অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন হবে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ১২ এপ্রিল ও সপ্তম ধাপ ২৭ মে অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে আজ (মঙ্গলবার) মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনাদের মতো আমরাও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে পত্রিকায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং টেলিভিশনগুলোতে দেখেছি যে, নির্বাচন কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের কয়েক ধাপে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে শুধু এইটুকুই জানাতে চাই, এ ব্যাপারে সরকার কিছু জানে না এবং সরকারের সঙ্গে কোনো পত্র যোগাযোগ বা অন্য কোনোভাবে আলোচনা হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা আছে নির্বাচন করার। কিছু স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর প্রস্তুতি সভা বা আইনশৃঙ্খলা কমিটি, এ ধরনের সভা করার পরেই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে। বাজেটসহ বিভিন্ন বিষয় থাকে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আবারও রিপিট করছি, নির্বাচন কমিশন যে তারিখগুলো ঘোষণা করেছে, এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। সরকার এ ব্যাপারে কিছু জানে না।’
৪ দিন আগে
প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচন ১২ নভেম্বর
দেশজুড়ে সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সে অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে ৬৩ জেলার ৮০টি উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কমিশনের প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব প্রাথমিক সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সভা শেষে সাংবাদিকদের জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, আমরা ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের নির্বাচন করতে পারব। এ ধাপে তিনি প্রায় ৮০টি উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের ভোটগ্রহণ আয়োজনের আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক সময়সূচি অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন হবে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ১২ এপ্রিল ও সপ্তম ধাপ ২৭ মে অনুষ্ঠিত হবে।
সারা দেশে মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ইসি সানাউল্লাহ।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করবে কমিশন। ২৩, ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে ইসি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিটি রাজনৈতিক দল থেকে দুজন করে প্রতিনিধি এসব সংলাপে আমন্ত্রণ পাবেন বলে জানিয়েছেন ইসি সালাউল্লাহ।
এছাড়া ইসি জানিয়েছে, ঠাকুরগাঁও ছাড়া দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে ইউপি নির্বাচন শুরু করার চেষ্টা করা হবে। কারণ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে ইসি। আগামী ২৯ অক্টোবর ওই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
৫ দিন আগে
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ইসি
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কিনা নির্বাচন কমিশন সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, ‘নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতাটা তৈরি করে নির্বাচন কমিশন। এখন নির্বাচন কমিশন আমাদের আইন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যে নীতিমালা সবকিছু নিয়ে ঠিক করবে যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি পারবেন না।’
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের আইনে আছে, তিনি প্রজাতন্ত্রের বা পরিষদের বা অন্য কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মে লাভজনক সার্বক্ষণিক পদে যদি অধিষ্ঠিত থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এটা হচ্ছে নির্বাচনি আইন।’
তিনি বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ব্যাপারে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—স্কুল ও কলেজ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৫-এর বিধি ১১.১৭-এর ‘ক’ ও বিধি ১১.১৭-এর ‘খ’-তে বলা হয়েছে যে এই পদটি লাভজনক। মানে শিক্ষকদের পদটি লাভজনক। তাহলে আইনের সঙ্গে এখানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালাটা কাছাকাছি মিলে যাচ্ছে।’
মীর শাহে আলম জানান, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক একই সঙ্গে একাধিক পদ বা চাকরিতে কিংবা আর্থিক লাভজনক কোনো পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। এমপিও নীতিমালার বিধি ১১.১৭-এর ‘খ’-তে আর্থিক লাভজনক পদের সংজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে।
১১.১৭-এর ‘খ’-তে বলা হয়েছে, আর্থিক লাভজনক পদ বলতে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত যেকোনো ধরনের বেতন, ভাতা, সম্মানী এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, আইন পেশাসহ কর্মের বিনিময়ে প্রদত্ত বেতন, ভাতা, সম্মানীকে বোঝাবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। স্থানীয় সরকার আইন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমপিও নীতিমালা বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশনই সিদ্ধান্ত নেবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না।
এ বিষয়ে তার ভাষ্য, নির্বাচন কমিশনের আইনগত কোনো মতামত, বিস্তারিত তথ্য বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে তারা বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারে। সেক্ষেত্রে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি পরিষ্কার করা হবে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে সরকার পরিকল্পিতভাবে আইন করছে বলে অভিযোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার আইনে লাভজনক সার্বক্ষণিক পদে থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আগে থেকেই বিধান রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমপিও নীতিমালাতেও শিক্ষকদের আর্থিক লাভজনক পদের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি তো ক্লিয়ার (পরিষ্কার) করলাম আইনে কী আছে। এখন জামায়াত যদি সরকারের ওপর কোনো দায় চাপায়, এটা দায় চাপালে তো হবে না। কারণ এই বিলগুলো পার্লামেন্টে পাস করার সময় তারা তো সংসদে উপস্থিত ছিল। আমরা সবাই মিলেই তো বিলগুলো পাস করেছি।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন কি না, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘না, কোনো প্রয়োজন নাই।’
তিনি বলেন, ‘এমপিদেরই তো নাই! আমি যে এমপি হয়েছি, আমারই তো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়নি ফর্মে!’
প্রতিমন্ত্রী জানান, সংসদ সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই। একই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি আইনেও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি।
তিনি বলেন, ‘কারণ আইনে নাই তো, সংবিধানে নাই তো! এবং যেহেতু সংসদ সদস্যদের যোগ্যতার প্রশ্ন ওঠে না, লোকাল গভর্নমেন্টের যে পাঁচটা আইন করেছি, ওখানে আইনেও আমরা রাখিনি কারণ এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে। কারণ একজন সমাজসেবক তো লেখাপড়া নাও করতে পারে, স্বশিক্ষিত হতে পারে।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা বয়সের বাধ্যবাধকতাও নেই। ভোটার হলেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
৬ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কে করবে না করবে, তা আদালত ও ইসির বিষয়: রিজভী
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কে অংশ নিতে পারবে, আর কে পারবে না—সেটি আদালত ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিষয়। এ বিষয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য বিবেচ্য নয়।
রবিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে বিএনপির পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ চেয়েছে, এক্ষেত্রে বিএনপির অবস্থান কী—জানতে চাইলে রিজভী বলেন, আমাদের প্রার্থিতা কীভাবে বাছাই হবে, সেটা আমাদের দলের বিষয়। এবার যেহেতু দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে কে নির্বাচন করবে, কে করবে না—এটা আদালতের বিষয়, এটা নির্বাচন কমিশনের বিষয়। তারা প্রচলিত আইন এবং নতুন প্রণীত আইন অনুযায়ী বিষয়টি নির্ধারণ করবেন।
তিনি বলেন, অন্য রাজনৈতিক দল কী বলল, না বলল—সেটা বিষয় নয়। প্রচলিত আইন অনুযায়ী কারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বা পারবেন না, সেটি পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের। আমরা বিষয়টি তাদের ওপরই ছেড়ে দিয়েছি।
বিএনপির প্রার্থিতা কীভাবে বাছাই করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, দল এবং আমাদের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম এ বিষয়ে বসে সিদ্ধান্ত নেবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ডিসেম্বরে বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দলের মহাসচিব বলেছেন, চেয়ারম্যান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, কাউন্সিল হবেই। তবে কোন মাসে, কবে হবে—সেটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
তিনি বলেন, খুব দ্রুতই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশা করছি। তারিখ ও সময় নির্ধারণ হলে তা আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
এর আগে, দুপুর ১২টার পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয় বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল। রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহকারী দপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন।
তারা নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেনের কাছে দলটির নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন (অডিট রিপোর্ট) হস্তান্তর করেন।
বিএনপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ পঞ্জিকাবর্ষে তাদের মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। বর্তমানে বিএনপির দলীয় তহবিলে উদ্বৃত্ত বা জমা রয়েছে ৬ কোটি ৭ লাখ টাকা।
সাধারণত দলের সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দেওয়া অনুদান এবং দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির অর্থ থেকে আয় দেখায় রাজনৈতিক দলগুলো। অন্যদিকে, দলের সারা বছরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন, প্রচারপত্র ও পোস্টার প্রকাশনা, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয়গুলোর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং দুঃস্থ নেতাকর্মীদের সহায়তার খাতে ব্যয়ের হিসাব দেখায়।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলের জন্য প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ববর্তী পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের অডিট রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কোনো দল পর পর তিন বছর হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের নিবন্ধন বাতিলের আইনি বিধান রয়েছে।
৬২ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি: মির্জা ফখরুল
পরবর্তী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, নির্ধারিত সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ শেখ মো. রেজাউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
এনসিপির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রথমবারের মতো আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের জন্য রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং সর্বোচ্চসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিকে এ পদ্ধতির আওতায় আনার জন্য নির্বাচন কমিশন কাজ করে যাচ্ছে।
গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই মুহূর্তে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বেতন বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের কাছে নেই।
তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের অধীন নির্বাচিত কোনো জেলার সংসদ সদস্যগণ উক্ত জেলার পরিষদের উপদেষ্টা হবেন এবং তার পরিষদের কার্যাবলি সম্পাদনে পরামর্শ প্রদান করবেন।
৮১ দিন আগে
নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ: ইসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এই তথ্য জানান।
এর আগে, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে ইসি জানিয়েছিল, ভোটের হার পরে জানানো হবে। অধিকাংশ আসনে পোস্টাল ভোট যুক্ত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে এই পরিসংখ্যান জানালে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোট গণনা সম্পন্ন করেই এ তথ্য জানানো হবে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে শেরপুর-৩ আসন বাদে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোট হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। এবারের নির্বাচনে দেশে মোট ভোটার ছিল ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন।
২১৮ দিন আগে
দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নয় ঘণ্টাব্যাপী ভোটগ্রহণের প্রথমার্ধে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারাদেশে ভোটার উপস্থিতি ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নির্বাচন ভবনে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ১০ মিনিটে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে মোট ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের ভোট প্রদানের তথ্য আমরা পেয়েছি। আমরা যে খবর পেয়েছি, সে অনুযায়ী ভোট প্রদানের হার ৩২.৮৮ শতাংশ।’
সব কেন্দ্রে ভোট চালু আছে জানিয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনার কথা জেনেছি। এখন পর্যন্ত কোনো ভোট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত হয়নি, সবগুলো কেন্দ্রের ভোট চলমান আছে।’
কিছু স্থানে বিচ্ছিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আখতার আহমেদ বলেন, সেগুলো দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘কয়েকটি স্থানে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছিল। তবে সেগুলো এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। এখন পর্যন্ত কোথাও আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি নেই।’
শেরপুর-৩ আসন ছাড়া সব আসনে একযোগে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনে জামায়াতের প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে সেখানে নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে।
আখতার আহমেদ জানান, ময়মনসিংহে বৃহস্পতিবার ভোরে ভোটগ্রহণ শুরুর আগে এক সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অসুস্থ হয়ে মারা যান। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে বিকল্প কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ফলে ওই ভোটকেন্দ্রেও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।’
২১৯ দিন আগে
চলতি সপ্তাহেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা: ইসি সানাউল্লাহ
চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘এ সপ্তাহের মধ্যে যেকোনো দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার আগেই বলেছিলেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে। এই সপ্তাহ হচ্ছে ৮ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। এ সময়ের মধ্যে যেকোনো দিন তফসিল ঘোষণা করা হবে।’
২৮৬ দিন আগে