প্রধানমন্ত্রী
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দেশবাসীর সহযোগিতা থাকলে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে সরকার।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহুবছর পর দেশের মাটিতে দেশের মানুষের সঙ্গে স্বপরিবারে ঈদ করতে পারায় আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি বলেন, এবার যেমন নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপিত হয়েছে, ভবিষ্যতেও দেশবাসী আরও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবে—এমনটাই প্রত্যাশা।
এ সময় তিনি ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালে যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
তারেক রহমান বলেন, এই ঈদে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। প্রত্যাশিত দেশ গড়তে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
দেশবাসীর সহযোগিতা থাকলে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিন প্রথমে ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রায় বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে এ কর্মসূচি।
এ সময় তিনি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে, সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন তারা।
এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ঈদগাহ ময়দান মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহে পৌঁছান। এসময় পুরো এলাকা জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় করা হয় বিশেষ মোনাজাত।
মোনাজাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসভবনের উদ্দেশে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যাপক ইউনূস ছাড়াও রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক ও সিনিয়র সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম ঈদ উদযাপন। তাকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোর থেকেই যমুনা প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে জনসাধারণের জন্য যমুনার দ্বার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
দীর্ঘ দেড় যুগ পর দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
এদিন প্রথমে ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রায় বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে এ কর্মসূচি।
এ সময় তিনি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে, সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন তারা।
এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ঈদগাহ ময়দান মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহে পৌঁছান। এসময় পুরো এলাকা জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় করা হয় বিশেষ মোনাজাত।
মোনাজাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসভবনের উদ্দেশে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২১ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন তারা।
এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ঈদগাহ ময়দান মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহে পৌঁছান। এসময় পুরো এলাকা জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় করা হয় বিশেষ মোনাজাত।
মোনাজাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসভবনের উদ্দেশে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।
২০ ঘণ্টা আগে
ঈদ হোক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিকতার বন্ধন জোরদারের অনুপ্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।’
তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযমের পর পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জীবনে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে।
তারেক রহমান বলেন, পবিত্র রমজান মাস সংযম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির অনন্য শিক্ষা দেয়। এই এক মাসের সাধনা মানুষকে আত্মসংযমী হতে এবং অন্যের কষ্ট অনুভব করতে শেখায়। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব জাগ্রত হয়।
তিনি বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। ঈদ আমাদের ধনী-গরিব, ছোট-বড় সব ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আনন্দের দিনে আমরা যেন সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই—এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে। ‘আসুন, আমরা ঈদের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করি।’
শেষে তিনি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে প্রার্থনা করেন, তিনি যেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ, রহমত ও বরকত সবার জীবনে বর্ষিত করেন এবং দেশ ও জাতিকে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশ জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো এক বার্তায় মোদি বলেছেন, ‘ভারত সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আপনাকে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।’
বার্তায় তিনি বলেন, গত এক মাস ধরে ভারতসহ সারা বিশ্বের মুসলমানরা পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালন ও ইবাদতে সময় অতিবাহিত করেছেন। ঈদের এই উৎসব মানুষকে সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও একসঙ্গে থাকার চিরন্তন মূল্যবোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে সবার শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য ও সুখ কামনা করি। আমাদের দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হোক।’
২ দিন আগে
যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নয়, গুলশান অ্যাভেনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে নিজের বাসাতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৯ বৃহস্পতিবার) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে নিজের বাসায় থাকবেন। সরকারি বাসভবন যমুনায় উঠছেন না। তারেক রহমান গুলশানের নিজের যে ছোট বাসাটি, তাতে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সেজন্য তিনি দেশে ফেরার পর এই বাসায় উঠেছেন। সেই ভাবে বাসাটি সাজানো-গোছানো হয়েছে।’
রুমন জানান, পবিত্র ঈদের দিন সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিয়ে নামাজ আদায় করবেন।
নামাজ শেষে সকাল ১০টা থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে তিনি পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
২ দিন আগে
জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। ওই জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বলেন, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে নারীসহ ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। নামাজে অংশগ্রহণ করা মুসল্লিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারবেন।
তবে আবহাওয়ার কারণে ঈদগাহ ময়দান নামাজ আদায়ের অবস্থায় না থাকলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদ জামাতের আয়োজন করেছে ঢাকা সিটি করপোরেশন। এ উপলক্ষে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন করেন।
২ দিন আগে
যমুনায় কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ এবং সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ শুভেচ্ছা বিনিময় কর্মসূচি শুরু হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। এরপর তিনি সকাল ১০টায় যমুনায় যাবেন এবং সেখানে প্রথমেই কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী পরবর্তীতে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদ, ধর্মীয় নেতা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সরকারি-বেসরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরে যাবেন। সেখানে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে এ বছর ঈদুল ফিতর আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) অথবা শনিবার (২১ মার্চ) উদযাপিত হবে।
দেড় দশকেরও বেশি সময় পর এটিই হবে দেশে তারেক রহমানের প্রথম ঈদ উদযাপন। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর সপরিবারে দেশে ফেরার আগে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে ঈদ কাটিয়েছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
৩ দিন আগে
ঈদের ছুটির মধ্যেও অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার থেকে সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে তার দপ্তরে অফিস করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী বেলা ১১টার দিকে তার কার্যালয়ে পৌঁছান। তিনি সচিবালয়ে পৌঁছালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার তাকে অভ্যর্থনা জানান।
তিনি জানান, ঈদের ছুটি শুরু হলেও প্রধানমন্ত্রী তার দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত রেখেছেন। সচিবালয়ে পৌঁছে তিনি বেশ কিছু বৈঠকে অংশ নেন। এছাড়া আজ মন্ত্রিসভারও বৈঠক রয়েছে।
উল্লেখ্য, আজ ১৭ মার্চ থেকে ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে, যা ২৩ মার্চ পর্যন্ত চলবে। এর আগে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছিল। নির্বাহী আদেশে ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পরে ২২ ও ২৩ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত সহজ করতে সরকার ১৮ মার্চকেও ছুটি ঘোষণা করে। এর ফলে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে এটি টানা সাত দিনের ছুটিতে পরিণত হয়।
৪ দিন আগে