ঈদ
ঈদে খাগড়াছড়ির বিনোদনকেন্দ্রে স্থানীয়দের ভিড়, পর্যটক উপস্থিতি কম
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়লেও বহিরাগত পর্যটকদের সংখ্যা অন্য বছরের তুলনায় এবার কিছুটা কম লক্ষ করা গেছে। পাহাড়, মেঘ আর ঝরনায় ঘেরা এই জনপদে ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকেই স্থানীয়দের সরব উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।
জেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র আলুটিলা, হর্টিকালচার পার্ক ও রিসাং ঝরনাসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেককে ঘুরতে দেখা গেছে। ঈদের দিন থেকেই এসব স্থানে মানুষের আনাগোনা শুরু হয়, তবে ভিড়ের বড় অংশই ছিল স্থানীয় বাসিন্দা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, জ্বালানি তেল সংকটের কারণে ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল কমে যাওয়ায় দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকদের আগমন প্রত্যাশার তুলনায় কম হয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে খাগড়াছড়ির হোটেল ও রিসোর্টগুলোর ওপর। গত বছরগুলোর তুলনায় এবার হোটেল-রিসোর্টে বুকিংয়ের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।
তবে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা এখনও আশাবাদী। তারা মনে করছেন, পর্যটকরা সাজেক ভ্যালি থেকে ফেরার পথে জেলার অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলোতে ভিড় করতে পারেন। ফলে ছুটির শেষ দিনগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে তারা ধারণা করছেন।
৫৫ মিনিট আগে
ঈদের নামাজের স্থান নিয়ে কুষ্টিয়ায় সংঘর্ষ, আহত ১৩
ঈদের নামাজ মসজিদে হবে নাকি ঈদগাহ মাঠে—এ নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে। সংঘর্ষের কারণে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের চর এলঙ্গী আচার্য গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—রুবেল হোসেন (৩০), গফুর (৪০), আলম (৪৫), শাকিল (২৫), রিপন (২৬), সরোয়ার (৪৫), আশরাফুল (৩৫), শাহিন (৩৫), জিয়া (৩৭), মুসা (৪৫), মন্টু (৫৫), জুয়েল (২৭) ও ফিরোজা খাতুন (৩৩)। তারা কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গড়াই নদীর চরে অবস্থিত এই গ্রামে প্রায় ১২০টি পরিবারে পাঁচ শতাধিক মানুষের বসবাস। তাদের জন্য একটি জামে মসজিদ ও একটি ঈদগাহ মাঠ রয়েছে। ঈদের দিন সকাল থেকেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টির কারণে ঈদগাহ কমিটি সকাল সাড়ে ৮টার পরিবর্তে সাড়ে ৯টায় জামাত নির্ধারণ করে।
এ নিয়ে গ্রামবাসী দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। একপক্ষ মসজিদে নামাজ শুরু করলে অপরপক্ষ তাদের ঈদগাহে যাওয়ার আহ্বান জানায়। এ সময় বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয়পক্ষ।
সংঘর্ষে আহত রুবেল হোসেন অভিযোগ করেন, তর্কাতর্কির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা দিয়ে তাকে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেয়। তার মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে জুয়েল বলেন, মসজিদে নামাজ শেষে খুতবা চলাকালে প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি, তার বাবা ও স্বজনসহ কয়েকজন আহত হন। তাদের বাড়িতেও ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে আহত কয়েকজনকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেখা গেছে, যাদের হাত, মুখ ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এরপর বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুরের চিহ্ন রয়েছে।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা রোকেয়া খাতুন অভিযোগ করেন, ‘নামাজ নিয়ে রাস্তায় মারামারির পর আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।’ অন্যদিকে ছারা খাতুন দাবি করেন, তার ছেলের অটোরিকশা ও বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।
এদিকে, সংঘর্ষের কারণে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি স্থানীয় স্কুলশিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে নামাজের স্থান নিয়ে বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নামাজ আর অনুষ্ঠিত হয়নি।’
ঈদগাহ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময় পরিবর্তন করা হলেও একপক্ষ মসজিদে নামাজ শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে প্রায় ৪৫০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেননি।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, নামাজের স্থান নিয়ে বিরোধে দুপক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।
২৩ ঘণ্টা আগে
পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে শোলাকিয়ায় উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত
প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায়। এবার শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত।
নিরাপত্তাব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই হয়েছে ঈদের জামাত। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত জামাতে ইমামতি করেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।
এবারের ঈদ জামাতে বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরীফুল আলমসহ কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ ও জেলা প্রশাসক এবং মাঠ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা মাঠে নামাজ আদায় করেন।
আগত মুসল্লিদের প্রত্যেককে তল্লাশি করে মাঠে প্রবেশ করানো হয়। জেলার স্থানীয় মুসল্লিসহ দেশ-বিদেশের পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজ শুরুর ঘণ্টাখানেক আগেই পুরো মাঠটি মুসল্লিতে ভরে যায়। পরবর্তীতে আগত মুসল্লিরা মাঠে জায়গা না পেয়ে পাশের রাস্তায়, বিভিন্ন বাড়ির আঙ্গিনায় নামাজ আদায় করেন।
এ সময় নিরাপত্তার জন্য ১১০০ পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়। সেই সঙ্গে ছিল সেনাবাহিনী ৪ প্লাটুন, র্যাবের ৬টি টিম, ৫ প্লাটুন বিজিবিসহ সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা। মাঠের ভেতরে নির্মিত ৬টি ওয়াচ টাওয়ার থেকে সার্বক্ষণিকক নজরদারি করে পুলিশ প্রসাশন।
এই জামাতে অংশ নেওয়ার সুবিধার্থে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি স্পেশাল ট্রেন দিয়েছিল বাংলাদেশ রেলওয়ে।
রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে মুসল্লিদের সংকেত দিতে শটগানের ৬টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। ৩টি গুলি করা হয় জামাত শুরুর ৫ মিনিটি আগে, ২টি ২মিনিট আগে এবং শেষটি জামাত শুরুর ১ মিনিট আগে।
১ দিন আগে
রাতভর বৃষ্টিতে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে গোর এ শহীদ ময়দানে লাখো মুসল্লির ঢল
দিনাজপুরের গোর এ শহীদ বড় ময়দানে প্রায় লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে আদায় করা হয়েছে ঈদুল ফিতরের নামাজ।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তর এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করতে ছুটে আসেন আশপাশেরসহ দূর-দূরান্তের মুসল্লিরা।
নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমি। অংশ নেন স্থানীয় এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।
ঈদের নামাজ উপলক্ষে ময়দান ও আশপাশজুড়ে নেওয়া হয়েছিল বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। গতরাতে দিনাজপুরে ২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। সঙ্গে ঝড়ো বাতাসের কারণে আজ সকালে নামাজ আদায় নিয়ে অনিশ্চতায় ছিলেন মুসল্লিরা। সকালেও মাঠজুড়ে ছিল বৃষ্টির পানি। তবে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। পাশাপাশি শুকিয়ে যায় মাঠে জমে থাকা পানি স্তরও।
প্রতিকূল আবহাওয়ার পরেও বৃহৎ এই জামাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ আদায় করতে পেরে খুশি মুসল্লিরা।
১ দিন আগে
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দেশবাসীর সহযোগিতা থাকলে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে সরকার।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহুবছর পর দেশের মাটিতে দেশের মানুষের সঙ্গে স্বপরিবারে ঈদ করতে পারায় আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি বলেন, এবার যেমন নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপিত হয়েছে, ভবিষ্যতেও দেশবাসী আরও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবে—এমনটাই প্রত্যাশা।
এ সময় তিনি ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালে যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
তারেক রহমান বলেন, এই ঈদে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। প্রত্যাশিত দেশ গড়তে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
দেশবাসীর সহযোগিতা থাকলে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিন প্রথমে ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রায় বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে এ কর্মসূচি।
এ সময় তিনি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে, সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন তারা।
এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ঈদগাহ ময়দান মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহে পৌঁছান। এসময় পুরো এলাকা জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় করা হয় বিশেষ মোনাজাত।
মোনাজাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসভবনের উদ্দেশে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।
১ দিন আগে
কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
দীর্ঘ দেড় যুগ পর দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
এদিন প্রথমে ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রায় বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে এ কর্মসূচি।
এ সময় তিনি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে, সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন তারা।
এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ঈদগাহ ময়দান মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহে পৌঁছান। এসময় পুরো এলাকা জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় করা হয় বিশেষ মোনাজাত।
মোনাজাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসভবনের উদ্দেশে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।
১ দিন আগে
সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকারের অংশগ্রহণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলে (দক্ষিণ প্লাজার নিচে) অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদের জামাত।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত এই জামাতে অংশ নেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসল্লিরা।
এবারের ঈদের জামাতের বিশেষ দিক ছিল, প্রথমবারের মতো নারীদের জন্য পৃথকভাবে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। এতে অংশ নেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলাসহ নারী মুসল্লিরা।
স্পিকারের নির্দেশনায়, মুসল্লিদের সুবিধা এবং বৈরী আবহাওয়ার কথা বিবেচনায় রেখে টানেলের নিচে জামাতের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ ইমাম মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।
জামাত শেষে স্পিকার উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ সময় মুসল্লিরাও একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন। পাশাপাশি মুসল্লিদের মধ্যে খেজুর বিতরণ করা হয়, যা ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
১ দিন আগে
একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২১ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন তারা।
এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ঈদগাহ ময়দান মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহে পৌঁছান। এসময় পুরো এলাকা জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় করা হয় বিশেষ মোনাজাত।
মোনাজাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসভবনের উদ্দেশে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।
১ দিন আগে
ঈদের দিন সারা দেশে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় এবং মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় গত কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন স্থানে কমবেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই ধারা আগামীকাল ঈদুল ফিতরের দিনসহ পরবর্তী কয়েকদিনও অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
লঘুচাপের কারণে আজ রাজধানী ঢাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময় দমকা হাওয়ার প্রাবল্যও ছিল চোখে পড়ার মতো। দুপুরের পর থেকে বৃষ্টি না হলেও আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
আগামীকালও (শনিবার) দেশজুড়ে ঝড়বৃষ্টির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
শুক্রবার (২০ মার্চ) আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত
এদিকে, আজ দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দগুলোর জন্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, যশোর, খুলনা, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, রাঙামাটি এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তাছাড়া ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক, স্বস্তিতে যাত্রীরা
এবারের ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রী ও চালকরা স্বস্তি অনুভব করছেন। মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও আজও কোথাও যানজট নেই এবং যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করছে।
দেশের ‘লাইফলাইন’ খ্যাত এই মহাসড়ক দিয়ে কয়েকদিনে হাজার হাজার যানবাহনে লাখ লাখ মানুষ বাড়ি ফিরেছেন। যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। সেনাবাহিনী, হাইওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও রোভার স্কাউটস সদস্যরা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদ উপলক্ষে কুমিল্লার ১০৫ কিলোমিটার অংশে যানজট না থাকলেও যানবাহনের চাপের কারণে ধীরগতিতে চলছে গাড়ি।
এ সময় মহাসড়কের দাউদকান্দি, গৌরীপুর, ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা, নিমসার, ক্যান্টনমেন্ট, আলেখারচর, পদুয়ার বাজার, মিয়ানমার ও চৌদ্দগ্রামের স্টেশনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করতে দেখা গেছে।
২ দিন আগে