খুলনা
খুলনায় ধান কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহত
খুলনার তেরখাদায় ধান কাটাকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে নুর আলম নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা আমজাদ হোসেনের বাড়ির সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।
খুলনার তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, আজ (শনিবার) সকালে আমজাদের বাড়ির সামনে একটি জমির ধান কাটাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় শহীদুল ও সাইফুল মোড়লের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ওই সংঘর্ষে ৫ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর দুপুরে আহত নুর আলমের মৃত্যু হয়। বাকিরা খুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
১০ দিন আগে
খুলনায় দুর্বৃত্তদের হামলায় এক পরিবারের ৩ জন আহত, আটক ১
খুলনায় একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সুমন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ ।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে নগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রিনল্যান্ড আবাসিক এলাকার একটি বস্তিতে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— ঝুমুর আক্তার (২৬), হাসিব শেখ (২০) ও আসলাম গাজী (৩৫)। তারা বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, খুলনার জোড়াগেট গ্রিনল্যান্ড আবাসিক এলাকার সূর্যগাছের বাড়িতে সকাল ৭টার দিকে ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত অস্ত্রসহ প্রবেশ করে। এ সময় তারা ওই বাড়ির তিনজনকে প্রথমে মারধর করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে খুমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। এর আগে অবশ্য জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুমনকে আটক করে।
স্থানীয়দের দাবি, হামলার ঘটনায় ফারুখ শিকদার ও জিম সাদী নামে আরও দুই জন জড়িত রয়েছেন। তারা একাধিক মামলার আসামি। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তাদের নেতৃত্বে এলাকায় প্রায়ই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। এর আগে এসব ঘটনা পুলিশকে জানানো হলেও তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
খুলনার সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাত্তার জানান, এ হামলার ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। হামলার সঙ্গে যারা জড়িত আছেন তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীরা। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
১৬ দিন আগে
খুলনায় ‘চোখ বেঁধে’ যুবককে গুলি
খুলনার চোখ বেঁধে মো. ইমরুল (৩০) নামে এক যুবককে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে। তিনি স্যানিটারি মিস্ত্রির কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। পরে দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গুলিবিদ্ধ ইমরুলের বাড়ি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ভবের চাকা গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত কামাল শেখ।
আহতের চাচা বিল্লাল হোসেন বলেন, গতকাল (শনিবার) দুপুরে কাজে যাওয়ার সময় তিনটি মোটরসাইকেলে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ইমরুলের চোখ বেঁধে পেটের ডান পাশে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে আমরা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে কে বা কারা এ কাজটি করেছে তার কিছুই আমরা জানি না।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, গতকাল রাত দেড়টার দিকে পেটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই যুবককে হাসপাতালে আনা হলে ভর্তি দেন চিকিৎসক। আমরা ইতোমধ্যে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।
১৭ দিন আগে
খুলনায় ১০ টির মধ্যে ৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট তীব্র হওয়ায় খুলনা অঞ্চলের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় বড় ধাক্কা লেগেছে। জ্বালানির সংকটে ১০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে ৬টি বন্ধ থাকায় উৎপাদন নেমে এসেছে প্রায় অর্ধেকে। ফলে খুলনাঞ্চলের শহর ও গ্রামে শুরু হয়েছে তীব্র লোডশেডিং।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা অঞ্চলে ছোটবড় মিলিয়ে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। এগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট। তবে জ্বালানি সংকটের কারণে খুলনা ৩৩০ মেগাওয়াট, ফরিদপুর ৫০ মেগাওয়াট, নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার কোম্পানি ২২৫ মেগাওয়াট, মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট এবং রূপসা ১০৫ মেগাওয়াট কেন্দ্রসহ মোট ৬টি কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। ফলে প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে।
খুলনা ৩৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর মাহফুজুর রহমান বলেন, জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তার কারণে সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও এই কেন্দ্র চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা এনএলডিসি থেকে বিদ্যুতের চাহিদা পাচ্ছি না। আমাদের হাতে কোনো জ্বালানি নেই। জ্বালানি পাওয়া সাপেক্ষে আমরা কেন্দ্রটি চালাতে প্রস্তুত আছি।
এদিকে, বিদেশি ঋণ সহায়তায় নির্মিত কয়লাভিত্তিক রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চালিয়ে গেলেও তা পুরো অঞ্চলের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়।
গ্রীষ্ম মৌসুমে খুলনা অঞ্চলে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। সরবরাহ ঘাটতির কারণে অনেক এলাকায় প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলো অপচয় রোধে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।
চলমান সংকটকে বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিরতার সঙ্গে যুক্ত করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, ইরান- ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার প্রভাবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের মতো একটি আমদানিনির্ভর দেশে।
প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরাম (ফেড) এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, দেশের এলএনজি আমদানির ৬৮-৭৫ শতাংশ এবং অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৮০ শতাংশ হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। এই রুটে সরবরাহ ব্যাহত হলে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা বড় ঝুঁকিতে পড়ে।
ব্যয় বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফার্নেস অয়েলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ ১৮ টাকার বেশি হলেও সৌরবিদ্যুতে তা প্রায় ৯ টাকা। এ বাস্তবতায় বিশেষজ্ঞরা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন।
প্রতিবেশ ও পরিবেশ সুরক্ষা কমিটির সদস্য জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দী বলেন, বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই। টেকসই ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থায় দ্রুত রূপান্তর না ঘটালে ভবিষ্যতে সংকট আরও তীব্র হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের ৪ কোটির বেশি পরিবারের ছাদের একটি বড় অংশ ব্যবহার করে ১৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। পাশাপাশি কৃষিখাতে সৌর সেচ ব্যবস্থা চালু করা গেলে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে।
সংকট মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞদের সুপারিশের মধ্যে রয়েছে সৌর সরঞ্জামে শুল্ক-ভ্যাট প্রত্যাহার, বাড়িভিত্তিক সৌর প্যানেলে ভর্তুকি, দ্রুত সৌর পার্ক অনুমোদন এবং বিদ্যুৎ খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকেন্দ্রীকরণের মতো পদক্ষেপ।
গৌরাঙ্গ নন্দী বলেছেন, সময়মতো নীতিগত পরিবর্তন না আনলে জ্বালানি নির্ভরতা আরও বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে তা অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াবে।
তিনি বলেন, সারা পৃথিবীতে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে সৌর শক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। তাই তেলের জালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌর শক্তি নিয়ে পরিকল্পনা সাজানোর দাবি জানান তিনি।
১৮ দিন আগে
খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
খুলনার ফুলতলায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে সাব্বির (২৩) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় অপর এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাব্বির ফুলতলা উপজেলার দামোদর ইউনিয়নের বাসিন্দা মোস্তফার ছেলে সাব্বির। আহত নিরব একই এলাকার বাসিন্দা। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাতে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবীর সিদ্দিকী শুভ্র জানান, হামলাকারী এবং যারা হতাহত হয়েছেন তারা একে অপরের বন্ধু। ৪–৫ দিন আগে তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। এ বিরোধের জের ধরে আজ এ ঘটনাটি ঘটেছে। তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো যাবে বলে জানান তিনি।
১৯ দিন আগে
খুলনায় অব্যাহত লোডশেডিংয়ে নাকাল জনজীবন
খুলনায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন কার্যত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। তীব্র গরমের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন নগরবাসী ও আশপাশের এলাকার মানুষ। দিনের বেলায় তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি রাতেও মিলছে না স্বস্তি। এর মাঝে শুরু হচ্ছে দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় ঘুমাতে পারছেন না অনেকেই। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন একাধিকবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
খুলনার বাসিন্দারা জানান, পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটছে। এর প্রভাব পড়ছে ব্যবসা-বাণিজ্যেও।
শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. সোলায়মান বলেন, ‘দিন-রাত সমানতালে লোডশেডিং চলছে। এক ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। গরমে শিশুরা খুব কষ্টে আছে।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থার পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কম থাকায় সাময়িকভাবে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের বরাত দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রোকনউজ্জামান জানান, ১৬ এপ্রিল সকাল ১০টায় খুলনায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬৫৩ মেগাওয়াট, বিপরীতে সরবরাহ করা হয় ৫৫০ মেগাওয়াট। এতে লোডশেডিং হয় ১০৩ মেগাওয়াট।
এর আগে, ১৫ এপ্রিল দুপুর ১টায় চাহিদা ছিল ৭৫০ মেগাওয়াট, সরবরাহ ছিল ৫৭২ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং হয় ১৭৮ মেগাওয়াট। একই দিন রাত ৯টায় চাহিদা ছিল ৬৮৬ মেগাওয়াট, সরবরাহ ৫৪২ মেগাওয়াট। এতে লোডশেডিং হয় ১৪৪ মেগাওয়াট।
এ পরিস্থিতিতে দ্রুত স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তীব্র গরমের এই সময়ে লোডশেডিং কমাতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
১৯ দিন আগে
খুলনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক আহত
খুলনায় মাদককাণ্ডে মো. মেহেদী হাসান নামের এক যুবককে গুলি করেছে দুবৃত্তরা।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে খুলনার পূর্ব রূপসার নৈহাটি ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া আক্কাসের মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।
আহত যুবক খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য।
স্থানীয়রা জানান, আক্কাসের মোড়ে নিজ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন মেহেদী হাসান। গতকাল (মঙ্গলবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে একটি মোটরসাইকেলে করে দুই যুবক সেখানে এসে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে তার বাম পায়ের উরুতে বিদ্ধ হয়। গুলির শব্দে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে মেহেদীকে উদ্ধার করে। এরপর তারা চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। মেহেদী হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন।
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজ্জাক মীর বলেন, বিষয়টি শোনার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে তাকে গুলি করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হাসপাতালেও পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে মেহেদী এ বিষয়ে পুলিশকে কোনো তথ্য জানাতে চাচ্ছেন না।
২১ দিন আগে
খুলনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ফয়সাল গ্রেপ্তার
খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী নুর আজিম বাহিনীর অন্যতম প্রধান সহযোগী ফয়সালকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর টুটপাড়া মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
খুলনা মহানগর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৈমুর ইসলাম জানান, ফয়সালের বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সন্ত্রাসী নুর আজিমের অবর্তমানে ফয়সাল ওই বাহিনীর দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছিলেন। তিনি খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একজন।
তাকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে নগরীর বিভিন্ন স্থানে খুঁজছিলাম। আজ (শুক্রবার) তার সঠিক সন্ধান জানতে পেরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
২৫ দিন আগে
খুলনায় ছিনতাইকারীর গুলিতে প্রাণ গেল আরেক ছিনতাইকারীর
খুলনায় ছিনতাইয়ের সময় এক ছিনতাইকারীর ছোড়া গুলিতে অপর এক ছিনতাইকারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এক ব্যবসায়ী।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলার স্টিমারঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, দৌলতপুরের দেয়াড়া এলাকার মোবাইল রিচার্জ ও মুদি ব্যবসায়ী তাহিদুল ইসলাম (২৮) সাইকেলে চড়ে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে দেয়াড়া স্টিমারঘাট-সংলগ্ন পপুলার জুট মিল এলাকায় পৌঁছালে ৩-৪ জন ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করেন। ছিনতাইকারীরা তাহিদুলের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তাদের বাধা দেন তাহিদুল। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা গুলি ছোড়েন। এতে তাদের নিজেদের এক সহযোগী সাগর গুলিবিদ্ধ হন। পরে অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ সাগরকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সাগরের বাড়ি দিঘলিয়ার দেয়াড়া এলাকায়। এ ঘটনায় আহত তাহিদুল বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম জানান, গুলিতে নিহত ব্যক্তির মরদেহ খুমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত ব্যবসায়ী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি। তবে আসামিদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে।
৩৯ দিন আগে
খুলনায় স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন
খুলনার কয়রা উপজেলায় স্বামীকে শ্বাসরোধ ও অণ্ডকোষ চেপে হত্যা করেছে স্ত্রী।
সোমবার (২৩ মার্চ) রাত ৯টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের জোড়শিং গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন স্ত্রী খুকুমনি।
নিহত ফজলু গাজী জোড়শিং গ্রামের মৃত ফকির গাজীর ছেলে ছিলেন।
স্থানীরা জানান, গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যার পর জোড়শিং গ্রামের ফজলু গাজীর (৬৬) সঙ্গে তার দ্বিতীয় স্ত্রী খুকুমনির কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে রাত ৯টার দিকে স্বামীর অণ্ডকোষ চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যান তিনি। তৎক্ষণাৎ স্থানীয়রা তাকে গ্রাম্য চিকিৎসকের নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর পাশ্ববর্তী গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা খুকুমনিকে বিয়ে করেন ফজলু গাজী।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. শাহ আলম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি, তবে এখনও ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারিনি। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য নিয়ে তদন্ত ও অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৪২ দিন আগে