মৃত্যু
মিরপুরে ইটের আঘাতে আহত সেই সাজিদ মারা গেছেন
রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় চলন্ত মোটরসাইকেলে ছোড়া ইটের আঘাতে গুরুতর আহত আরোহী সাজিদ চৌধুরী রাফি (২১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
সোমবার (২২ জুন) সকাল ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো সাজ্জাদ হোসেন জানান, মোটরসাইকেলচালক সাজিদ চৌধুরী রাফি আজ (সোমবার) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন— প্রধান আসামি মো. পারভেজ, ফয়সাল ওরফে কালু এবং আনোয়ার হোসেন বাবু।
মৃত রাফির চাচা মো. নুর হোসেন চৌধুরী জানান, ঘটনার দিন রাফিকে প্রথমে শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন ১০ জুন তাকে ঢামেক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। প্রায় ১৩ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সেখানে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে, ৯ জুন দিবাগত রাত রাত সোয়া ১টার দিকে পূর্ব শেওড়াপাড়া দিয়ে মোটরসাইকেলে বাসায় ফিরছিলেন রাফি। আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা একজন তাকে থামার সংকেত দেন। তিনি না থামলে আরেকজন চলন্ত মোটরসাইকেলে ইট ছুড়ে আঘাত করেন। এতে রাফি রাস্তায় পড়ে যান। এ সময় দিয়ে আঘাতকারী ব্যক্তি চিৎকার করে বলেন উপর থেকে রাফির ওপরে ইট পড়েছে। তাকে হাসপাতালে নিতে হবে। তিনি নিজেই ইট দিয়ে রাফিকে আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করার পর চিৎকার করে আশপাশের লোকজনের কাছে সাহায্য চান। পরে রাফিকে একটি অটোরিকশায় করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই এটিকে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনা বলে মনে করেছিলেন। পুলিশও প্রথমে সেই দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত শুরু করে। তবে তদন্তের পরে উঠে আসে ভিন্ন তথ্য।
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, হামলাকারীরা রাফির পূর্বপরিচিত। ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত কালু, পারভেজসহ কয়েকজন সহযোগী ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন। রাফিকে একা পেয়ে তারা তাকে আটকের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে কালু তাকে থামাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে অভিযুক্তরাই আহত রাফিকে প্রথমে সোরাওয়ার্দী হাসপাতাল ও পরে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান।
৫৩ মিনিট আগে
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ জনে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৃথক সময়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ৯ মাস এবং অপরজনের বয়স প্রায় ৩ মাস। তাদের একজনের বাড়ি সিলেটের ওসমানীনগরে এবং অপরজনের বাড়ি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৭১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৬৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
৪ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ জনে।
বুধবার (১৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল ও ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া তিন শিশু হলো রাইয়ান, তাউসিফ ও আমায়রা। তাদের তিনজনের বয়সই ১ বছরের নিচে।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৫৬ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৮৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে মোট ৩২৩ জন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
৫ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও প্রাণহানি ৪, আক্রান্ত ১০৩৬
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৬টি শিশু।
সোমবার (১৪ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৬৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৫৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৬৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৭২। এই সময়ে ৮৮৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৩৭টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৬ হাজার ৯২৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৩৮৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭১ হাজার ৪৬৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৬৭ হাজার ৮৭৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৭ দিন আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ১, আক্রান্ত ১১৫৩
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৫৩টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৫১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯২টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৪৩টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৭।
এই সময়ে ৮৭৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৮২টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১০ এপ্রিল থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৪ হাজার ১৬৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ১৮৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬৮ হাজার ৯৩৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৬৫ হাজার ২৭৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১০ দিন আগে
৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
রাজধানীর বড় মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা থেকে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার পর দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ৪ জুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ‘লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না’ মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় এবং ৭ জুন বিকেল ৫টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়।
পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সময় বৃদ্ধির আবেদন করলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৯ জুন বিকাল ৫টা পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে দেয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ৯ জুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যে জবাব ও ব্যাখ্যা দিয়েছে, তা কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক বিবেচিত হয়নি। ফলে দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২-এর ১১(২)(খ) ধারা অনুযায়ী আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
তবে অর্ডিন্যান্সের ১২ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করার সুযোগ রয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে, গতকাল (বুধবার) ছয় শিশুর মৃত্যু নিয়ে আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
গত ২৭ মে সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে রাজধানীর মগবাজারের আদ–দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া হাসপাতালটির লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানাতে প্রতিষ্ঠানটির মালিক শেখ মহিউদ্দিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। এ জন্য তাকে ৭ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে এই নোটিশ দেওয়া হয়।
গত শনিবার রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না পেলে আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১০ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
মৃত শিশুটির বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায়। সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ মাস বয়সী ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
বিভাগীয় অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৬৬ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৫৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তবে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে নতুন করে কোনো রোগীর হাম শনাক্ত হয়নি।
চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম ও উপসর্গে ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
১২ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
মৃত শিশুটির বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায়। সিলেটের ডা. শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ মাস বয়সী ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
বিভাগীয় অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৪৮ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৪৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তবে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে নতুন করে কোনো রোগীর হাম শনাক্ত হয়নি।
চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম ও উপসর্গে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
১৩ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ৪, আহত ২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে উল্টে চারজন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৫ জন।
সোমবার (৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের বৈশামুড়া নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের আরশ আলী (৬৫) ও তার নাতি আলিফ মিয়া (৭), হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মৌসুমী দাস (৩০) এবং জেলার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের সেতু মজুমদারের ছেলে তনয় কুমার মজুমদার।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দিগন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মাধবপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা বাসস্ট্যান্ড এলাকার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে বাসটি একটি মালবাহী ট্রাককে অতিক্রম করার সময় অতিরিক্ত গতি থাকায় বৈশামুড়া এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসে থাকা ৪ জন যাত্রী নিহত হন। এছাড়াও কমপক্ষে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পরপর ফায়ার সার্ভিসের সরাইল ইউনিট ও হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতাল এবং বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে খবর পেয়ে নিহতদের স্বজনরা মরদেহ নিজ জিম্মায় বাড়িতে নিয়ে যান।
সড়ক দুর্ঘটনার পর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে সেখানে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছিল। পরে দুপুর ২টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান দূর্ঘটনার হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পর বাসচালক ও তার সহকারী পালিয়ে যান। খাদে পড়া বাসটি উদ্ধারে প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
১৩ দিন আগে
সিলেটে মেয়েকে উত্যক্তের অভিযোগ, ঘুষিতে প্রাণ গেল প্রতিবেশীর
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার চাওড়াতল চা বাগানে প্রতিবেশীর মেয়েকে উত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে চৈতন্য গোয়ালা (৪৩) নামে এক চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৬ জুন) বিকেল ৪টার দিকে চাওড়াতল চা বাগানে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত চৈতন্য গোয়ালা ও আটক সুমন প্রধান (৪২) একই চা বাগানের শ্রমিক এবং প্রতিবেশী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (শনিবার) বিকেলে সুমন প্রধানের মেয়েকে উত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে চৈতন্য গোয়ালার বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের সময় সুমনের ঘুষিতে গুরুতর আহত হন চৈতন্য। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সুমন প্রধানকে আটক করা হয়।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, একটি মেয়েকে উত্যক্ত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
১৫ দিন আগে