মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৮১৮
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৮১৮টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৬৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৬০টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৮৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭৩৩। এই সময়ে ৬৪৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৮২টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৭৪০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৯ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১১ হাজার ৫৮৭ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০৮৩
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৩টি শিশু।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৫৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৫৪টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৫৯। এই সময়ে ৮৪১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮১৮টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩২ হাজার ৯০৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৫৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৪ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১১ হাজার ৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০১৯
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৯টি শিশু।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৫৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৪৯টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৯৬। এই সময়ে ৮৬৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৯৮টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ৯৪৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৫৩১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৩ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১০ হাজার ১৮৭ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০৮০
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮০টি শিশু।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৫১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৪৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৬৭। এই সময়ে ৯০৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৬টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪০৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১৩ হাজার ৫২৮ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৯ হাজার ১৮৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১১৩৭
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৩৭টি শিশু।
রবিবার (২ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৪৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৪৪টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২২। এই সময়ে ৯৪৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৮৬টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩০ হাজার ৮৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ২৯৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৬২০ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৮ হাজার ২৮৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
স্পেন-মরক্কো সীমান্তে নিহত অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে ৬৭
স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় মরক্কো সীমান্তে সৃষ্ট অভিবাসন সংকটে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭ জনে পৌঁছেছে। নিহতদের মধ্যে কেউ সাগরে ডুবে এবং কেউ সীমান্তের ব্রেকওয়াটার (সীমান্তসংলগ্ন সমুদ্রের ঢেউ প্রতিরোধী বাঁধ) পার হওয়ার সময় পদদলিত হয়ে মারা গেছেন বলে জানিয়েছে স্পেন সরকার।
সংকট মোকাবিলায় শনিবার (১ আগস্ট) সমুদ্রের দিকে থাকা সীমান্তের ব্রেকওয়াটার এলাকায় ৫০০ মিটার দীর্ঘ একটি প্রতিরোধক (কনটেইনমেন্ট) নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে স্পেন।
বৃহস্পতি ও শুক্রবারের মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী সেউতার সীমান্ত অতিক্রম করে স্পেনের এ ছোট ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন।
শনিবার সকালে সাঁতরে সেউতার তারাহাল সৈকতে পৌঁছানো কয়েকজন ক্লান্ত অভিবাসীকে স্প্যানিশ সেনারা আটক করে আবার সীমান্ত পেরিয়ে মরক্কোয় ফিরিয়ে দেন।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের এই ভূখণ্ডে প্রবেশ করা অধিকাংশ অভিবাসী ইতোমধ্যে মরক্কোয় ফিরে গেছেন।
৪ দিন আগে
জাপানে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৪
জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। পানির সংকট, জ্বালানির অভাব এবং তীব্র গরমের মধ্যে হাজারো দুর্গত মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা ব্যক্তিগত গাড়িতে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। এর ফলে তীব্র গরমের মাঝে অসুস্থতার আশঙ্কাও বাড়ছে।
কুমামোতোর স্থানীয় সরকার শুক্রবার (৩১ জুলাই) এ তথ্য জানায়।
এদিকে, শনিবার (১ আগস্ট) নিখোঁজদের উদ্ধারে চতুর্থ দিনের মতো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভূমিকম্পে একটি শপিংমলে বিস্ফোরণ, একটি কারখানার চিমনি ধসে পড়া এবং অসংখ্য বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেছেন, যেকোনো মূল্যে দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য সামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
ভূমিকম্পে হাজারো বাড়ি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হলেও শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে সব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনঃস্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।
গত মঙ্গলবার জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রধান দ্বীপ কিউশুতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। উদ্ধার অভিযান চতুর্থ দিনে গড়ালেও এখনও ঠিক কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় প্রশাসনের প্রাথমিক হিসাবে, ভূমিকম্পে দেড় হাজারের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৭৯টি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এই দুর্যোগে অন্তত ৯৬ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পানি ও জ্বালানির সংকটে বাড়ছে দুর্ভোগ
কুমামোতো প্রশাসন জানিয়েছে, প্রায় ৮০ হাজার বাড়িতে এখনও পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ৯ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। সেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালুর জন্য অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অনেক পেট্রোল পাম্প অচল হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে অন্যান্য এলাকা থেকে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।
গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার কারণে অনেকেই নিজেদের গাড়িতে রাত কাটাচ্ছেন। তবে জ্বালানির অভাবে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালিয়ে রাখা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
শুক্রবার কুমামোতো শহরের জন্য চরম তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়। সেদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।
ভূমিকম্পে ঘর হারানো হিরোকাজু সাতো বলেন, অস্থায়ী বাসস্থানে যাওয়ার সুযোগ না পাওয়া পর্যন্ত তিনি স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে গাড়িতেই থাকবেন।
তিনি বলেন, ‘কবে অস্থায়ী বাসায় উঠতে পারব, জানি না। দিন-রাত এয়ার কন্ডিশনার চালিয়ে রাখতে হচ্ছে, এতে প্রচুর জ্বালানি খরচ হচ্ছে।’
শিল্প উৎপাদনেও প্রভাবের আশঙ্কা
কুমামোতো জাপানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর ও গাড়ির যন্ত্রাংশ উৎপাদনের জন্য অঞ্চলটি পরিচিত। ফলে ভূমিকম্পের কারণে এ খাতগুলোর সরবরাহ ব্যবস্থা কয়েক মাস ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির (টিএসএমসি) কুমামোতোতে একটি গবেষণাগার রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের সব কর্মী নিরাপদ আছেন। ভূমিকম্প-পরবর্তী প্রাথমিক পরিদর্শনে ভবন কাঠামো নিরাপদ পাওয়া গেছে এবং ধীরে ধীরে কার্যক্রম পুনরায় শুরু হচ্ছে। তবে বিস্তারিত মূল্যায়ন এখনও চলছে।
নিখোঁজের সংখ্যা এখনও অজানা
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্ঘটনার পর প্রথম তিন দিন জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় শুক্রবার বিকেলকে উদ্ধার অভিযানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন জাপানি কর্মকর্তারা।
উদ্ধারকারী কুকুরের সহায়তায় কুমামোতোজুড়ে ধ্বংসস্তূপে জীবিত মানুষের সন্ধান চলছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোর একটি কাশিমা শহরের ধসে পড়া এইয়ন শপিংমলেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের সময় শপিংমলটিতে হাজারো মানুষ ছিলেন। বিস্ফোরণের আগে প্রায় তিন হাজার ক্রেতাকে পার্কিং এলাকায় সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হলেও ভবনের অন্য অংশে কর্মরত কিছু কর্মী ভেতরেই রয়ে যান। পরে ভবনের দ্বিতীয় তলা ধসে পড়ে।
সেখান থেকে উদ্ধার হওয়া ১১ জনের মধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে আরও কেউ নিখোঁজ রয়েছেন কি না, তা জানায়নি কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে ইয়াতসুশিরোর নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানায় ধসে পড়া চিমনির নিচে উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে। সেখানে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া ১১ জনের মধ্যে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়াও দক্ষিণ কুমামোতোর বিভিন্ন শহরে ধসে পড়া বাড়িঘরে ছোট পরিসরে উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে। তবে মোট কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।
৪ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৮৭২
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৮৭২টি শিশু।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৪৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৪০টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২১টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭৫১। এই সময়ে ৬৮৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৩৮টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৬১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ১৮০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৬৭৪ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৭ হাজার ৩৯৭ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৫ দিন আগে
বগুড়ায় ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৪
বগুড়ায় ট্রাক ও পিকআপের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১ আগষ্ট) সকাল ১০টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে কাহালু উপজেলার কাজিপাড়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে লুৎফর রহমান (৫০) নামের এক ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি ময়মনসিংহের সদর উপজেলার রাঘবপুর গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে। তিনি একজন মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন বলে জানা গেছে।
কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, ময়মনসিংহ থেকে একটি পিকআপ নওগাঁয় মাছ বিক্রি করে ফিরছিল। সকাল ১০ টায় বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের কাহালু উপজেলার কাজিপাড়া নামক স্থানে পৌঁছালে অন্য একটি ভটভটিকে অতিক্রম করার সময় নওগাঁগামী মালবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে পিকআপটির সংঘর্ষ হয়। এতে পিকআপের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। এ সময় পিকআপের চালক, সহকারী ও দুজন মাছ ব্যবসায়ী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাকের চালক ও সহকারী পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে কাহালু থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নিহত চারজনের মরদহ উদ্ধার করেন। এ সময় দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও পিকআপ ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত লুৎফর রহমানের পরিবারের কাছে সংবাদ পাঠানো হয়েছে এবং অপর তিনজনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি শফিকুল ইসলাম।
৫ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০০৫
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৩৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৩৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৩৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৭০। এই সময়ে ৮১৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৫৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৭ হাজার ৪১০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৮৭৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১০ হাজার ১৮২ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৭ দিন আগে