প্রতিমন্ত্রী
২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: প্রতিমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে লালমনিরহাট সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
তিস্তা মহাপরিকল্পনার অগ্রগতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে তিস্তা ইস্যু নিয়ে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের টেকনিক্যাল পর্যায়ে কথা হয়েছে। নদী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি কাজ করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তিস্তার সম্ভাব্যতা যাচাই প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। অর্থমন্ত্রী ফিরে আসলেই আমরা হয়তো এর অনুমোদন পেয়ে যাব।’
প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তৈরিতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘সিইজিআইএস, নদী কমিশনের কর্মকর্তা ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়া থেকেও আমরা পরামর্শ নিচ্ছি। সব পরামর্শের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) তৈরি করা হবে।’
ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘কোন পদ্ধতিতে কাজ করলে এখানকার মানুষ সবচেয়ে বেশি সুফল পাবে, তা নিশ্চিত করতেই এই ডিপিপি তৈরি করতে আরও আট-নয় মাস সময় লাগবে।’
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ঘটবে বলেও উল্লেখ করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘এই মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুর—এই পাঁচটি জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হবে এবং দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা সুনীল কুমার, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।
৫ দিন আগে
দুই মাসে ওয়াসার প্রকল্পে অগ্রগতি না হলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা ওয়াসার চলমান প্রকল্পগুলোতে আগামী দুই মাসের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ব্যর্থ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কারওয়ান বাজারে ঢাকা ওয়াসা ভবনের সম্মেলনকক্ষে সংস্থাটির সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
চলমান প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প অনুমোদনের পর বাস্তবায়নে বছরের পর বছর সময়ক্ষেপণ গ্রহণযোগ্য নয়। দাসেরকান্দি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় পাইপলাইন সংযোগের কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। পাশাপাশি পূর্বাচলে পানির নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির নির্দেশ দেন তিনি।
ওয়াসার বোর্ড ব্যবস্থা প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, বর্তমান আইনে ওয়াসায় বোর্ড রাখার বিধান থাকলেও সরকার যেকোনো সময় তা গঠন বা ভেঙে দিতে পারে।
তিনি জানান, মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে ওয়াসা বোর্ডগুলো জনসেবামূলক এ গুরুত্বপূর্ণ খাতের কাজে বাধা সৃষ্টি করছে কিংবা অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করছে। এতে কাজের গতি কমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আইন সংশোধন করে দেশের সব ওয়াসা থেকে বোর্ড তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ঢাকা ওয়াসার কার্যক্রমের ধীরগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরে বর্তমানে দৈনিক পানির চাহিদা ও সরবরাহ—দুটিই ৩১৪ কোটি লিটার। জনসংখ্যা ও বাসাবাড়ির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানির চাহিদাও বাড়ছে। কিন্তু গত সাত মাসে ওয়াসার কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য নতুন উদ্ভাবন কিংবা প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি দেখা যায়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি আরও বলেন, পানির সংকট তৈরি হলে এর দায় সরকারের ওপরই বর্তায়। তাই নগরবাসীর পানির চাহিদা পূরণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
পানির উৎস সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সরবরাহ করা পানির ৭৪ শতাংশ আসে ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে, আর ২৬ শতাংশ আসে উপরিভাগের উৎস থেকে। ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের হার কমিয়ে ২০ থেকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। এ জন্য উপরিভাগের পানিনির্ভর প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেন তিনি।
ওয়াসার আর্থিক সক্ষমতা ও আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেবার মান বজায় রেখে নিজস্ব রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। এতে বিদেশি ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব তহবিল থেকে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে মিটার রিডিং ও বিলিংয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
২০৫০ সালের পানির চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ওয়াসার আধুনিকায়নে নতুন ও পূর্ণাঙ্গ জনবল কাঠামো বা অর্গানোগ্রাম তৈরি করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেন প্রতিমন্ত্রী।
শহরের অবৈধ ও চোরাই পানির সংযোগ শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, এসব অপকর্মে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দুর্বৃত্তরা জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে হবে।
সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানে দলীয় বা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের সেবা ব্যাহত করা যাবে না উল্লেখ করে শ্রমিক-কর্মচারী সংগঠন বা সিবিএ এবং অন্যান্য কর্মচারী সংগঠনের নেতাদের সতর্ক করেন মীর শাহে আলম।
এছাড়া দাঁত ব্রাশ বা শেভ করার সময় অযথা পানির কল খোলা না রেখে সচেতনভাবে পানি ব্যবহার এবং অপচয় রোধে জনসচেতনতামূলক প্রচার চালানোর নির্দেশ দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দুই মাস পর তিনি আবার ওয়াসার কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে আসবেন। এর মধ্যে দৃশ্যমান ও আমূল পরিবর্তন দেখতে চান তিনি, যাতে নগরবাসী পানির বিষয়ে স্বস্তি পান।
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহা. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকৌশলী সমিতি, ডিপ্লোমা অ্যাসোসিয়েশন ও সিবিএর নেতারা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা অংশ নেন।
৬ দিন আগে
এশিয়ান গেমসে ফেডারেশনগুলোর পারফরম্যান্স মূল্যায়নে কমিটি গঠন হবে: প্রতিমন্ত্রী
এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়া প্রত্যেকটি ফেডারেশনের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সসহ সার্বিক বিষয় মূল্যায়নে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
রবিবার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ‘ক্রীড়া কার্ড’-এর আওতায় ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে সভার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ফুটবল দলের ফলাফলের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমিনুল হক বলেন, বাংলাদেশের ফল অত্যন্ত হতাশাজনক। তবে শুরুতেই ফল নিয়ে অতিরিক্ত হতাশ হওয়ার কারণ নেই। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে ভালো ফল করার চেষ্টা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন তাদের কার্যক্রম পর্যালোচনা করেই বর্তমান কোচকে নিয়োগ দিয়েছে। তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, এশিয়ান গেমস কিংবা ফুটবলের ফল নিয়ে তিনি খুব বেশি হতাশ নন। কারণ তারা একটি প্রক্রিয়া শুরু করেছেন এবং এর ফল পরবর্তীতে পাওয়া যাবে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালককে একটি মূল্যায়ন কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়া প্রত্যেকটি ফেডারেশন ও এশিয়ান অঞ্চলের ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ফেডারেশনগুলোর খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সসহ সার্বিক বিষয় মূল্যায়ন করা হবে।
মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়ার পর সার্বিক বিষয়গুলো সবার সামনে তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ করা উচিত ছিল বলে তদন্ত কমিটি মত দেওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু শাস্তি দিলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বিশেষের ব্যক্তিগত ইচ্ছার কারণে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেনি। ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তির সিদ্ধান্তের কারণে এ ধরনের সিদ্ধান্ত যেন নেওয়া না হয়, সেই বার্তা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে এ ঘটনায় নতুন করে কোনো পদক্ষেপ নিতে চান না জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, যা হয়ে গেছে তা আর ফেরত পাওয়া যাবে না। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড যাতে না হয়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
৩১ দিন আগে
পোল্ট্রি শিল্পে উৎপাদন খরচ কমাতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মূল্যে পোল্ট্রি পণ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদন পর্যায়ে খরচ কমানোর বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুর মহানগরের পিটিআই ভবনে প্রাণিসম্পদ আইন-২০১০ মাঠ পর্যায়ে কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান তিনি।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘খামারিরা যাতে কম খরচে পোল্ট্রি উৎপাদন করতে পারেন, সে জন্য ফিডসহ অন্যান্য উৎপাদন উপকরণের ব্যয় কমানোর বিষয়ে সরকার কাজ করছে। উৎপাদন খরচ কমানো গেলে খামারি ও ভোক্তা—উভয়ই উপকৃত হবেন।’
মতবিনিময় সভায় গাজীপুরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে পোল্ট্রি শিল্প ও এগ্রো ফার্মের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় তারা পোল্ট্রি শিল্পের বর্তমান সংকট ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির বিভিন্ন কারণ তুলে ধরেন।
এছাড়া পোল্ট্রি শিল্পের উৎপাদন খরচ কমাতে ফিডের দাম কমানো, বাচ্চার দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং অন্যান্য উৎপাদন উপকরণের মূল্য কমানোর দাবি জানান খামারি ও শিল্প উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি পোল্ট্রি খাতকে টেকসই ও লাভজনক করতে সরকারের কার্যকর সহযোগিতা কামনা করেন তারা।
জবাবে প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মূল্যে পোল্ট্রি পণ্য নিশ্চিত করতে হলে উৎপাদন পর্যায়ে ব্যয় কমাতে হবে। এ জন্য ফিডসহ পোল্ট্রি উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপকরণের ব্যয় কমানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
সভায় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া, পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিনসহ প্রাণিসম্পদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, পোল্ট্রি শিল্পের প্রতিনিধি ও খামারিরা উপস্থিত ছিলেন।
৪৭ দিন আগে
প্রাথমিকের কারিকুলামে ১২ মাসে ১২টি জীবনঘনিষ্ঠ থিম যুক্ত হবে: প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, জীবনদক্ষতা ও বাস্তবজ্ঞান বাড়াতে নতুন কারিকুলামে বছরজুড়ে ১২টি জীবনঘনিষ্ঠ থিমকে প্রাধান্য দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
তিনি বলেন, প্রাথমিকের একজন শিক্ষার্থী শুধু বইয়ের জ্ঞান অর্জন করবে না; কীভাবে নিরাপদ থাকতে হয়, দায়িত্বশীলভাবে জীবন পরিচালনা করতে হয় এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নিজেকে সামলাতে হয়, সেসব বাস্তব জীবনদক্ষতাও শিখবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলে হেইলিবেরি ভালুকা ও ক্যামব্রিজের যৌথ আয়োজনে ‘সেফগার্ডিং লিডারশিপ সামিট’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন অনুযায়ী এমন একটি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করা হচ্ছে, যেখানে প্রতিটি শিশু নিরাপদ পরিবেশে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবে এবং শ্রেণিকক্ষে কার্যকরভাবে শিখবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তার পাশাপাশি জীবনদক্ষতা শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, নতুন করে কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে। সেখানে ১২ মাসে ১২টি জীবনঘনিষ্ঠ থিম নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্দিষ্ট একটি মাসে যে থিমকে গুরুত্ব দেওয়া হবে, ওই মাসের বিভিন্ন বিষয়ের পাঠেও সেই থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উদাহরণ, সংখ্যা, প্রশ্ন ও আলোচনা যুক্ত করা হবে।
এর ফলে শিক্ষার্থীরা বইয়ের পাঠের সঙ্গে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন বিষয় সহজে মিলিয়ে নিতে পারবে বলে জানান তিনি।
উদাহরণ দিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, কোনো মাসে যদি অগ্নিনিরাপত্তাকে থিম হিসেবে নির্ধারণ করা হয়, তাহলে গণিত, ভাষা ও অন্যান্য বিষয়ের পাঠেও অগ্নিনিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট উদাহরণ ও আলোচনা যুক্ত করা যেতে পারে। একইভাবে সড়ক নিরাপত্তা, পানিতে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা, দুর্যোগ মোকাবিলাসহ শিশুদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে গুরুত্ব পাবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সব ধরনের প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম নিরাপত্তা ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে সরকার নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে নির্ধারিত মানের চেয়ে ভালো ব্যবস্থা করেছে, তারা আরও এগিয়ে যেতে পারবে।
সরকারের লক্ষ্য হলো সবার জন্য ন্যূনতম মান নিশ্চিত করা এবং একই সঙ্গে ভালো উদ্যোগগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার মান উন্নয়ন করা বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শুধু নিয়ন্ত্রক হিসেবে নয়, অংশীদার হিসেবেও কাজ করতে চায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতা ও ভালো উদ্যোগ থেকে সরকার শিখতে চায়। একইভাবে সরকারের নীতিমালা ও সহযোগিতার মাধ্যমে দেশব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষার জন্য একটি অভিন্ন মানদণ্ড তৈরি করা হবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
৪৮ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত তিন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত তিন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালীব রহমান পার্থ দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন।
এদিন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনও জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে বীর শহিদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। পরে তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু জানান, তিন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার পর সাধারণ মানুষের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
৭৩ দিন আগে
মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও ৫ মুখ, রাতে শপথ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় আরও পাঁচজন যুক্ত হতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের।
তাদের মধ্যে মঈন খান, পার্থ ও সাচিং প্রু মন্ত্রী এবং শামীম কায়সার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।
এছাড়া পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাতের।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ইউএনবিকে বলেন, আজ নতুন মন্ত্রিসভা সদস্যদের শপথ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কতজন বা কারা শপথ নেবেন, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।
বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউএনবিকে বলেন, সন্ধ্যায় কয়েকজন নতুন মুখ শপথ নিতে পারেন।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ গ্রহণের পর বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল শপথ নেবেন। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন।
রাষ্ট্রপতির শপথের পর নতুন মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং ১,২০০-এর বেশি আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন।
মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সঙ্গে মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বে পরিবর্তনসহ বড় ধরনের রদবদল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। একই দিনে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।
তবে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে ১ জুন পদত্যাগ করেন।
এদিকে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও শূন্য হবে।
৭৫ দিন আগে
জামায়াত সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে: প্রতিমন্ত্রী নূর
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর বলেছেন, জামায়াতে ইসলাম থেকে ‘ইসলাম’ শব্দটি বাদ দিতে হবে। সেই সঙ্গে জামায়াত সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগের চাইতেও বড় ফ্যাসিস্ট হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুরাতন ভবনের কেবিনে কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবির ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানকে দেখতে এসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নূর বলেন, জামায়াতে ইসলাম থেকে ‘ইসলাম’ শব্দটি বাদ দিতে হবে। জামায়াত সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে। জামায়াতের নৈতিক চরিত্রের অবক্ষয় হয়েছে। কুষ্টিয়ার এমপি জামায়াত নেতা আমির হামজা ও গাজী নজরুল তারই বড় উদাহরণ।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামের সরকারে যাওয়ার খায়েশ হয়েছে এবং এই সরকারের ছয় মাস যেতে না যেতেই তারা সরকারকে নিয়ে বিরক্তিকর বক্তব্য দেওয়া শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, উন্মাদ এমপি আমির হামজা বিভিন্ন সময় আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও ফারজানা পুতুলসহ অন্যান্য নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছেন। এই উন্মাদ আমির হামজা আমাদের প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমানকে (কোকো) নিয়েও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমির হামজার এসব নোংরা ভণ্ডামিপূর্ণ কথাবার্তা জামায়াত সাপোর্ট করছে। এছাড়াও সাতক্ষীরার এমপি নজরুল ইসলামের কর্মকাণ্ডের পরও জামায়াত যদি নিজেদের ইসলামী দল হিসেবে দাবি করে, তাহলে সেটা ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমি তাদের বলব, জামায়াতে ইসলামী থেকে ইসলামী নাম বাদ দিতে। কারণ তারা ইসলামী নামটি ব্যবহার করে ইসলামের লেবাস ধরে ইসলামেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে।
৭৫ দিন আগে
খেলায় খেলায় শেখার মাধ্যমে শিশুদের শেখার সক্ষমতা বাড়বে: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক শিক্ষায় মুখস্থনির্ভরতার পরিবর্তে খেলাধুলা ও আনন্দের মাধ্যমে শিশুদের শেখানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, খেলায় খেলায় শেখার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে শেখার সক্ষমতা, সমস্যা সমাধান ও চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটানো সম্ভব।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাকাডেমি (নেপ) আয়োজিত তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা বিষয়ক ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, শিশুদের শুধু মুখস্থ করানোর মাধ্যমে কার্যকর ও টেকসই শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আনন্দময় পরিবেশে খেলাধুলা ও বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে শেখার সুযোগ তৈরি করা হলে শিশুদের শেখার সক্ষমতা, সৃজনশীলতা ও চিন্তাশক্তি আরও বিকশিত হবে। এজন্য স্থানীয় খেলাগুলোকে পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোও শিশুবান্ধব ও খেলাভিত্তিক শিক্ষার উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি জানান, নেপ ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানীয় পর্যায়ের খেলাধুলা নিয়ে গবেষণা ও তথ্য সংগ্রহ করেছে। ইতোমধ্যে ৪১২টি খেলা নথিভুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে প্রচলিত ৭০০টির বেশি খেলাকে নিয়মবদ্ধ করে বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে কীভাবে যুক্ত করা যায়, সে বিষয়েও কাজ করা হয়েছে।
চীন ও জাপানের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব দেশে পাঠ্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে খেলনা ও খেলার সমন্বয় করা হয়েছে। কোন শ্রেণিতে কোন বিষয়ের কোন অধ্যায় শেখাতে কোন খেলনা বা খেলা ব্যবহার করা হবে, তা পাঠ্যবই ও পাঠ্যক্রমে নির্ধারণ করা থাকে। এ ক্ষেত্রে পাঠ্যবই প্রকাশক, খেলনা প্রস্তুতকারক ও পাঠ্যক্রম প্রণয়নকারীরা সমন্বিতভাবে কাজ করেন।
বাংলাদেশেও এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। খুব শিগগিরই সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে বসে প্রাথমিক শিক্ষায় খেলাধুলা ও খেলনাভিত্তিক শিখন কীভাবে আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করলেই হবে না; এর যথাযথ বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, খেলার জায়গা, শিক্ষার পরিবেশ এবং অবকাঠামো নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনার প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। শিশুদের জন্য একটি আনন্দময়, নিরাপদ ও কার্যকর শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করাই প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারের অন্যতম লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।
৭৭ দিন আগে
সীমিত সক্ষমতা নিয়েই মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি: প্রতিমন্ত্রী হাবিব
ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেছেন, সীমিত সক্ষমতা নিয়েই মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। সবার অংশগ্রহণে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর বাসাবো কমিউনিটি সেন্টারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা-৯ আমাদের একটি পরিবার। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের সীমাবদ্ধ সক্ষমতা দিয়ে সকলের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আমাদের এই কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। আমাদের যতটুকু সক্ষমতা রয়েছে, তার সর্বোচ্চটুকু ব্যবহার করতে চাই।’
এ সময় বৃষ্টির মধ্যেও দেশের মানুষের জন্য আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, এই সরকার অনেক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রী জনগণের পাশে থাকার এবং তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করছেন। আমরাও ঢাকা-৯ পরিবার হিসেবে আপনাদের পাশে আছি, থাকব। আপনাদের নিয়ে আগামী দিনে এগিয়ে যাব।’
এ সময় স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
১১৪ দিন আগে