শিশুদের পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম) ফাউন্ডেশনের ট্রেনিং কাম ডরমিটরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বিয়াম স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে সময় কাটান এবং তাদের সঙ্গে সহজ-সরল আলাপচারিতায় অংশ নেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি তোমাদের বেশি করে খেলাধুলাও করতে হবে। খেলাধুলা করলে বুদ্ধি বাড়ে।
প্রধানমন্ত্রীর এই অঘোষিত সফর স্কুলটিতে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে। শিক্ষার্থীরা তাকে অভিবাদন জানাতে সামনের দিকে ছুটে আসে। অনেকে তার সাথে করমর্দন করে, আবার কেউ কেউ অটোগ্রাফ চায়; তার উপস্থিতিতে শিশুদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।
তারেক রহমানকেও বেশ আনন্দিত দেখাচ্ছিল এবং তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বেশ প্রাণবন্ত সময় কাটান। একটি শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে তিনি অত্যন্ত উষ্ণভাবে জিজ্ঞেস করেন, তোমরা কেমন আছো? তোমাদের পড়ালেখা কেমন চলছে?— মুহূর্তেই শিশুরা হাসিমুখে এর জবাব দেয়।
তিনি যখন খেলাধুলার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলছিলেন, তখন বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার কথায় সায় দেয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আদর করে কয়েকজনের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন, যা তাদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয়।
প্রধানমন্ত্রী এবং শিশুদের মধ্যকার এই স্বতঃস্ফূর্ত আলাপচারিতা দেখে উপস্থিত শিক্ষকরাও উৎফুল্ল হন।
কিছু সময় কাটানোর পর তারেক রহমান ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলে হাত নেড়ে বিদায় জানান। শিক্ষার্থীরাও দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তাকে বিদায় জানায়।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী ইস্কাটনে বিয়াম ফাউন্ডেশনের নবনির্মিত প্রশিক্ষণ কাম ডরমিটরি ভবনের উদ্বোধন করেন। পরে বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন তিনি।
১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেম্বর বিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ২০০২ সালের নভেম্বরে বিয়াম ফাউন্ডেশনে রূপান্তরিত হয়।