কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে হালিম সর্দার (৬০) নামের এক ব্যক্তি নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের রাজাপুর-খয়েরপুর এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘরেও ভাঙচুর চালানো হয়।
নিহত হালিম সর্দার ওই এলাকার মৃত কলম সর্দারের ছেলে। অন্যদিকে আটক বকুল সর্দার (৩০) একই এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
নিহতের পরিবারের দাবি, সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে চাপাইগাছি বিলের দিকে যাচ্ছিলেন হালিম সর্দার। এ সময় মান্নান মেম্বারের সমর্থক নজরুলের বাড়ির ছাদ থেকে ফালা (দেশীয় অস্ত্র) ছুড়ে মারা হয়। ফালাটি হালিমের গলায় বিদ্ধ হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসজিদের ব্যাটারি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলামপুর ইউনিয়নের রাজাপুর-খয়েরপুর এলাকায় মান্নান মেম্বার-বকুল গ্রুপের সঙ্গে ইউসুফ মেম্বার-মেহেদী গ্রুপের বিরোধ ছিল। এ নিয়ে কয়েকদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায়-দফায় হামলা ও সংঘর্ষ হয়।
এসব ঘটনার জেরে আজ (শনিবার) ভোরে চাপাইগাছি বিলের পাশে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার জন্য জড়ো হলে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই সময় হালিম সর্দার বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পথে ফালার আঘাতে নিহত হন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।