চীনের সর্বশেষ দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে ফুটবল-সংশ্লিষ্ট ৭৩ জনকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির শীর্ষ স্তরের নয়টি ক্লাবের পয়েন্ট কাটা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন সাবেক জাতীয় দলের কোচ ও এভারটনের খেলোয়াড় লি থাই এবং চীনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (সিএফএ) সাবেক সভাপতি চেন শুয়ুয়ান।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সিএফএর এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বিচারের রায়ে যাদের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, তাদের সব ধরনের ফুটবল-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করেছে সিএফএ। চেন শুয়ুয়ান ও লি থাইসহ মোট ৭৩ জন ফুটবল-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন।’
২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জাতীয় দল পরিচালনা করা লি এবং চেন ২০২৪ সালে কোটি কোটি ডলারের ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। সে সময় লি থাইয়ের ২০ বছরের কারাদণ্ড হয়, আর চেন শুয়ুয়ানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।
একই সঙ্গে চীনা সুপার লিগের ৯টি ক্লাবকেও পয়েন্ট কর্তন ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
গত মৌসুমে রানার্সআপ হওয়া সাংহাই শেনহুয়া এবং তিয়ানজিন জিনমেন টাইগার্স সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুই ক্লাবেরই ১০ পয়েন্ট কাটা হয়েছে এবং প্রত্যেককে ১০ লাখ ইউয়ান (প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার ডলার) জরিমানা করা হয়েছে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সাংহাই পোর্ট ২০২৬ মৌসুম শুরু করবে পাঁচ পয়েন্ট কর্তন নিয়ে।
সিএফএ জানায়, ‘প্রতিটি ক্লাব যে অনিয়মিত লেনদেনে জড়িত ছিল, তার পরিমাণ, প্রকৃতি, গুরুত্ব এবং সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে পয়েন্ট কর্তন ও আর্থিক দণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
বিবৃতিতে দুর্নীতির বিষয়ে ‘শূন্য-সহনশীলতা’ নীতি বজায় রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করে সংস্থাটি।
এর আগে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে একই ধরনের অপরাধে ৪৩ জন কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়কে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল চীন।