লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে যাত্রীবাহী বগি রেখে ট্রেনের ইঞ্জিন চলে গেছে। পার্বতীপুর থেকে বুড়িমারীগামী একটি লোকাল ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে।
এতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের লেভেলক্রসিংয়ে বগিগুলো আটকে থাকায় প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। পরে লালমনিরহাট থেকে বিকল্প ইঞ্জিন এসে বগিগুলো উদ্ধার করে বুড়িমারীর উদ্দেশে রওনা হয়।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার স্টেশন থেকে ১০০ গজ দূরে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনটি তুষভান্ডার স্টেশন এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ এর বগিগুলো মূল ইঞ্জিন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে লেভেলক্রসিং ব্যারিকেড এলাকার ওপর থেমে যায়। তবে ট্রেনচালক বিষয়টি টের না পেয়ে ইঞ্জিন নিয়ে একাই প্রায় এক কিলোমিটার এগিয়ে যান। অন্যদিকে লেভেলক্রসিংয়ে বগিগুলো আটকা পড়ে থাকে। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী আবুল হোসেন জানান, লেভেলক্রসিংয়ের ওপর বগি আটকে থাকায় পুরো মহাসড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। তীব্র গরমে শত শত যানবাহনের যাত্রী ও চালকদের প্রায় এক ঘণ্টা চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
তুষভান্ডার স্টেশন মাস্টার জামান মাহমুদ আপেল জানান, লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগীয় দপ্তর থেকে দ্রুত একটি বিকল্প উদ্ধারকারী ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ইঞ্জিনটি এসে বিচ্ছিন্ন বগিগুলোর সঙ্গে যুক্ত হলে ট্রেনটি বুড়িমারীর উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তিনি আরও জানান, মূলত ইঞ্জিনের সঙ্গে বগির সংযোগকারী হুকের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এমনটি হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।