তারেক রহমান
যারা নারীদের অসম্মান করে, তারা কখনও দেশপ্রেমিক হতে পারে না: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, একটি দল প্রকাশ্যে নারী নেতৃত্বে বিশ্বাস করে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। সম্প্রতি ওই দলের এক নেতা কর্মসংস্থানে নিয়োজিত মা-বোনদের উদ্দেশে এমন কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করেছেন যা বলতেও লজ্জা লাগে। এটি শুধু নারীদের নয়, পুরো দেশের জন্যই কলঙ্ক।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) খুলনার খালিশপুর শিল্পাঞ্চলের প্রভাতী স্কুল মাঠে বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামীর দিকে অভিযোগের তীর ছুড়ে তারেক রহমান বলেন, ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে ওই রাজনৈতিক দল আইডি হ্যাক হওয়ার অজুহাত দিয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, এভাবে আইডি হ্যাক হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে মিথ্যাচার করে তারা নিজেদের আসল চরিত্র প্রকাশ করছে।
তিনি বলেন, যারা নারীদের অসম্মান করে, যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয় এবং যারা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে, তারা কখনও দেশপ্রেমিক বা জনদরদি হতে পারে না।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ২০ কোটি। এর মধ্যে অন্তত ১০ কোটি নারী। এই বিশাল নারীসমাজকে পেছনে রেখে যত বড় পরিকল্পনাই করা হোক না কেন, দেশকে সামনে নেওয়া সম্ভব নয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে স্কুল থেকে ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন যাতে তারা শিক্ষিত হয়ে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের লক্ষাধিক নারী পোশাকশিল্পে কাজ করে দেশের অর্থনীতি সচল রেখেছেন। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের নারীরা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালাতে স্বামীর পাশাপাশি কাজ করছেন, অথচ তাদেরই আজ অপমান করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বগুড়া থেকে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বাবুনপুরে আবু সাঈদের গ্রামে যান তিনি। কবর জিয়ারতের পর আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন, মা মনোয়ারা বেগম, ভাই আবু হোসেন সহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এজেডএম জাহিদ হোসেন, রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেকসহ রংপুর জেলা ও পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এজেডএম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন এবং তার বিদেহী আত্মর মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেছেন।’
‘আবু সাঈদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো আজ দেশের সব মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্যই শুধু নয়, আবু সাঈদ শিখিয়েছেন, কীভাবে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বুক উঁচিয়ে দাঁড়াতে হয়। কীভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলির মুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ গড়তে হয়, সেই শিক্ষাও আবু সাঈদ শিখিয়ে গেছেন।’
তিনি বলেন, ‘কেবল আবু সাঈদকে মৃত্যু দিবসে স্মরণ এবং তার কবর জিয়ারতের মধ্যে থাকলেই চলবে না, তার আত্মাত্যাগের শিক্ষাটাকে বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য আমাদের সবাইকে উজ্জীবিত হতে হবে। তাহলেই আমার মনে হয়, আবু সাঈদের আত্মা শান্তি পাবে।’
আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যসহ গ্রামের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে।
কবর জিয়ারত শেষে তারেক রহমান রংপুরের ঈদগা মাঠের উদ্দেশে রওনা দেন। দীর্ঘ ২০ বছর পর বিএনপি চেয়ারম্যান রংপুরে গেলেন।
৫ দিন আগে
২২ বছর পর রাজশাহীতে তারেক রহমান, নেতা-কর্মীতে পূর্ণ নগরী
দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর পর রাজশাহী বিভাগ সফরে গেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উত্তরাঞ্চলে তিন দিনের সফরের অংশ হিসেবে আজ রাজশাহীতে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরইমধ্যে তিনি রাজশাহীতে পৌঁছেছেন।
তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেছেন নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। সকাল থেকেই দূর-দুরান্ত থেকে তারা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন। বেলা ১১টার দিকেই কানায় কানায় পূর্ণ হতে শুরু করে মাদরাসা মাঠ। দুপুর ১২টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সভা শুরু হয়েছে।
তারেক রহমানের রাজশাহী সফর উপলক্ষে সকাল থেকেই মাদরাসা মাঠে ঢাক-ঢোল, পতাকা হাতে নিয়ে জড়ো হতে শুরু করেন বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ, ঢল নেমেছে সমর্থকদের। তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে দলীয় সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ করা যাচ্ছে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, তারেক রহমান তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে নিয়ে বেলা ১১টা ৫ মিনিটে ঢাকার বাসভবন ছাড়েন। পরে বিমানযোগে রাজশাহী পৌঁছান দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে। সেখানে তার শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজারে নামাজ জিয়ারত করার কথা রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর ও জেলা বিএনপি যৌথভাবে একটি বড় জনসমাবেশের আয়োজন করেছে। মাঠের চারপাশে টাঙানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার। স্লোগান আর মিছিলের মাধ্যমে নেতা-কর্মীরা তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।
রাজশাহী বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত বলেন, রাজশাহী ছাড়াও আশপাশের জেলা ও উপজেলার নেতা-কর্মীরাও সমাবেশে যোগ দিয়েছেন। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
রাজশাহী মহানগর কমিটি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘ধানের শীষের প্রার্থীর জন্য তিনি আসছেন, জনগণের জন্য তিনি আসছেন। তিনি আসছেন এই জন্য আমাদের যে ভোট ছিল তার চেয়ে আমাদের দ্বিগুণ ভোট বৃদ্ধি পাবে।’
সব মিলিয়ে সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি ও উৎসাহে মাদরাসা মাঠ ইতোমধ্যে পরিণত হচ্ছে এক বিশাল জনসমুদ্রে। দলের নেতারা আশা করছেন, এই সমাবেশ বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
সর্বশেষ, ২০০৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জেলা স্টেডিয়ামে বিএনপির রাজশাহী বিভাগের তৃণমূলের প্রতিনিধি সভায় যোগ দিতে রাজশাহী গিয়েছিলেন তারেক রহমান।
৬ দিন আগে
১২ ফেব্রুয়ারি ভোট ডাকাতি করতে দেবেন না: গাজীপুরে তারেক রহমান
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনকে স্মরণ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে গাজীপুরের মানুষের বিরাট একটা ভূমিকা রয়েছে। লাখ লাখ মানুষ রাজপথে অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছেন। এই যে গণতন্ত্রের লড়াই হয়েছে সেটি রক্ষা করতে আগামী ১২ তারিখ সবাই ভোরে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। ফজরের নামাজ ভোটকেন্দ্রের সামনে জামাত করে পড়বেন। যাতে আগে থেকেই কেউ সেখানে অবস্থান না করতে পারে। বিগত বছরে যেভাবে ভোট ডাকাতি হয়েছে এবার সেই ডাকাতি করতে দেবেন না। নিজ অধিকার নিশ্চিত করেই ফিরবেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে গাজীপুরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ী মাঠে মহানগর বিএনপির আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেছেন।
তারেক রহমান গাজীপুরকে বাংলাদেশের গার্মেন্টসের রাজধানী উল্লেখ করে বলেন, এদেশে এই গার্মেন্টস শিল্প এনেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার হাত ধরেই শিল্পের প্রসার ঘটেছিল বাংলাদেশে। এর ফলে দেশের লক্ষ লক্ষ মা-বোন ও ভাইদের কর্মসংস্থান হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এদেশ থেকে বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর কাজটিও বিএনপি সরকার করেছিল। এদেশের খেটে খাওয়া মানুষের উন্নয়নের জন্য জন্য যদি কেউ চিন্তা করে থাকে সেটিও বিএনপি সরকার। এই শিল্পকে নিয়ে আমাদের একটা বড় পরিকল্পনা রয়েছে। গাজীপুরে যাতে আরও লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয় সেই জন্য আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক ভাইদের কৃষিকার্ড প্রদান বাস্তবায়ন করব। শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করব।’
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, গাজীপুরের জয়দেবপুর রেল গেইট এলাকায় তীব্র যানজটে দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ মানুষ। এই দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত এখানে ফ্লাইওভার করতে হবে।
তারেক রহমান আরও বলেন, গাজীপুরের মধ্যে বড় বড় কয়েকটি খাল রয়েছে সেগুলো হলো তুরাগ, লবনদহ ও চিলাই। আগামী ১২ তারিখ নির্বাচন শেষে এই তিন খাল খনন শুরু করব। সাথে আপনারা থাকবেন। দূষিত পানি যাতে আর গাজীপুরে না থাকতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও শিল্প কারখানায় মা-বোনদের নিরাপত্তার পাশাপাশি শ্রমিকদের আবাসনের জন্য কাজ করতে হবে।
বক্তব্যের মাঝে তারেক রহমান গাজীপুরের ৫টি আসনে মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীদের সম্মুখে এনে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় তিনি প্রার্থীদের জন্য ভোট প্রার্থনা করে বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে আমি এই মাঠে অনেক খেলেছি। শিশু কাল আমার এখানে কেটেছে। সে হিসেবে আমার ভোটের হক আছে। গাজীপুর নিয়ে আমাদের যেসব পরিকল্পনাগুলো রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করতে এই প্রার্থীদের পাশে থাকবেন। তাদের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।’
এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় ময়মনসিংহ থেকে গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন তারেক রহমান। গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে জয়দেবপুর সড়ক ধরে নেতা-কর্মীদের ভিড় ঠেলে দীর্ঘসময় পর রাত পৌনে ১২টার দিকে স্ত্রী ডা.জোবায়দা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সভামঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান।
এই সমাবেশে গাজীপুর মহানগর বিএনপি সভাপতি শওকত হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ছাইয়্যেদুল আলম বাবুল, সাবেক সংসদ সদস্য হাসান উদ্দিন সরকারসহ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতারা।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের এই জনসভাকে ঘিরে সকাল থেকেই বিএনপির সমর্থকদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল। দীর্ঘ ২০ বছর পর তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে যায় পুরো রাজবাড়ী ময়দান। দুপুরের পর থেকে দলে দলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে মাঠে আসতে শুরু করেন। সন্ধ্যার আগে পুরো রাজবাড়ী মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এছাড়া সংসদীয় আসনে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষের কর্মী সমর্থকরা আলাদা ক্যাপ, হ্যান্ডবিল ও দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে আলাদা আলাদা ভাবে জড়ো হয়েছেন।
৭ দিন আগে
১৪ ঘণ্টায় ৬ জনসভায় সম্পন্ন তারেকের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনি প্রচার
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান রবিবার (২৫ জানুয়ারি) প্রায় ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ছয়টি জনসভায় যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তার নির্বাচনি প্রচারণার দ্বিতীয় ধাপ সম্পন্ন করেছেন। এসব সভায় তিনি তার দলের প্রার্থী ও জোটের শরিকদের পক্ষে ভোট চান।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, তারেক রহমান গতকাল দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বালুর মাঠে তার শেষ নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখেন। এরপর রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি তার গুলশানের বাসভবনে ফিরে আসেন। এর আগে, তিনি চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে জনসভায় অংশ নেন।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রামের পোলোগ্রাউন্ডে মহাসমাবেশে যোগ দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন তারেক রহমান। এরপর পর্যায়ক্রমে ফেনী পাইলট স্কুল মাঠ, চৌদ্দগ্রাম স্কুল মাঠ, সোয়াগাজী ডিগবাজী মাঠ, দাউদকান্দি ঈদগাহ মাঠ এবং নারায়ণগঞ্জের বালুরমাঠে জনসভায় বক্তব্য দেন।
প্রতিটি জনসভায় তিনি বিএনপি ও জোট প্রার্থীদের সমর্থনে ভোট চান এবং ক্ষমতায় এলে দেশ পুনর্গঠনে দলের নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে নারীসহ হাজার হাজার বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থক তার বক্তব্য শোনার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনি সমাবেশে তিনি বলেন, ‘যেদিন ভোট, সেদিন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়তে হবে। তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে যে যার ভোটকেন্দ্রের সামনে যাবেন। ওখানে গিয়ে সবাই মিলে ফজরের নামাজ পড়বেন। ফজরের নামাজ জামাতে পড়ে একদম ভোটকেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে যাবেন।’
দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনি প্রচারণার উদ্দেশ্যে শনিবার রাতে চট্টগ্রামে পৌঁছান তারেক রহমান এবং সেখানে একটি হোটেলে রাত্রিযাপন করেন। রবিবার দিনের শুরুতে তিনি একটি ইয়ুথ পলিসি ডায়ালগে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে নীতি-নির্ধারণী বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণার প্রথম ধাপ শুরু হয়েছিল। প্রথম ধাপে তারেক রহমান সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী এবং নারায়ণগঞ্জে মোট ৭টি জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন।
এদিকে, আজ (সোমবার) বিকেল ৪টায় তিনি ভার্চুয়ালি নোয়াখালীর হাতিয়ায় একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপি চেয়ারম্যানের। সেখানে তিনি নোয়াখালী-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহবুবুর রহমান শামীমের পক্ষে ভোট চাইবেন।
৯ দিন আগে
চট্টগ্রামে দুর্নীতিবিরোধী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার তারেক রহমানের
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনের মাধ্যমে তার দল ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে এবং জননিরাপত্তা জোরদার করা হবে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনতার উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই যে দুর্নীতি একটি অপরাধ। যে-ই দুর্নীতি করুক না কেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। ইনশাআল্লাহ, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’ দুর্নীতি দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা জনগণের প্রতি তাদের প্রধান অঙ্গীকার বলে এ সময় উল্লেখ করেন তিনি।
অতীত স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি অতীতেও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকার ক্ষমতায় আসার পর এমনকি দলের নিজস্ব নেতা-কর্মীরা অন্যায় করলেও তাদের রেহাই দেওয়া হয়নি।
দলীয় শৃঙ্খলা ও দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দলের কেউ সন্ত্রাসে জড়িত থাকলে ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনো মূল্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা হবে এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘এখানকার মানুষসহ সারা দেশের জনগণ একটি নিরাপদ পরিবেশ চায়, যেখানে তারা নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারবে। একই সঙ্গে তারা চায় তাদের সন্তানরা নিরাপদ পরিবেশে লেখাপড়া করুক।’
তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলের মানুষের একটি বড় দাবি ছিল চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা। বিএনপি সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করলেও সময়ের অভাবে তা সম্পূর্ণ করা যায়নি। গত ১৫ বছরে এই উদ্যোগ নিয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু চট্টগ্রাম নয়, সারা দেশের মানুষের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ইনশাআল্লাহ, আগামী নির্বাচনে জনগণের সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে বেগম খালেদা জিয়ার নেওয়া বাণিজ্যিক রাজধানীর উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।’
তারেক রহমান জানান, ‘চট্টগ্রামে অবস্থিত ইপিজেডগুলো বিএনপির শাসনামলেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে বর্তমানে লাখ লাখ মানুষ কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করলে আরও নতুন ইপিজেড গড়ে তোলা হবে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে আস্থা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাইকে নিয়ে—পাহাড় বা সমতল, মুসলিম বা অন্য ধর্মাবলম্বী—একটি কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে চাই।’
বিএনপির নির্বাচনি স্লোগান ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গণতন্ত্রের পক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ ওয়াসিমসহ জুলাই শহিদ এবং সব শহিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
ভোটের দিনের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি সমর্থকদের পরামর্শ দেন যেন তারা তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজ পড়ে ভোর হওয়ার আগেই ভোটকেন্দ্রে লাইনে গিয়ে দাঁড়ান।
এর আগে, তারেক রহমান তার বক্তব্যে শুরুতে বলেন, ‘আজ আমরা সবাই একত্র হয়েছি একটা লক্ষ্য সামনে রেখে। অর্থাৎ, একটি পরিবর্তন সামনে রেখে আমরা একত্র হয়েছি। এই সেই চট্টগ্রাম, এই সেই পুণ্যভূমি, যেখান থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই সেই চট্টগ্রামের পুণ্যভূমি, যেখানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শহীদ হয়েছিলেন।’
বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘এই সেই চট্টগ্রামের পুণ্যভূমি, যেখানে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী উপাধি দেওয়া হয়েছিল। এই চট্টগ্রামের সঙ্গে আমি ও আমার পরিবারের আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।’
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারেক রহমান চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে তিনি নগরের একটি পাঁচতারকা হোটেলে অবস্থান নেন। আজ (রবিবার) সকাল ৯টায় তিনি সেখানে ‘দ্য প্ল্যান’ শিরোনামে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পোলোগ্রাউন্ড মঞ্চে উপস্থিত হন এবং দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে ফেনীর উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তিনি আরেকটি নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন। এরপর তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, সুয়াগাজী, দাউদকান্দি ও পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে সমাবেশে অংশ নেবেন।
১০ দিন আগে
চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ চলছে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি মহাসমাবেশ শুরু হয়েছে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় মহানগরীর ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এই জনসভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিকে ঘিরে পুরো চট্টগ্রাম নগরীতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
জনসভা শুরুর আগেই সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। ভোর থেকেই চট্টগ্রাম নগরী ছাড়াও জেলার ১৬ উপজেলা, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা পলোগ্রাউন্ড ময়দানে জড়ো হতে শুরু করেন।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নগরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা স্লোগান দিতে দিতে জনসভাস্থলে প্রবেশ করেন। এতে পুরো এলাকা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর চট্টগ্রামে কোনো জনসভায় ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তিনি।
মঞ্চে উপস্থিত আছেন দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা। নেতা-কর্মীরা অধীর আগ্রহে তাদের নেতার বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন।
এর আগে, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারেক রহমান চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে তিনি নগরের একটি পাঁচতারকা হোটেলে অবস্থান নেন। আজ (রবিবার) সকাল ৯টায় তিনি সেখানে ‘দ্য প্ল্যান’ শিরোনামে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
চট্টগ্রামের জনসভা শেষে সড়কপথে ঢাকায় ফেরার পথে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।
১০ দিন আগে
দেশের ভেতরে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে, সবাইকে সজাগ থাকতে হবে: তারেক রহমান
দেশের ভেতরের কোনো কোনো মহল ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা এদেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তারা যেভাবে ভোট ডাকাতি করেছিল, ঠিক একইভাবে সেই ষড়যন্ত্র আবার শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধ সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে বিএনপির প্রথম নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই আহ্বান জানান।
সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের পর স্থানীয় জনসভায় ভাষণের মাধ্যমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রচারণা শুরু করেছে বিএনপি। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বহু মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে দেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে উপস্থিত লাখো জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, কিন্তু আমরা লক্ষ করছি, দেশের ভেতরের কোনো কোনো মহল ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। গত কয়েকদিনে পত্রপত্রিকা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছে—মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানো পোস্টাল ব্যালটগুলো কীভাবে ডাকাতি করা হয়েছে। যারা এদেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তারা যেভাবে আপনাদের ভোট ডাকাতি করেছিল, ঠিক একইভাবে সেই ষড়যন্ত্র আবার শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধ আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশের মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে, জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোনো ষড়যন্ত্রকে তারা প্রতিহত করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, সবকিছুর মালিক আল্লাহ। অথচ নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেব, ওই দেব বলছে। সেটা যদি তারা বলে, তাহলে শিরকি করা হচ্ছে। কাজেই আগেই আপনাদের ঠকাচ্ছে, নির্বাচনের পরে তাহলে আপনাদের কেমন ঠকানো ঠকাবে, বোঝেন এবার। তারা শুধু আপনাদের ঠকাচ্ছেই না, যারা মুসলমান তাদের শিরকি করাচ্ছে, নাউজুবিল্লাহ!
তিনি বলেন, কেউ কেউ বলে—অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি, এবার একে দেখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাদের ভূমিকার কারণে এদেশের লাখ লাখ ভাইয়েরা শহিদ হয়েছে, এদেশের লাখ লাখ মা-বোনেরা সম্মানহানি হয়েছেন। কাজেই তাদের তো বাংলাদেশের মানুষ দেখেই নিয়েছে। এই কুফরি, হঠকারিতা ও মিথ্যার বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
১৩ দিন আগে
সিলেটে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা শুরু, সমাবেশস্থলে তারেক রহমান
এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিএনপির। সিলেট থেকে বরাবরের মতো এবারও প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছে দলটি। এ উপলক্ষে আলিয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় দুপুর সাড়ে ১২টায় উপস্থিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা শুরু হয়েছে। সেখানে বিএনপির স্থানীয় নেতারা বক্তব্য শুরু করেছেন।
সিলেট জেলা ও মহানগর এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে এ জনসভার আয়োজন করেছে। এতে সভাপতিত্ব করছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি বক্তব্য দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বেলা ১১ টার দিকে সভাস্থলে পৌঁছান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
জনসভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি এহসান। এ সময় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ধানের শীষ নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি (এষ) বলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো। আমাদের স্বপ্ন ছিল দলের চেয়ারম্যানকে নিয়ে সিলেটে জনসভা করা। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এখন নতুন করে স্বপ্ন দেখার সময় এসেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করে নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।’
মঞ্চে আছেন বিএনপি সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, সিলেট–২ আসনের তাহসিনা রুশদীর প্রমুখ। এ ছাড়া সুনামগঞ্জের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার সংসদ সদস্য প্রার্থীরা আছেন। এ ছাড়া সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।
সকালে গ্র্যান্ড সিলেট হোটেলে ‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এতে সিলেটের ১৯টি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
জনসভায় যোগ দিতে গতকাল (বুধবার) রাত ৮টার দিকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আকাশপথে সিলেটে আসেন। পরে তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পাশাপাশি তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ কবরস্থানে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর কবরও জিয়ারত করেন।
এরপর তিনি নগরের উপকণ্ঠে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বিরাইমপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে উপস্থিত নেতা-কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি। শ্বশুরবাড়িতে কিছু সময় অবস্থান করে সিলেট বিমানবন্দর–সংলগ্ন হোটেলে ফেরেন তিনি।
উল্লেখ্য, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমান এবং সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও প্রতিবার নির্বাচনের আগে মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি সিলেটে প্রথম নির্বাচনি জনসভা করতেন।
১৩ দিন আগে
চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে বিএনপি: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। পরিবারের প্রধান নারীকে এ কার্ড দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সিলেটের একটি পাঁচ তারকা হোটেলের কনফারেন্স রুমে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এই কার্ডের সুবিধাদি প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে মাসিক ভিত্তিক একটি পরিবারকে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া দেওয়া হবে খাদ্যসামগ্রী।
তিনি আরও বলেছেন, বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য বহুমাত্রিক দক্ষতা বাড়াতে কারিগরি শিক্ষা আধুনিকায়ন করা হবে। বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষায়ও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
‘দ্য প্ল্যান, ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে তরুণদের কথা শুনেন তারেক রহমান। তরুণদের উদ্দেশে নিজেও দিকনির্দেশনা দেন।
এতে উপস্থিত তরুণরা সকলেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সাধারণ শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। এই মতবিনিময় পর্ব শেষে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান।
১৩ দিন আগে