গলা কেটে হত্যা
নওগাঁয় একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা
নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আজ (মঙ্গলবার) সকাল ৮টার দিকে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা নিয়ামতপুর থানা পুলিশকে খবর দেন।
নিহতরা হলেন— বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), হাবিবুরের স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), তাদের ছেলে পারভেজ (৯) এবং ৩ বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, প্রতিদিনের মতো গতকালও রাতের খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন হাবিবুর রহমান। সকালে স্থানীয় এক বৃদ্ধা তাদের ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি ঘরের ভেতর উঁকি দিয়ে হাবিব, তার স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়ের গলা কাটা মরদেহ দেখে চিৎকার দেন। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে থানায় খবর দেন। পরে সকাল ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। একই পরিবারের শিশুসহ চারজনকে হত্যার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।
৩ ঘণ্টা আগে
রংপুরে যুবককে গলা কেটে হত্যা
রংপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাকিব (২০) নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মো. মমিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের তাতিপাড়া মাছুয়াপাড়া মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাকিব নগরীর বৈরাগী পাড়ার বাসিন্দা আব্দুস সামাদের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রাকিব মাদক ব্যবসায়ী মো. মমিনের (৪২) সঙ্গে মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। তবে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জেরে রাকিবের বাবা আব্দুস সামাদ গত বছরের ১৪ নভেম্বর মমিনসহ কয়েকজনের নামে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছিলেন।মামলা ও পূর্ব শত্রুতার জেরে গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেলে নগরীর তাতিপাড়া মাছুয়াপাড়া মোড়ে রাকিবকে একা পেয়ে মমিন ও তার সহযোগীরা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে গলা কেটে তাকে হত্যা করেন। এরপর তারা সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ‘ক্রাইম সিন’ হিসেবে চিহ্নিত করে ঘিরে রাখে।
রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
১০ দিন আগে
বোনকে কুপ্রস্তাবে প্রতিবাদ করায় বড় বোনকে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানায় ছোট বোনকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বড় বোনকে গলা কেটে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. আবুল কালামকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত পৌনে ১০টার দিকে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার স্টেশন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কালাম কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার চর হরিকেশ এলাকার মৃত হোসেন আলীর ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, কালাম ও তার সহযোগীরা শাহিদা খাতুনের ছোট বোনকে পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে অনৈতিক সম্পর্কের কুপ্রস্তাব দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে শাহিদা ও তার ছোট ভাই প্রতিবাদ করেন এবং এ বিষয়ে গ্রাম্য সালিশের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে আসামি সালিশে উপস্থিত না হওয়ায় বিষয়টি অমীমাংসিত থেকে যায়।
গত ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহিদা বাড়ির উঠানে রান্নার চাল ধোয়ার জন্য যান। সে সময় তাকে একা পেয়ে কালাম ও তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন।
এ ঘটনায় শাহিদার বাবা মো. সাইফুর রহমান বাদী হয়ে কচাকাটা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
র্যাব-১৩-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-১৩।
৪৫ দিন আগে
রংপুরের পীরগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা
রংপুরের পীরগঞ্জে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রী আছমা বেগমকে। শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকালে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) গভীর রাতে বাড়ির বসতঘরের ভেতরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। তার ফোনে কোনো সাড়া না পেয়ে স্বামী মালয়েশিয়া থেকে পাশের বাড়ির একজনকে ফোন করে খোঁজ নিতে বলেন।
রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিবেশীরা ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে গেটের তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে রক্তাক্ত অবস্থায় আছমার লাশ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে পীরগঞ্জ থানা পুলিশকে জানানো হয়। অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে নিজ ঘরে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
নিহত আছমা বেগম(৪২) উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের সাজু মিয়ার স্ত্রী। তার পিতা আলেফ উদ্দিন এবং মাতা আয়েশা বেগম।
পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় দিনেদুপুরে বাড়িতে ঢুকে গলাকেটে হত্যা
পরিবার সূত্রে জানা যায়, আছমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে একাই বসবাস করছিলেন। তার একমাত্র কন্যা বিবাহিত ও স্বামী বিদেশে অবস্থান করছেন।
খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে পীরগঞ্জ থানা ও ভেন্ডাবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, আমরা তদন্ত শুরু করেছি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনা হবে।
২৬২ দিন আগে
মাগুরায় কলা ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা, একজন আটক
মাগুরায় শহরের ছায়াবিথী সড়কে ভজন গুহ (৫৫) নামের এক কলা ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ আবি হোসেন নামে একজনকে আটক করেছে।
শনিবার (২৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সড়কের পাশে তার লাশটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
নিহত ভজন গুহ ওই এলাকার সন্তোষ কুমার গুহের ছেলে। তিনি একজন ফল ব্যবসায়ী ছিলেন।
নিহতের চাচাতো ভাই রথিন গুহ বলেন, ‘শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কে বা কারা ভজনকে গলা কেটে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মাগুরা সদর থানায় মামলা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: বগুড়ায় বৃদ্ধা ও যুবতীকে গলা কেটে হত্যা, কিশোরীকে জখম
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী জানান, ভজন নামের এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করে সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে পুলিশের খবর দেয়। পরে লাশটি উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আবির হোসেন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কীভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
২৬৮ দিন আগে
বগুড়ায় বৃদ্ধা ও যুবতীকে গলা কেটে হত্যা, কিশোরীকে জখম
বগুড়া সদরের ইসলামপুর (হরিগাড়ি) পশ্চিম পাড়ায় নিজ বাড়িতে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার শিকার হয়েছেন লাইলী বেওয়া (৮০) নামের এক বৃদ্ধা এবং তার নাতিবউ হাবিবা ইয়াসমিন (২১)।
বুধবার (১৬ জুলাই) রাত ৯টার দিকে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই যুবতী গৃহবধূর কিশোরী ননদ বন্যাকেও (১৫) ছুরিকাঘাতে জখম করা হয়।
এই ঘটনায় বন্যার সাবেক প্রেমিক সৈকত ইসলাম নামের এক যুবককে দায়ী করেছেন হতাহতদের স্বজনরা।
নিহত হাবিবা ইয়সমিন ওই এলাকার পারভেজ ইসলামের স্ত্রী। লাইলী বেওয়া ছিলেন পারভেজের দাদি এবং আহত বন্যা তার ছোট বোন। ছুরিকাহত হয়ে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বন্যা।
পারভেজের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বন্যা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। স্কুলে পড়ার সময় প্রতিবেশী সৈকত নামের এক যুবকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সৈকত নেশাগ্রস্ত হওয়ায় বিষয়টি জানার পর পরিবারের চাপে তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে বন্যা। তার পর থেকেই সৈকত মেয়েটিকে প্রায়ই উত্যক্ত এবং বিয়ের জন্য পরিবারের ওপর চাপ দিয়ে আসছিল।
ঘটনার সময় বন্যার বাবা বুলবুল ও মা পারভীন—দুজনেই বাড়ির কাছে তাদের মুদি দোকানে ছিলেন। তাদের দুই ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে কৌশিক প্রাইভেট পড়তে গিয়েছিল; পারভেজও বাড়ির বাইরে ছিলেন। বাড়িতে তখন লাইলী বেওয়া, হাবিবা ইয়াসমিন, বন্যা ও হাবিবার সাত মাসের শিশুসন্তান।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে মা ও দুই সন্তানকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, ছুরিকাহত অবস্থায় বন্যা চিৎকার করতে করতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা দৌড়ে এসে দেখতে পান বারান্দায় বেসিনের কাছে হাবিবার নিথর দেহ পড়ে আছে। তার গলা কাটা, সেখান থেকে রক্ত বেরিয়ে মেঝে ভিজে গেছে। ঘরের ভেতরে ছিল লাইলীর গলাকাটা অচেতন দেহ। আর হাবিবার সাত মাস বয়সী শিশুসন্তানটি রক্তের মধ্যে গড়াগড়ি খাচ্ছিল। প্রতিবেশীরা দ্রুত তাদের হাসপাতালে নিয়ে যান।
তবে লাইলী ও হাবিবার আগেই মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন চিকিৎসক এবং আহত বন্যাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
বগুড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য ইতোমধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
২৭৮ দিন আগে
গাজীপুরে ফ্ল্যাটে মিলল দুই শিশুর গলা কাটা লাশ
গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি ভাড়া বাসা থেকে দুই শিশুর গালা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, তাদের কুপিয়ে ও গলা কেটে খুন করা হয়েছে। শিশুদুটি সম্পর্কে ভাইবোন ছিল।
শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে স্থানীয় পূর্ব আরিচপুর রূপবানের মার টেক এলাকা থেকে লাশদুটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতরা হলো—আব্দুল্লাহ (৩) ও মালিহা (৬)। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থানার তাতোয়াকান্দি গ্রামের আব্দুল বাতেনের সন্তান।
পূর্ব আরিচপুর এলাকার সানোয়ার নামের এক ব্যক্তির আটতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় পরিবার নিয়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন আব্দুল বাতেন।
নিহতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, আজ (শুক্রবার) বিকালে নিহত শিশুদের মায়ের চিৎকারে ঘটনাস্থলে ছুটে যান স্বজনরা। এরপর শিশুদুটির গলাকাটা রক্তাক্ত নিথর দেহ দেখতে পান তারা। পরে তারা থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
এ সময় নিহতদের মা বাসায় থাকলেও তাদের বাবা বাসার বাইরে ছিলেন বলে জানিয়েছেন টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, কী কারণে শিশুদুটিকে এমন নৃসংশভাবে হত্যা করা হয়েছে, কারা করেছে এমন কাজ—তাৎক্ষণিকভাবে এসব ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ তদন্ত করছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৩৬৭ দিন আগে
পাবনায় চরমপন্থি নেতাকে গলা কেটে হত্যা
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় বাকুল ইসলাম (৪৫) নামে চরমপন্থি দলের সাবেক এক নেতাকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
রবিবার (২৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের রাউতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাকুল ইসলাম রাউতি গ্রামের রওশন আলীর ছেলে।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুর রহমান জানান, রাতে ঘোড়ার গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন বাকুল। পথে দুর্বৃত্তরা তাকে ঘিরে ধরে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, চলতি নভেম্বর মাসেই পাবনা জেলা ৪টি হত্যার ঘটনা ঘটল। এছাড়াও এ মাসেই পদ্মা নদী থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কায় স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন: চানাচুর কোম্পানির ভেতরে কর্মচারীকে গলা কেটে হত্যা
৫১২ দিন আগে
সাতক্ষীরায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামীসহ আটক ৭
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে কমলা খাতুন নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বামীসহ ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) উপজেলার দরগাহপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: পলাশবাড়ীতে অটোভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা
নিহত কমলা খাতুন (৫২) দরগাহপুর গ্রামের মোবারক গাজীর স্ত্রী।
নিহত ওই নারীর স্বামী মোবারক আলী বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে কমলা খাতুনের সঙ্গে তিনি এক ঘরে থাকতেন না। শুক্রবার তিনি কমলার ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। পরে তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে অল্প দূরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে কমলার গলাকাটা লাশ দেখতে পান।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কমলা খাতুনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কমলা খাতুনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: রুপ হত্যা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কারাগারে
৫৫৬ দিন আগে
সাভারে পূর্ব শত্রুতার জেরে শ্রমিককে গলা কেটে হত্যা
সাভারে পাওনা টাকা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে রিপন কাজী সরদার নামে এক শ্রমিককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ায় তার স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুরের হরিণধরা এলাকার একটি রুম থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে মসজিদে সংঘর্ষ, নিহত ১
পুলিশ জানায়, পূর্বশত্রুতার জেরে ওই ব্যক্তি রিপনকে হত্যা করেন। পরে লাশ গুম করার চেষ্টাকালে এলাকাবাসী দেখে ফেললে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি। এসময় এলাকাবাসী পলাতক ব্যক্তির স্ত্রীকে আটক করে সাভার মডেল থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল আহম্মেদ বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকারীকে আটকের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় হত্যাকারী যুবকের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান ওসি।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত
৫৮১ দিন আগে