কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ‘মারা যাওয়ার ভান করে’ বাঁচল ছেলে
ভোলার সদর উপজেলায় ঘরে ঢুকে ছেলের সামনে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগমকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার ৮ বছর বয়সী ছেলে আবির গুরুতর আহত হয়েছে। বর্তমানে সে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ মো. জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করেছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগর রাতে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আজ (শনিবার) সকালে নিহত নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সরদার বাড়ির দক্ষিণ পাশে বসবাস করতেন দুবাই প্রবাসী আল-আমিনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা বেগম। গতকাল (শুক্রবার) রাতে খাওয়া শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর নাসিমা ও তার ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তারা। পরে নাসিমার ছেলে আবিরের চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশকে খবর দেন।
আবিরের দাবি, রাতের আঁধারে জিহাদ নামের এক যুবক ঘরে প্রবেশ করে তার মাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করেন তিনি। পরে সে মারা যাওয়ার ভান করলে জিহাদ চলে যায়। এরপর সে ঘরের বাইরে এসে চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে।
নিহত নাসিমার চাচাশ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় ছুটে এসে তার মাকে হত্যার বিষয়টি আমাদের জানায়। পরে আমরা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পাই। এরপর ছেলেটিকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি।
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহীম জানান, আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মো. জিহাদকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তদন্ত শেষে নিশ্চিত করা যাবে।
১ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে কারগার থেকে বের হওয়ার পরই যুবককে কুপিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে বাসায় আসার কিছুক্ষণ পর ইমন নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে ‘সন্ত্রাসীরা’।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট ওয়াজউদ্দিন মিস্ত্রিবাগের শেষ মাথায় সাদেক-বাবুল মিয়ার বাড়ীর সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইমন মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকার ওমর খৈয়ামের ছেলে।
নিহত ইমনের বাবা বলেন, দীর্ঘ কারাভোগের পর গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে বাসায় আসে ইমন। বাসায় আসার কিছুক্ষণ পর ফেরদৌস মোবাইলে ফোন করে তাকে বাবুল মিয়ার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে ফেরদৌস, সন্ত্রাসী জাহিদ, চক্ষু হৃদয় ও হৃদয়সহ অপর সন্ত্রাসীদের তাকে হাতে তুলে দেন। পরে জাহিদ ও অপর সন্ত্রাসীরা তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। তখন সে দৌড়ে পার্শ্ববর্তী সাদেক মিয়ার বাড়িতে গিয়ে আশ্রয়ের চেষ্টা করলে সেখানেও তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
তিনি বলেন, সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত ইমনকে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, হত্যাকারীদের মধ্যে চক্ষু হৃদয়ও কারাগার থেকে জামিনে বের হয়ে এসেছেন। নিহত ইমন তার সঙ্গে ইলেক্ট্রিকের কাজ করতেন।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৫৫ দিন আগে
নেশার টাকা না পেয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে গেল ছেলে
রাজশাহী নগরীতে নেশা করার টাকা না পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সুমন নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। মরদেহ রাস্তায় ফেলে বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে অবস্থান নেন সুমন। পরে বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পেরে সুমনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর খড়খড়ি এলাকার পুরাতন কৃষি ব্যাংক মোড়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত ওই নারীর নাম সোহাগী খাতুন (৫৫)। তিনি ওই এলাকার আজিজুল ইসলামের স্ত্রী। দুই ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন তিনি।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মাদকাসক্ত সুমন রাতে নেশার করার টাকার জন্য তার মাকে চাপ দেন। কিন্তু টাকা দিতে রাজি না হলে ধারালো হাসুয়া দিয়ে তিনি তার মায়ের বুকে ও পেটে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মা নিহত হন। পরে মায়ের মরদেহ রাস্তায় ফেলে রেখে বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে অবস্থান নেন সুমন। বিষয়টি স্থানীয়রা জানার পর ওই ঘর থেকে তাকে আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। নিহত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
প্রতিবেশী মোজাম্মেল হক জানান, সুমন নিয়মিত নেশা করতেন। তিনি এলাকায় নিয়মিত ছোটখাট চুরিও করতেন। সুমন সব সময় হাসুয়া বা রামদা নিয়ে ঘুরতো বলেও জানান তিনি।
নগরীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওই যুবক মাদকাসক্ত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৭৮ দিন আগে
যশোরে জমির বিরোধে একজনকে কুপিয়ে হত্যা, সংঘবদ্ধ পিটুনিতে নিহত খুনি
যশোরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের একজনকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এবং আব্দুল আলিম পলাশ (৩৫) নামের অন্যজন সংঘবদ্ধ পিটুনিতে নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চৌগাছা উপজেলার সলুয়া কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আবুল বাশার।
নিহত রফিকুল যশোর সদরের চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের জগহাটি গ্রামের তবজেল মল্লিকের ছেলে এবং পলাশ একই গ্রামের হজরত আলীর ছেলে ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, রফিকুল ও পলাশের মধ্যে জমিজমা নিয়ে গত দুই বছর ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সলুয়া কলেজের সামনে রফিকুল ইসলামকে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন পলাশ। এ ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে হামলাকারী পলাশকে ঘিরে ফেলে। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতার বেধড়ক পিটুনিতে পলাশও গুরুতর আহত হন।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নেয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন, আর উন্নত চিকিৎসার জন্য রফিকুলকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে রফিকুলেরও মৃত্যু হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার বলেন, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
৮৯ দিন আগে
রাতের আঁধারে কুপিয়ে হত্যা, পটুয়াখালীতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
পটুয়াখালী সদর উপজেলায় রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তদের হামলায় বশির শরীফ (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বদরপুর এলাকায় শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) গভীর রাতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এরপর আজ (শনিবার) ভোরে বাড়ির পাশের মাটির সড়কে তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলকাবাসী।
নিহত বশির বদরপুরের মো. আব্দুল শরীফের ছেলে। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অত্যন্ত ভদ্র ও ধার্মিক মানুষ ছিলেন বশির। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন। তার মতো মানুষকে কে বা কারা রাতের অন্ধকারে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা জানাতে পারেননি তারা। তবে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
নিহতের বড় ভাই জাকির শরীফ বলেন, ‘রাত ১২টার দিকে বশির বাড়িতে না ফেরায় আমি তার মোবাইলে ফোন দিই, কিন্তু ফোন রিসিভ না করায় ভেবেছিলাম সে হয়তো কোথাও আছে। সকালে আমাদের বড় ভাই ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে বাড়ির দরজার পাশেই বশিরের মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার দেন। পরে দৌড়ে এসে দেখি, তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন এবং শরীরজুড়ে রক্ত।’
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পেয়েছি। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের বেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
১০০ দিন আগে
রাজধানীর হাজারীবাগে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
রাজধানীর হাজারীবাগ থানার ঝাউচর এলাকায় মো. শিপন (২৪) নামে এক যুবককে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ভোরের দিকে গুরুত আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই যুবককে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শিপনের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। বর্তমানে হাজারীবাগ বড় মসজিদ গলি এলাকায় থাকতেন তিনি। তার বাবার নাম শাহআলম।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র শেখ। তিনি বলেন, ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। হাজারীবাগ ঝাউচর সিয়াম স্কুল গলিতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল ছেলেটি। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার মাথা, দুই হাত ও পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর চিহ্ন রয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, কে বা কারা তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তা তৎক্ষাণিক জানতে পারিনি। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
১০৯ দিন আগে
গাজীপুরে জাসাস নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
গাজীপুরের শ্রীপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাসের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার লতিফপুর গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম ফরিদ সরকার। তিনি শ্রীপুরের গোসিংগা ইউনিয়ন জাসাসের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকার পর গত বছর জুলাই আন্দোলনের পর তিনি দেশে ফিরে একটি ইটভাটার ব্যবসায় জড়িত ছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিবেশীর সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে সম্প্রতি একটি মামলা চলছিল। সেই বিরোধ থেকেই পরিকল্পিতভাবে ফরিদকে হত্যা করা হতে পারে বলে তাদের ধারণা।
পুলিশ জানায়, ইটভাটায় ফরিদ সরকারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বড় ভাই ফারুক হোসেন মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমেদ জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা করা হবে।
১১৭ দিন আগে
খুলনায় আদালত চত্বরে দুজনকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা
খুলনা আদালত চত্বরে প্রকাশ্যে দুজনকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খুলনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— রূপসার বাগমারা এলাকার হাসিব হাওলাদার (৪১) এবং ফজলে রাব্বি রাজন (৪০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খুলনা মহানগর ও দায়রা জজ আদালতে একটি অস্ত্র মামলায় হাজিরা দিতে আসেন বাগমারা এলাকার রাজন ও হাসিব। হাজিরা শেষে বের হয়ে যাওয়ার সময় বেশ কয়েকজন তাদের ওপর গুলি চালায় ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। এরপর তাদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ খবর শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার শিহাব করীম বলেন, আদালতের সামনে দুইজনকে গুলি করা হয়েছে বলে খবর পেয়ে এসেছি। তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে রক্ত, চাপাতি ও দুটি মোটরসাইকেল পড়ে ছিল। তাদের গুলি করা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ ঘটনার পরে পুরো আদালত চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রকাশ্যে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আদালতের আইনজীবীরা।
১৪১ দিন আগে
ভোলায় বাড়িতে ঢুকে মসজিদের খতিবকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় নিজ বাড়িতে ঢুকে মাওলানা আমিনুল হক নোমানী (৪৫) নামে এক মসজিদের খতিব ও মাদরাসা শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে শহরের চরনোয়াবাদে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাওলানা আমিনুল হক নামের ওই ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা।এরপর স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাত ১০টার দিকেভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
নিহত মাওলানা আমিনুল হক নোমানী ওই এলাকার মাওলানা এনামুল হকের ছেলে। তিনি ভোলা সদর উপজেলা জামে মসজিদের খতিব ও ভোলা দারুল হাদিস কামিল মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন।
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম চরনাবাদ জামে মসজিদ থেকে এশার নামাজ শেষ করে বাড়িতে যান আমিনুল হক। এ সময় তার স্ত্রী, এক মেয়ে ও দুই ছেলে সন্তানদের কেউই বাড়িতে ছিল না। রাত সোয়া ৯টার দিকে আমিনুল হককে তার নিজ ঘরের মধ্যে কুপিয়ে জখম করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
এ সময় তার চিৎকার শুনে ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য আমিনুল হককে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মাথা, গলা, ঘাড়, বুক ও পেটসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর জখমের আঘাত ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
সরেজমিনে তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আমিনুল হকের বাড়ির ড্রয়িং রুমে সোফার সামনে মেঝেতে রক্ত পড়ে আছে। একটি ওয়েব ক্যামসহ কম্পিউটার অন করা অবস্থায় রয়েছে। টেবিলের ওপর তার কম্পিউটারের সামনে একটি ঘড়ি। অপর টেবিলে তার টুপি পড়ে আছে। তবে তাকে হত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি।
এ ঘটনার বিচার দাবিতে তাৎক্ষণিক ভোলা সদর রোডে বিক্ষোভ মিছিল করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন ইসলামিক দলের নেতারা ও এলাকাবাসী। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীকে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশের একাধিক টিম কার্যক্রম শুরু করেছে।
২২৫ দিন আগে
খুলনায় ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা
খুলনার দিঘলিয়ায় আলামিন সিকদার (৩৩) নামে এক ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (২ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের নন্দনপ্রতাপ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত আলামিন ওই গ্রামের কাওসার শিকদারের ছেলে।
আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১
কামারগাতী পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জামিল জানান, আজ (শনিবার) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আলামিনের স্ত্রীর সাবেক স্বামী মো. আসাদুল ঝিনাইদহ থেকে এসে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্ত্রীকে আলামিন কেন বিয়ে করেছেন— এই ক্ষোভ থেকেই আসাদুল এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামিনের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার বিস্তারিত তথ্যসহ তদন্তের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন এসআই জামিল।
২৬১ দিন আগে