ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
হজযাত্রীদের সেবায় ৬৬ সদস্যের প্রশাসনিক সহায়ক দল গঠন
চলতি বছর হজ উপলক্ষে সৌদি আরবে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় ৬৬ সদস্যের প্রশাসনিক সহায়তাকারী দল গঠন করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২২’ (সংশোধিত)-এর বিধি ২৫ অনুযায়ী এ দল গঠন করে তাদের সৌদি আরব গমনাগমনে সরকারের সম্মতি দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে আদেশ জারি করেছে মন্ত্রণালয়।
হজযাত্রীদের সেবায় গঠিত এ দলে গাড়িচালক, অফিস সহায়ক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, গানম্যান, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, কম্পিউটার অপারেটর ও ফটোকপি অপারেটরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দলে মোট ৯ জন গাড়িচালক রয়েছেন। তারা হলেন—মন্ত্রীর দপ্তরের মো. আলমগীর ও আক্তারুজ্জামান সরকার, সচিবের দপ্তরের মো. সাইদুল ইসলাম ও মো. টিটু মিয়া বেপারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (প্রেষণে হজ অনুবিভাগ) মো. মাসুদুর রহমান ও গোলাম মাওলা, হজ অফিসের মো. সালাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়ের মো. হাসান আলী এবং প্রশাসন শাখার মো. আবদুস সবুর বিশ্বাস।
এছাড়া দলে ২৫ জন অফিস সহায়ক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তাদের মধ্যে আইন শাখার সম্রাট, সচিবের দপ্তরের মো. আনোয়ার হোসেন ও মো. সোহাগ, হজ-২ শাখার মো. রাশেদুল ইসলাম, সমন্বয় শাখার ইলিয়াছ আহমেদ ও মোছা. হাফিজা আক্তার, বাজেট ও অনুদান অনুবিভাগের মো. কামরুল হোসেন, প্রশাসন অনুবিভাগের তানিয়া আক্তার ও সাইয়্যিদা মারজিয়া রুবিনা, অনুদান শাখার পারুলী আক্তারী ও মনিরুল ইসলাম, উন্নয়ন অধিশাখার মো. নুরুল হুদা, হজ-১ শাখার মো. আশরাফুল ইসলাম, উপদেষ্টার দপ্তরের মো. অলিউল্লাহ, মো. আরমান হোসেন ও মাসুম বিল্লাল, হজ অনুবিভাগের কাজী জুয়েল মিয়া, পরিকল্পনা-১ শাখার সাদ্দাম বিশ্বাস, প্রশাসন-১ শাখার মনির হোসেন, আইসিটি শাখার মুহাম্মদ রাশেদ মিয়াজি, হজ অধিশাখার সারোয়ার মাহমুদ, বাজেট শাখার শারমিন সুলতানা, হজ-৩ শাখার মো. আলমগীর হোসেন এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংযুক্ত মো. টিপু সুলতান ও হজ অফিস ঢাকার হাবিবুর রহমান রয়েছেন।
দলে দুইজন গানম্যান (বন্দুকধারী) রয়েছেন। তারা হলেন— সচিবের দপ্তরের মো. আব্দুল হাকিম এবং মন্ত্রীর দপ্তরের মো. আবুল কাশেম।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতি বছর হজযাত্রীদের সেবায় প্রশাসনিক দল, প্রশাসনিক সহায়তাকারী দল ও কারিগরি দল গঠন করে সরকারি ব্যয়ে সদস্যদের সৌদি আরবে পাঠিয়ে থাকে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এ বছরের হজ ফ্লাইট শুরু হবে ১৮ এপ্রিল থেকে।
তবে প্রতি বছরই বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয়ে এ ধরনের দল পাঠানো হলেও অনেক সময় সদস্যদের অভিজ্ঞতার ঘাটতি ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, কেউ কেউ হজযাত্রীদের সেবার পরিবর্তে ব্যক্তিগত কাজে বা ভ্রমণে ব্যস্ত থাকেন।
প্রায় প্রতিবছরই হজের সময় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সহায়তাকারী দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নজির রয়েছে।
৩ দিন আগে
রোডম্যাপ অনুসারে হজ কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে: ধর্ম উপদেষ্টা
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, রোডম্যাপ অনুসারে হজের সকল কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পাদনে নিরলস কাজ করছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলাদেশে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা জানান, আসন্ন হজে এদেশের হজযাত্রীদের জন্য বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করা হচ্ছে। সকল এজেন্সিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাড়িভাড়া চুক্তি স্বাক্ষরের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে মদিনা ও মক্কা উভয় স্থানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হজযাত্রীর বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছে। বাকি হজযাত্রীদের জন্য নির্ধারিত তারিখের মধ্যে বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পন্ন করতে হজ এজেন্সিসমূহকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানান, সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার জন্য রোডম্যাপ অনুসারে বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পাদন করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন সৌদি রাষ্ট্রদূত। তিনি বাংলাদেশের সার্বিক হজ কার্যক্রমের অগ্রগতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
ধর্ম উপদেষ্টা এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ক আগামীতে আরও মজবুত ও সুসংহত করাসহ দুদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
এসময় ধর্ম সচিব মো. কামাল উদ্দিন, হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আয়াতুল ইসলাম ও যুগ্ম সচিব ড. মো. মঞ্জুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।
৫৩ দিন আগে
৮০টি কেন্দ্রে টিকা নিতে পারবেন হজযাত্রীরা
হজযাত্রীদের টিকাদান কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। সারা দেশে মোট ৮০টি কেন্দ্রে টিকা নিতে পারবেন চলতি বছরের হজযাত্রীরা।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হজযাত্রীরা মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা গ্রহণ করবেন। এ লক্ষ্যে হজযাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রের (৮০টি) তালিকা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হলো।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, টিকা দেওয়ার তারিখ পরবর্তী সময়ে হজযাত্রীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে মন্ত্রণালয়। এছাড়া টিকা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও হজ পোর্টাল (www.hajj.gov.bd) থেকে ই-হেলথ প্রোফাইল প্রিন্ট করে সঙ্গে নিতে হবে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
টিকাকেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে- ঢাকা জেলা ছাড়া অন্যান্য জেলার সিভিল সার্জন অফিস। বাকি কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল ও বাংলাদেশ সচিবালয় ক্লিনিক।
ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোর মধ্যে আছে গাজীপুর টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল, গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল ও দিনাজপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতাল।
হজ বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য হজ কল সেন্টারের ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
৬৩ দিন আগে
পারমিট ছাড়া হজ পালন না করতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুরোধ
হজ পারমিট ছাড়া হজ পালন না করার জন্য অনুরোধ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল হজ ব্যবস্থাপনা, হজযাত্রীদের কল্যাণ এবং বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিবেচনায় দেশে ও সৌদিতে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের প্রতি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে এ অনুরোধ জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে চলতি হজ মৌসুমে ভ্রমণ ভিসায় মক্কা কিংবা দেশটির পবিত্র স্থানগুলোতে অবস্থান না করতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, হজ বিধিমালা অমান্যকারী ভ্রমণ ভিসাধারীকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া, পরিবহন করা, সংরক্ষিত হজ এলাকায় প্রবেশে সহায়তা করা ও তাদের হোটেল কিংবা বাড়িতে আবাসনের ব্যবস্থা করা থেকে বিরত থাকতেও বাংলাদেশিদের অনুরোধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এ বছর হজযাত্রীদের মক্কায় প্রবেশ সুগম করা, অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে নতুন বিধিমালা জারি করেছে সৌদি সরকার। বিধিমালা অনুসারে, দেশটির পবিত্র স্থানগুলোতে কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বৈধ অনুমতিপত্র, মক্কায় নিবন্ধিত বসবাসের প্রমাণপত্র (ইকামা) ও সরকারিভাবে ইস্যু করা হজ পারমিট থাকলেই কেবল মক্কায় প্রবেশ করা যাবে।
আরও পড়ুন: হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করলেন ধর্ম উপদেষ্টা
আসন্ন হজ মৌসুমে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজ পারমিট ছাড়া কেউ হজ পালনের চেষ্টা করলেই তাকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা গুনতে হবে। এ কাজে সহায়তা করলেও রয়েছে এক লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানার বিধান। শুধু জরিমানাই নয়, অপরাধ প্রমাণিত হলে সহায়তাকারীর নিজস্ব যানবাহনও আদালতের রায় অনুসারে বাজেয়াপ্ত করা হবে।
সৌদি সরকার আরও জানিয়েছে, যদি কোনো বিদেশি নাগরিক নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত সময় অবস্থান করে কিংবা বৈধ অনুমতি ছাড়াই হজ পালনের চেষ্টা করে, তাহলে তাকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে এবং পরবর্তী ১০ বছর তাকে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
জিলকদ মাসের ১ তারিখ (২৯ এপ্রিল) থেকে জিলহজ মাসের ১৪ তারিখ (১০ জুন) পর্যন্ত এই বিধান কার্যকর থাকবে। এই সময়ের মধ্যে হজের অনুমতি ছাড়া পবিত্র মক্কা নগরী বা আশপাশের পবিত্র স্থানগুলোতে কেউ প্রবেশ কিংবা অবস্থান করতে পারবে না। বিশেষ করে, যারা ভ্রমণ ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশ করেছেন, তাদের ওপর নজরদারি থাকবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে।
আরও পড়ুন: হজযাত্রীদের জন্য অ্যাপ ‘লাব্বায়েক’ উদ্বোধন প্রধান উপদেষ্টার
সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনায় আইনকানুনের কঠোর প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, হজের সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার স্বার্থে সৌদি সরকার ঘোষিত আইনকানুন ও বিধিনিষেধ অনুসরণ করা আবশ্যক। সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় জড়িত আছে। প্রায় ৩৫ লক্ষ বাংলাদেশি সৌদিতে কর্মরত। এদেশ থেকেই আসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। দুদেশের বিদ্যমান সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে—এমন কাজ থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।
মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থে সুষ্ঠু ও সাবলীল হজ ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি অননুমোদিত হজ পালন থেকে বিরত থাকতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানান।
৩২৪ দিন আগে
নামাজ পড়ুন বাসায়, জুমার বদলে আদায় করুন জোহর: মন্ত্রণালয়
করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ দ্রুত ছড়িয়ে পড়া রোধে মসজিদে না গিয়ে বাসায় নামাজ পড়তে সোমবার সবাইকে নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২১৭৬ দিন আগে