তথ্য প্রতিমন্ত্রী
সাংবাদিকদের পূর্ণ স্বাধীনতা ও মিডিয়ার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সরকার সংবাদমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং সাংবাদিকরা যেন কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নির্বিঘ্নে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সরকার সেই পরিবেশ নিশ্চিত করেছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা পাবলিক হলে ‘রফিক হিলালী ইংলিশ এক্সিলেন্স প্রোগ্রাম-২০২৬’-এর অরিয়েন্টেশন ক্লাস এবং এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের পেশাগত কল্যাণ ও বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের নির্ধারিত বাজেট বরাদ্দ ৬ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ কোটি টাকায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমে ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ ও অপসাংবাদিকতা রোধে পেশাগত মানদণ্ড বজায় রাখার কাজ চলছে।
এ সময় হাওর অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সুবিধা ও আলাদা একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়নের বিষয়ে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি একটি জাতীয় বিষয়। হাওরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও পড়ালেখার সুবিধার বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে এবং শিগগিরই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু জিপিএ-৫ বা ভালো ফলাফল অর্জন করলেই চলবে না, শিক্ষার্থীদের মানবিক ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। পরিবার, শিক্ষক ও দেশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নৈতিকতার চর্চা করলেই প্রকৃত সাফল্য আসবে।
তিনি জানান, তৃণমূলের যুবসমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে মাঠের আধুনিকায়ন করা হচ্ছে এবং অনলাইনে ও টিভিতে চীনা ও আরবি ভাষা শিক্ষার বিশেষ কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে।
নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা, কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী এবং জেলা প্রেসক্লাবের সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম।
অনুষ্ঠানে কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপি নেতা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
দুই জেলার দায়িত্ব পেলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী
জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ জেলার সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তদারকির দায়িত্ব পেয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। দেশের জেলা পর্যায়ে সরকারি কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং সমন্বয়ের লক্ষ্যে তাকে এই দুই জেলার দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে জারি করা এক গেজেটের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
গেজেট অনুযায়ী, নিজ মন্ত্রণালয়ের অর্পিত দায়িত্বের পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ জেলায় সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের গতি পর্যবেক্ষণ, মাদক ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় তদারকি ও পরামর্শ দেবেন।
একই সঙ্গে তিনি এ দুই জেলার উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলাভিত্তিক বিভিন্ন সমন্বয় সভা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন।
গেজেটে আরও জানানো হয়, মাঠপর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে মোট ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপকে দেশের নির্দিষ্ট জেলাগুলোর তদারকির এই বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
১২ দিন আগে
বিটিভি ও সংসদ টিভিতে সরকার ও বিরোধী দলের সংবাদ আনুপাতিক হারে প্রচারের নির্দেশ
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও সংসদ টেলিভিশনে সরকার ও বিরোধী দলের সংবাদ আনুপাতিক হারে প্রচারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিটিভি ও সংসদ টিভিতে আনুপাতিক হারে নিউজ প্রকাশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে গণমাধ্যম সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করছে। গত ছয় মাসে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে কোনো গোয়েন্দা সংস্থা গণমাধ্যমকে ফোন করেনি।
ইয়াসের খান চৌধুরী আরও বলেন, গত ছয় মাসে কোনো গুম বা বিচারবহির্ভূত ঘটনা ঘটেনি। তবে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক সংবাদ প্রচার করা ঠিক নয়।
১৪ দিন আগে
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও অনগ্রসরতা দূর করতে আঞ্চলিক সমন্বয় ও সাংবাদিকদের সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকায় কর্মরত বৃহত্তর ময়মনসিংহের নেতৃত্বস্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বৃহত্তর ময়মনসিংহের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন ও অন্যান্য নাগরিক সমস্যা সমাধানে সমন্বিত প্রয়াস জরুরি। ঢাকার বিমানবন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত এক্সপ্রেসওয়ে বা ফ্লাইওভারকে ভালুকা পর্যন্ত বর্ধিত করার জন্য ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৪ জন সংসদ সদস্যের অনুস্বাক্ষরসহ (ডিও লেটার) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানানো হয়েছে, যা বর্তমানে নীতিগত সিদ্ধান্ত ও একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহের সঙ্গে দ্রুতগতির ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা ও ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন আধুনিকায়নের বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা চলছে।
এ সময় হাসপাতালগুলোতে রোগীদের সেবা নিশ্চিতকরণ ও অনিয়ম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন, অনিয়ম ও দুর্নীতি কেবল আর্থিক খাতেই সীমাবদ্ধ নয়, সেবাবঞ্চিত হওয়ার বিষয়গুলোকেও দুর্নীতির আওতায় এনে লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। এছাড়া সারা বাংলাদেশের জেলা পর্যায়ে আধুনিক সুবিধাসংবলিত ও কমিউনিটি সেন্টারভিত্তিক সুনির্দিষ্ট একটি করে মানসম্মত প্রেস ক্লাব নির্মাণের প্রস্তাবও সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।
৩৪ দিন আগে
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও অনগ্রসরতা দূর করতে আঞ্চলিক সমন্বয় ও সাংবাদিকদের সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকায় কর্মরত বৃহত্তর ময়মনসিংহের নেতৃত্বস্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এই আহ্বান জানান তিনি।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর ময়মনসিংহের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন ও অন্যান্য নাগরিক সমস্যা সমাধানের জন্য সমন্বিত প্রয়াস জরুরি। ঢাকার বিমানবন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত এক্সপ্রেসওয়ে বা ফ্লাইওভারকে ভালুকা পর্যন্ত বর্ধিত করার জন্য ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৪ জন সংসদ সদস্যের অনুস্বাক্ষরসহ (ডিও লেটার) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানানো হয়েছে, যা বর্তমানে নীতিগত সিদ্ধান্ত ও একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহের সঙ্গে দ্রুতগতির ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন আধুনিকায়নের বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা চলছে।
হাসপাতালগুলোতে রোগীদের সেবা নিশ্চিতকরণ ও অনিয়ম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ইয়াসের খান উল্লেখ করেন, অনিয়ম ও দুর্নীতি কেবল আর্থিক খাতেই সীমাবদ্ধ নয়, সেবাবঞ্চিত হওয়ার বিষয়গুলোকেও দুর্নীতির আওতায় এনে লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। এছাড়া সারা বাংলাদেশের জেলা পর্যায়ে আধুনিক সুবিধাসংবলিত ও কমিউনিটি সেন্টারভিত্তিক সুনির্দিষ্ট একটি করে মানসম্মত প্রেস ক্লাব নির্মাণের প্রস্তাবও সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
৩৫ দিন আগে
অনলাইন পোর্টাল ও আইপি টিভিগুলোকে নীতিমালার আওতায় আনা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, দেশের অনলাইন পোর্টাল ও আইপি টিভিগুলোকে একটি সমন্বিত নীতিমালার আওতায় আনা হবে। এ লক্ষ্যে শিগগিরই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজ এলাকা নান্দাইলে প্রেসক্লাব পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি গত ১৭ বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে দেখেছেন যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে এবং নিয়ম-নীতির যথাযথ অনুসরণ করা হয়নি। তবে এখন থেকে সবকিছু নিয়মের ভিত্তিতেই চলবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, একটি মোবাইল ফোনকে সম্বল করে যারা অনলাইন পোর্টাল পরিচালনা করছেন, তাদেরও সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে কাজ করতে হবে। তবে সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করতে চায় না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, স্বাধীন গণমাধ্যম গণতন্ত্র বিকাশে অপরিহার্য—এমন অবস্থানই সরকারের।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিষয়টি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে।
তিন দিনের সরকারি সফরের অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে নান্দাইলে পৌঁছান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটি তার প্রথম নান্দাইল সফর।
নান্দাইলে পৌঁছার পর সদরে অবস্থিত জেলা পরিষদের ডাকবাংলো প্রাঙ্গণে পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় নান্দাইলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত উপস্থিত ছিলেন।
প্রটোকল শেষে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা প্রতিমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি চৌরাস্তায় অবস্থিত নান্দাইল প্রেসক্লাব পরিদর্শন করেন। সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজ, নান্দাইল এবং গফরগাঁও প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তাকে ফুলেল সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা এবং কল্যাণ তহবিল থেকে নীতিমালা অনুযায়ী সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন।
এরপর প্রতিমন্ত্রী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরে তিনি নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে রোগীদের চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
১৯৪ দিন আগে
কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি দফায় দফায় পরিবর্তন কেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সম্যকধারণার কিছুটা অভাব আছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
তিনি বলেন, ‘কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে দফায় দফায় তাদের দাবি পরিবর্তন করা হচ্ছে কেন?’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বারবার তারা দাবি পরিবর্তন করছে, একেকবার রাষ্ট্রের একেক অঙ্গের কাছে তারা দাবি জানাচ্ছে, এখানে মনে হচ্ছে তাদের সম্যকধারণার কিছুটা অভাব আছে।’
আরও পড়ুন: অপপ্রচারকারীদের বিপক্ষে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের শক্ত অবস্থান নিতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
শনিবার (১৩ জুলাই) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সমসমায়িক বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এই প্রশ্ন উত্থাপন করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ আছে। নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ ও আইনসভা। এ তিনটি অঙ্গ কীভাবে কাজ করে সে বিষয়ে যদি ধারণা না থাকে তখনই বিভ্রান্তি তৈরি হয়।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমে আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, হাইকোর্ট বিভাগের আদেশে সরকারের জারি করা পরিপত্র পুনর্বহাল করা। কিন্তু হাইকোর্টের আদেশ রাস্তায় আন্দোলন করে পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। এটি পরিবর্তনের একমাত্র উপায়, সর্বোচ্চ আদালতে যেতে হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলনকারীরা আবার তাদের দাবি পরিবর্তন করে বলা শুরু করল যে, সরকারকে কমিশন গঠন করতে হবে। সরকার হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে সর্বোচ্চ আদালতে আইনি প্রক্রিয়ায় ঢুকে গেছে। এ অবস্থায় কোটা ব্যবস্থার সংস্কার করা বা সংস্কার করার ঘোষণা দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। কারণ এটা অসাংবিধানিক। কিন্তু তারা (আন্দোলনকারীরা) সেই অসাংবিধানিক দাবি করা শুরু করল।
আরও পড়ুন: সর্বোচ্চ আদালতের আদেশে সরকারের পরিপত্র বলবৎ: কোটা প্রসঙ্গে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ তথা সরকার যখন আদালতে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মিমাংসার পথে এগোচ্ছে তখন আন্দোলনকারীরা আবার তাদের দাবি পরিবর্তন করে বলা শুরু করে, বিচারবিভাগ নয়, নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে সমাধান চায়। অথচ, সর্বোচ্চ আদালতের প্রক্রিয়া পুরোপুরি সমাপ্ত না করে সরকার এ বিষয়ে কিছুই করতে পারবে না।’
তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ যখন হাইকোর্ট বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ের আংশিক প্রকাশ হলো, সে রায়ে হাইকোর্ট সরকার তথা নির্বাহী বিভাগকে কোটা সংস্কারের জন্য পরামর্শ দিয়েছে। তখন তাদের দাবি আবার পরিবর্তন হয়ে গেল। এখন তারা দাবি করছে সংসদ বা আইনসভাকে আইন করতে হবে। প্রথমে আদালতের কাছে দাবি, তারপর নির্বাহী বিভাগের কাছে দাবি, তারপর এখন সংসদের কাছে দাবি।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের দাবি এবং সরকারের অবস্থান একই রকম প্রতীয়মান হওয়া সত্ত্বেও যারা বারবার দাবি পরিবর্তন করে বিভ্রান্তি তৈরি করছে আমি মনে করি তারা কোটা পদ্ধতির সংস্কার চায় না, তাদের অন্য কোনো দুরভিসন্ধি আছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, একটি স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, মেধা না কোটা, কোটা না মেধা, মেধা, মেধা। স্লোগানটি খুবই যৌক্তিক। আমি এ স্লোগানের পক্ষে। অবশ্যই মেধা। কিন্তু এই স্লোগানের মাধ্যমে যে বক্তব্য হাজির করা হচ্ছে সেখানে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। একটা পর্যায় পর্যন্ত মেধার মাধ্যমে বাছাই করা হচ্ছে। যে কারণে পৃথিবীর সবদেশেই কোটা ব্যবস্থা আছে। কোটার উদ্দেশ্য পিছিয়ে পড়া, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বৈষম্য নিরসন।’
আরও পড়ুন: সাংবাদিকদের মিথ্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
৭৮৭ দিন আগে
সর্বোচ্চ আদালতের আদেশে সরকারের পরিপত্র বলবৎ: কোটা প্রসঙ্গে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
সর্বোচ্চ আদালতের আদেশে ২০১৮ সালে কোটা বাতিল-সংক্রান্ত সরকারের পরিপত্র বলবৎ আছে উল্লেখ করে জনদুর্ভোগ তৈরি থেকে আন্দোলনকারীদের বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
এতে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘সর্বোচ্চ আদালত শুধু স্থিতাবস্থার আদেশ দেননি। শুধু স্থিতাবস্থার আদেশ দিলে কোটা বিষয়ে সরকারের পরিপত্র বাতিল করে উচ্চ আদালত যে রায় দিয়েছিলেন সেটি বলবৎ থাকত। খেয়াল করতে হবে, সর্বোচ্চ আদালত কোটার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দিয়েছেন অর্থাৎ কোটা বিষয়ে সরকারের জারি করা পরিপত্র এখন আবার বলবৎ হলো।’
আরও পড়ুন: সাংবাদিকদের মিথ্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, ‘সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অনুযায়ী হাইকোর্টের রায় কার্যকর নয়। অর্থাৎ, এই মুহূর্তে দেশে কোনো কোটা নেই। তবে, এ বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রদান বাকি আছে। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত অবশ্যই শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি বিবেচনা করবেন।’
তথ্য প্রতিমন্ত্রী ওই স্ট্যাটাসে আরও বলেন, ‘সর্বোচ্চ আদালতের এই কার্যক্রম পুরোপুরি সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত সরকারও এ বিষয়ে কোনো কিছুই করতে পারবে না। এ বিষয়ে কোনো ঘোষণাও দিতে পারবে না। এই মুহূর্তে যেহেতু দেশে কোনো কোটা নেই, কাজেই, এখন জনদুর্ভোগ তৈরি হয় এই ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা উচিত।’
তিনি বলেন, ‘সর্বোচ্চ আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় আসার পরে নির্বাহী বিভাগ তথা সরকার নিশ্চই কোটা বিষয়টি নিয়ে যুগোপযোগী সংস্কারের উদ্যোগ নেবে।’
বুধবার সকালে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি পুনর্বহালে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
একইসঙ্গে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে চার সপ্তাহের মধ্যে লিভ টু আপিল করতে রাষ্ট্রপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: তথ্যের সততা নিশ্চিতের অঙ্গীকার করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
অপপ্রচারকারীদের বিপক্ষে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের শক্ত অবস্থান নিতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
৭৯০ দিন আগে
সাংবাদিকদের মিথ্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
দল-মত নির্বিশেষে গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সব মিথ্যা প্রত্যাখ্যান করে তার প্রতিবাদ করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
রবিবার (৭ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডের তথ্য ভবন মিলনায়তনে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৃতীয় পর্যায়ের কল্যাণ অনুদান/আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: তথ্যের সততা নিশ্চিতের অঙ্গীকার করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আরাফাত বলেন, ‘আমি অনুরোধ জানাব দল-মত নির্বিশেষে গণমাধ্যমের সাংবাদিক বন্ধুরা সব মিথ্যা প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবাদ করুন। আপনারা অপপ্রচারের বিপক্ষে সবাই রুখে দাঁড়ান, সত্যের পক্ষে থাকুন।’
এ বিষয়ে প্রতিপ্রন্ত্রী আরও বলেন, এ দেশে মিথ্যা বলারও স্বাধীনতা আছে। যখন-তখন যেভাবে ইচ্ছা সারাক্ষণ মিথ্যা বলারও স্বাধীনতা এ দেশে আছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের কোনো একটা চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক বা সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার অধিকার যে কারো আছে। কিন্তু মিথ্যা বলে কেনো বিরোধিতা করতে হবে, জনগণকে বিভ্রান্ত করে কেন বিরোধিতা করতে হবে? এতে মানুষকে ধোকা দেওয়া হচ্ছে। এটা মত প্রকাশের স্বাধীনতা নয়, এটা অপরাধ। অথচ বর্তমান সরকারের বিপক্ষে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলে বিভিন্ন অপপ্রচার করা হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী আর বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য, গণমাধ্যম, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিক সমাজ এবং তাদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিক সমাজের পাশে এবং গণমাধ্যমের পাশে সরকারকে দাঁড়াতে হবে। সাংবাদিকদের জন্য তার চিন্তাভাবনা খুবই ইতিবাচক। সে কারণেই কল্যাণ ট্রাস্টের মতো এরকম একটি উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: অপপ্রচারকারীদের বিপক্ষে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের শক্ত অবস্থান নিতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে, গণমাধ্যমের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার উদ্যোগগুলো খুব বেশি শোনা যায় না। এগুলো নিয়ে বড় আকারে রিপোর্টও আসে না। এগুলো দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন জায়গায় বলা দরকার।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত পনেরো বছরে গণমাধ্যমের আকার দ্বিগুণ হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা গণমাধ্যমবান্ধব বলেই তিনি গণমাধ্যমের বিস্তৃতির শুধু সুযোগ করে দেননি, গণমাধ্যমকে বিস্তৃত হওয়ার জন্য প্রনোদনা দিয়েছেন, পরিবেশ তৈরি করেছেন। গণমাধ্যমে যারা কাজ করছেন তাদের কল্যাণের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছেন। এ ইতিবাচক বিষয়গুলো আমরা খুব একটা তুলে ধরতে পারছি না।
প্রতিমন্ত্রী আরও যোগ করেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সারাদেশে ৭৮৪ জন সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের মাঝে ৬ কোটি ১৫ লাখ ৫০ টাকা কল্যাণ অনুদান দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ পুরো বাংলাদেশে ২৯৩ জন সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের মাঝে ২ কোটি ২২ লাখ টাকা অনু্দান দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ্র বাদলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য ও তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া এবং ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী।
আরও পড়ুন: ভারতের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত বিএনপি-জামায়াত: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
৭৯৩ দিন আগে
অপপ্রচারকারীদের বিপক্ষে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের শক্ত অবস্থান নিতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
মিথ্যাচার ও অপপ্রচারকারীদের বিপক্ষে চলচ্চিত্রের শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজকসহ সংশ্লিষ্টদের শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
শনিবার (৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডের তথ্য ভবন মিলনায়তনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিল্পী সমাজ, নাগরিক সমাজ ও ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রির সবাই অসত্যগুলোর প্রতিবাদ করুন। সরকার কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নিলে, সরকারের কোনো ব্যর্থতা-বিচ্যুতি থাকলে অবশ্যই আপনারা তুলে ধরবেন, সমালোচনা করবেন, বিরোধিতা করবেন। কিন্তু যারা মিথ্যা কথা বলে, অর্ধসত্য বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করবে তাদের বিরুদ্ধে আপনারা প্রতিবাদ করুন।’
আরও পড়ুন: গণমাধ্যমকে দেশ-জনগণের স্বার্থে দাঁড়ানোর আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
তিনি বলেন, ‘তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে সব বিষয়ে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের সঠিক তথ্য দেওয়া হবে। অপপ্রচারকারীদের তাদের বিপক্ষে আপনারা শক্ত অবস্থান নেবেন।’
চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে প্রণোদনা দিতে চান। অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আমরা আরও স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে চাই। এ জন্য বাছাই প্রক্রিয়া আরও উন্নত করা হবে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, অনুদানের চলচ্চিত্র নিয়ে একটি চলচ্চিত্র উৎসব করা যায় কি না সেটিও বিবেচনা করা হবে। যে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে, এটা সংশ্লিষ্টদের একটা সক্ষমতার স্বীকৃতি। অনুদানের চলচ্চিত্রগুলো নির্মাণ হয়ে গেলে সেগুলো নিয়ে একটি অ্যাওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা যায় কি না সেটিও সরকার বিবেচনা করবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্বে প্রতিনিধিত্ব করা, তুলে ধরা এবং ব্র্যান্ডিং করার জন্য চলচ্চিত্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য চলচ্চিত্রকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে আরও মনোযোগ দিতে আলাদা বিভাগ বা কাউন্সিল করার বিষয়টি সরকার ভেবে দেখবে। একইসঙ্গে নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, পশ্চিমবঙ্গ এমনকি পাকিস্তানের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বাজার আমরা ধরতে চাই।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২০টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও ৬টি স্বল্পদৈর্ঘ্যসহ মোট ২৬টি চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য মোট ১৫ কোটি ২০ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শাখায় ২টি, শিশুতোষ শাখায় ২টি, প্রামাণ্যচিত্র শাখায় ২টি এবং সাধারণ শাখায় ১৪টি চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শাখায় ২টি, শিশুতোষ শাখায় ১টি এবং সাধারণ শাখায় ৩টি চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান দেওয়া হয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. কাউসার আহাম্মদ।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ, সম্মিলিত চলচ্চিত্র পরিষদের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম খসরু, চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া, অনুদান কমিটির সদস্য ও চলচ্চিত্র নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, চলচ্চিত্র অনুদানের স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটির সদস্য ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মুশফিকুর রহমান গুলজার এবং স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটির সদস্য ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ফাল্গুনী হামিদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: ভারতের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত বিএনপি-জামায়াত: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্যের সততা নিশ্চিতের অঙ্গীকার করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
৭৯৪ দিন আগে