আনসার
আনসার-ভিডিপিকে দেশ গঠনমূলক কাজে আরও ভূমিকা রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি দেশ গঠনমূলক কাজে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি (গ্রাম প্রতিরক্ষা দল) সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
এ সময় বিগত গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী জননিরাপত্তা বিধান ও ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচনসহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে আনসার বাহিনীর কাজের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি।
এছাড়া বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা, জনসম্পৃক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদেশি ভাষা, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ ও কর্মসংস্থান উপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
সাক্ষাৎকালে আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালক রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
এ সময় তিনি বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম, বিশেষ করে দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে আনসার সদস্যের মানসম্মত প্রশিক্ষণ, সদস্যদের ডেটাবেজ তৈরি, ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কার্যক্রম ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রান্তিক পর্যায়ে বাহিনীর গৃহীত কর্মসূচি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে জানান।
আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালক দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আনসার ও ভিডিপি দেশের সব থেকে বড় জনসম্পৃক্ত নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বাহিনী।
তিনি এ সময় আনসার ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠায় শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং বাহিনীর আধুনিকায়ন, বিভিন্ন আইন প্রণয়ন ও আনসার ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রপতি এ সময় সৌরশক্তি উৎপাদন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অর্জন এবং জনমুখী কার্যক্রমে বাহিনীর অবদানের প্রশংসা করে আগামী দিনে আরও কর্মসূচি ও তৎপরতা গ্রহণের আহ্বান জানান।
দায়িত্ব পালনকালে বাহিনীর উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও আনসার ও ভিডিপি প্রধানকে আশ্বস্ত করেন রাষ্ট্রপতি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিবগণ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় ৫০০ হাসপাতালে মোতায়েন হচ্ছে ১০ জন করে আনসার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও অন্যান্য বড় হাসপাতালে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার সদস্য মোতায়েন করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সম্প্রতি কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ-চীন জয়েন্ট সার্জিকাল ক্লিনিক চালুর লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের সম্মানিত ডাক্তারদের ওপর মাঝেমধ্যেই আঘাত আসে। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। উনি নির্দেশনা দিয়েছেন যে সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ৫০০ হাসপাতালে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার সদস্য নিয়োগ করতে যাচ্ছি। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই নিয়োগ হবে। আগামী কিছুদিনের ভেতরেই তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
হামের টিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে আগামী ছয় মাসের টিকা মজুত আছে। পরবর্তী ৬ মাস এটি দিতে কোনো সমস্যা হবে না। যক্ষ্মাসহ কোনো ধরনের টিকার সংকট নেই। লোকবল সংকট নিরসনে শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এ সময় জয়েন্ট সার্জারি ক্লিনিক চালুর লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) সঙ্গে চীনের কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ উপলক্ষে বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে আজ (বুধবার) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিশেষ করে বাংলাদেশের গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে চীনের সহায়তা কামনা করেন।
মন্ত্রী বলেন, এই অনুষ্ঠান দুই দেশের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রতিফলন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চীন সরকার ও হাসপাতাল প্রশাসনকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই সমঝোতার জন্য ধন্যবাদ জানাই। আমাদের স্বাস্থ্যখাতকে গ্রাম পর্যায়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষা প্রসার করা আমাদের গুরুদায়িত্ব। আমরা জানি, চীনের সেবা ও শিক্ষা অনেক উন্নত। আজকে যে দুই প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠিত হলো, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এই অনুষ্ঠানটি শুধু দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্বই নয়, বরং সীমান্ত অতিক্রম করে স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা এবং সার্জিকাল উৎকর্ষতা উন্নয়নের একটি যৌথ দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। আজকের এই উদ্যোগ আমাদের স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতায় একটি নতুন ও মূল্যবান মাত্রা যোগ করেছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন এবং বাংলাদেশ সব সময় একে অপরকে সহযোগিতা করেছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশদুটি একসঙ্গে কাজ করছে। চীন দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত উন্নয়নে বিনিয়োগ করে আসছে। রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন, কার্ডিওভাস্কুলার ক্লিনিকসহ নানা প্রতিষ্ঠান গড়তেও ভূমিকা রেখেছে। চীনের কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটির উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় একটি অত্যাধুনিক মানের মেডিকেল প্রতিষ্ঠান। আমরা চীন-বাংলাদেশ মেডিকেল সহযোগিতার নতুন অধ্যায় রচনা করব।
সভাপতির বক্তব্যে বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, জয়েন্ট সার্জারি ক্লিনিক চালুর লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে চীনের কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়াকে দেশের স্বাস্থ্যখাতে একটি যুগান্তকারী অর্জন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রোগীরা উপকৃত হবেন। দেশে জটিল সার্জারির ক্ষেত্রে নবদিগন্তের সূচনা হলো। শুরুতে ইউরোলজিক্যাল জটিল সার্জারি সেবা প্রদান করা হলেও পর্যায়ক্রমে সকল ধরনের জটিল জটিল সার্জারি সেবা প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে চীনের সহায়তায় রোবটিক ফিজিওথেরাপি রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। আগামীতে রোবটিক সার্জারির মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ চিকিৎসাসেবা যুক্ত করা হবে। চীনের কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটির এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে জটিল সার্জারি, ট্রেনিং প্রোগ্রাম, ফ্যাকাল্টি এক্সচেঞ্জ, চিকিৎসাসেবা ও মেডিকেল শিক্ষায় পারস্পরিক জ্ঞানের জ্ঞানের আদান-প্রদান হবে যা বিএমইউর শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্টদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, চীনের কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটি ইউরোলজি বিষয়ের অধ্যাপক লি জিয়ংমিং, কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটির পরিচালক অধ্যাপক লি ওয়েনলিয়াং, ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক হি ইয়ংওয়েন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
১৩৫ দিন আগে
আনসার-ভিডিপির ভূমিকার প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর; উন্নয়নে সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের দেশপ্রেম এবং পেশাদারত্বের প্রশংসা করেছেন। এ বাহিনীর উন্নয়নের জন্য সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তারা শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বাহিনীর চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আনসার ও ভিপিডির সদস্যদের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং জনগণের স্বার্থে অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তিনি বাহিনীর প্রতি নির্দেশ দেন, জাতীয় শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে জনগণের সেবা যেন তারা অব্যাহত রাখেন।
এ সময় আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাহিনীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুলে ধরেন।
রুমন জানান, আনসার ও ভিপিডির চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা যেন সর্বদা প্রস্তুত থাকেন সে ব্যাপারে বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান তিনি।
১৮৪ দিন আগে
প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আনসাররা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়েছিল, আনসাররা সে সময় তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে। সে সময় তারা দূতাবাস, বিমানবন্দর ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সেজন্য নিঃসন্দেহে তারা সাধুবাদ ও প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।
রবিবার সকালে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটায় অবস্থিত ১৯ আনসার ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত দরবারে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, অঙ্গীভূত আনসারদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। ব্যাটালিয়ন ও অঙ্গীভূত আনসার উভয়েই তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে।
আরও পড়ুন: এবারের দুর্গাপূজায় প্রায় দ্বিগুণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ভবিষ্যতে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আরও ভালোভাবে পালন করার জন্য নির্দেশনা দেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব সন্তোষজনক না হলেও উন্নতির দিকে রয়েছে। আরও উন্নতির অবকাশ রয়েছে। সেখানে আনসার বাহিনীরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।’
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সম্পর্কে উপদেষ্টা বলেন, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীতে সংঘটিত বন্যা এবং চলমান ময়মনসিংহ ও শেরপুরের বন্যা পরিস্থিতির কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। কুমিল্লা দেশের অন্যতম বৃহৎ সবজি উৎপাদনকারী জেলা। বন্যার কারণে এ উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সবজির দাম বেড়েছে।
রাজশাহীর নওহাটা ও খড়খড়ি বাজার পরিদর্শন করে বিভিন্ন দ্রব্যমূল্যের খোঁজখবর নেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। বাজারে যাতে সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি না থাকে, সে ব্যাপারে তিনি উপস্থিত ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি। কেউ চাঁদাবাজি করলে তৎক্ষণাৎ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।
এছাড়াও রাজশাহী মহানগরীর আমচত্বরে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) আঞ্চলিক সার সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
আরও পড়ুন: দশমী পর্যন্ত সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
৬৮৪ দিন আগে
উপজেলা নির্বাচন: কেন্দ্রে থাকবে সর্বোচ্চ পুলিশ-আনসার
উপজেলা নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে এবার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।
একই সঙ্গে প্রতিটি ইউনিয়নে নিয়োগ দেওয়া হবে ম্যাজিস্ট্রেট।
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ ও আনসারের সমন্বয় ১৭ থেকে ১৮ জনের দল নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো উপজেলা নির্বাচনেও জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ জানানো যাবে।
আরও পড়ুন: উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিএনপির আরও ৩ নেতাকে বহিষ্কার
সোমবার (২৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভা শেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের সিদ্ধান্তগুলো জানান।
সিদ্ধান্ত তুলে ধরে তিনি বলেন, সাধারণ ভোটকেন্দ্রসমূহে নির্ধারিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য আগে যা ছিল, সেটা থেকে যথেষ্ট পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। এখন প্রতিটি সেন্টারে অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবে তিনজন, অস্ত্রসহ আনসারের পিসি এপিসিসহ থাকবে তিনজন, মোট ছয়জন অস্ত্রধারী সদস্য থাকবেন। প্রতিটি বুথ ম্যানেজমেন্টের জন্য কমপক্ষে ১০ জন আনসার থাকবে। ছয়টির বেশি বুথ যেখানে আছে সেখানে অতিরিক্ত একজন করে থাকবেন।
সিনিয়র সচিব বলেন, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রসহ পুলিশ সদস্য থাকবেন চারজন, অস্ত্রসহ আনসার সদস্য থাকবেন তিনজন, মোট ১৭ থেকে ১৮ জন ফোর্স মোতায়েন থাকবে।
তিনি বলেন, ভোটের দিন ব্যালট পেপার পৌঁছানো হবে। মোবাইল ফোর্স, স্টাইকিং ফোর্স ভোরেই ব্যালট পেপার পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত থাকবে। ব্যালট পেপার সেন্টারে পৌঁছানোর পর তাদের এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করা হবে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার, রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে সেটা করা হবে। সেভাবেই তারা দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। প্রতিটি উপজেলায় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। আচরণবিধি মানা হচ্ছে কি না সেটা দেখভালের জন্য ভোটের দুদিন আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পরে দুদিন তারা থাকবেন।
আরও পড়ুন: উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ৭৩ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি
তিনি বলেন, আমাদের স্ট্রাইকিং ফোর্স বা মোবাইল ফোর্স থাকবে গড়ে প্রতি পাঁচটি সেন্টারের জন্য একটি আনসার, পুলিশ, বিজিবি র্যাব ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে। উপকূলীয় এলাকাগুলোতে বিজিবির পরিবর্তে কোস্টগার্ড দায়িত্ব পালন করবে। পার্বত্য এলাকার কিছু দুর্গম কেন্দ্রে প্রতি বছরের মতো এ বছরও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ভোটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং ভোটের উপকরণ পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এই পর্যন্ত গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী সেরকম কোনো সহিংসতার খবর নেই। তারপরও আমাদের প্রতিটি বাহিনী সতর্ক থাকবে। সুষ্ঠু ভোটের জন্য যা যা করণীয় তা করা হবে।
সব বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি সমন্বয় সেল হবে জানিয়ে সিনিয়র সচিব বলেন, গত সংসদ নির্বাচনের আদলে সব ধরনের নির্বাচনসংক্রান্ত অভিযোগ ৯৯৯-এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে এটি ম্যানেজ করা হবে। প্রতিটি অভিযোগ আসার পর থেকে এটি কীভাবে নিষ্পত্তি হলো, কে এটি দেখল- সবকিছু ট্র্যাকিং থাকবে এবং একটি টিম এখানে বসে দেখভাল করবে।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রতি ভোটের দুই দিন আগে, ভোটের দিন, ভোটের পরের দিনসহ মোট চার দিন আমাদের এই সমন্বয়ে সেল থাকবে।
আরও পড়ুন: সংসদ নির্বাচনের মতো উপজেলারটাও বিশ্বাসযোগ্য হবে: ইসি আনিছুর
৮৫৮ দিন আগে
বিজয় দিবস হ্যান্ডবল: বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি দল বিজয়ী
শহীদ মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে বিজয় দিবস হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট-২০২৩ এর পুরুষ ও নারী উভয় খেলায় বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি দল বিজয়ী হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে পুরুষদের গ্রুপের খেলায় আনসার ও ভিডিপি দল টিম হ্যান্ডবল, ঢাকাকে ৫২-১৮ গোলে পরাজিত করে এবং বিকেলে পুরুষদের অন্য প্রতিযোগিতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের আইডিয়াল হ্যান্ডবল গার্ডেনকে ৪০-১৪ গোলে পরাজিত করে।
আরও পড়ুন: জাল্লিকাট্টুর অনুমতি দিল ভারতের উচ্চ আদালত, প্রাণী অধিকার গোষ্ঠীর সমালোচনা
নারীদের প্রতিযোগিতায় আনসার ও ভিডিপি দল মঙ্গলবার সকালে বাদলগাছি হ্যান্ডবল অ্যাসোসিয়েশনকে ৫৫-১২ গোলে পরাজিত করে।
পুরুষদের প্রতিযোগিতায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ৪৫-২৬ গোলে বাংলাদেশ পুলিশ হ্যান্ডবল ক্লাবকে পরাজিত করে এবং নারীদের প্রতিযোগিতায় টিএইচটি লায়ন্স, জামালপুর ৪৩-২৯ গোলে হ্যান্ডবল ট্রেনিং সেন্টার ঢাকাকে পরাজিত করে।
আরও পড়ুন: সিলেটে ১২০০ দৌড়বিদ নিয়ে হাফ ম্যারাথন অনুষ্ঠিত
মহিলা ফিদে রেটিং দাবা: রাউন্ড-৩-এর পর শীর্ষস্থানে চার খেলোয়াড়
৯৯০ দিন আগে
গ্রেপ্তার-তল্লাশির ক্ষমতা আনসারদের দেওয়ার সরকারের উদ্যোগ প্রত্যাখান বিএনপির
সন্দেহভাজন অপরাধীদের গ্রেপ্তারের মতো কিছু পুলিশি ক্ষমতা আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যদের দিয়ে সাজানোর সরকারের পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে বিএনপি।
মঙ্গলবার(২৪ অক্টোবর) নতুন প্রবর্তিত আইন আনসার ব্যাটালিয়ন বিল-২০২৩ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
সোমবার সংসদে উত্থাপিত বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'গতকাল (সোমবার) সংসদে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। এটি কেবল গুরুতর উদ্বেগের কারণ নয়, আতঙ্কের বিষয়ও। এভাবেই তারা (সরকার) সমগ্র রাষ্ট্রব্যবস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করছে।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সারা বিশ্বে পুলিশই একমাত্র সংস্থা, যার অপরাধীদের গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা রয়েছে। ‘কিন্তু আনসার, যাদের মৌলিক প্রশিক্ষণও নেই, তাদের এখানে (বাংলাদেশে) সেই ক্ষমতা দেওয়া হবে।’
আরও পড়ুন: শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে: ফখরুল
বিএনপির এই নেতা বলেন, পুলিশিং একটি ভিন্ন বিষয় এবং বাহিনীটি বিভিন্ন আইন, বিধি এবং ভিন্ন আচরণবিধির অধীনে পরিচালিত হয়।
তিনি বলেন, আনসার বাহিনীর ভূমিকা ও কার্যক্রম ভিন্ন এবং এটি একটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান তার শাসনামলে আনসার বাহিনীর আধুনিকায়ন করেছিলেন।
বিএনপি নেতা অভিযোগ করেন, সরকার আনসার ব্যাটালিয়ন বিল-২০২৩ এনেছে বাহিনীকে রাজনীতিকরণের অংশ হিসেবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা এর নিন্দা জানাই এবং একই সঙ্গে বিলটি প্রত্যাহারের দাবি জানাই। আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি যে এই বিলটি কোনোভাবেই পাস করা হবে না।’
বাংলাদেশ পুলিশের মতো অপরাধীদের আটক, দেহ তল্লাশি ও মালামাল জব্দের ক্ষমতা আনসার ব্যাটালিয়নকে দিয়ে একটি খসড়া আইন জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।
সংসদে কিছু বিরোধী দলীয় সদস্য বিলটির বিরোধিতা করে বলেছিলেন যে এটি বাংলাদেশ পুলিশের সমান্তরাল বাহিনী হিসাবে আনসার তৈরি করতে পারে।
বিদ্রোহ, বিদ্রোহে উস্কানিসহ বিভিন্ন অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে বিতর্কিত বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীরিক্ষা কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। চলতি সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাস হলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনসার সদস্যরা তাদের নতুন ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।
আরও পড়ুন: সিসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া
১০৪৬ দিন আগে
ঢাকায় জামায়াতুল আনসার ফিল হিন্দাল শরকিয়ার প্রতিষ্ঠাতাকে গ্রেপ্তার
কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) সদস্যরা জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল আনসার ফিল হিন্দাল শরকিয়ার প্রতিষ্ঠাতা শামিন মাহফুজ ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার ঢাকার ডেমরা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: আদালত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া জঙ্গি সোহেলের স্ত্রী গ্রেপ্তার
এ সময় গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।
শনিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরবেন।
আরও পড়ুন: ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শরকিয়া’-এর ২৬ সদস্য গ্রেপ্তার: র্যাব
১১৬৮ দিন আগে
সরকার বিদেশি মিশনে আনসারদের মাধ্যমে বিকল্প সুবিধা দেবে: পররাষ্ট্র সচিব
পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, চার কূটনীতিকের জন্য 'অতিরিক্ত নিরাপত্তা এসকর্ট' প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ায় বিকল্প হিসেবে সরকার ঢাকায় অবস্থিত বিদেশি মিশনগুলোতে আধাসামরিক সহায়ক বাহিনী আনসারের সেবা দেবে।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, তারা কি ধরনের নিরাপত্তা সুবিধা দিতে পারবে তা জানতে এবং এই সেবা নিতে ইচ্ছুক মিশনগুলোর সঙ্গে যাতে সংযোগ স্থাপন করতে পারে সে বিষয়ে তারা বুধবার আনসার মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা আনসারের সঙ্গে কথা বলব এবং মিশনগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাব।’ অতিরিক্ত এসকর্ট প্রধানত ট্র্যাফিক ক্লিয়ারেন্সের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল বলে জানান তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় স্বাগতিক দেশ হিসেবে সরকার দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত এবং বিদেশি মিশন ও তাদের কর্মীদের জন্য নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদার করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র
মোমেন বলেন, তারা দেশে কোনো নিরাপত্তা ঘাটতি ও জঙ্গিবাদ দেখছেন না এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন যে পুলিশ কর্মীদের অভাব বা সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
কূটনীতিকদের গাড়িতে পতাকা ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি এমন একটি বিষয় যা মূলত ব্যক্তির বিবেচনার ওপর নির্ভর করে এবং তিনি মনে করেন যে কূটনীতিকরা কোথায় পতাকা ব্যবহার করবেন বা করবেন না তা তারা বুঝবেন।
কূটনীতিক হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মোমেন বলেন, নিউইয়র্কে থাকার সময় পতাকা ব্যবহারের কোনো ব্যবস্থা ছিল না, কিন্তু অনেক দেশেই রাষ্ট্রীয় কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় পতাকা ব্যবহার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি যদি কোনো মার্কেটে বা কোনো সহকর্মীর ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে যাই তবে আমি সেই সময় পতাকাটি ব্যবহার করব না। এটা ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে।’
এর আগে সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘তারা (বিদেশি মিশনগুলো) চাইলে অর্থ প্রদানের মাধ্যমে তা পেতে পারে। আমরা করদাতাদের টাকা দিয়ে এই অতিরিক্ত (নিরাপত্তা) এসকর্ট সার্ভিস দেব না।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘উন্নত দেশগুলোতে কোনো সরকারই এ ধরনের অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা দেয় না।’
মন্ত্রী বলেছেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো অবনতি হয়নি যে এ ধরনের সেবা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: স্বাগতিক দেশকে অবশ্যই কূটনৈতিক কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে: মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট
যুক্তরাষ্ট্র বলেছে যে তাদের কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপপ্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল ১৫ মে (মার্কিন সময়) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমি মার্কিন দূতাবাস বা এর কর্মীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিশদ বিবরণে কথা বলতে চাচ্ছি না।’ তবে কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিয়েনা কনভেনশন অনুসারে, যে কোনও দেশকে অবশ্যই সব কূটনৈতিক মিশন প্রাঙ্গণ ও এর কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বাধ্যবাধকতাগুলো মেনে চলতে হবে এবং কর্মীদের ওপর কোনও আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য কার্যকর সব পদক্ষেপ নিতে হবে।
ঢাকায় মার্কিন ও যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতসহ বেশ কয়েকজন বিদেশি কূটনীতিককে অতিরিক্ত নিরাপত্তা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর প্যাটেল এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী নির্বিশেষে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদার করতে আগ্রহী।
আরও পড়ুন: কাতার ইকোনমিক ফোরামে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর
১২০৭ দিন আগে
গ্রামের মানুষকে চাষাবাদের কাজে সাহায্য করুন: আনসার ও ভিডিপি’র সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনসার ও ভিডিপি’র সদস্যদেরকে বলেছেন, গ্রামের মানুষকে চাষাবাদের কাজে সাহায্য করুন।
রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাজীপুরের সফিপুরে আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির ৪৩তম জাতীয় সম্মেলন-২০২৩-এ প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আর কখনো পেছনে ফিরে তাকাবে না এবং উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, এ দেশ আর কখনো পেছনে ফিরে তাকাবে না… আমাদের দেশ হবে 'স্মার্ট বাংলাদেশ'। আমরা ‘সোনার বাংলা'পাব।’
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে আনসার ভিডিপির প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ
তিনি আরও বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। আজ বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে এবং আমরা আরও এগিয়ে যেতে চাই। আমরা আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’
শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষ কারও কাছে ভিক্ষা চাইবে না। করোনা মহামারি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্থনীতির ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ কেবল বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী মন্দা সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করার আহ্বান জানাচ্ছি… আবাদি জমির এক ইঞ্চিও অব্যবহৃত রাখবেন না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সে জন্য আনসার ও ভিডিপি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। তারা গ্রামের লোকদের সাহায্য করতে পারে এবং তাদের ফসল উৎপাদন ও সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন চাষাবাদের কাজে নিযুক্ত করতে পারে। আমি আশা করি আপনারা অবদান রাখবেন।’
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম আমিনুল হক প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১৮০ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্যের হাতে পদক তুলে দেন।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু ফেডারেশন কাপ হ্যান্ডবল: টিম হ্যান্ডবল ঢাকাকে হারাল আনসার ও ভিডিপি
১৩০০ দিন আগে