জঙ্গি
আফগান সীমান্তে হামলায় ৭০ জঙ্গিকে হত্যার দাবি পাকিস্তানের
আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের বিমান হামলায় অন্তত ৭০ জঙ্গি নিহতের দাবি করেছে ইসলামাবাদ। এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে সংকটের মুখে পড়েছে।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় এ বিমান হামলা চালানো হয়।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী জানান, দেশের ভেতরে সাম্প্রতিক হামলার জন্য দায়ী পাকিস্তানি জঙ্গিদের আস্তানাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। তবে কাবুল এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
জিও নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তালাল চৌধুরী অন্তত ৭০ জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে জানান। তবে সে সময় তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। পরে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮০ জন হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
অপরদিকে, আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, পূর্ব আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিকা প্রদেশের বিভিন্ন বেসামরিক এলাকা লক্ষ্য করে পাকিস্তান হামলা চালিয়েছে। এতে একটি মাদরাসা ও একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা এ হামলাকে আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে।
আফগান সরকারের মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, হামলায় নারী ও শিশুসহ বহু মানুষ হতাহত হয়েছে। তবে পাকিস্তানের ৭০ জন জঙ্গি নিহতের দাবি সঠিক নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
নানগারহার প্রদেশে আফগান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিচালক মাওলভি ফজল রহমান ফাইয়াজ জানান, এ বিমান হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
পুনরায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের সতর্কবার্তা
রবিবার রাতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি জানান, আফগান সীমান্তে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জনগণকে রক্ষার জন্য সাম্প্রতিক এ অভিযান চালানো হয়েছে। কাবুলকে বারবার সতর্ক করার পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে জারদারি সতর্ক করে বলেছিলেন, তালেবান নেতৃত্বধীন সরকার এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছে যা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার আগের সময়ের মতো বা তার চেয়েও খারাপ।
এক বিবৃতিতে জারদারি জানান, পাকিস্তান কেবল সীমান্তবর্তী আস্তানায় হামলা চালিয়ে সংযম দেখিয়েছে। তবে পাকিস্তানের ভেতরে হামলার জন্য দায়ীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন। পাকিস্তানি নাগরিকদের নিরাপত্তা হলো সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এতে কোনো আপস নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি ।
এ ঘটনার পর পাকিস্তানের হামলার প্রতিবাদে কাবুলে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা জানায়, দেশের ভূখণ্ড রক্ষা করা ইসলামিক আমিরাতের শরিয়াভিত্তিক দায়িত্ব এবং এ ধরনের হামলার পরিণতির দায় পাকিস্তানকেই নিতে হবে।
রবিবার নানগারহারে বিমান হামলার ধ্বংসস্তূপ সরাতে দেখা যায় স্থানীয়দের। সে সময় নিহতদের দাফনের প্রস্তুতিও চলছিল।
স্থানীয় নেতা হাবিব উল্লাহ অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানান, নিহতরা জঙ্গি ছিল না। তারা দরিদ্র সাধারণ মানুষ ছিল। যারা নিহত হয়েছে তারা তালেবান, সামরিক বাহিনীর সদস্য বা সাবেক সরকারের কেউ নয়। তারা গ্রামে সাধারণ জীবনযাপন করত।
এর আগে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এক্স পোস্টে জানিয়েছেন, পাকিস্তানি তালেবান (টিটিপি) ও তাদের সহযোগী সংগঠনের ৭টি আস্তানায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাছাই করে অভিযান চালানো হয়েছে। এ অভিযানে ইসলামিক স্টেটের একটি সহযোগী সংগঠনকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অঞ্চলজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পাকিস্তান সব সময় চেষ্টা করেছে, তবে পাকিস্তানি নাগরিকদের নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হবে।
১০ দিন আগে
মালয়েশিয়া ফেরত ৩ বাংলাদেশি জঙ্গি নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে ফেরত পাঠানো তিনজন বাংলাদেশি জঙ্গি নয়, বরং তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল।
রবিবার (৬ জুলাই) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রপ্তানি কার্গো ভিলেজ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নেই। মালয়েশিয়া থেকে যাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে তাদের সঙ্গেও জঙ্গিবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’
মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধানের বিবৃতি উপদেষ্টা বলেন, ‘তারা ফেরত পাঠানো বাংলাদেশিদের জঙ্গি বলেছে কিনা সে ব্যাপারে আমার জানা নেই। মালয়েশিয়া থেকে অফিশিয়ালি আমাদের কিছু জানানো হয়নি। ইতোমধ্যে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিয়ে একটি বিবৃতিও দিয়েছে।’
গত ১০ মাসে দেশে জঙ্গিবাদের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিবাদ দূর করা গেছে বলে জানান তিনি।
এর বাইরে বিমানবন্দরের রপ্তানি কার্গো ভিলেজ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, এনবিআরের নানা ঝামেলার কারণে এ কয়দিন রপ্তানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে যারা বিদেশে কৃষিপণ্য রপ্তানি করে তারা বিপাকে পড়েছেন।
নতুন টার্মিনালে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে হিমাগার সুবিধা রাখা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শাক-সবজির মতো কৃষিপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধিতে এবং পণ্য লোডিংয়ের আগে হিমাগার সুবিধা বিস্তৃত করতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।
এ সময় এক পণ্যের ওপর নির্ভর না করে রপ্তানি বাণিজ্য বিস্তৃত করার ওপর জোর দেন উপদেষ্টা।
২৪২ দিন আগে
শিবির-ছাত্রদল, বিএনপি ও জামায়াত জঙ্গি, কোটা সংস্কার ইস্যু ছিল না: প্রধানমন্ত্রী
ছাত্রশিবির, ছাত্রদল, বিএনপি ও জামায়াতের জঙ্গি কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তারা জাতিকে হেয় প্রতিপন্ন করছে।
সোমবার (২৯ জুলাই) সরকারি বাসভবন গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'শিবির, ছাত্রদল, বিএনপি ও জামায়াত হচ্ছে জঙ্গি, যারা বাংলাদেশের ওপর তাদের থাবা বসিয়েছে।’
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এগুলো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, জঙ্গিবাদের কাজ।
আরও পড়ুন: ক্ষতিগ্রস্ত মেট্রোরেল স্টেশন মেরামতে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকারের সাফল্য তুলে ধরে বলেন, এ ধরনের অগ্রগতি দেশের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেছে। তিনি বলেন, 'আমাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে মর্যাদাশালী করেছি।’
প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কারের সঙ্গে সাম্প্রতিক অস্থিরতার সম্পর্ককে প্রত্যাখ্যান করে এর সঙ্গে থাকা অসৎ উদ্দেশ্যকে দায়ী করেন। তিনি বলেন,‘তাদের অসৎ উদ্দেশ্য দৃশ্যমান ছিল, কোটা সংস্কার মোটেও কোনো ইস্যু ছিল না।’
সরকারি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য 'জঙ্গিদের' সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা। জনগণকে সেবা ও সুবিধা প্রদানকারী কাঠামো ধ্বংস করা তাদের উদ্দেশ্য ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: সহিংসতায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার অঙ্গীকার শেখ হাসিনার
৫৮৪ দিন আগে
পাকিস্তানে পৃথক অভিযানে ৯ জঙ্গি নিহত
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর দুটি পৃথক অভিযানে ৯ জঙ্গি নিহত হয়েছে।
সোমবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী খাইবার প্রদেশের খাইবার ও লাক্কি মারওয়াত জেলায় অভিযান চালিয়েছে।
প্রথম অভিযানে খাইবার জেলার তিরাহ এলাকায় দুই কমান্ডারসহ সাত জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়।
অভিযানে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরকও উদ্ধার করা হয়।
আইএসপিআর জানায়, নিহতরা অসংখ্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল এবং নিরাপত্তা বাহিনী তাদের খুঁজছিল।
আরেকটি অভিযানে লাক্কি মারওয়াত জেলায় দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে।
ওই এলাকা জঙ্গিমুক্ত করতে অভিযান চলমান জানিয়ে আইএসপিআরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী।
৬১১ দিন আগে
জঙ্গি সংগঠন ‘আল্লাহর দল’ এর ৫ সদস্য গ্রেপ্তার
নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আল্লাহর দল’-এর পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ)। এ সময় তাদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন সেট ও দলের কাগজপত্র জব্দ করা হয়।
রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকাল পৌনে ৪টার দিকে কুমিল্লার দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া সাকিন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
নাশকতার অভিযোগ: ২৮ অক্টোবর থেকে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ৭২১
গ্রেপ্তারেরা হলেন- চাঁদপুরের মশিউর রহমান ওরফে রাসেল (৩৭), কুমিল্লার আবু সুফিয়ান (২০), কুমিল্লার সালাউদ্দিন (৪৩), ফেনীর আলাউদ্দিন (৩১) ও জুলহাস হোসেন (২৫)।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকাল পৌনে ৪টার দিকে দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া সাকিন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটটি মোবাইল ফোন সেট ও দলের কাগজপত্র জব্দসহ তাদের আটক করা হয়।
তারা সবাই ‘আল্লাহর দল’-নামক জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় সদস্য।
এতি আরও বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: হিযবুত তাহরীরের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার
২৮ অক্টোবরে মহাসমাবেশ থেকে চট্টগ্রামের বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার, কারাগারে মৃত্যু
৮৩০ দিন আগে
বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যেই প্রমাণ হয় তারা জঙ্গিদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক: তথ্যমন্ত্রী
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য উদ্ধৃত করে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড.হাছান মাহমুদ বলেন, তারাই জঙ্গিদের মূল পৃষ্ঠপোষক।
তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় কয়েকজন জঙ্গি আটকের পর মির্জা ফখরুল সাহেব বললেন- মানুষের দৃষ্টি ভিন্নখাতে নেওয়ার জন্য না কি এই জঙ্গি নাটক সাজানো হয়েছে। এতেই প্রমাণিত হয় বিএনপি মহাসচিবসহ বিএনপির নেতারা জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রধান পৃষ্ঠপোষক।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বিএনপি মহাসচিবের এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা জঙ্গি দমন করেছি, আমরা জঙ্গি নির্মূল করতে পারতাম যদি তারা জঙ্গিগোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা না করত।’
আরও পড়ুন: ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায় বিএনপি ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
সোমবার দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম’ আয়োজিত ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা’য় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও ডেইলি অবজারভার পত্রিকার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সরকার যখন কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছিল, অনেক জঙ্গি আটক হচ্ছিল, তখন বেগম জিয়া বলেছিলেন যে, কিছু মানুষকে ধরে নিয়ে কিছু দিন আটক করে রাখার পর যখন চুলদাড়ি লম্বা হয় তখন তাদের জঙ্গি আখ্যা দেওয়া হয়। সে কারণেই তারা যখন ক্ষমতায় ছিল তখন পাঁচশ’ জায়গায় বোমা ফেটেছিল। শায়খ আব্দুর রহমান, বাংলা ভাইয়ের উৎপত্তি হয়েছিল এবং জঙ্গিদের দিয়ে হাওয়া ভবন তৈরি ও ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটিয়েছিল।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে দেশ যখন অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি ও তাদের দোসররা তখন নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তারা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করে লবিস্ট নিয়োগ করেছিল, মাঝে মধ্যে দু-একটা বিবৃতিও এনেছিল। কংগ্রেসম্যানদের বিবৃতি নিয়ে আমেরিকার হোয়াইট হাউজে যখন প্রশ্ন করা হলো, তারা বলল এ বিষয়ে তারা কিছু জানেন না। অথচ এই চিঠি লেখার পেছনে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে।’
তিনি আরও বলেন, এখন স্পষ্ট হয়ে গেছে, এই ষড়যন্ত্র করে, বিদেশিদের পেছনে এত ছুটে কোনো লাভ হয়নি। সে কারণে বিএনপি এখন ভিন্ন সুরে কথা বলা শুরু করেছে। বিএনপির দাবি কেউ সমর্থন করেনি। এ জন্য বিএনপির সুর এখন ভিন্ন। এখন তারা বলছে ভারত কী বলল আসে যায় না, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কী বলল আসে যায় না, যুক্তরাজ্য কী বলল আসে যায় না, চীন কী বলল আসে যায় না।’
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওমর ফারুক, সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, সাবেক মহাসচিব আব্দুল জলিল ভুঁইয়া, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।
আরও পড়ুন: খাদের কিনারে বিএনপি, নির্বাচন বর্জন করলেই পতন: তথ্যমন্ত্রী
৯৩৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে নতুন জঙ্গি সংগঠনের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে চার জঙ্গিকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে র্যাব। গ্রেপ্তারকৃতরা নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র সদস্য বলে জানায় র্যাব। মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে পটিয়া বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার চার জঙ্গি হলেন- হোসাইন আহমদ (২২), নিহাল আব্দুল্লাহ (১৯), আল আমিন (২২) এবং আল আমিন ওরফে পার্থ কুমার দাস (২১)। এদের মধ্যে হোসাইন আহমদের বাড়ি পটুয়াখালীর দশমিনায়, নিহাল ও আল আমিনের কুমিল্লার সদরে এবং আল আমিন ওরফে পার্থের বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়ায়।
তারা জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে কথিত হিজরতের নামে পার্বত্য চট্টগ্রামের গহীনে সশস্ত্র প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া নিয়েছিল বলে র্যাবের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
বুধবার (১ মার্চ) সকালে নগরের চান্দগাঁও র্যাব-৭ মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, গত বছরের ২৩ আগস্ট কুমিল্লা সদর এলাকা থেকে ৮ জন তরুণ নিখোঁজের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পরিবার কুমিল্লার কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। নিখোঁজ তরুণদের উদ্ধারে অভিযান চালাতে গিয়ে ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ নামে একটি নতুন জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় থাকার তথ্য পায়।
আরও পড়ুন: রাঙ্গামাটিতে জঙ্গি দমন অভিযান: ৪৪ ‘জঙ্গি’ কারাগারে, ৫ কেএনএফ সদস্য রিমান্ডে
একইসঙ্গে, ওই সংগঠনের সদস্যরা পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের সহায়তায় সশস্ত্র প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার কথাও জানতে পারে র্যাব।
পরে পার্বত্য এলাকায় অভিযান চালিয়ে গত বছরের ২০ অক্টোবর রাঙামাটির বিলাইছড়ি ও বান্দরবানের রোয়াংছড়ি থেকে নতুন এই জঙ্গি সংগঠনের ৭ জন ও পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের ৩ জনসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব বিভিন্ন সময়ে রাঙামাটি ও বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়।
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন আরও বলেন, চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি বান্দরবানের থানচি ও রোয়াংছড়ি থেকে পাহাড়ে প্রশিক্ষণরত ৫ সদস্যকে, ২৩ জানুয়ারি কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা থেকে ওই সংগঠনের শূরা সদস্য ও সামরিক শাখার প্রধান রনবীর ও বোমা বিশেষজ্ঞ বাশারকে, ৭ ফেব্রুয়ারি বান্দরবানের থানচির রেমাক্রী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি ও বিদেশি অস্ত্র, বোমা তৈরির সরঞ্জামাদি, গোলাবারুদ ও নগদ ৭ লাখ টাকাসহ জঙ্গি সংগঠনের ১৭ জন, পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের ৩ জনসহ মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে র্যাবের পরিচালিত অভিযানে ইতোমধ্যে নতুন এই জঙ্গি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাসহ সর্বমোট ৫৫ জন এবং পাহাড়ে অবস্থান, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কার্যক্রমে জঙ্গিদের সহায়তার জন্য পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘কেএনএফ’র ১৭ জন নেতা ও সদস্যকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।
আরও পড়ুন: জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল আনসারের নায়েবে আমির গ্রেপ্তার: সিটিটিসি
বান্দরবানে র্যাবের সঙ্গে গোলাগুলি, ৫ জঙ্গি আটক
১১০০ দিন আগে
জঙ্গি উত্থান ঠেকাতে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেছেন, জঙ্গিদের উত্থান ও তাদের তৎপরতা ঠেকাতে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে।
তিনি বলেন, ‘পুলিশ পলাতক জঙ্গিদের গ্রেপ্তারে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা অনেক জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি এবং আমরা শিগগিরই অবশ্যই পলাতকদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।’
পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২৩ উপলক্ষে বুধবার পুলিশ স্টাফ কলেজে এক অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখনও জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে পারিনি, তবে আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ভালোভাবে কাজ করছে, আর সে কারণেই জঙ্গিবাদ এখনও নিয়ন্ত্রণে আছে।’
সদ্য সমাপ্ত একুশে বইমেলায় বোমা হামলার হুমকির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রায়ই এ ধরনের হুমকি পাই এবং আমরা ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিই।
আরও পড়ুন: নির্বাচনকালীন পুলিশ নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা সম্পর্কে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা প্রচার-প্রচারণা ও অন্যান্য কাজে নিয়োজিত হয়। আমরা অনেক দিন ধরেই দেখছি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সক্রিয় রয়েছে। আমি মনে করি, নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার কোনো কারণ নেই।’
দায়িত্ব পালনকালে নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে বাংলাদেশ পুলিশের সকল মেট্রোপলিটন, রেঞ্জ এবং জেলা ইউনিটে ১ মার্চ পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালিত হয়।
নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে বিলম্ব ও হয়রানির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব দেয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসবে।
আরও পড়ুন: আন্দোলনের নামে ঢাকার রাজপথ দখলের চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে ডিসিদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
১১০০ দিন আগে
বান্দরবানে র্যাবের সঙ্গে গোলাগুলি, ৫ জঙ্গি আটক
বান্দরবানের থানচির রেমাক্রির নতুন ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকায় পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের সঙ্গে র্যাবের গুলি বিনিময় হয়েছে। এই অভিযানে পাঁচ জঙ্গিকে আটক করেছেন র্যাব সদস্যরা। এ সময় গোলাগুলির ঘটনায় র্যাবের আট সদস্য আহত হন।
মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে থানচিতে স্থানীয় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান র্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন।
তিনি বলেন, নতুন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) ও নব্য জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার জঙ্গি সদস্যরা একটি ক্যাম্পে অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রি প্রাংসা এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব।
আরও পড়ুন: বান্দরবানে জঙ্গি বিরোধী অভিযানে ১২ জঙ্গি ও ১৪ কেএনএফ সদস্য গ্রেপ্তার: র্যাব
এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়ে জঙ্গি ও কেএনএফ সদস্যরা। আত্মরক্ষার্থে র্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়লে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও বলেন, এ সময় জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার পাঁচ জঙ্গিকে আটক করতে সক্ষম হয় র্যাব।
এ সময় জঙ্গিদের ছোড়া গুলিতে আহত হন র্যাবের ৮ সদস্য। পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিদের ধরতে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, গত বছরের ২৩ অক্টোবর থেকে জঙ্গি ও তাদের প্রশ্রয়দাতা বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছে র্যাব। অভিযানে এখন পর্যন্ত জঙ্গি সংগঠনের ৪২ সদস্য এবং কেএনএফের ১৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ইতোপূর্বে গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: জেএমবি সদস্যদের সঙ্গে কারাগারে দেখা হওয়ার পর জঙ্গি নেতা হয়ে ওঠেন ডাকাত
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি, অস্ত্রসহ ২ জঙ্গি গ্রেপ্তার: র্যাব
১১২২ দিন আগে
মুম্বাই হামলায় জড়িত পাকিস্তানিকে সন্ত্রাসী ঘোষণা জাতিসংঘের
মুম্বাইতে ২০০৮ সালের সন্ত্রাসী হামলায় ১৬৬ জনের প্রাণহানির ঘটনায় পাকিস্তানে বন্দি থাকা একজন ভারত-বিরোধী জঙ্গিকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসাবে ঘোষণা করেছে জাতিসংঘ।
পাকিস্তানি নাগরিক আবদুল রেহান মক্কিকে সন্ত্রাসী ঘোষণার একদিন পর মঙ্গলবার প্রতিবেশী ভারত স্বাগত জানিয়েছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে যে ইসলামিক সম্প্রদায় নিজেই সন্ত্রাসের শিকার এবং পাকিস্তান জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সন্ত্রাসবিরোধী প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে।
নিষিদ্ধ লস্কর-ই-তৈয়বা গ্রুপের ৬৮ বছর বয়সী মক্কী একজন সিনিয়র ব্যক্তিত্ব। যে গ্রুপ মূলত কাশ্মীরের বিতর্কিত হিমালয় অঞ্চলে সক্রিয়। তাকে ২০১৯ সালে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং সন্ত্রাসে অর্থায়নের অভিযোগে দু’টি পৃথক মামলায় নভেম্বর এবং ২০২০ সালের ডিসেম্বরে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে মর্টার বিস্ফোরণে নিহত ৪, নিখোঁজ ২০
মক্কিকে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কর্মকর্তারা বলেছেন যে তিনি এখনও কোনও ব্যাখ্যা না দিয়ে হেফাজতে রয়েছেন। মামলার সঙ্গে জড়িত একাধিক সরকারি কর্মকর্তার মতে, তাকে তার আপিলের জন্য পাঞ্জাবে আটক রাখা হয়েছে।
আল-কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেট চরমপন্থী এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার তত্ত্বাবধানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কমিটি কাউন্সিলের ১৫ সদস্যের অনুমোদনের পর মক্কিকে নিষেধাজ্ঞার কালো তালিকায় রাখে।
জাতিসংঘের মূল্যায়নের আওতায়, মাক্কির সম্পদ জব্দ করা যেতে পারে এবং তিনি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞারও সম্মুখীন হবেন।
মুম্বাই হামলার পরিকল্পনার জন্য অভিযুক্ত জঙ্গি নেতা হাফিজ সাঈদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় মক্কি। ৭২ বছর বয়সী সাইদ ৩১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন এবং ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ তাকে সন্ত্রাসী হিসেবে মনোনীত করেছিল।
পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন মুম্বাই হামলার জন্য মক্কির মতো সাঈদকে কখনও অভিযুক্ত করা হয়নি। তিনি লস্কর-ই-তৈয়বা’র প্রতিষ্ঠাতা, যেটিকে মুম্বাইয়ে হামলার জন্য ভারত দায়ী করেছিল।
চীন মক্কিকে যুক্ত করার ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করার পরে সোমবারের জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত এসেছে, যারা ২০১০ সালের নভেম্বর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল।
আরও পড়ুন: ১৯৭১ সালের পরাজয়কে ‘সামরিক ব্যর্থতা’ বললেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজধানী নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শ্রী অরিন্দম বাগচি মঙ্গলবার মক্কিকে সন্ত্রাসী হিসেবে মনোনীত হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য-সহনশীলতার দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য, যাচাইযোগ্য এবং অপরিবর্তনীয় পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে চাপ দিতে থাকবে।’
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মমতাজ জাহরা বালোচ বলেছেন, ‘পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের শিকার এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য বহুপক্ষীয় ফোরামসহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে।’
বেলুচ এক বিবৃতিতে বলেছেন যে ‘পাকিস্তান সবসময় জাতিসংঘের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী ব্যবস্থার অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের তালিকাভুক্তির নিয়ম, পদ্ধতি এবং প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়াগুলো কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।’
১৯৪৭ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর পাকিস্তান ও ভারতের তিক্ত সম্পর্কের ইতিহাস রয়েছে। কাশ্মীর নিয়ে তাদের তিনটি যুদ্ধের মধ্যে দু’টিতে লড়াই করেছে। যেটিতে তারা ওই এলাকাকে উভয়েই তাদের সম্পূর্ণরূপে নিজেদের দাবি করেছে।
আরও পড়ুন: তালেবানদের হাতে বন্দি কর্মকর্তাদের উদ্ধারে পাকিস্তানে অভিযান শুরু
১১৪২ দিন আগে