রাজনীতি
এনসিপি নতুন বন্দোবস্তের কথা বলে ‘নতুন ভণ্ডবস্তের’ রাজনীতি শুরু করেছে: রাশেদ খান
এনসিপি বাংলাদেশে নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতির কথা বলে আসলে ‘নতুন ভণ্ডবস্তের’ রাজনীতি শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, এনসিপি বাংলাদেশে নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতির কথা বলে আসলে ‘নতুন ভণ্ডবস্তের’ রাজনীতি শুরু করেছে।
তিনি বলেন, এনসিপির রাজনীতি এখন জামায়াতের পরামর্শে ও মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তিনি জামায়াতকে একটি ‘চালাক ও ধুরন্ধর দল’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং এনসিপিকে গঠনমূলক রাজনীতি করার পরামর্শ দেন।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি চিরতরে শেষ হয়ে গেছে এবং তা দিল্লিতে দাফন হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি না যে, আওয়ামী লীগ আর কখনও দেশের রাজনীতিতে ফিরতে পারবে।
এ সময় এনসিপির কিছু নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিনীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছেন বলে অভিযোগ করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, এনসিপি নেতা নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারীসহ অন্যান্য নেতারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এমপি ও মন্ত্রীদের গালিগালাজ করছেন। রাশেদ খান সতর্ক করে বলেন, এনসিপির নেতারা যদি রাজনীতির পরিবেশ নষ্ট করেন, তাহলে তার ‘উত্তম জবাব’ এবং জামায়াত-এনসিপির সব ষড়যন্ত্রের ‘দাঁতভাঙা জবাব’ দেওয়ার জন্য তারা প্রস্তুত আছেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রতিহিংসার রাজনীতি করেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন এবং দেশটা সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে গড়ার কথা বলছেন।
এর আগে, রাশেদ খান জেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় জেলা প্রশাসক নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক এমএ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতা ও সুধীজনরা। সভায় রাশেদ খান জেলার সার্বিক উন্নয়ন এবং মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ ও প্রশাসনের সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর জোর দেন।
৫ দিন আগে
এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে অর্থনীতি ও রাজনীতির সমন্বয়ের ওপর জোর তথ্যমন্ত্রীর
এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের সামনে যে বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক ও রপ্তানি চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, তা মোকাবিলায় অর্থনীতিকে কার্যকর রাজনৈতিক কাঠামো ও কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
সোমবার (৬ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র্যাপিড) এবং ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ও রপ্তানি প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ তখনই জনগণের কল্যাণে বাস্তব ফল বয়ে আনবে, যখন তা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হবে।
তিনি বলেন, অর্থনীতিকে যদি রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে আনা না যায়, তাহলে বিশেষজ্ঞদের সব আলোচনা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক আলোচনায় রূপ নেয়। কারণ জনগণের কল্যাণে যেকোনো অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকে বাস্তব কর্মসূচিতে রূপ দিতে হলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, নেতৃত্ব ও কার্যকর বাস্তবায়ন কাঠামো অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই রাজনীতির প্রধান দায়িত্ব এবং অর্থনৈতিক নীতির সফল বাস্তবায়নও সেই দায়িত্বেরই অংশ।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের চ্যালেঞ্জ কমবে না, বরং আরও বাড়বে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত সময় চাওয়ার উদ্দেশ্য কোনো সমস্যা থেকে পালানো নয়; বরং প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দেশের অর্থনীতিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অনুমোদনের পর বাংলাদেশ এই অতিরিক্ত সময় পাবে এবং সেই সময়কে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে হবে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন বছর কোথায় এবং কীভাবে ব্যবহার করলে দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়বে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এজন্য রপ্তানির পথে বিদ্যমান সব ধরনের প্রতিবন্ধকতার পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কারে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তিনি বলেন, অর্থনীতিবিদরা গবেষণার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেই সুপারিশগুলোকে বাস্তবায়নের কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেবে।
বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে বাস্তব সাফল্যে রূপ দিতে হলে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেগুলোকে রাজনৈতিকভাবে মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নের সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তথ্যমন্ত্রী।
র্যাপিডের নির্বাহী পরিচালক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি দৌলত আক্তার মালা।
২৯ দিন আগে
খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
পেশাদার খেলোয়াড়দের রাজনীতি থেকে দূরে থেকে নিজেদের ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে জাতীয় ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খেলোয়াড় বন্ধুরা, আপনাদের সবার প্রতি আমার একান্ত আহ্বান, একান্ত অনুরোধ, পেশাদার খেলোয়াড়ি জীবনে আপনারা কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর প্রতিনিধি নন বা হবেন না দয়া করে। বরং ক্রীড়ানৈপুণ্য দিয়ে দেশের প্রতিনিধি হয়ে উঠবেন আপনারা।
‘দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসবেন, গৌরব বয়ে নিয়ে আসবেন আপনারা। দেশে-বিদেশে বিজয়মালা বরণ করে বিশ্বে ক্রীড়াজগতে বাংলাদেশকে উচ্চতর মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করবেন ইনশাল্লাহ।’
খেলোয়াড়দের নিজেদের সেরাটা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোর দিকে আমাদের লক্ষ্য থাকবে। আমাদের ছেলেমেয়েরা যে দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসতে পারে, সেটা এরই মধ্যে প্রমাণ হয়েছে। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনেও এটা অব্যাহত থাকবে। কথা বলার অনেক কিছুই আছে। আমার মনে কথা কম কাজ বেশি করতে হবে। কথা কম, খেলতে হবে বেশি। দেশপ্রেম, দৃঢ় ইচ্ছা আর টিম স্পিরিট থাকলে আপনাদের সাফল্যের পথে কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।’
১২৭ দিন আগে
রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন
বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো পর্যালোচনা ও প্রত্যাহারের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করেছে সরকার।
রবিবার (৮ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
আইন, বিচার ও সংসদ মন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ৬ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন— স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব বা যুগ্মসচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন–১ অধিশাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি (যুগ্মসচিব পর্যায়ের নিচে নয়)।
কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন–১ শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, জেলা কমিটি থেকে পাওয়া সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রত্যাহারযোগ্য মামলা চিহ্নিত করবে কেন্দ্রীয় কমিটি। এরপর এসব মামলার তালিকা প্রস্তুত করে সেগুলো প্রত্যাহারের কার্যক্রম গ্রহণ করবে।
এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রয়োজনে কমিটি অতিরিক্ত সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
১৪৮ দিন আগে
নির্বাচনে ভয় পেলে রাজনীতি নয়, এনজিওতে যোগ দিন: আমীর খসরু
নির্বাচনে যারা ভয় পান, তাদের রাজনীতিতে না থেকে এনজিও বা প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘যারা নির্বাচনে ভয় পান, তাদের রাজনীতি করার দরকার নেই। তারা চাইলে প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করতে পারেন, এনজিওতে যেতে পারেন। আপনি রাজনীতি করবেন, নির্বাচন এড়াবেন, আবার একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত করবেন—এটা চলতে পারে না।’
রবিবার (২৭ জুলাই) ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও ভাসানী অনুসারী পরিষদের আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’–এর প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, যেসব দেশে গণ-অভ্যুত্থানের পর নির্বাচন বিলম্বিত হয়েছে, সেখানে বিভাজন, গৃহযুদ্ধ ও রাষ্ট্র হিসেবে ব্যর্থতার উদাহরণ রয়েছে। কিন্তু যারা দ্রুত নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্রে ফিরে গেছে, তারা অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে উন্নতি করেছে।
জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে তিনি বলেন, এই আন্দোলন নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও, একে কেউ ‘হাইজ্যাক’ করার সুযোগ পাবে না। এই আন্দোলন নতুন কিছু নয়, কারণ অধিকার আদায়ের আন্দোলন বাংলাদেশের জনগণের রক্তে রয়েছে।
পড়ুন: স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনে একমত রাজনৈতিক দলগুলো: অধ্যাপক আলী রীয়াজ
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘৫ আগস্ট শেখ হাসিনা না গেলে আমরা বাড়ি ফিরতাম না। আমাদের আন্দোলন চলতেই থাকত।’
তিনি আরও বলেন, এই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল দেশের ওপর জনগণের মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং তাদের সাংবিধানিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।
যদিও বিএনপি নেতাকর্মীরা এই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তবে বিএনপি কখনও এর কৃতিত্ব দাবি করেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই এই গণ-অভ্যুত্থান সফল হবে।
আমীর খসরু বলেন, সব বিষয়ে পূর্ণ ঐকমত্য প্রয়োজন নেই।
‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভিন্নমত ও বিশ্বাস থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু জাতীয় স্বার্থে ঐক্য জরুরি। মতপার্থক্য ছাড়া গণতন্ত্র টিকে না। আমরা একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে আসিনি।’
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার ‘পলায়নের’ পর দেশের জনগণের মনোভাবে পরিবর্তন এসেছে।
‘যারা এই পরিবর্তন বুঝতে পারছে না, তাদের কোনো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, একটি নির্বাচিত সরকার না থাকায় অনেক পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাই সঠিকভাবে কাজ করছেন না এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও সিদ্ধান্ত নিতে অপেক্ষায় আছেন।
৩৭৩ দিন আগে
সংস্কারের কথা বলে নির্বাচন পেছানোর কোনো বয়ান কাজে লাগবে না: রিজভী
সংস্কারের কথা বলে নির্বাচন পেছানোর নানা বয়ান আমরা শুনতে পাচ্ছি, সেগুলো কোনো কাজে লাগবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে দেশে উন্নয়নের যে ফিরিস্তি স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার দিয়েছে তা— এই পাহাড়ে না আসলে দেখতে পেতাম না।
বুধবার (৯ জুলাই) দুপুরে কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের দুর্গম এলাকায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ফুটবলার ঋতুপর্ণার অসুস্থ মাকে দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিষ্টার হেলাল, আমরা বিএনপির পরিবারের আহবায়ক আতিকুর রহমান রুমন, সদস্য সচিব মো. মিথুন, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি সভাপতি দীপন তালুকদার দিপু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: আমি নিজেই এখনো নির্বাচনের তারিখ জানি না: সিইসি
এ সময়, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী ঋতুপর্ণা চাকমার মা ভুজিপুতি চাকমাকে আশ্বস্ত করেন। বলেন, বিএনপি সব সময় ঋতুর মায়ের পাশে থাকবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর পেয়ে ঋতুর মায়ের পাশে দাঁড়ানের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তাই, এই প্রবল বৃষ্টি মাথায় নিয়ে দুর্গম এই পথ পাড়ি দিয়ে আমরা তার বাড়িতে এসেছি। আমরা ঋতুর মায়ের সকল চিকিৎসার খরচ বহন করব।
এসময় রিজভী ঋতুপর্ণার মায়ের হাতে ২ লাখ টাকা হাতে তুলে দেন। এছাড়া প্রতি মাসে কেমোথেরাপির ৩০ হাজার টাকা করে বিএনপির পক্ষ থেকে দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
পাহাড়ের গোল্ডেন গার্ল খ্যাত ঋতুপর্ণা চাকমার জোড়া গোলে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।
ঋতুপর্ণা চাকমার মা ভুজোপতি চাকমা ব্রেস্টক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। এরমধ্যে, তিনি তিনটি কেমোথেরাপি দিয়েছেন। প্রতি ২১ দিন পরপর তাকে চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে গিয়ে কেমোথেরাপি দিতে হয়।
৩৯১ দিন আগে
রাজনীতির চেয়ারে ঘুণপোকা ধরেছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ
দেশের রাজনীতির চেয়ারে ঘুণপোকা ধরেছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেছেন, ‘এই চেয়ার শুধু মেরামত করলে হবে না, চেয়ারটাই পরিবর্তন করতে হবে।’
শনিবার (২৬ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গায় এবি পার্টির উদ্যোগে একটি মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘রাজনীতি যদি জনগণের কল্যাণে না আসে, তবে সে রাজনীতির কোনো মূল্য নেই। আমরা চাই, আমার দেশের কৃষক, জেলে, দিনমজুরসহ নিরলস পরিশ্রম করা প্রতিটি মানুষ যেন রাষ্ট্রের সঠিক সেবা পায়। শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিসহ প্রতিটি খাতে যেন সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।’
তিনি বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন সমস্যা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। চুয়াডাঙ্গায় স্বাস্থ্যখাতে অনিয়ম, শিক্ষার অবনতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে দুর্নীতি উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। সাধারণ মানুষ এখনও ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত।’
‘বিশেষ করে পানি সংকট নিয়ে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। মাথাভাঙ্গা নদীসহ অনেক নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, নদী দখল ও দূষণের কারণে এই সংকটের সৃষ্টি। নদী বাঁচাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নদী না বাঁচলে কৃষি ও জনজীবন হুমকিতে পড়বে। আমরা নদী ও পানির ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সোচ্চার থাকব।’
এই রাজনীতিক বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিছু সম্ভাবনাময় অগ্রগতি দেখিয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সম্পূর্ণরূপে রেমিট্যান্স আসতে শুরু করেছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক। এই পরিবর্তন দীর্ঘদিন পরে দেখতে পাচ্ছি, যা আমাদের আশাবাদী করে তুলেছে।’
আরও পড়ুন: ঐকমত্য কমিশনের সাথে এবি পার্টির আলোচনা সোমবার
তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কার, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন—সবই প্রয়োজন। এই সরকার যেহেতু প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যেই এই বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে, আমরা আশাবাদী তারা কথা রাখবেন। দেশের জন্য টেকসই গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হবে—এটাই প্রত্যাশা।’
সভার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা। সভাপতিত্ব করেন জেলা এবি পার্টির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার নেতা-কর্মীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রাণবন্ত আলোচনার মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন দলটির উপস্থিত নেতারা।
৪৬৫ দিন আগে
আ.লীগ কীভাবে রাজনীতি করবে, সেটা নির্ধারণের দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের: রিজভী
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগ কীভাবে রাজনীতি করবে, সেই দায়িত্ব বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) বেলা ১১টায় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার চারু শিল্পী মানবেন্দ্র ঘোষের অগ্নিদগ্ধ বাড়ি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘সমস্ত গণতন্ত্রকামী মানুষ আপনাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) সমর্থন দিয়েছে। কিন্তু কনস্টিটিউশনালি বা আইনগতভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভিত্তি নেই।’
‘যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন, তারা প্রত্যেকেই আপনাদের সমর্থন করেছে। সে অনুযায়ী আপনারা দেশ চালাচ্ছেন। এখন আওয়ামী লীগ কীভাবে রাজনীতি করবে, সে দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের,’ যোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: বিভ্রান্তি তৈরি করলে পুনরায় ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে পারে: সরকারকে রিজভী
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘প্রশাসন আপনাদের হাতে, অন্য সব স্টেট মেশিনারি আপনাদের হাতে। আওয়ামী লীগকে নিয়ে আপনারা কী করবেন, সেটা আপনাদেরই ঠিক করতে হবে।’
‘আওয়ামী লীগের দোসরদের অনুসারীরা ঘাপটি মেরে আছে নানা জায়গায়। ওদের কাছে পেট্রোল কিনে বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার যে অর্থ, মানুষকে হত্যা করার জন্য যে অস্ত্র লাগে, সেসব তাদের কাছে আছে।’
তিনি বলেন, ‘সেটাকে দমন করতে আপনাদের কী আইন প্রণয়ন করতে হ,বে সেটা আপনারা জনগণের কাছে খোলাসা করুন। যেহেতু প্রশাসন আপনাদের হাতে। দোসরদের অনেকেই পালিয়ে গেছে পার্শ্ববর্তী দেশসহ অনেক জায়গায়। কিন্তু যারা নৈরাজ্য ছড়াচ্ছে তারা প্রশ্রয় পাচ্ছে কার দ্বারা?’
‘যারা ১৫ বছর যাবত শেখ হাসিনাকে পাহারা দিয়েছে, ব্যাংক লুট করেছে, অন্যের সম্পদ লুট করেছে, টাকা পাচার করেছে, তারা আজ এই জনসমুদ্রের ভিতর কোথায় লুকিয়ে আছে। অন্তর্বর্তী সরকার যদি খুঁজে বের করতে না পারে, তাহলে তো এই সরকারকে মানুষ ব্যর্থ সরকার বলবে,’ ভাষ্য রিজভীর।
আরও পড়ুন: সরকার কি কোনো গোপন পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে, প্রশ্ন রিজভীর
এ সময় মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক সভাপতি আফরোজা খানম রিতা, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আজাদ খান, গোলাম আবেদীন কায়সার, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া হাবু, যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক তুহিনুর রহমান তুহিন, মাসুদ পারভেজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জিন্নাহ খান, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম খান সজীব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৪৬৮ দিন আগে
কোনোভাবেই আ.লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই: নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী
রিফাইন্ড হোক, কিংবা অন্য যেকোনোভাবেই হোক না কেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কোনো রাজনীতি করার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখ্য সংগঠক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী।
রবিবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর বাংলামোটরে দলীয় কার্যালয়ে দলটির শ্রমিক শাখা গঠনের লক্ষ্যে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন কথা বলেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন পেছাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে এনসিপি: ফারুক
এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহর ফেসবুক পোস্টের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন দলটির আরেক মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এ নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে নেতিবাচক মন্তব্য পড়ছে। এ সম্পর্কে জানতে চাইলে নাসিরউদ্দিন পাটওয়ারী বলেন, ‘এনসিপি নেতাদের মধ্যে কোনো দূরত্ব কিংবা বোঝাপড়ার জায়গায় কোনো ঘাটতি নেই। তবে একটি বড় অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। আন্দোলন ও রাজনৈতিক জায়গা—দুটোই আলাদা। সেই জায়গা থেকে এই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্ররা নিজেদের রাজনৈতিক জায়গায় রূপান্তর করছেন।’
‘সেখান থেকে যদি কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে, দেশবাসীকে ক্ষমাসুন্দর দেখার অনুরোধ করছি। ফেসবুকে যেসব মন্তব্য পড়েছে, সেগুলো মূল্যায়ন করে আমরা দেখেছি, আমাদের ওপর মানুষের প্রত্যাশা অনেক উঁচু। সে ক্ষেত্র থেকে তারা আমাদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আমরা সেই পরামর্শ নেই।’
শুরুতেই এমন হোঁচট খেলে আপনাদের দলের ভবিষ্যৎ কী—প্রশ্নে তিনি বলেন, “হাসনাত আবদুল্লাহর ফেসবুক পোস্ট রাজনৈতিক ও সেনা অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে আমরা বলতে চাই, বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বৈঠক হয়ে থাকে। যে বিষয়গুলো জনগণের কাছে স্পষ্ট না, সেগুলো আমরা পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। কিন্তু যখন দল গঠন হয়েছে সেক্ষেত্রে আমি বলেছি, মিটিং নিয়ে জনগণের কাছে যখন বলা হবে, তখন অপরপক্ষের সম্মতির একটি বিষয় আছে। সেই জায়গা থেকে আমি বিষয়টি ‘শিষ্টাচারবহির্ভূত’ বলেছি।”
ক্যান্টনমেন্টের বৈঠকটি হাসনাত ও সার্জিসের বৈঠক ছিল, নাকি এনসিপির বৈঠক ছিল? যদি ব্যক্তিগত বৈঠক হয়, তাহলে আপনারা কী অবগত ছিলেন? জানতে চাইলে এই ছাত্রনেতা বলেন, ‘তারা বৈঠক সম্পর্কে আমাদের অবগত করেছিলেন। তবে বিষয়টি নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়নি। এ নিয়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা আছে, তারপরে সবাইকে বিষয়টি স্পষ্ট করব।’
‘তবে দলীয় কিছু মানুষ এই বৈঠক সম্পর্কে জানতেন। কিন্তু ওখানে যে কথা হয়েছিল, সবগুলো সবার কাছে প্রকাশ করা হয়নি। কেন বৈঠক হয়েছিল, সে বিষয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ স্পষ্ট করে দিয়েছেন।’
হাসনাত যে কথাগুলো লিখেছেন, সেগুলো সেনাসদর থেকে ‘অবান্তর’ বলে মন্তব্য করা হয়েছে— এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, ‘যে আলোচনা হয়েছে, সেটার কোনো সমাধান আসেনি। আবার বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে কথা বলে যাচ্ছেন। আবার সেনাসদর থেকে যে বক্তব্য এসেছে, সেটা কোনো মুখপাত্রের মাধ্যমে আসেনি। আইএসপিআর থেকে এমন কোনো বক্তব্য আসেনি।’
আরও পড়ুন: আ.লীগকে রাজনীতিতে ফেরানোর যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে এনসিপির অঙ্গীকার
৪৯৯ দিন আগে
আমরা কোনো রাজনীতিতে ঢুকতে চাই না: সিইসি
অতীতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন না করতে পারার জন্য নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাবকে দায়ী করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, আমরা কোনো রাজনীতিতে ঢুকতে চাই না।
রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ‘সাংবাদিক হোসাইন জাকির বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৪ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এমন কথা বলেন। নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা কমিশনে যারা আছি, আমরা কোনো রাজনীতিতে ঢুকতে চাই না। আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে দাঁড়াতে চাই না। আমরা নিরপেক্ষ থাকতে চাই। আপনারা আমাদেরকে সাহায্য করবেন।’
আরও পড়ুন: সাবেক সিইসি বিচারপতি আব্দুর রউফের মৃত্যুতে আইন উপদেষ্টার শোক
‘আমরা নিরপেক্ষ থাকতে চাই। ইলেকশন কমিশনের এত বদনাম—এত গালি দেয়—এটা কেন হল? ১০০টা কারণ বলতে পারবেন, ২০০টা কারণ বলতে পারবেন! কিন্তু আমার কাছে এক নম্বর কারণ হলো পলিটিক্যাল কন্ট্রোল অফ দা ইলেকশন কমিশন (নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ)।’
‘এটি আমার কাছে মনে হয়েছে সবচাইতে বড় কারণ। রাজনীতির কাছে নির্বাচন কমিশনকে সঁপে দেওয়া—এটি হচ্ছে সবচেয়ে বড় কারণ,’ বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের ইনফ্লুয়েন্স অন দা ইলেকশন কমিশন বন্ধ করা না যায়, আবার সেই পুরনো জিনিস রিপিট হবে বলে আমি মনে করি। দে আর থাউজেন্ড রিজন, তবে আমার বিবেচনা সবচেয়ে বড় কারণ দেয়ার মে বি পলিটিক্যাল কন্ট্রোল অন দ্য ইলেকশন কমিশন। এটি আমার কাছে সবচেয়ে বড় কারণ মনে হয়েছে অতীতে।’
আরও পড়ুন: সাবেক সিইসি বিচারপতি আবদুর রউফের ইন্তেকাল
৫৪১ দিন আগে