বিষ
পটুয়াখালীতে বিষমিশ্রিত ঘাস খেয়ে ২৫ মহিষ অসুস্থ, ৩টির মৃত্যু
পটুয়াখালীর বাউফলে চরের ঘাসে বিষপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘাস খেয়ে অন্তত ২৫টি মহিষ অসুস্থ হয়ে পড়েছে এবং তিনটি মারা গেছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট)বিকেলে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের লাল চরে এ ঘটনা ঘটে।
মহিষের রাখাল, মালিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাল চরে বছরের পর বছর ধরে স্থানীয় খামারিরা উন্মুক্তভাবে মহিষ পালন করে আসছেন। চরের সবুজ ঘাস খেয়েই মহিষগুলো প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে।
প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও রাখালরা শতাধিক মহিষকে ঘাস খাওয়াতে লাল চরে নিয়ে যান। পরে ঘাস খাওয়ার পর প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি মহিষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর মধ্যে রফিজ মৃধা, সুমন মাঝি ও রুহুল আমিনের একটি করে মহিষ মারা গেছে। আরও কয়েকটি মহিষের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রাখাল ও পশু চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, চরের ঘাসে বিষপ্রয়োগ করা হয়েছিল এবং ওই ঘাস খাওয়ার কারণেই মহিষগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ে।
চন্দ্রদ্বীপের রায় সাহেবের বাসিন্দা মহিষ মালিক মোস্তফা ফকির বলেন, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে লাল চরে মহিষ পালন করছেন। শত শত মহিষ নিয়মিত চরের ঘাস খেয়ে থাকে, কিন্তু আগে কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, ‘শত্রুতার কারণে দুর্বৃত্তরা চরের ঘাসে বিষ প্রয়োগ করে থাকতে পারে। সেই ঘাস খেয়ে মহিষ মারা যাচ্ছে। আমার ১৮টি মহিষের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
আরেক মহিষ মালিক রুহুল আমিন বলেন, বিষ দেওয়া ঘাস খেয়ে তার একটি মহিষ মারা গেছে। অন্যগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের চিকিৎসা চলছে।
উপজেলা উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই কয়েকটি মহিষ মারা যায়। অসুস্থ মহিষগুলোর চিকিৎসা চলছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাবারে বিষক্রিয়ার কারণে মহিষগুলোর মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া মহিষের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিষ দিয়ে কৃষকের ধানখেত নষ্ট
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ঘাসমারার বিষ প্রয়োগ করে এক কৃষকের প্রায় এক বিঘা জমির ধান নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে উপজেলার কসবা ইউনিয়নের বিজলীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, জমির মালিক ইসরাফিল ইসলাম তার প্রায় ১ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছিলেন। কিন্তু ধানে শীষ আসার আগমূহূর্তে ধানখেতে বিষ দিয়ে তা নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন ইসরাফিল।
এ বিষয়ে নাচোল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম নূরুল কাদির সৈকত বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৫৬ দিন আগে
চিনি ভেবে বিষ খেয়ে বোনের মৃত্যু, ভাই মৃত্যুশয্যায়
কুষ্টিয়ায় চিনি ভেবে ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে মিম (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মিমের ভাই আলিফকে (৫) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা সোনাইকুন্ডি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ২ জনের মৃত্যু
প্রতিবেশি জুয়েল আলী বলেন, দুপুরে বাড়ির লোকজন যার যার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ দিকে ওই দুই শিশু ঘরের মধ্যে খেলছিল। এক পর্যায়ে চিনি ভেবে তারা ঘরে রাখা ইদুর মারার বিষ খেয়ে ফেলে।
পরে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিমের মৃত্য হয়।
অসুস্থ আলিফ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুবুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড
৭৯৩ দিন আগে
'দুর্বৃত্তের বিষে' মরল খামারের ৭০০ হাঁস, ২ লাখ টাকার ক্ষতি
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দুর্বৃত্তদের দেওয়া বিষে এক খামারির সাতশ’র বেশি হাঁস মারা গেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের দিঘীরকোণ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এতে ওই খামারির দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে পাতিহাঁস পাড়লো কালো ডিম!
খামারি জাহেরুল ইসলাম জানান, শীতের কারণে সকাল সাড়ে ১১টায় হাঁসগুলোকে ছেড়ে দেওয়া হয় মাঠে যাওয়ার জন্য। মাঠে পৌঁছানোর ১৫ মিনিটের মধ্যেই ৭০০ হাস মারা যায়। পেছনে থাকা হাঁসগুলোকে পরে কোনমতে খামারে পুনরায় ফিরিয়েছি। নাহলে বাকি হাঁসগুলোও মারা যেত।
তিনি ধারণা করছেন, কে বা কাহারা মাঠের মাঝখানে বিষযুক্ত ধান ছিটিয়ে রেখেছিলো। সেগুলো খাওয়ার পরেই হাঁসগুলো মারা গেছে। যার মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা। গর্ত খুড়ে হাসগুলোকে পুতে ফেলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাগেরহাটে হাঁসের ঘর থেকে ১২ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার, সুন্দরবনে অবমুক্ত
পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নিজ বাড়িতে বাণিজ্যিকভাবে হাঁসপালন করছেন জাহেরুল ইসলাম। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন পরিবারের লোকজন। খামারে প্রায় এক হাজারের বেশি হাঁস পালন করেন তিনি। মাংস খাওয়ার উপযুক্ত হলেই তিনি এসব হাঁস বিক্রি করে দেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাসিরুল ইসলাম বলেন, খামারি আবেদন করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে আর্থিক সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে।
আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠার ৪০ বছরেও দেখা মেলেনি কয়েদির, খোকসার উপকারাগারে হাঁস-মুরগির খামার
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবির বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৯৬১ দিন আগে
বিষ দিয়ে ২ শতাধিক পাখি নিধনের অভিযোগ সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে
শরীয়তপুরে জমির ফসল বাঁচাতে গম ও ধানের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে অতিথি পাখিসহ দুই শতাধিক পাখি নিধনের অভিযোগ উঠেছে এক সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকালে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার সিড্যা ইউনিয়নের মধ্য সিড্যা গ্রামের খনার পাড় নামক ফসলি জমির মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
এমনকি পাখি নিধন করে তা জমির চারপাশে বেঁধেও রেখেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: বাগেরহাটে ফাঁদ পেতে অবাধে চলছে পাখি নিধন
গম ও ধানের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে পাখি মেরে ফেলা মো. শাহজাহান মাদবর সিড্যা ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন ঘুঘু, শালিক, বক, চড়ুইসহ অতিথি পাখি খাবারের সন্ধানে মধ্য সিড্যা গ্রামের খনার পাড় নামক ফসলি জমির মাঠে আসে। পাখির কলকাকলিতে মুখর থাকে পুরো ফসলি মাঠ।
জানা যায়, কয়েক দিন ধরে শাহজাহান মাদবর এবং তার লোকজন গম ও ধানের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে ছিটিয়ে রাখতেন। বিষ খেয়ে পাখি মারা গেলে কৃষকরা তা মাটিতে পুঁতে ফেলতেন। এ ছাড়া তারা বিষে মারা যাওয়া কিছু পাখি জমির চারপাশে সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছেন।
আরও পড়ুন: টিয়াসহ ২৩ পাখি উদ্ধার, ঠাকুরগাঁওয়ে ১ জনের কারাদণ্ড
স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম মোস্তফা বলেন, শীত মৌসুমে আমাদের দেশে বিভিন্ন দেশ থেকে অতিথি পাখি আসে। কিছু অসাধু ব্যক্তি, যারা প্রকৃতির শত্রু তারা বিষসহ নানা মাধ্যমে পাখিগুলো মেরে ফেলে, যা খুবই দুঃখজনক। প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আবেদন পাখি নিধনকারীদের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাখি নিধনকারী শাহজাহান মাদবর বলেন, মরা পাখিগুলোর ছবি তুলতে হবে কেন? আমি তো পাখির জন্য গম বপন করিনি। আর এগুলো গণমাধ্যমে দেওয়ার দরকারও নেই।
শাহজাহান মাদবরের পুত্রবধূ হিমু আক্তার বলেন, কৃষি অফিস থেকে বীজ দিয়েছিল, সেই বীজ জমিতে বপন করেছে আমার শ্বশুর। জমিতে তিনি ইঁদুর মারার বিষ দিয়েছিলেন, তাতে যে এমন ঘটনা ঘটবে তা আমাদের জানা ছিল না।
আরও পড়ুন: মাগুরায় হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখি, চোখে পড়ে না বাসা
বিষয়টি নিয়ে সিড্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল হাদী জিল্লু বলেন, বিষ দিয়ে পাখি মারার বিষয়টি আমি শুনেছি। সাবেক মেম্বার শাহজাহান মাদবর আমার কাছে এসেছিলেন।
তিনি আমাকে জানিয়েছেন, তার ফসলি জমিতে তিনি গমের বীজ বপন করেছেন। কে বা কারা বিষ মিশিয়ে পাখি মেরেছে, তা তিনি জানেন না।
তবে বিষ দিয়েই হোক আর যেভাবেই হোক পাখি প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে। পাখি হত্যা অন্যায় এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।
শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন আহাম্মেদ বলেন, পাখি হত্যাকারীদের আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব।
আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে সেপটিক ট্যাংকে নামিয়ে কলেজছাত্রকে হত্যার অভিযোগ
৯৬৬ দিন আগে
বিষ খেয়ে রাবি শিক্ষার্থীর ‘আত্মহত্যা’
যশোরের ঝিকরগাছায় প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মঙ্গলবার বিষ খেয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর আত্নহত্যার খবর পাওয়া গেছে।
মৃত ফরহাদ মোল্লা (২২) রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার ধরমপুর গ্রামের মোস্তাকিম মোল্লার ছেলে এবং রাবির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে খারাপ ফলাফলে কিশোরীর আত্মহত্যা!
ফরহাদের চাচা নাঈমুল ইসলাম জানান, যশোরের ঝিকরগাছার বাকড়া গ্রামের এক মাদরাসা ছাত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেম ছিল ফরহাদের। মঙ্গলবার ফরহাদের সঙ্গে রাজশাহীতে যাওয়ার কথা ছিল প্রেমিকার, কিন্তু সকালে মোবাইল ফোনে প্রেম প্রত্যাখান করায় মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন ফরহাদ। পরে সকাল ১১টার দিকে ঝিকরগাছা ব্রিজের উপরে দাঁড়িয়ে বিষ পান করেন ফরহাদ।
তিনি আরও জানান, বিষপানের বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তাকে ঝিকরগাছা উপজেলা কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা। যশোরে ওয়াস করার এক পর্যায়ে ফরহাদের মৃত্যু হয়।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে স্বামীর ‘আত্মহত্যা’
রাজশাহীতে বিষপানে স্বামী-স্ত্রীর 'আত্মহত্যা'
১২৭৬ দিন আগে
দিনাজপুরে ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে শিশুর মৃত্যু!
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে চার বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের ডাকেশ্বরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত আকতি রানী (৪) বীরগঞ্জের সাতোর ইউনিয়নের ডাকেশ্বরী গ্রামের অশেষ রায়ের মেয়ে।
অশেষ রায় জানান, সোমবার রাতে বাড়িতে ফিরে ঘরের মেঝেতে মৃত অবস্থায় মেয়েকে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। এসময় বাড়িতে রাখা বিষের বোতল খালি ছিল এবং ঘরে বিষের গন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া মেয়ের মুখে ফেনা দেখতে পান তিনি।
বিষের বোতল নাগালে আসায় মেয়ে ভুল করে বিষ মুখে দিয়ে মারা গেছে বলে তাদের ধারণা।
বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার জানান, শিশুটির মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মঙ্গলবার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।ৎ
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে সেলফি তোলার সময় ট্রেন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু
কালীগঞ্জে জলপাই গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু
১২৭৭ দিন আগে
পাউরুটির সঙ্গে শিশুপুত্রকে বিষ খাইয়ে মায়ের আত্মহত্যা!
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় শিশুপুত্রকে পাউরুটির সঙ্গে বিষ খাইয়ে নিজে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক মা। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার মিঠাবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মা প্রিয়া খাতুন (২৫) ওই গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী। তার নয় বছর বয়সের ছেলে আবির হোসেন আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউপির চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান লিপু জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে প্রিয়া খাতুন তার ছেলে আবিরকে বিষ খাওয়ান। তারপর প্রিয়া নিজেও বিষপান করেন।
আরও পড়ুন: গলায় ফাঁস দিয়ে চাঁদপুরে শিশুর আত্মহত্যা!
পরবর্তীতে স্থানীয়রা জানতে পেরে তাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রিয়া খাতুনের মৃত্যু হয়।
এছাড়া ছেলে আবির হোসেন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. কাজী ইমদাদ হোসেন জানান, প্রিয়া খাতুন তার ছেলেকে বিষপান করান। পরে নিজেও বিষপান করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রিয়া মারা গেছেন। তার ছেলে আবির বর্তমানে সুস্থ আছেন, তবে একেবারে শঙ্কামুক্ত নয়।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হালিমুর রহমান জানান, মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পেরেছি। লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।
ময়নাতদন্ত শেষ হলে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে আ.লীগ নেতা হত্যায় সন্দেহভাজন কিশোরের ‘আত্মহত্যা’
চাঁদপুরে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা
১৪৩৬ দিন আগে
রাজশাহীতে সাবেক ইউপি সদস্য ছুরিকাঘাতে নিহত
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ছুরিকাঘাতে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক এক সদস্য নিহত হয়েছেন। পান বরজে বিষ দেয়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে উপজেলার চকবিরহী মোড়ে এ ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত মোহাম্মদ আলী (৬৫) উপজেলার জাহানাবাদ ইউনিয়নের সাবেক সদস্য। এ ঘটনায় তার ছেলে জুয়েল রানা (৪০) আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ কুষ্টিয়ায় সালিশ বৈঠকে ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধ খুন
মোহনপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তৌহিদুর রহমান জানান, গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার চকবিরহী মোড়ে এনামুল হকের কীটনাশকের দোকানের সামনে পান বরজে বিষ দেয়া নিয়ে ওই গ্রামের রফিকুল ইসলামে ছেলে আব্দুল মতিনের সাথে মোহাম্মদ আলীর কথা কাটাকাটি হয়। রাত ৮ টার দিকে মোহাম্মদ আলী চকবিরহী মোড়ে ওই কীটনাশক দোকানের সামনে বসে ছিলেন। হঠাৎ আব্দুল মতিন ধারালো ছুরি দিয়ে মোহাম্মদ আলীকে আঘাত করে।
আরও পড়ুনঃ স্বামীর মৃত্যু শোকে ডাক্তার নার্সদের ছুরিকাঘাতের চেষ্টা
এ সময় তার ছেলে জুয়েল রানা বাবাকে বাচাঁতে এগিয়ে আসলে তাকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে মতিন পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতাালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল ৭ টার দিকে মোহাম্মদ আলী মারা যান।
তৌহিদুর রহমান আরও জানান, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মতিন পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করতে পুলিশ কাজ করছে। এছাড়াও নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত করে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ মাগুরায় গেম খেলা নিয়ে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
১৮৪১ দিন আগে
যশোরের অভয়নগরে দুর্বৃত্তদের দেয়া বিষে প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে
যশোরের অভয়নগরে দু’টি মৎস্য ঘেরে দুর্বৃত্তদের দেয়া বিষে মাছ মরে ভেসে উঠেছে। ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকার।
১৯৯৯ দিন আগে