বাস টার্মিনাল
আড়াই বছরের মধ্যে ঢাকার বাইরে যাবে চার বাস টার্মিনাল: সড়কমন্ত্রী
দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে চারটি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল ঢাকার বাইরে সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ তিনি এ কথা বলেন। টার্মিনালগুলো হল— গাবতলী বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এবং ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল।
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেখেছি বাস টার্মিনালগুলোতে সারাদিন বাস থাকে। ওখানে ওয়ার্কশপ হয়ে গিয়েছে। একটি বাস আট-দশ দিন ধরে ওখানে রং করছে, ডেন্ট করছে, ইঞ্জিন ডাউন দিয়ে আবার সেটা রিসেট করছে—এরকম চলছে। এটা ওখানে চলবে না। আমরা ডিপো করার জন্য পরিকল্পনা নিয়েছি, একটা ৩০০ ফিটে। একটা হচ্ছে কাঁচপুরে। কাঁচপুরে যেটা আমরা ডিপো করছি, সেটা টার্মিনালই হয়ে যাবে। সায়েদাবাদ টার্মিনাল আস্তে আস্তে কাঁচপুরে চলে যাবে। ফুলবাড়িয়া টার্মিনালটা চলে যাবে কেরানীগঞ্জে, জেলখানার ঠিক বিপরীতে। গাবতলী বাস টার্মিনাল চলে যাবে হেমায়েতপুরে।’
তিনি বলেন, এভাবে টার্মিনাল শিফট হবে, কিন্তু এখনই হচ্ছে না। এখন ডিপো হিসেবে ওখানে ব্যবহার হবে। আর এখান থেকে গাড়ি ছাড়বে, কিন্তু গাড়িগুলো (টার্মিনালে) আসবে আবার কখন? গাড়ি ছাড়ার যে সময় আছে, তার আগে আসবে। আসবে এবং গাড়ি এখান থেকে ছেড়ে যাবে।
মন্ত্রী বলেন, গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহার হবে, বাসের ওই ডিপো হিসেবে ব্যবহার হবে না। আলাদা ডিপো করে আমরা ওখানে পর্যায়ক্রমে দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে বাস টার্মিনালগুলো সরিয়ে নেব।
তিনি বলেন, গাবতলীরটা হেমায়েতপুর, মহাখালীরটা উত্তরা, আব্দুল্লাহপুরের কাছাকাছি ওখানে ৫০ বিঘা জায়গা অ্যাকোয়ার করতে চলেছি আমরা ইতোমধ্যে। তার আগ পর্যন্ত ডিপোটা হবে ৩০০ ফিটে। কাঁচপুরে চলে যাবে সায়েদাবাদ টার্মিনাল। ফুলবাড়িয়ারটা চলে যাবে কেরানীগঞ্জে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আর এটা আমরা এনসিওর (নিশ্চিত) করতে চাচ্ছি যে কলাবাগান, কল্যাণপুর—যে সমস্ত জায়গায় কাউন্টার, এসি কাউন্টারকে বা অনেকগুলি বেসরকারি বাসের কাউন্টারকে কেন্দ্র করে টেম্পোরারি টার্মিনালের মতো হয়েছে, রাস্তার পাশে বাস দাঁড়িয়ে থাকে, তারা কাউন্টারগুলি পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেবে। আর অবশ্যই কাউন্টারের সামনে বাস এনে যাত্রী উঠাতে পারবে না—আমরা মোটামুটি এই পদক্ষেপ নিয়েছি।’
মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় নানা ধরনের যানবাহন চলাচল করে। একটা নগরীতে এরকম চলে না। রেল আছে, মেট্রোরেল আছে, মনোরেল আছে, বাস আছে—এইটাই হলো মৌলিক। আর ব্যক্তিগত গাড়ি আছে। আমরা ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছি যে বাস ব্যক্তি মালিকানায় একই রুটে, দুই-চার-দশজন মালিকের বাস বিচ্ছিন্নভাবে চলবে না। যেটা প্রতিযোগিতা হয়, কেউ টার্মিনালে থামে না, টার্মিনালও নির্দিষ্ট না, লোক যেখানে হাত তোলে সেখানে থামিয়ে দেয়। এই পদ্ধতিতে আমরা বাস আর চালাব না।
প্রত্যেক রুটের বাস মালিকদের নিয়ে কোম্পানি গঠন করা হবে জানিয়ে পরিবহনমন্ত্রী বলেন, নির্দিষ্ট বাস, একই কালারের, নির্দিষ্ট মানের, ফিটনেস রেখে, ফ্যাসিলিটিজ রেখে চালাতে হবে। সেক্ষেত্রে আমরা ইলেকট্রিক ভেহিকেলকে উৎসাহিত করছি। এই কাজ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। মালিকরা কোন রুটে কোন কোম্পানি করবে, সে ব্যাপারেও তারা কিন্তু কাজ করছে। প্রথমত, আমরা চাচ্ছি যে বাস ব্যবস্থাপনা এবং চলাচলের ক্ষেত্রে একটা শৃঙ্খলা আনতে। দ্বিতীয়ত হচ্ছে রুট, তৃতীয়ত হচ্ছে ট্রাফিক সিগন্যাল অথবা নির্দিষ্ট টার্মিনালে থামবে এবং নির্দিষ্ট টার্মিনাল থেকে উঠবে—এই ব্যবস্থাপনাটা।
ঢাকার ভেতরে যত্রতত্র গড়ে ওঠা বাস কাউন্টার ঈদের এক এক-দেড় মাস আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পরবর্তী সময়ে মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন, সিটি করপোরেশন, মেট্রোপলিটন পুলিশ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, বিআরটিএ, আমার মন্ত্রণালয়ে আমরা সভা করেছি। সে সভায় আমরা তিন মাসের জন্য একটা সময় নির্ধারণ করেছিলাম। ঈদের আগে অথবা এই মুহূর্তে, যেভাবেই বলেন না কেন, এই রাস্তার পাশে যে কাউন্টারগুলি আছে, সেটা হঠাৎ করে বন্ধ করে দিলে যাত্রী দুর্ভোগ হবে। কারণ যাত্রীরা এখানেই এসে, এই প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ত।
শেখ রবিউল আলম বলেন, তাদের সময় দেওয়া দরকার। আমাদের বাস টার্মিনালগুলি এখনও পর্যন্ত ভালো মানের বাস, এসি বাস অথবা যেখানে অনেক বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে, একজন যাত্রী আরাম অনুভব করে, এই বাসগুলি বাস টার্মিনাল থেকে ছাড়ার উপযুক্ত কাঠামো এবং ব্যবস্থাপনা বাস টার্মিনালগুলিতে নেই। সায়েদাবাদ, মহাখালী, গাবতলী কোথাও এ ব্যবস্থাপনা নেই। যাত্রীরা যেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না তার একটা কারণ হলো পরিবেশগত, আরেকটা হলো ফ্যাসিলিটিজগত (সুবিধাগত)।
তিনি বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাস টার্মিনালগুলোতে এই সুবিধাগুলো সিটি করপোরেশন নিশ্চিত করবে। টয়লেট, ফ্যানগুলি যাতে চলে, অপেক্ষার জন্য বড় রুম—এসব সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে। তবে তাদেরও কিছুটা সময় লাগবে। এটা হয়ে গেলে তিন মাস পর তারা ওখানে যাবে। এটা প্রিভিউ মিটিং দুই-তিন দিন আগে হয়েছে মাত্র। সেখানে এই সময়টা আর এক মাস বাড়িয়ে করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বাস মালিক সমিতির লোকেরা বলেছে, তারা ওই পরিবেশ পেলে, জায়গা পেলে তারা নিজেরাই অবকাঠামো করে নেবে বাস টার্মিনালে। তারা একমত পোষণ করেছে। আমি কিন্তু তাদের সহযোগিতা এখানে পেয়েছি। সিটি করপোরেশন ডেভেলপ করে দিতে চেয়েছে, আর মেট্রোপলিটন পুলিশ দায়িত্ব নিয়েছে, তারা পরিবেশটা নিশ্চিত করবে। মানুষ যাতে নিরাপদ থাকে সেজন্য পর্যাপ্ত সড়কবাতি থাকবে, সিসি ক্যামেরা থাকবে—তাহলে মানুষ উৎসাহিত হবে ওখানে যেতে।
তিনি আরও বলেন, এই পদক্ষেপ নিয়ে আমরা এগোচ্ছি। মনে হচ্ছে, চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে পরিপূর্ণ না হলেও একটা পরিবর্তন আপনারা এই বাস টার্মিনালগুলিতে দেখবেন।
বিএসআরএফের সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপ সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।
২ দিন আগে
ঢাকার বাস টার্মিনালগুলো এখনই সরছে না, ডিপো ব্যবস্থায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: সড়কমন্ত্রী
রাজধানীর ভেতরে থাকা বাস টার্মিনালগুলো আপাতত স্থানান্তর করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তবে যানজট কমাতে টার্মিনালগুলোকে দীর্ঘ সময় বাস রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহার না করে ডিপো ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
গতকাল সোমবার রাজধানীর যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নবিষয়ক এক সভায় প্রধানমন্ত্রী ঢাকার চারটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। টার্মিনালগুলো হলো— ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান, গাবতলী, মহাখালী এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ রবিউল আলম বলেন, বর্তমানে অনেক বাস ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত টার্মিনালে অবস্থান করে, যা যানজট ও অব্যবস্থাপনার অন্যতম কারণ।
তিনি বলেন, আমরা চাই বাসগুলো ডিপোতে থাকবে। ছাড়ার কিছুক্ষণ আগে টার্মিনালে এসে যাত্রী নেবে। টার্মিনাল শুধু যাত্রী ওঠানামার জন্য ব্যবহৃত হবে। দিনের পর দিন বাস দাঁড়িয়ে থাকার কারণে যে যানজট ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে, সেটির পরিবর্তন আনতে চাই।
মহাখালী বাস টার্মিনালের উদাহরণ তুলে মন্ত্রী বলেন, এটি আপাতত থাকছে। তবে ভবিষ্যতে উত্তরার একটি স্থানে প্রায় ৫০ বিঘা জমি অধিগ্রহণ করে স্থায়ীভাবে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মহাখালীতে দীর্ঘ সময় অতিরিক্ত বাস অপেক্ষা করার কারণে জট তৈরি হচ্ছে। তাই যেসব বাস তাৎক্ষণিকভাবে ছাড়বে, শুধু সেগুলোই টার্মিনাল ব্যবহার করবে। ৩০০ ফিট এলাকায় অস্থায়ী ডিপো হিসেবে একটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা বাসগুলো সেখানে অবস্থান করবে।
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল সম্পর্কেও একই ধরনের পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, কাঁচপুর এলাকায় একটি অস্থায়ী অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে পর্যাপ্ত সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার পর ধীরে ধীরে কার্যক্রম স্থানান্তর করা হবে।
তার কথায়, ‘বাসস্ট্যান্ড সবগুলোই সরবে, কিন্তু এই যে রাতারাতি সরে যাচ্ছে, আমি তা বলছি না।’ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার পরই স্থানান্তর কার্যকর হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
চীনের বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনায় সরকার
প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ, প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা এবং অর্থনৈতিক সুবিধা বিবেচনা করেই যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, চীনের রেল, সড়ক ও নৌ খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ রয়েছে এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব সরকারের কাছে এসেছে।
মন্ত্রী বলেন, চীনের বেশ কিছু প্রস্তাব ইতিবাচক। আমরা সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। উভয় দেশের স্বার্থ সংরক্ষণ করে এবং পারস্পরিক লাভ নিশ্চিত করে যেসব প্রকল্পে একমত হওয়া সম্ভব হবে, সেগুলোই গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার সম্ভাব্য বিনিয়োগ প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করছে।
৪ দিন আগে
রাজধানীর ৪ বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
রাজধানীর চারটি বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জনপ্রশাসন কক্ষে রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন সংক্রান্ত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
তিনি বলেন, ‘ঢাকার যানজট নিরসনে চারটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল শহরের বাইরে অতিদ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’
আন্তঃনগর বাস টার্মিনালগুলো হচ্ছে—ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল, গাবতলী বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ি বাস টার্মিনাল।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনালটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর হবে। মহাখালী বাস টার্মিনাল অস্থায়ীভাবে যাবে পূর্বাঞ্চলে এবং পরে স্থায়ীভাবে টঙ্গির কাছে স্থানান্তরীত হবে। এছাড়া গাবতলী আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল হেমায়েতপুর এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ি বাস টার্মিনাল যাবে কাঁচপুরে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে যততত্র ছড়িয়ে থাকা বাস কাউন্টারগুলো দ্রুত সরিয়ে নির্দিষ্টস্থানে নেওয়ার তাগাদা দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থা আধুনিকায়ন, এআই ক্যামেরা স্থাপনসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় ট্রাফিক সিগন্যালিং এআই ক্যামেরা স্থাপনের সুফল প্রাপ্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় বৈঠক।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, মুখ্যসচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, রাজউকের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊধর্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
নোয়াখালীতে টার্মিনালে থাকা বাসে আগুন
নোয়াখালীর সোনাপুর পৌর বাস টার্মিনালে একটি বাসে আগুন লেগেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে বাসটির ভেতরের কয়েকটি আসন পুড়ে যায়। এ সময় বাসটির দরজা-জানালা বন্ধ ছিল। ভেতরে কোনো লোকজন ছিল না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোনাপুর পৌর বাস টার্মিনালে থাকা সোনাপুর-সুবর্ণচর রুটে যাতায়াতকারী সুবর্ণ সার্ভিসের একটি বাসের ভেতর থেকে আগুন দেখতে পান। তখন টার্মিনাল ও আশপাশে থাকা লোকজন সেখানে ছুটে গিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হন।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাসটির সহকারী জানান যে, তিনি অগ্নিকাণ্ডের কিছু সময় আগে একটি মশার কয়েল জ্বালিয়ে বাইরে খাবার খেতে যান।
ওসি জানান, এটি কোনো নাশকতামূলক ঘটনা নয়। মশার কয়েল থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত হয় বলে নিজের ধারণার কথা জানান তিনি।
১৮৯ দিন আগে
বাস টার্মিনালে লাগেজে মিলল অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ
ফরিদপুরে পৌর বাস টার্মিনালে তালাবদ্ধ লাগেজ থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে পৌর বাস টার্মিনালের প্রবেশমুখে গোল্ডেন লাইন পরিবহনের কাউন্টারের সামনে থেকে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে তার বয়স অনুমানিক ৪৫ বছর বলে জানান স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় ইউএনও'র নিরাপত্তা কর্মীর লাশ উদ্ধার
পুলিশ জানায়, বাস টার্মিনালের প্রবেশমুখে গোল্ডেন লাইন বাস কাউন্টারের সামনে বিদ্যুতের খুঁটির কাছে বড় ওই লাগেজটি পড়ে ছিল। সকাল ১০টার দিকে লোকজনের নজরে আসে। এরপর মালিককে না পেয়ে তারা পুলিশে খবর দেয়।
এরপর কোতোয়ালি থানার পুলিশ সকাল ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাগেজটি খুললে তার ভেতরে এক ব্যক্তির লাশ দেখতে পায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লুঙ্গি আর সোয়েটার পরিহিত লাশের উপরে জামাকাপড় দিয়ে ঢেকে লাগেজবন্দি করা ছিল।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসানুজ্জামান হাসান বলেন, অজ্ঞাতনামা ওই লাশটির আনুমানিক বয়স ৪৫ এর মতো হবে।
ওসি আরও জানান, তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টির প্রকৃত রহস্য জানা যাবে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিয়ের ভয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইতালিয় কিশোরীর আত্মহত্যা
খাগড়াছড়িতে আত্মহত্যার চেষ্টা: প্রেমিকের মৃত্যু, প্রেমিকা হাসপাতালে
৮৭৫ দিন আগে
সিলেটের কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় বাসে আগুন
সিলেটে বাস টার্মিনাল এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাত সোয়া ৮টার দিকে জেলার দক্ষিণ সুরমা কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকার নছিবা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের রাস্তার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বাসের ভেতরের ২টি সিট পুড়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, বাস টার্মিনালের পশ্চিমে সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের রাস্তার পাশে কয়েকটি বাস দাঁড়ানো ছিল। কয়েকজন যুবক এসে বাসে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন পানি দিয়ে বাসের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে বাসের কয়েকটি সিট পুড়ে গেছে।
দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়ারদৌস হাসান বলেন, দাঁড়িয়ে থাকা বাসের আগুনে কেউ আহত হননি। ৫ থেকে ৬টি মোটরসাইকেলে এসে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অবরোধ ও হরতাল সমর্থকরাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। যারা বাসে আগুন দিয়েছে তাদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
এর আগে ৬ ডিসেম্বর (বুধবার) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকার নছিবা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে আন্তঃজেলার একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে বাসের ভেতরের সিটগুলো পুড়ে যায়। ১০ দিনের মাথায় আবারও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটল।
৯১৬ দিন আগে
কুড়িগ্রামে মোটর শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার
কুড়িগ্রাম, ২৮ সেপ্টেম্বর (ইউএনবি)- জেলার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে শিপন (১৪) নামে এক কিশোর সহকারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪৫৭ দিন আগে
জায়গার সংকট দেখিয়ে কুমিল্লার সড়কে বাস টার্মিনাল
কুমিল্লা, ১৫ সেপ্টেম্বর (ইউএনবি)- কুমিল্লা টমছম ব্রিজ এলাকা যানজটমুক্ত করতে ২০১১ সালে দক্ষিণ কুমিল্লা এবং ঢাকা-চট্টগ্রামগামী যানবাহনের জন্য নগরীর জাঙ্গালিয়ায় আন্তজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে এর ৭০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে না।
২৪৭০ দিন আগে