মরদেহ উদ্ধার
বান্দরবানের পাহাড়ি খাদ থেকে মা মেয়ের লাশ উদ্ধার
বান্দরবানে পাহাড়ি খাদের ১৫০ ফুট গভীর থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে জেলা শহরের মেঘলা লালমোহন বাগান তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ার গহীন এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— মা রমেসিং মার্মা (৩০) ও মেয়ে বৃষ্টি মার্মা (৪)। তাদের বাড়ী মেঘলার কানাপাড়া এলাকায়। তবে এটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা, না কি খুন, সে বিষয়ে এখনও জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাত থেকে রমেসিং মার্মা ও তার মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না স্বজনেরা। অনেক খোঁজাখুজির পর বৃহস্পতিবার দুপুরে গহীন এলাকার দেড়শ ফুট পাহাড়ের নিচে মা-মেয়েকে পড়ে থাকতে দেখতে পান স্থানীয়রা। এরপর বিষয়টি পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থল থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) সার্কেল মান্না দে বলেন, ঘটনাটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা, না কি খুন, তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
২ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে মিলল নবজাতকের মরদেহ
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পুকুর থেকে এক নবজাতকের ( মেয়ে শিশু) বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের খাগড়বাড়িয়া গ্রামের আজিজুর রহমানের পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাছ ধরতে গিয়ে স্থানীয় ছেলেরা পুকুরে একটি বস্তা পান। পরে তা উপরে তুলে দেখা যায় একটি নবজাতক শিশুর মরদেহ। শিশুটির ওজন প্রায় দুই কেজি হলেও তার বাবা-মায়ের পরিচয় জানা যায়নি। এতে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে একনজর মরদেহটি দেখতে ছুটে আসেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে পান্টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ আলী বাদল জানান, সড়কের ধারেই আজিজুরের বড় পুকুর রয়েছে। সেখানে কয়েকজন হাত দিয়ে মাছ ধরছিল। এ সময় এক ছেলের হাতে একটি বস্তা উঠে আসে। তখন তারা ভেবেছিল বস্তায় মাছ আছে। কিন্তু বস্তার মুখ খুলে দেখা যায় একটি মেয়ে নবজাতকের মরদেহ। এ খবর মুহূর্তেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ভিড় করেন।
বাদলের ভাষ্য, কেউ হয়তো শিশুটিকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে গেছেন। শিশুটির ওজন প্রায় দুই কেজি। তবে বাবা-মায়ের পরিচয় জানা যায়নি।
ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, স্থানীয়রা মাছ ধরতে গিয়ে পুকুর থেকে এক মেয়ে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেপটিক ট্যাংক থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক
চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে নাসিমা বেগম নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্বামীকে আটক করেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের রাণীনগর-হঠাৎপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাসিমা বেগম (৩৬) ওই গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী।
চাাঁইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এ সময় নিহতের স্বামীকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিজানুর স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ।
তিনি আরও জানান, পারিবারিক কলহের জেরে গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে বাড়ির ভেতরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নাসিমা বেগমকে হত্যা করে মিজানুর। পরে তার মরদেহ বাড়ির বাইরে এনে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়।
মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
১০ দিন আগে
রাজধানীতে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
ঢাকার শ্যামপুর থানার মীরহাজীরবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে লাকি আক্তার (১৭) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী সজীব পলাতক রয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মীরহাজীরবাগের বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহত লাকির বাড়ি ভোলার সদর থানার রতনপুর গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মো. হারুনের মেয়ে। বর্তমানে শ্যামপুর থানার মীর হাজারীবাগে স্বামীর সঙ্গে থাকতেন তিনি।
শ্যামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিকেলে খবর পেয়ে ওই বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ঘরের মেঝেতে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে ছিল।
প্রতিবেশীদের বরাতে পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, স্বামী সজিবের সঙ্গে ওই বাসায় দেড় মাস যাবত ভাড়া থাকতেন লাকি। সোমবার রাতে তাদের ঘরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রচুর ঝগড়ার আওয়াজ পাওয়া যায়। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি ওই বাসায়। ঘরে দরজাও বাইরে থেকে বন্ধ পাওয়া যায়। একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা দরজার ফাঁক দিয়ে দেখতে পান, লাকি মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। এরপর তারা থানায় খবর দেন।
সোমবার রাতের কোনো এক সময় সজিব তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে ঘরেই মরদেহ রেখে পালিয়ে যান বলে ধারণা পুলিশের। সজিবকে গ্রেপ্তার করা গেলে ঘটনার বিষয়ে জানা যাবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
১৭ দিন আগে
দিনাজপুরে পৃথক স্থান থেকে দুই মরদেহ উদ্ধার
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সায়েলা পারভীন (৩৩) নামের এক নারীর এবং খানসামায় শফিকুল ইসলাম নামের এক রিকশাচালকের গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। তবে দুজনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে কালাইচড়া গ্রাম থেকে পারভীনের এবং দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মুন্সিপাড়া মহল্লায় শফিকুল ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ পৃথকভাবে উদ্ধার করে পুলিশ।
খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাছেদ জানান, মুন্সিপাড়া মহল্লায় শয়নকক্ষের বাঁশের আড়ায় রিকশাচালক শফিকুল ইসলামকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার স্বজনরা। তিনি ঢাকায় রিকশা চালাতেন। দুই সন্তানের জনক ছিলেন তিনি।
পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরও জানান, বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের ভার ছিল তার কাঁধে। এ কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা তার পরিবারের।
অন্যদিকে, নবাবগঞ্জের কালাইচড়া গ্রামের বাবার বাড়ির বসতঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় সায়েলা পারভীন মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ।
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান জানান, স্বামী পরিত্যক্ত সায়লা পারভীন ৬-৭ বছর ধরে বাবার বাড়ীতে আশ্রিত ছিল। আজ (বুধবার) সকালে তার গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২৪ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় গড়াই নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার
কুষ্টিয়ায় গড়াই নদী থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে শহরতলীর মঙ্গলবাড়ীয়া বাঁধ এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এটি উদ্ধার করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
ঈশ্বরদী নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শফিকুল ইসলাম জানান, মরদেহটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য এটি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যার রহস্য জানা যাবে।
২৮ দিন আগে
জাতীয় প্রেসক্লাবের বাথরুম থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর তোপখানা রোডে অবস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবের বাথরুম থেকে এক সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে শাহবাগ থানার ঢাকা মেট্রোপলিট্রন পুলিশ (ডিএমপি)।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯ টার দিকে বাথরুমের দরজা খুলে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত সাংবাদিকের নাম আলী মাসুদ। তিনি দৈনিক দিনকালের সাংবাদিক ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আজ (মঙ্গলবার) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফোন দিয়ে বিষয়টি জানান। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে ওয়াশরুমের দরজা খুলে ওই সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা তিনি স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেছেন। মরদেহ এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
৩৯ দিন আগে
রাবির নারী শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজকর্ম বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসংলগ্ন মেহেরচণ্ডীর একটি বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।
নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম জোবাইদা ইসলাম ইতি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন জোবাইদা। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে প্রক্টর মাহবুবুর রহমান বলেন, রাবির পার্শ্ববর্তী এলাকা মেহেরচণ্ডীর একটি বাসা থেকে ইতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাকে রামেকে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যার পর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই নারী শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে কি না এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
৫০ দিন আগে
নরসিংদীতে নিখোঁজের তিন দিন পর পোল্ট্রি খামারির মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীর বেলাবোতে নিখোঁজের তিন দিন পর আজীমূল কাদের ভূঁইয়া (৪৫) নামে এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার নাগের বাজার এলাকার একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আজিমুল কাদের ভূঁইয়া বাজনাব ইউনিয়নের বাঘবের গ্রামের মৃত মান্নান ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বেলবো উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি নিজ এলাকার নিজের পোল্ট্রি খামার থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজের পর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে পরদিন বুধবার বেলাবো থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয়রা এলাকার একটি ডোবায় মরদেহ দেখতে পেয়ে বেলাব থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৫ দিন আগে আজীমূল তার পোল্ট্রি খামারে কাজ করার জন্য দুইজন শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছিলেন। আজীমূলের নিখোঁজের পর থেকেই ওই দুই শ্রমিককেও খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের একজনের নাম রুবেল হলেও অপরজনের নাম-পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
বেলাব থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নাসির উদ্দিন বলেন, জিডি করার পর পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে তৎপরতা শুরু করে। পরে রাতে খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
৫০ দিন আগে
পটুয়াখালীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার
পটুয়াখালীর ২ নং বাধঘাট এলাকায় চার দিন নিখোঁজ থাকার পর পিয়ারা বেগম (৬৯) নামে এক বৃদ্ধার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে নিহতের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা বলেন, পিয়ারা তিন মেয়ে ও দুই ছেলের সঙ্গে একই বাড়িতে বাস করতেন। গত বুধবার তিনি নিখোঁজ হন। পরেরদিন (বৃহস্পতিবার) তার ছেলে সুমন পটুয়াখালী সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
স্থানীয়রা খালে একটি বস্তা ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান ওসি।
৫৬ দিন আগে