মরদেহ উদ্ধার
কুবি শিক্ষিকার নিখোঁজ ছেলের মরদেহ উদ্ধার
মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিখোঁজের পরদিন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অপ্রতিম বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (শুক্রবার) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে ওই দিন সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।
সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ পাওয়া গেছে। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
এদিকে, অপ্রতিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
১০ ঘণ্টা আগে
বরিশালে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে, একজনের মরদেহ উদ্ধার
বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কের গড়িয়ারপাড় এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের পুকুরে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় আব্দুল মালেক (৫৫) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় একাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল মালেক বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী হাই স্কুল-সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা।
বরিশাল বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, বাসটি যাত্রী নিয়ে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি থেকে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদের দিকে যাচ্ছিল। পথে গড়িয়ারপাড় এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়।
তিনি বলেন, স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাসের অনেক যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর আহতদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি উদ্ধারের কাজ শুরু করেছেন বলে জানান ওসি।
১২ ঘণ্টা আগে
নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার
পাবনা সদর উপজেলায় নিখোঁজের ৭ দিন পর কামরুন্নাহার কলি (১০) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার মরদেহটি বস্তার ভেতরে টুকরো টুকরো অবস্থায় ছিল।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত কামরুন্নাহার কলি উপজেলার দোগাছী কুলোনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে। সে কুলুনিয়া আল ফালাহ অ্যাকাডেমির তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন আশপাশের এলাকার অসংখ্য মানুষ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে স্থানীয় শ্রীপুর বাজারে যায় কলি। বাজার শেষে বাবার সঙ্গে বাড়িতে ফিরে বাজারের ব্যাগ মায়ের হাতে দিয়ে বাড়ির পাশে চলে যায় সে। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে শিশুটির পরিহিত স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে শিশুটির বাবা পাবনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান চেয়ে প্রচার চালানো হয়। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পাবনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন নিহতের স্বজন ও সহপাঠীরা।
এর এক দিন পর আজ (বুধবার) সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি কলির বলেই শনাক্ত করেন তার স্বজনরা।
স্থানীয়দের ধারণা, তাকে হত্যা করে টুকরো টুকরো করে বন্তায় বন্দি করে এই ডোবায় ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, কলি নিখোঁজ হওয়ার পর তারা পুলিশকে বেশ কিছু তথ্য ও সম্ভাব্য ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে সেগুলো নিয়ে যথাযথভাবে তদন্ত করা হয়নি। তাদের ধারণা, স্থানীয় কেউ এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে শিশুর পরিবারের সঙ্গে এলাকার কারও কোনো পূর্ববিরোধ ছিল না বলেও জানান তারা।
শিশুটির বাবা কামাল প্রামাণিক বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকেই আমরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও পাইনি।
তিনি বলেন, আমার মেয়েকে কারা হত্যা করেছে, কারা আমাদের এত বড় সর্বনাশ করল তা জানতে চাই। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, এমনকি ফাঁসি দিতে হবে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, একটি শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কীভাবে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, এসব বিষয় তদন্ত করছে পুলিশ। খুব শিগগিরই হত্যার রহস্য ও কারা জড়িত তা উদঘাটন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ওসি।
৩ দিন আগে
রাজধানীতে ভাড়া বাসা থেকে আইনজীবীর অর্ধগলিত দেহ উদ্ধার
রাজধানীর লালবাগে ভাড়া বাসা থেকে মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন নামের এক আইনজীবীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুই থেকে তিন দিন আগে স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লালবাগ থানার শহীদনগরের বউবাজার ৩ নম্বর গলির ১০/১ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, পাশের কক্ষের এক ভাড়াটিয়া আনোয়ার হোসেনকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনি কার্যক্রম শুরু করে। এ সময় সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জজ কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের অ্যানেক্স ভবনের প্রথম তলার ২১৪ নম্বর কক্ষে তার চেম্বার। তিনি ওই বাসায় একাই থাকতেন। তার পরিবার গ্রামে থাকে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।
লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জামিল হোসেন বলেন, আনোয়ার হোসেন জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট ছিলেন এবং ওই বাসায় ব্যাচেলর হিসেবে থাকতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহটি দুই থেকে তিন দিন আগের হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আনোয়ারের ড্রাইভিং লাইসেন্স পুলিশের কাছে রয়েছে। সেটি যাচাই করে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।
মরদেহের সুরতহালসহ প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম চলছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
৭ দিন আগে
মধুখালীতে তিন বস্তায় যুবকের ছয় টুকরো অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুরের মধুখালীতে ধানখেতের পাশ থেকে তিনটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরা এক অজ্ঞাতনামা যুবকের ছয় টুকরো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের বোয়ালিয়া স্ট্যান্ডসংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালিয়া স্ট্যান্ড থেকে প্রায় ২০০ গজ সামনে ফরিদপুরগামী সড়কের ডান পাশে লাভলু মল্লিক ও ইসহাক মিয়ার ধানখেতের পাশে একটি তালগাছের গোড়ায় তিনটি মুখ বাঁধা প্লাস্টিকের বস্তা দেখতে পান স্থানীয় পথচারীরা। বস্তাগুলো পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হলে তারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এবং মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বস্তাগুলোর মুখ খুললে সেগুলোর ভেতর থেকে আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহের ছয়টি বিচ্ছিন্ন অংশ পাওয়া যায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদুজ্জামান জানান, উদ্ধার করা মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিচয় শনাক্ত না হলে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফনের জন্য আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৭ দিন আগে
আশুলিয়ায় স্বামী-স্ত্রী ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
সাভারের আশুলিয়ায় মধ্য জামগড়া এলাকার একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে স্বামী, স্ত্রী ও তাদের সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য সেগুলো ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, মধ্য গাজীরচট এলাকায় হাজী হযরত আলীর চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে ওই পরিবারটি বসবাস করছিল। গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা এক পুরুষ, এক নারী ও সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত পুরুষের গলায় গামছা পেঁচানো ছিল। এ কারণে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই কক্ষের দরজা-জানালা সবসময় বন্ধ থাকত। স্বামী-স্ত্রী সেখানে নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। শুক্রবার কক্ষটি থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।
এদিকে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। পুলিশের কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে।
১৪ দিন আগে
গাজীপুরে এক দিনে পাঁচ মরদেহ উদ্ধার
গাজীপুরে এক দিনে পৃথক ঘটনায় পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে কাপাসিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিলয় সরকার নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। কালিয়াকৈরে জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ।
এছাড়া নিখোঁজের পর কাপাসিয়ায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে পাঁচ বছরের শিশু এবং কালিয়াকৈরে বংশাই নদী থেকে ছয় বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই দিন মৌচাক রেলস্টেশন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক বাক্প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে কাপাসিয়া ও কালিয়াকৈর উপজেলার পৃথক স্থান থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পৃথক ঘটনাগুলো ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ প্রতিটি ঘটনার পৃথক তদন্ত করছে।
ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কাপাসিয়ার পাবুর দক্ষিণপাড়া বলখেলা বাজার এলাকায় গরুর ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে চাচাতো ভাই রাসেলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে নিলয় সরকারকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
নিহত নিলয় ওই এলাকার মনির সরকারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার বেলা ১১টার দিকে বাজারে ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে নিলয় ও রাসেলের মধ্যে বিরোধ হয়। পরে নিলয় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাসেল তার ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুর রশিদ এতিমখানার পাশে পাকা সড়কে পৌঁছালে রাসেল ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিলয়ের মাথায় কোপ দেন। গুরুতর আহত হয়ে নিলয় সড়কে পড়ে গেলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমেদ বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত রাসেল পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
জঙ্গলে ঝুলছিল অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ
আজ দুপুরে কালিয়াকৈর উপজেলার গলাচিপা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয়রা জঙ্গলের ভেতরে একটি গাছের সঙ্গে মরদেহটি ঝুলতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
কালিয়াকৈর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
নিখোঁজের তিন দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
কাপাসিয়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে পাঁচ বছরের শিশু জাহিদ হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার সকাল ৮টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে ব্রহ্মপুত্র নদের একটি ঘাটে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জাহিদ হাসান কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়া ইউনিয়নের খিরাটি গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে ছিল।
বংশাই নদীতে শিশুর মরদেহ
কালিয়াকৈরে বংশাই নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর ছয় বছরের শিশু সাথী আক্তারের মরদেহ ভেসে উঠেছে।
গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড়ইতলী এলাকায় নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয় সাথী। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল বিকেল ৫টা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও তার সন্ধান পায়নি। পরে আজ শনিবার সকালে নদীতে মরদেহ ভেসে ওঠে।
কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আলমগীর কবির জানান, শুক্রবার দিনভর তল্লাশি চালিয়েও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। আজ সকালে মরদেহ ভেসে ওঠার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান।
ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
এদিকে, গাজীপুরের মৌচাক রেলস্টেশন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে আবু বকর নামে এক বাক্প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে জয়দেবপুর-ঢাকা রেলসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফারুক আহমেদ জানান, নিহতের বাড়ি রেলস্টেশন এলাকায়। পরিবারের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেছেন।
২১ দিন আগে
কক্সবাজারে ট্রলারডুবিতে নিউজিল্যান্ডের নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজারের নাজিরারটেক পয়েন্টে বিদেশি পর্যটকবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ নিউজিল্যান্ডের নাগরিক আলবার্ট জংয়ের মরদেহ একদিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার পরিবারের আরও তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে সমিতিপাড়া সমুদ্র উপকূলে একটি মরদেহ ভেসে আসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় পরিবারের চার সদস্যই পানিতে পড়ে যান। তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও আলবার্ট জং নিখোঁজ ছিলেন। পরে আজ বুধবার বিকেলে তার মরদেহ ভেসে আসে।
উদ্ধার হওয়া এডওয়ার্ড, তার স্ত্রী বেলা এবং ১৩ বছর বয়সী ছেলে রালফ বর্তমানে কোস্টগার্ডের হেফাজতে রয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় জেলেরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠান।
গতকাল সকালে নাজিরারটেক-সোনাদিয়া মোহনা এলাকায় প্রচণ্ড ঢেউয়ের ধাক্কায় তাদের বহনকারী নৌকাটি ডুবে যায়। নিখোঁজ আলবার্টকে উদ্ধারে ওই দিন রাতে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ড সমুদ্রে অভিযান চালায়। পরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ শাপলা ও একটি দ্রুতগামী বোটও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয়।
নিউজিল্যান্ড থেকে আসা পর্যটক পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে অবস্থান করছিল বলে জানা গেছে। কক্সবাজার জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার এক কর্মকর্তা জানান, তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে আসায় সম্প্রতি তারা নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এর মধ্যেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
২৪ দিন আগে
শেরপুরে নিখোঁজের পর পুকুর থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজের সাড়ে ১৪ ঘণ্টা পর একটি পুকুর থেকে ভেসে ওঠা দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের মধ্য নাকশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো: ওই গ্রামের হযরত আলীর ছেলে রোহান মিয়া (৭) ও এবাদুল ইসলামের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৬)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (রবিবার) দুপুর ১২টার দিকে শিশু দুটি বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। রাত আড়াইটার দিকে স্থানীয় একটি পুকুরে তাদের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাসীর সহযোগিতায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন।
স্থানীয় একটি সূত্রে জানা যায়, শিশু রোহান ও ইসমাইলের মাছ ধরার শখ ছিল। তবে সাঁতার ভালোভাবে না জানলেও মাঝেমধ্যে তারা জলাশয়ে মাছ ধরতে নামত।
মাছ ধরতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলামান রয়েছে।
২৬ দিন আগে
ইয়াবা সেবন দেখে ফেলা ও বাধা দেওয়ায় শিক্ষক পরিবারের চারজনকে খুন: পুলিশ
রাতের নীরবতা ভেঙে ছাদে শব্দ। শব্দ শুনে দেখতে গিয়েছিলেন সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী। ছাদে গিয়ে দেখলেন, পরিচিত দুই তরুণ ইয়াবা সেবন করছে। বাধা দিয়েছিলেন তিনি। এরপর মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একে একে নিভে যায় একটি পরিবারের চারটি প্রাণপ্রদীপ।
পুলিশ বলছে, নিজেদের পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ১২ বছরের শিশুসন্তানকে হত্যা করে দুই তরুণ। পরে লুটের নাটক সাজিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ওরফে ভোলা, মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী আগামী (২৫) এবং জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রিয়ম চক্রবর্তী আয়ুশকে হত্যার ঘটনায় দুই তরুণকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। আজ রবিবার ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন: মাছুয়াপাড়ার মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯)। তারা সম্পর্কে মামাতো ভাই। মুগ্ধ নগরের সিটি বাজারে মাছের দোকানে কাজ করেন, আর সিদ্ধার্থ পিকে পাল জুয়েলার্সে প্রায় আট বছর ধরে স্বর্ণের কারিগর হিসেবে কাজ করছেন।
রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাশের একটি ভবনের ওপর দিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ওঠেন মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ শুনে ছাদে যান গণপতি। তাদের বাধা দিলে গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
গণপতির চিৎকার শুনে স্ত্রী প্রীতিলতা ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করলে সিঁড়িতেই তাকে হত্যা করা হয়। এরপর মেয়েকে এবং সর্বশেষ ১২ বছরের শিশু প্রিয়মকে হত্যা করা হয়।
পুলিশ কমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রিয়ম আসামিদের চিনত। সিদ্ধার্থের ছোট ভাই অপূর্বের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ছিল। পরিচয় ফাঁস হওয়ার আশঙ্কায় তাকেও হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানায়, হত্যার পরও ওই বাড়িতেই ছিলেন দুজন। তারা গোসল করেন, খেজুর খান এবং ইয়াবা সেবন করেন। পরে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় রাস্তাঘাট ফাঁকা হলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। যাওয়ার আগে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে ডাকাতির ঘটনা বলে তদন্তকে ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
পুলিশ কমিশনার আরও জানান, ঘরে পাওয়া একটি স্বর্ণের চুড়ি আগুনে পরীক্ষা করার আলামত থেকেই তদন্তে নতুন সূত্র মেলে। পরে সিদ্ধার্থের স্বর্ণের কাজে অভিজ্ঞতার বিষয়টি সামনে আসে। লুট করা স্বর্ণালংকার তাদের দেখানো মতে একটি পরিত্যক্ত জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়া বাড়ির দুটি মোবাইল ফোন ডিটারজেন্ট মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়েছিল। পুলিশের ধারণা, আলামত নষ্ট করতেই এমনটি করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা সেবনের আলামত, খেজুরের বিচি ও কামড় দেওয়া শসাও উদ্ধার করা হয়েছে। খেজুরের বিচি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, ‘হত্যার আগে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ নগরের একটি বাসায় ইয়াবা সেবন করেছিল। পরে মাছুয়াপাড়ায় এসে আবার ইয়াবা সেবন করে। পুলিশ ইয়াবা সরবরাহকারী হিসেবে খুশি ওরফে প্রশান্তর নামও পেয়েছে। তদন্তে বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে।’
এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। পুলিশ বলছে, দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
২৭ দিন আগে