মরদেহ উদ্ধার
রাবির নারী শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজকর্ম বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসংলগ্ন মেহেরচণ্ডীর একটি বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।
নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম জোবাইদা ইসলাম ইতি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন জোবাইদা। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে প্রক্টর মাহবুবুর রহমান বলেন, রাবির পার্শ্ববর্তী এলাকা মেহেরচণ্ডীর একটি বাসা থেকে ইতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাকে রামেকে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যার পর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই নারী শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে কি না এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
৪ দিন আগে
নরসিংদীতে নিখোঁজের তিন দিন পর পোল্ট্রি খামারির মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীর বেলাবোতে নিখোঁজের তিন দিন পর আজীমূল কাদের ভূঁইয়া (৪৫) নামে এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার নাগের বাজার এলাকার একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আজিমুল কাদের ভূঁইয়া বাজনাব ইউনিয়নের বাঘবের গ্রামের মৃত মান্নান ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বেলবো উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি নিজ এলাকার নিজের পোল্ট্রি খামার থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজের পর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে পরদিন বুধবার বেলাবো থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয়রা এলাকার একটি ডোবায় মরদেহ দেখতে পেয়ে বেলাব থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৫ দিন আগে আজীমূল তার পোল্ট্রি খামারে কাজ করার জন্য দুইজন শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছিলেন। আজীমূলের নিখোঁজের পর থেকেই ওই দুই শ্রমিককেও খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের একজনের নাম রুবেল হলেও অপরজনের নাম-পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
বেলাব থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নাসির উদ্দিন বলেন, জিডি করার পর পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে তৎপরতা শুরু করে। পরে রাতে খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
৫ দিন আগে
পটুয়াখালীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার
পটুয়াখালীর ২ নং বাধঘাট এলাকায় চার দিন নিখোঁজ থাকার পর পিয়ারা বেগম (৬৯) নামে এক বৃদ্ধার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে নিহতের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা বলেন, পিয়ারা তিন মেয়ে ও দুই ছেলের সঙ্গে একই বাড়িতে বাস করতেন। গত বুধবার তিনি নিখোঁজ হন। পরেরদিন (বৃহস্পতিবার) তার ছেলে সুমন পটুয়াখালী সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
স্থানীয়রা খালে একটি বস্তা ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান ওসি।
১১ দিন আগে
নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর সুগন্ধা নদীর পাড় থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠি পৌরসভার নতুন চর এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৮ ঘণ্টা পর এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম নিলুফা বেগম (৬২)।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে সুগন্ধা নদীর পাড়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল (সোমবার) রাত ১০টার দিকে নিলুফা বেগম নতুন চর এলাকা থেকে নিখোঁজ হন।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, তার সঙ্গে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোন হারিয়ে গেছে। তার স্বর্ণের নাকফুল ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করছেন তারা, কারণ তার নাক রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল।
ঝালকাঠি সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টির তদন্ত চলছে এবং আইনগত প্রক্রিয়াও চলমান আছে বলে জানান তিনি।
১৫ দিন আগে
আত্রাই নদী থেকে উদ্ধার ২ মরদেহের পরিচয় শনাক্ত, হত্যার কারণ এখনও অজানা
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের আত্রাই নদী থেকে গতকাল (সোমবার) উদ্ধার হওয়া দুই যুবকের মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে তাদের হত্যার রহস্য এখনও উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।
নিহত দুই যুবকের একজন হলেন মোহাম্মদ রাসেল মিয়া (২৫)। তিনি উপশহরের ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ড এলাকার সাইদুল ইসলামের ছেলে। অপরজন নিমনগর দক্ষিণ বালুবাড়ী লাইন পাড়ের বাসিন্দা মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে আল আমিন (২৮)। তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
সোমবার (১২ জানিয়ারি) চিরিরবন্দরের ভিয়াইল ইউনিয়নের বানিয়াখাড়ি দোল্লা গ্রামের লক্ষ্মীতলা সেতুর কাছে আত্রাই নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।
চিরিরবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আহসান হাবিব জানান, মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির একটি বিশেষ টিম কাজ করেছিল। তাদের আঙুলের ছাপের মাধ্যমেও পরিচয় বের করতে পারেনি সিআইডি। পরে বিকেলে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ (দিমেক) হাসপাতালের মর্গে পরণের কাপড় দেখে তাদের শনাক্ত করেন স্বজনেরা।
পরিবারের বরাতে পুলিশ পরিদর্শক জানান, রাসেল ও আল আমিন প্রায়ই একসঙ্গে বের হয়ে ৫ থেকে ৭ দিন পর বাড়ি ফিরতেন। গত ৬ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা একসঙ্গে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল, এরপর আর ফেরেনি। এমনকি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল তাদের।
তিনি আরও জানান, গতকাল (সোমবার) পরিবারের স্বজনরা বিচলিত হয়ে থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে এসেছিলেন। পাশাপাশি কোনো খোঁজ পেলে তাদের জানানোর জন্য ফোন নম্বর দিয়ে রেখেছিলেন। পরে দিমেক হাসপাতালের মর্গে মরদেহ আসার পর তাদের খবর দেওয়া হলে মর্গে গিয়ে পরণের পোশাক দেখে দুই যুবককে শনাক্ত করেন তাদের স্বজনেরা। টানা কয়েকদিন মরদেহ পানিতে ডুবে থাকায় চেহারা বিকৃত হয়ে গিয়েছিল দুই যুবকের।
হত্যার কারণ জানতে এবং জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চালাচ্ছেন বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
২২ দিন আগে
দিনাজপুরে আত্রাই নদী থেকে ২ যুবকের মরদেহ উদ্ধার
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আত্রাই নদী থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের বয়স ২৪-২৫ বছর বলে ধারণা করছে পুলিশ।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের বানিয়াখাড়ি দোল্লা গ্রামের লক্ষ্মীতলা সেতুর কাছ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। ৫ থেকে ৭ দিন আগে তারা হত্যার শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।
চিরিরবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আহসান হাবীব জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে লক্ষ্মীতলা সেতুর কাছে আত্রাই নদী থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানতে পারিনি। মরদেহ শনাক্তে আঙ্গুলের ছাপ স্ক্যান করার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি কাজ করছে।
হত্যাকারীরা নদীর উজানের কোনো স্থানে মরদেহগুলো ভাসিয়ে দিয়েছিল বলে নিজের ধারণার কথা জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
২৩ দিন আগে
কুড়িলে ফুটপাতে পড়ে ছিল যুবকের মরদেহ
রাজধানীর খিলক্ষেত থানাধীন কুড়িল বিশ্বরোডে বিআরটিসি কাউন্টারের পেছনের ফুটপাত থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছেন পথচারীরা। তার বয়স আনুমানিক ২৩ বছর।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় পথচারীরা ওই যুবককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. কায়েস মিয়া নামের একজন জানান, আজ (সোমবার) সকালের দিকে কুড়িল বিশ্বরোডের ফুটপাতে ওই যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। আমরা জানতে পারি, একটি গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাটি ঘটেছে। পরে কয়েকজন মিলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, যুবকটি আর বেঁচে নেই।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি খিলক্ষেত থানা পুলিশকে জানিয়েছি।
২৩ দিন আগে
চকবাজারে পলিথিনে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর চকবাজার থেকে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে চাঁদনী ঘাট এলাকা থেকে এই নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ওই নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন।
চকবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল জানান, খবর পেয়ে আজ দুপুরের পর চকবাজারের চাঁদনী ঘাট এলাকায় একটি গলির ভেতর থেকে কালো পলিথিনে মোড়ানো অচেতন অবস্থায় ওই নবজাতককে উদ্ধার করি। পরে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, কে বা কারা এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
৪৩ দিন আগে
কুমিল্লায় থানা থেকে নারী আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
কুমিল্লায় সতীনের ছেলেকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় আটক এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হোমনা থানা হেফাজতে থাকা ববিতা নামের ওই নারী আসামির মরদেহ থানার নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কের একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোরে ওই কক্ষে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ববিতার মরদেহ পাওয়া যায়।
নিহত ববিতা হোমনা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের খলিল মিয়ার স্ত্রী।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মর্শেদুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বুধবার সকালে ববিতা তার সতীনের ১১ বছর বয়সী ছেলে সায়মনকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এ সময় শিশুটির নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সায়মনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা ববিতাকে আটক করে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আহত সায়মনের চাচা স্বপন মিয়া বাদী হয়ে রাতে হোমনা থানায় একটি মামলা করেন।
ওসি বলেন, ‘ববিতাকে রাতে থানার নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কে রাখা হয়েছিল। ওই কক্ষে তার সঙ্গে আরও একজন নারী আসামি ও একজন নারী গ্রাম পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। ভোরের দিকে স্টাফ রুমে যাওয়ার সুযোগে ববিতা আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, সকালে বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৪৮ দিন আগে
হাজারীবাগের হোস্টেলে এনসিপি নেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
রাজধানীর হাজারীবাগের জিগাতলা এলাকার একটি হোস্টেল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত ওই নেত্রীর নাম জান্নাতারা রুমী (৩০)। তিনি এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমণ্ডি শাখার সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সোয়া ৪টার দিকে খবর পেয়ে জিগাতলার পুরাতন কাঁচাবাজার সড়কে অবস্থিত জান্নাতী ছাত্রী হোস্টেলের পঞ্চম তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে হাজারীবাগ থানা পুলিশ।
জান্নাতারা রুমী নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার নাজিরপুরের মো. জাকির হোসেনের মেয়ে।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, পাঁচতলা ওই হোস্টেলের একটি কক্ষে রুমী একাই থাকতেন। ৯৯৯-এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাই।
ওসি জানান, তিনি ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৪৮ দিন আগে