মরদেহ উদ্ধার
পদ্মায় নৌকাডুবিতে নিখোঁজ সেই বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুই দিন পর বাবা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পৃথক স্থান থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রাজশাহী অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে কুষ্টিয়ার বাংলাবাজার পাকশী সেতু-সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে নৌকার মাঝি কাওসার আলীর (৬০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুরে রাজশাহীর পবা উপজেলার সাতবাড়িয়া চর এলাকা থেকে তার ছেলে জিয়ারুল হকের (৪০) মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।
তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর গত দুই দিন ধরে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল যৌথভাবে তল্লাশি চালায়। পদ্মায় প্রবল স্রোতের কারণে মরদেহ দুটি দুর্ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে ভেসে যায়। উদ্ধার শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাজশাহী নগরের পদ্মা গার্ডেন-সংলগ্ন এলাকায় ঝাউগাছবোঝাই একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। চর মাজারদিয়া এলাকা থেকে আটজন যাত্রী নিয়ে লালন শাহ মুক্তমঞ্চের উদ্দেশে রওনা দেওয়া নৌকাটি মাঝনদীতে অতিরিক্ত ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এ ঘটনায় ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নৌকার মাঝি কাওসার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল হক নিখোঁজ ছিলেন। দীর্ঘ দুই দিনের অনুসন্ধান শেষে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
৫ দিন আগে
পাবনায় শৌচাগারের ট্যাংকে মিলল স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ
পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত এলাকায় শৌচাগারের ট্যাংক থেকে এক স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বাড়ির পাশে টয়লেটের ট্যাংকি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত গীতা রানী (৪৫) উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের একদন্ত বারইপাড়া গ্রামের নন্দ দাসের স্ত্রী। তিনি চাচকিয়া ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন।
আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গীতা রানী বাড়িতে একাই থাকতেন। তার স্বামী ঢাকায় থাকেন। গতরাত ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা সিঁধ কেঁটে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। পরে গীতা রানী টের পেলে দুর্বৃত্তদের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তাকে বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত শৌচাগারের ট্যাংকে দুর্বৃত্তরা ফেলে দেয় বলে স্থানীয়দের ধারণা।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে তাকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বেলা ১১টার দিকে শৌচাগারের ট্যাংকে তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
ওসি নাজমুল হক জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
কারা, কেন এবং কীভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৫ দিন আগে
ঢামেক হাসপাতালের পাশ থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশ থেকে অজ্ঞাতনামা দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বয়স আনুমানিক ৫৮ ও ৬০ বছর।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারের (ওসেক) পেছন থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আইয়ুব আলী জানান, আজ (সোমবার) সকাল দশটার দিকে আমরা জানতে পারি জরুরি বিভাগের পাশে অচেতন অবস্থায় দুই নারী পড়ে আছেন। পরে ট্রলিম্যানদের সহায়তায় জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মরদেহ দুটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের পরিচয় জানার জন্য ইতোমধ্যেই সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
৮ দিন আগে
ধানমণ্ডিতে শেখ হাসিনার পরিত্যক্ত বাসভবন থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর ধানমণ্ডিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিত্যক্ত বাসভবন সুধাসদন থেকে মো. শাকিল (২০) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৫ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত শাকিলের বাড়ি মোহাম্মদপুরের জিগাতলা শিবপুর টালি অফিস এলাকার ২৯৫/জি/এইচ/এ/৭ নম্বর বাসায়। তার বাবার নাম সেকান্দার আলী মাতুব্বর এবং মায়ের নাম আসমা বেগম।
ধানমণ্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ওয়াদুজ্জামান জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে। এরপর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি বলেন, পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটকে খবর দেওয়া হলে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
এসআই ওয়াদুজ্জামান বলেন, কী কারণে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
১০ দিন আগে
নওগাঁয় ছাত্রাবাস থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নওগাঁ শহরের একটি ছাত্রাবাস থেকে শাহরিয়ার আহম্মেদ ইমন (২৫) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে শহরের বাঙ্গাবাড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার জননী ছাত্রাবাস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শাহরিয়ার আহম্মেদ ইমন নওগাঁর মান্দা উপজেলার মাগুড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি নওগাঁ সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জননী ছাত্রাবাসের ১০৯ নম্বর ডবল রুমে তিনি একাই থাকতেন। গতকাল (শুক্রবার) রাতে পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ হয়নি। এ কারণে আজ (শনিবার) সকাল সাড়ে ৭টায় তার মামা ছাত্রাবাসে এসে দরজায় বারবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে সেখানে থাকা শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরের ভেতরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ইমনের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে নওগাঁ সদর মডেল থানায় একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
১০ দিন আগে
মুক্তিপণ দাবির দুই দিন পর ফরিদপুরে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুর সদর উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, তাকে অপহরণের পর মুক্তিপণ হিসেবে ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল। টাকা দিতে না পারায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের রোকমান খারডাঙ্গী গ্রামের একটি পাটখেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইউসুফ ফকির (৪৫) ওই গ্রামের সেকেন ফকিরের ছেলে। দুই মেয়ে ও এক ছেলের বাবা ইউসুফ পেঁয়াজের পাইকারি ব্যবসায়ী ছিলেন।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করলে ইউসুফ ফকির স্ত্রীকে জানান, তিনি মমিনখার হাট বাজারে গিয়ে একটি ডিসপেনসারিতে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করাবেন। এ কথা বলে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। বাজারের কাজ শেষে সন্ধ্যার দিকে একটি ইজিবাইকে করে বাড়ির সামনে নামলেও এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
নিহতের শ্বশুর আজিজ খান বলেন, যে ইজিবাইকে তিনি বাজার থেকে ফিরেছিলেন, তার চালক জানিয়েছেন যে তিনি ইউসুফকে বাড়ির সামনেই নামিয়ে দেন। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কয়েকবার তার মোবাইল ফোনে কল করা হলে তিনি তা কেটে দেন। রাত ৯টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাতিজা সাইফুল ফকির বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
আজিজ খান বলেন, শুক্রবার বিকেলে প্রথমে ইউসুফের মোবাইল নম্বর থেকেই তার মেয়ের ফোনে কল করে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা দিলে ইউসুফকে অক্ষত অবস্থায় ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে একটি আইপি নম্বর থেকে আরও দুইবার একই দাবি জানানো হয়। তারা ঠিকানা জানতে চাইলে ফোনের অপর প্রান্তের ব্যক্তি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আলী মদ্দীন ফকির বলেন, আজ সকাল ৬টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি পাট কাটতে গিয়ে ইউসুফের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরের একটি পাটখেতে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তার মুখ দিয়ে কীটনাশকের বিষাক্ত ফেনা বের হচ্ছিল। মরদেহের পাশেই একটি কীটনাশকের বোতল পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ভোরের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নানান বিষয় মাথায় রেখে আমরা ঘটনাটি তদন্ত করছি। যারা এ ঘটনার পেছনে আছে বা কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সেই বিষয়টি খুব দ্রুতই আপনাদের জানাতে পারব।’
১৭ দিন আগে
নওগাঁয় দম্পতির মরদেহ উদ্ধার, ছেলে হেফাজতে
নওগাঁর মহাদেবপুরে নিজ বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের ছেলেকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— পাহাড়পুর গ্রামের লোকমান মণ্ডল (৫৫) ও তার স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম (৪৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (রবিবার) রাতে খাবার খেয়ে তারা দুজনে ঘুমাতে যান। ভোর ৪টার দিকে নিহতদের ছেলে মুক্তার হোসেন প্রতিবেশীদের খবর দিলে খাটের ওপর তাদের মরদেহ দেখতে পান তারা।
পুলিশ ও স্থানীয়দের দাবি, ছেলে মুক্তার হোসেন নেশা ও অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। নেশার জন্য বাবা-মায়ের কাছে টাকা চাইলে তা দিতে অস্বীকার করলে মুক্তার বিষাক্ত কিছু খাইয়ে এই ঘটনা ঘটাতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহদুটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত কিছু খাবারের মাধ্যমে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
তিনি জানান, নেশা আর অনলাইনে জুয়া খেলার টাকা না পেয়ে ইতোপূর্বে তার ছেলে মুক্তার হোসেন বাবা-মাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যমতে, ছেলের সঙ্গে মা-বাবার আর্থিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
ওসি আরও জানান, এসব তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এটি রহস্যজনক মৃত্যু না হয়ে হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে। এ ঘটনায় মুক্তার হোসেনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
২২ দিন আগে
শাহবাগে পৃথক স্থান থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর শাহবাগ এলাকার তিনটি ফুটপাত থেকে অজ্ঞাত তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১২ জুলাই) তিনটি পৃথক জায়গা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আনন্দবাজার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের সামনের সড়কের ফুটপাত থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, পৃথক তিন স্থানে তিন ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা থানা পুলিশকে খবর দেন।
আজ বেলা ১১টার দিকে দুজনকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। তাদের মধ্যে একজনের বয়স আনুমানিক ৬০ বছর ও অপরজনের বয়স ৫৫ বছর।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের পাশ থেকে অজ্ঞাত (৩৫) আরও এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মৃত তিন ব্যক্তির নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে তারা ভবঘুরে। মরদেহগুলো ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
২৩ দিন আগে
জামালপুরে ২৪ ঘণ্টায় পৃথক ঘটনায় স্কুলছাত্রীসহ চারজনের মৃত্যু
জামালপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথক ঘটনায় এক স্কুলছাত্রীসহ চারজনের অপমৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে, একজনকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায়, একজনকে গাছে ঝুলন্ত এবং অপর একজনকে ট্রেনে কাটা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার পাগলাপাড়া গ্রামে পানির ট্যাংকে বিদ্যুতের সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আবু বক্কর (৬০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, নিজ বাড়িতে পানির ট্যাংকের বৈদ্যুতিক লাইনের কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন আবু বক্কর। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, আজ সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার আইরমারী গ্রামে নিজ বাড়ির পাশের একটি কামরাঙা গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মোতালেব সরকার (৫৫) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি মৃত আবদুল হাই সরকারের ছেলে।
ওসি মকবুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
অন্যদিকে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলার চাঁনপুর গ্রামে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে ঐশামনি (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রী। সে এনায়েত করিম ওরফে ইব্রাহিম মাস্টারের মেয়ে।
নারায়ণপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মকবুল হোসেন জানান, ঘটনার আগে ঐশামনি তার মাকে বলেছিল, তার লেখাপড়া ভালো লাগে না। মা তাকে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেন। কিছুক্ষণ পর রান্নাঘর থেকে ফিরে এসে তিনি মেয়েকে ঘরের মধ্যে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা তাকে নামিয়ে মৃত অবস্থায় পান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর আগে, বুধবার রাতে জামালপুর রেলস্টেশনের অদূরে ট্রেনে কাটা পড়ে সুফিয়া বেগম (৬০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। তিনি শহরের ডাকাপাড়া এলাকার আব্দুল আজিজের স্ত্রী।
স্বজনরা জানান, বুধবার মাগরিবের নামাজের পর থেকে সুফিয়া বেগম নিখোঁজ ছিলেন। পরে রেলওয়ে পুলিশের মাধ্যমে তার মরদেহ শনাক্ত করা হয়।
জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, স্থানীয় রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ভুয়াপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় পরে পিবিআইয়ের সহায়তায় আঙুলের ছাপের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।
৩৩ দিন আগে
নড়াইলে ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর বিল থেকে হুসাইন শেখ (১৩) নামে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন এক সাংবাদিক।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে কালিয়া উপজেলার নওয়াগ্রাম দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিক্ষার্থী স্থানীয় নওয়াগ্রাম দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা শাবু শেখের ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (শনিবার) বিকেলে হুসাইন শেখ তার দুই বন্ধুর সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি বিলে ঘুড়ি ওড়াতে যায়। একপর্যায়ে ঘুড়ির সুতা কেটে গেলে সেটির পেছনে একাই দৌড়ে যায়। দীর্ঘ সময় পার হলেও সে ফিরে না আসায় তার সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু তাকে খুঁজতে শুরু করে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিলের একটি নির্জন স্থানে মাটির মধ্যে মাথা দেবে থাকা অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা। পরে কাছে গিয়ে পা ধরে টেনে তুললে সেটি তাদের নিখোঁজ বন্ধুর মরদেহ বলে শনাক্ত হয়।
এদিকে, আজ (রবিবার) সকালে নিহতের বাড়িতে ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে নিহতের স্বজনদের বাধার সম্মুখীন হন একজন সাংবাদিক। এছাড়া নিউজের জন্য নেওয়া ভিডিও ডিলিট করতে বাধ্য করা হয় তাকে।
স্থানীয়দের দাবি, নিহতের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। তবে তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে নড়াইলের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রবিন হালদার বলেন, নিহতের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩৭ দিন আগে