মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজের পরদিন গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
নওগাঁর মান্দায় নিখোঁজের পরদিন এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে উপজেলার হাসপাতাল মোড়সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা ক্লিনিকের চত্বর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ময়না রানী দাস (৪৫) নিয়ামতপুর উপজেলার তিলহারী গ্রামের অনিল চন্দ্র দাসের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়না রানী দুই বছর ধরে বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। গতকাল (সোমবার) দুপুরে তিনি নিখোঁজ হন। পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাচ্ছিল না।
পরে মঙ্গলবার সকালে পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ শনাক্ত করেন।
এদিকে খবর পেয়ে রাজশাহী থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১৬ ঘণ্টা আগে
খুলনায় যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
খুলনা নগরের লবণচরায় সড়কের ওপর থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে লবণচরা থানার কাশেমিয়া জামে মসজিদ থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শহীদুল ইসলাম কলিন (৩৫) দরগাহ এলাকার মাহতাব উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কলিন প্রায় বাড়ির বাইরে অবস্থান করতেন। দুই-তিন দিন পরপর বাড়িতে আসতেন। গতকাল (শনিবার) বিকেলে বাড়িতে এসে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আবার তিনি বের হন।
এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে সড়কে কলিনকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় এক ব্যক্তি তার পরিবারকে খবর দেন।
পরে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন বলেন, নিহত যুবকের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, কলিনের বিরুদ্ধে সাতটি মাদক ও একটি হত্যা মামলা ছিল। তার মৃত্যুর বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
২ দিন আগে
তুরাগ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার
ঢাকার তুরাগ নদী থেকে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।
নৌ পুলিশের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে বুধবার বিকেলে নদীর রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
পরিদর্শক ফিরোজ জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদীর রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে ভাসমান মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, মরদেহের সঙ্গে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। ওই ফোনের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
উত্তরখান থানার ডিউটি অফিসার শাহিনুর জামান বৃহস্পতিবার সকালে জানান, বুধবার বিকেলে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তুরাগ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন। বিষয়টি নৌ পুলিশের আওতাধীন হওয়ায় তাদের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি নিয়ে গেছেন।
ফিরোজ উদ্দিন জানান, মরদেহে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নৌ পুলিশের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, উদ্ধারের সময় তাহসিফ সাউরির পরনে ছিল সাদা পায়জামা ও কালো শার্ট। তার হাতে একটি হাতঘড়ি এবং পকেটে একটি আইফোন পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজে করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের দৃশ্য ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও তাহসিফ ধারণ করেছিলেন বলে আলোচনা রয়েছে।
৫ দিন আগে
নিখোঁজের পরদিন পুকুরে মিলল মামা ও ভাগনের মরদেহ
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে নিখোঁজের এক দিন পর পুকুর থেকে মামা ও ভাগনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) ভোরে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলো আব্দুল ওহাব সরকারের ছেলে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী উমর আলী (১৫) ও তার ভাগনে ইমরান আলীর ছেলে মিরাজ (১৪)। তারা দুজনই উপজেলার আমগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ছিল।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (শনিবার) দুপুরে বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় উমর ও মিরাজ। সন্ধ্যায় তারা বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাতে স্থানীয় পুকুরপাড়ে বাইসাইকেলটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পুকুরে তল্লাশি শুরু করেন। ভোরে প্রথমে একজনের এবং পরে আরেকজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কীভাবে তারা পানিতে পড়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাইসাইকেল চালানোর সময় তারা পিছলে পুকুরে পড়ে যায় এবং সাঁতার না জানায় ডুবে যায়।
এ ব্যাপারে হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম আজাদ জানান, দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
কুবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ফতুল্লা মডেল থানার ভূইগড় কবরস্থান সড়কের একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফারজানা ইসলাম (২৫) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার মুসুল্লি বাড়ির রফিকুল ইসলামের মেয়ে। তিনি কুবির ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
অন্যদিকে স্বামী নাজমুল ইসলামের (৩০) বাড়ি কুমিল্লা জেলার কচুয়া থানার নুরপুর গ্রামে। তিনি কুবির ফার্মেসি বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
ফারজানার বড় ভাই আরিফুল ইসলাম জানান, ২০২৩ সালে পরিবারের সম্মতিতে নাজমুলের সঙ্গে ফারজানার বিয়ে হয়। নাজমুলের চাকরির কারণে তারা আগে মুন্সিগঞ্জে ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রায় দুই মাস আগে নাজমুল নতুন চাকরি নিয়ে বর্তমান ঠিকানায় আসেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নাজমুল তার বোনকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন।
এদিকে ফারজানার বিছানার ওপর থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। চিরকুটে স্বামীর যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার কথা লেখা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের (ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল) মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ।
তিনি আরও জানান, নিহতের স্বামীকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
৯ দিন আগে
গুলিস্তানে ফুটপাত থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর গুলিস্তানে ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির (৪০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পল্টন থানা পুলিশ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে গুলিস্তান শহিদ মতিউর পার্কের সামনের ফুটপাত থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পল্টন মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অভি জানান, সকাল সাড়ে ৬টায় দিকে গুলিস্তান শহিদ মতিউর পার্কের সামনের ফুটপাতে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন ওই ব্যক্তি। পরে সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সের সদস্যরা থানায় খবর দেন। এরপর তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, অসুস্থতাজনিত কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে জানা যাবে বলে জানান এসআই অভি।
এছাড়া সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট মরদেহের আঙ্গুলের ছাপ নিয়েছে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
১০ দিন আগে
কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাট থেকে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ঢাকার কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাটে ডালিয়া আক্তার সুমা (৫০) নামের এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে রসুলপুর বাজার এলাকায় সোনালী ব্যাংক ভবনের তৃতীয় তলার নিজ ফ্ল্যাট থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নেত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ।
নিহত সুমা রসুলপুর এলাকার লিয়াকত শিকদারের মেয়ে। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার বাস্তা ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এছাড়া চর বাঘাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন খণ্ডকালীন শিক্ষিকা ছিলেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, স্বামী মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে দুই মেয়েকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন তিনি। মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তিনি একাই এই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর হোসেন জানান, সিআইডির ক্রাইম সেলের সদস্যরা আজ দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তাকে কে বা কারা হত্যা করেছে সে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
তিনি আরও জানান, সুমার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
১১ দিন আগে
সিলেটে সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানাধীন পূর্ব শ্রীরামপুর এলাকার উলাকিপাড়ায় রাস্তার পাশে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমআর নামাজের পর স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে এটি উদ্ধার করে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হক বলেন, নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।
স্থানীয়রদের বরাতে তিনি আরও বলেন, ওই ব্যক্তি গত কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানা গেছে।
ওসি বলেন, নিহতের পরিচয় শনাক্তের জন্য পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট কাজ শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
১১ দিন আগে
পূজা দেখতে বেরিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থী, দুই দিন পর নদে মিলল দেহ
ফরিদপুরে পূজা দেখতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর কুমার নদ থেকে এক শিক্ষার্থীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভার ভাটিলক্ষীপুরের মদনখালী স্লুইসগেট-সংলগ্ন কুমার নদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কৌশিক সাহা জিতু (২৩) শহরের ওয়্যারলেসপাড়া এলাকার কমলেশ সাহার ছেলে। তিনি সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের রসায়ন বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, স্থানীয়রা নদে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ও কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পোশাক ও সঙ্গে থাকা চাবির সূত্র ধরে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
পরিবারের দাবি, গত রবিবার সন্ধ্যার পর পূজা দেখতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি জিতু। পরদিন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা।
কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ হোসেন জানান, মরদেহটি পচে ফুলে যাওয়ায় প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিবারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চাবি পরীক্ষা করে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
১৪ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে হলুদক্ষেত থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে হলুদের ক্ষেত থেকে আব্দুল আওয়াল নামের এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার হলদেগাছি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ভোলাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আব্দুল আওয়াল ভোলাহাট উপজেলার ঝাউবোনা গ্রামের মৃত আলা উদ্দীনের ছেলে। তিনি বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্যের ব্যবসা করতেন।
ওসি বারিক জানান, স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ সকালে আব্দুল আওয়ালের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের পাশে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও পড়ে ছিল।
তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন। তবে দুর্ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী নেই বলে জানিয়েছেন ওসি।
এদিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১৪ দিন আগে