সরকারি চাকরি
কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা নিউজিল্যান্ড সরকারের, চাকরি হারাতে পারেন ৯ হাজার কর্মী
সরকারি ব্যয় কমাতে নিউজিল্যান্ড সরকার আগামী ২০২৯ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরি থেকে ১৪ শতাংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর ফলে এই সময়ের মধ্যে প্রায় ৯ হাজার কর্মী চাকরি হারাতে পারেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটির সরকার।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৯ মে) নিউজিল্যান্ডের অর্থমন্ত্রী নিকোলা উইলিস এ ঘোষণা দেন।
উইলিস জানান, সরকারি সংস্থাগুলোতে এখন থেকে টানা ৩ বছর বাজেট কমিয়ে দেবে নিউজিল্যান্ড সরকার। এর আওতায় সরকারি দপ্তরগুলোতে কর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছেন তারা। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটির পুরো সরকারি খাতে দ্রুত এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের নির্দেশ দেবে সরকার।
নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শহর অকল্যান্ডে এক ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে উইলিস বলেন, কর্মী ছাঁটাইয়ের ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার (প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) সাশ্রয় হবে।
তিনি জানান, রাজধানী ওয়েলিংটনে সরকারি কর্মচারীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা ৬৩ হাজার ৭০০ জন। এই সংখ্যা কমিয়ে ৫৫ হাজারে নামিয়ে আনা হবে। অর্থাৎ ৮ হাজার ৭০০ জন সরকারি চাকরিজীবী ছাঁটাই করা হবে।
উইলিস বলেন, এর ফলে নিউজিল্যান্ডের ৫৩ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে সরকারি কর্মচারীর হার ১ শতাংশে নেমে আসবে। বর্তমানে নিউজিল্যান্ডে সরকারি কর্মচারীর হার ১ দশমিক ২ শতাংশ।
তিনি বলেন, আমাদের পক্ষে এত বেশি সংখ্যক সরকারি কর্মীর ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব না। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এত বেশি সরকারি কর্মী নেই। তবে সামরিক বাহিনী, শিক্ষক ও চিকিৎসকদের সরকারি চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হবে না বলে জানান তিনি।
এছাড়া, এই ছাঁটাই কার্যক্রমের আওতায় ৩৯টি সরকারি বিভাগ ও সংস্থার সংখ্যাও কমিয়ে আনা হবে। এর ফলে কোন বিভাগ ও সংস্থাগুলো বাদ পড়বে, তা অবশ্য তিনি উল্লেখ করেননি। তবে এই কার্যক্রম এখনই শুরু হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন উইলিস। তবে ভবিষ্যতে কারা চাকরি হারাতে পারেন, সে বিষয়ে এখনও কোনো বিস্তারিত পরিকল্পনার কথা জানাননি তিনি।
নিউজিল্যান্ডে ২০২৩ সাল থেকে ক্ষমতায় আছেন ক্রিস্টোফার লাক্সনের মধ্য-ডানপন্থি সরকার। এর আগে, লাক্সন সরকার তার নির্বাচনি প্রচারণায় সরকারি খাত ছোট করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এদিকে, আগামী নভেম্বরে দেশটিতে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
গত মঙ্গলবার সরকারের এই সিদ্ধান্তে দেশটির শ্রমিক ইউনিয়ন ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। এ বিষয়ে বিরোধী দলীয় লেবার পার্টির নেতা ক্রিস হিপকিন্স বলেন, সম্মুখ সারির সরকারি চকিরিজীবীদের ছাঁটাইয়ের বাইরে রেখে এত বিপুলসংখ্যক সরকারি কর্মী ছাঁটাই করা সঠিক সিদ্ধান্ত হয়।
হাজারো সরকারি কর্মচারীর প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নের মুখপাত্র ডুয়েন লিও বলেন, সরকারের এমন পদক্ষেপ ধ্বংসাত্মক।
এদিকে ন্যাশনাল পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকার দাবি করেছে, এর আগে মধ্য-বামপন্থি লেবার সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণেই সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল। সে সময় লেবার সরকারের আমলে সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা ৪৮ হাজার থেকে বেড়ে ৬৩ হাজারে পৌঁছায়।
উইলিস আরও জানান, মে মাসের শেষ দিকে ঘোষিত সরকারি বাজেটে সরকারি সংস্থাগুলোর বরাদ্দ ২ শতাংশ কমানো হবে। সরকার সামনের নির্বাচনে আবারও নির্বাচিত হলে পরবর্তী দুই বছরে প্রতি বছর ৫ শতাংশ করে বাজেট কমানো হবে।
তিনি উল্লেখ বলেন, নিউজিল্যান্ডে সরকারি খাত এআই ও ডিজিটাল প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারেনি। তাই সরকারি সংস্থাগুলোতে এসব প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হবে।
বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ধীরগতি চলছে। এরই মধ্যে সরকারি খাতে এই কাটছাটের ঘোষণা এলো।
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন আসন্ন নির্বাচনের আগে দেশটিকে অর্থনৈতিকভাবে পুনরুদ্ধার করার প্রমাণ দেখাতে চাইছেন। এ সময় তিনি নিজেকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় ভালো অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপক হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন।
মঙ্গলবার লাক্সন বলেন, নিউজিল্যান্ডে সরকারি খাতে দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন। এ সময় সরকারি চাকরি কোনো কর্মসংস্থান তৈরির প্রকল্প নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
১৬ দিন আগে
প্রথম-দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হচ্ছে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
২০২৪ সালের জুলাই মাসে জারিকৃত একটি পরিপত্র অনুযায়ী সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংসদে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলামের (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৯৩ শতাংশ পদ মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হচ্ছে, ৫ শতাংশ পদ মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত; ১ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য এবং ১ শতাংশ পদ প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের জন্য সংরক্ষিত।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের (পাবনা-৫) অন্য এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে আব্দুল বারী বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১২ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল, ৩৯ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল এবং ৫৬৪ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি ও রাজনীতিকরণের অভিযোগ বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন এবং সুপারিশের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের (চট্টগ্রাম-১৩) এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জনবলের হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত ‘সরকারি কর্মচারী পরিসংখ্যান ২০২৪’ অনুযায়ী, সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তরে মোট শূন্য পদের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি।
এর মধ্যে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের শূন্য পদ ৬৮ হাজার ৮৮৪টি, দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেডের ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি, ত্রয়োদশ থেকে ষোড়শতম গ্রেডের ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি এবং সপ্তদশ থেকে বিংশতম গ্রেডের পদ সংখ্যা ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি। এছাড়া সম্মানি, নির্ধারিত বেতন এবং চুক্তিভিত্তিক ক্যাটাগরিতে ৮ হাজার ১৩৬টি শূন্য পদ রয়েছে।
তিনি বলেন, এসব শূন্যপদ পূরণের জন্য ছয় মাস, এক বছর এবং পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। ছয় মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২ হাজার ৮৭৯টি, এক বছরের মধ্যে ৪ হাজার ৪৫৯টি এবং পাঁচ বছরের মধ্যে ৩ হাজার ১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
তিনি আরও জানান, সর্বশেষ হালনাগাদ অনুযায়ী সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসগুলোর শূন্যপদের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি। কর্মপরিকল্পনায় বর্ণিত ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারীর নিয়োগ’-এর বিষয়ে অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা এবং শূন্য পদে নিয়োগের তথ্য পাঠানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
৪৯ দিন আগে
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করে সংসদে বিল পাস
সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে একটি বিল পাস হয়েছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এ প্রস্তাবটি বিল আকারে পাস হয়। এটি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পাস হওয়া প্রথম বিল।
‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যানসিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ বিল, ২০২৬’ শীর্ষক এই বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
বিলের প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবি এবং বিষয়টির প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমান বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৩২ বছর করা হয়েছে।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়, অপরিবর্তিত উচ্চতর বয়সসীমায় যেসব পদের নিয়োগ বিধিমালায় বয়সসীমা ইতোপূর্বে ৩২ বছরের বেশি (যেমন: ৩৫, ৪০ বা ৪৫ বছর) নির্ধারিত আছে, সেক্ষেত্রে আগের উচ্চতর বয়সসীমাটিই বহাল থাকবে। অর্থাৎ, এই আইনের ফলে কারও সুযোগ কমবে না।
প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের বয়সসীমা বাড়ানোর ফলে চাকরিপ্রার্থীদের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে, শিক্ষিত বেকার যুবকদের দেশ গড়ার কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার পথ সুগম হবে এবং সর্বোপরি দেশের বেকার সমস্যার সমাধান হবে। বয়সসীমা বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত শ্রমবাজার এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) ইতোমধ্যে বিসিএসের সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর রেখে সার্কুলার জারি করেছে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তাই উক্ত অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।
৬০ দিন আগে
সরকারি কর্মচারীদের সময়মতো অফিসে উপস্থিত ও ত্যাগের নির্দেশ
সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত হওয়া এবং অফিস ত্যাগ করার নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব অথবা সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশনা-সম্বলিত চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’-এর নির্দেশ মোতাবেক সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিসে উপস্থিতি ও প্রস্থানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অধীন দপ্তর কিংবা সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ের সকল অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করতে হবে।
১০০ দিন আগে
সরকারি চাকরির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ২০০ টাকা নির্ধারণ
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার আবেদন ফিসহ সব ধরনের চাকরির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ২০০ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার।
বুধবার (৪ ডিসেম্বর) প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা শেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোখলেস উর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
একইসঙ্গে বিসিএসে প্রতিবন্ধী আবেদনকারীদের অন্যান্যদের মতো নির্ধারিত ফির বাইরে বাড়তি কোনো অর্থ দিতে হবে না বলেও জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ সচিব।
মোখলেস উর রহমান বলেন, ‘বিসিএসে পিএসসিতে আবেদনের ক্ষেত্রে আগে ছিল ৭০০ টাকা, তারা প্রস্তাব করেছেন ৩৫০ টাকা। কিন্তু আজকে সচিব কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এটা হবে ২০০ টাকা। পিএসসিতে ৪৭তম বিসিএসে আবেদন করতে হলে ২০০ টাকা লাগবে।’
তিনি বলেন, ‘আরেকটি বিষয় ছিল, আমরা মনে করেছিলাম এটা কম, কিন্তু এটা কম নয়- যারা প্রতিবন্ধী প্রার্থী তাদের আলাদা একটা ফি ছিল ১০০ টাকা। এটাকে কমিয়ে ৫০ টাকা করার প্রস্তাব এসেছিল। আজকে থেকে এই অতিরিক্ত টাকাটাও দেওয়া লাগবে না। এটা ফ্ল্যাট রেট; আসন্ন ৪৭তম বিসিএস থেকে যে-ই বিসিএসে অ্যাপ্লাই করবে, তার ফি ২০০ টাকা।’
বিসিএসে চাকরিপ্রার্থীদের আবেদনের ফি কমানোর বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন থেকে আদেশ জারি করা হবে বলেও জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ সচিব।
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা: আন্দোলনকারীদের মিছিল ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ
তিনি আরও বলেন, ‘অর্থ বিভাগের মাধ্যমে আরেকটি আদেশ জারি হচ্ছে। সেটি হচ্ছে- ব্যাংক, বীমা, আধা-সরকারি যেটাকে আমরা বলি এক্সটেনশন অব দ্য গভর্নমেন্ট, এমন যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চাকরির আবেদন ফিও সর্বোচ্চ ২০০ টাকা।’
‘এখন ব্যাংক-বীমার এমন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে (আবেদনে) ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকাও ফি নিয়ে থাকে। চাকরি হয় দুজনের হয়তো, ২০০ লোক আবেদন করে; আমি আর হাজারে গেলাম না।’
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই সচিব বলেন, ‘সরকারি, আধা-সরকারি বা এক্সটেনশন অব দ্য গভর্নমেন্ট বলতে যা বোঝায়, তার সবক্ষেত্রে ২০০ টাকার বেশি কোনো আবেদন ফি নেওয়া হবে না। এই আদেশ অর্থ বিভাগ থেকে জারি হবে। এখন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন আদেশের অপেক্ষা।’
‘আমরা অর্থ বিভাগের চিঠিতে একটি লাইনের অনুরোধ দিয়ে দেব যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও যাতে এই অনুশাসনটা মেনে চলার চেষ্টা করে।’
‘এই অনুরোধটা আমরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকেও জানাতে পারি। সবটা হল আমাদের জনগণের জন্য। ওরাও যে ব্যবসা করে, সেটা জনগণের জন্য; আমরা যে চাকরি দেই, নেই, তাও জনগণের জন্য। প্ল্যাটফর্মটি তাই একই হওয়া উচিত।’
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ
৫৪৭ দিন আগে
শূন্য পৌনে ৫ লাখ পদ: নিয়োগের পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ
বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৭৩০০১টি পথ শূন্য রয়েছে। এসব পদ পূরণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনার চিঠি সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সরকারি কর্মচারীদের পরিসংখ্যান ২০২৩ অনুযায়ী বর্তমানে সরকারের অনুমোদিত শূন্য পদের সংখ্যা ৪ লাখ ৭৩০০১টি। সম্প্রতি বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) ৪৭তম বিসিএস নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে ৩ হাজার ৬৮৮টি শূন্য পদ পূরণের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
আরও পড়ুন: বাজেট ২০২৪-২৫: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ ৫ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা
বিপিএসসি শুধু প্রথম শ্রেণি নন-ক্যাডার এবং সীমিত পর্যায়ে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা নিয়োগ করে। সরকার থেকে অনুমোদিত অন্যান্য পদগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ, অধীনস্ত দপ্তর/সংস্থা/কর্পোরেশন/কোম্পানি থেকে পূরণ করা হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব লাঘবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও তা পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।’
মন্ত্রণালয়/বিভাগ, অধীন দপ্তর/সংস্থা এবং মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলোতে অনুমোদিত শূন্য পদগুলো বিধি মোতাবেক পূরণের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় চিঠিতে।
শূন্যপদ পূরণে ইতোমধ্যে কী কী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, সেসব তথ্য ওয়ার্ড ফাইলসহ চিঠি পাওয়ার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
৫৪৯ দিন আগে
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের দশম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বেশ কিছুদিন ধরে সরকারি চাকরি প্রত্যাশীরা চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার আবেদন জানিয়ে আন্দোলন করছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এ-সংক্রান্ত পর্যালোচনা কমিটি মেয়েদের ৩৭ বছর ও ছেলেদের ৩৫ বছর করার সুপারিশ করেছিল।
আরও পড়ুন: সরকাসরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর যৌক্তিকতা আছে: কমিটির আহ্বায়করি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর সুপারিশ কমিশনের
৫৮৮ দিন আগে
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর সুপারিশ কমিশনের
অবশেষে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন।
পুরুষদের জন্য সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর এবং নারীদের জন্য ৩৭ বছরের সুপারিশ করা হয়েছে।
সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রশাসনের সংস্কারের বিষয়ে প্রথম বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী।
প্রতিবেশী একটি দেশের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীদের প্রবেশের বয়সসীমা ৩৭ বছর পর্যন্ত সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে তারা আরও বেশি সুযোগ পায়।
তিনি আরও বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদের পরবর্তী সভায় প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হবে এবং সরকার আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।’
মুয়ীদ বলেন, ‘কোনো গ্রেডের জন্য আলাদাভাবে বলা হয়নি, সার্বিকভাবে সব সরকারি চাকরির বিষয়ে বলা হয়েছে। অবসরের বিষয়ে কোনো কিছু সিদ্ধান্ত হয়নি। আগের মতোই আছে। এখন যারা চাকরিতে ঢুকবেন তাদের অবসর নিতে অনেক সময় লাগবে। এ বিষয়ে পরে সরকার চিন্তা করবে। যারা এখন চাকরিতে আছে তারাই আগামী ৭-৮ বছরে অবসরে যাবেন। তারা আগের নিয়মেই অবসরে যাবেন।’
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর যৌক্তিকতা আছে: কমিটির আহ্বায়ক
তিনি বলেন, প্রশাসনের সংস্কারের বিষয়ে প্রথম বৈঠক ছিল। পরিচিতি পর্ব হয়েছে। সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা। দুই মাস পর একটা কাঠামোতে আসবে বলে মনে করি। তারপর একটা রূপ দেখতে পারি।
সংস্কারের ক্ষেত্রে এখনো অগ্রাধিকার ঠিক করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলোচনা চলছে। অবশ্যই চেষ্টা থাকবে তিন মাসের মধ্যে সুপারিশ দেওয়ার।
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা নিয়ে সিদ্ধান্ত ৭ দিনের মধ্যে: আন্দোলনকারীদের সমন্বয়ক
৫৯৮ দিন আগে
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর যৌক্তিকতা আছে: কমিটির আহ্বায়ক
চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর যৌক্তিকতা আছে বলে জানিয়েছেন এ বিষয়ে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘চাকরিতে বয়সসীমা নিয়ে আন্দোলন চলছে। এটার ভিত্তিতে সরকার আমাদের ৫ সদস্যের একটি কমিটি করে দিয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্য প্রতিবেদন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।’
বুধবার (২ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা নিয়ে সিদ্ধান্ত ৭ দিনের মধ্যে: আন্দোলনকারীদের সমন্বয়ক
তিনি বলেন, ‘বয়স বৃদ্ধির দাবিতে যারা আন্দোলন করছেন তাদের সঙ্গে আমরা বসেছিলাম। সরকারের বর্তমান নীতিমালা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা ও সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে সবকিছু চিন্তা করে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। বয়স বৃদ্ধি করার যৌক্তিকতা আছে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’
কী যৌক্তিকতা আছে- এমন প্রশ্নের জবাবে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক বলেন, ‘কোভিড, সেশনজটে অনেকের সমস্যা হয়েছে। এখনকার চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো উচিত।’
চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ বছর নির্ধারণের দাবিতে অনেকদিন ধরে আন্দোলন করছেন চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা। সোমবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন তারা। পরে তারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকও করেন।
ওই দিনই চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। সাবেক সচিব ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী এ কমিটির আহ্বায়ক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান সদস্য সচিব। এছাড়া সাবেক যুগ্মসচিব কওছার জহুরা, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইকবাল ও অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ
সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা নিয়ে চলছে তীব্র আন্দোলন, দুই সদস্যের কমিটি গঠন
৬১০ দিন আগে
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা নিয়ে সিদ্ধান্ত ৭ দিনের মধ্যে: আন্দোলনকারীদের সমন্বয়ক
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার বিষয়ে আগামী ৭ দিনের মধ্যে সরকার সিদ্ধান্ত দিতে চেয়েছে বলে জানিয়েছেন চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর প্রত্যাশী আন্দোলনকারীদের সমন্বয়ক রাসেল মাহমুদ।
বুধবার (২ অক্টোবর) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন রাসেল মাহমুদ।
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ
তিনি বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আমাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য টিম করে দিয়েছিলেন। সেই টিমের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তারা আমাদের কথা শুনেছেন৷ তারা বলেছেন আগামী ৭ দিনের মধ্যে একটা যৌক্তিক সমাধান দেবেন।
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা নিয়ে চলছে তীব্র আন্দোলন, দুই সদস্যের কমিটি গঠন
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর করার খবর গুজব: জনপ্রশাসন সচিব
৬১০ দিন আগে