ভারতীয়
কুড়িগ্রামের সীমান্তে আটকের ৭ ঘণ্টা পর দুই ভারতীয়কে প্রত্যর্পণ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক দুই ভারতীয় যুবককে ৭ ঘণ্টা পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুরুষাফেরুষা সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৩৬-এর পাশে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ১৫ মিনিটব্যাপী পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে আটক দুই যুবককে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আটক দুই যুবক হলেন— ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার নট্টবাড়ী এলাকার আখিরুল খন্দকার (২২) এবং একই জেলার সাহেবগঞ্জ থানার কিশামত করলা এলাকার ফারুক মিয়া (২২)।
এর আগে, গতকাল বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বালারহাট সীমান্তে আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৩৫-এর সাব পিলার ৩এস থেকে প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় তাদের আটক করে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন বালারহাট ক্যাম্পের টহলদল। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নায়েক সুবেদার লিটন মিয়া। আটক হওয়ার পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। পরে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমামের নির্দেশে কোম্পানি পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন শিমুলবাড়ী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আব্দুর রহীম এবং বালারহাট ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার লিটন মিয়া। অপরদিকে ভারতীয় ৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের করলা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার (ইন্সপেক্টর) সুনীল কুমার বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন।
এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান, আটক দুই ভারতীয় নাগরিককে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল কার্যক্রম জোরদার রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
৫ দিন আগে
খাগড়াছড়িতে ৮১ ভারতীয়কে পুশ-ইন করল বিএসএফ
খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ৮১ জন ভারতীয় নাগরিককে ঠেলে দিয়েছে (পুশ-ইন) ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বুধবার (৭ মে) জেলা প্রশাসন ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জেলার মাটিরাঙ্গার শান্তিপুর সীমান্ত দিয়ে ২৭ জন, পানছড়ি উপজেলার রুপসেন পাড়া সীমান্ত দিয়ে ৩০ জন, তাইন্দংয়ের আচালং বিটিলা বিওপি সীমান্ত দিয়ে ২৩ জন, রামগড় সীমান্ত দিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন ১ জনসহ মোট ৮১ জন বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করিয়েছে ভারতীয় বাহিনী।
তাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। জানা যায়, খাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্তে আসা ৩০ জনকে বুধবার রাত ৮টা নাগাদ পানছড়ির লোগাং বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাখা হয়েছে। মাটিরাঙ্গায় অনুপ্রবেশকারীদের বিভিন্ন বিওপিতে বিজিবি নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারত-পাকিস্তান হামলা: পরিস্থিতির অবনতি চায় না বাংলাদেশ
এদিকে, খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা, পানছড়িসহ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় মুসলিম নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশ ইনের ঘটনায় সীমান্তজুড়ে ভয় ও আতঙ্ক ছড়িতে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন যাপন করছেন। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তায় বিজিবিকে সর্তক পাহারায় রাখা হয়েছে। টহল জোরদারের পাশাপাশি বিজিবিকে সহায়তা করার জন্য জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় গ্রামবাসীদের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বুধবার (৭ মে) ৬৬ জন ভারতীয় নাগরিকের অনুপ্রবেশের ঘটনা নিশ্চিত করেছেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক নাজমুন আরা সুলতানা।
তিনি জানান, ‘বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করে প্রবেশ করা সবাইকে বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা হেফাজতে রেখেছে বিজিবি। মানবিক সহযোগিতা বিবেচনায় তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। তাদের সব ধরনের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।’
বুধবার (৭ মে) ভোর রাতে ভারতীয় এ নাগরিকদের সীমান্ত পার করে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে বাধ্য করে বিএসএফ। জানা গেছে, ভারতের গুজরাট থেকে প্রায় সাড়ে চার শত জনকে আটক করে দুটি বিমানে তাদের ত্রিপুরায় নিয়ে আসা হয়। পরে বিএসএফের তত্ত্বাবধায়নে গাড়িতে করে পুশ ইনের জন্য বিভিন্ন সীমান্তে জড়ো করা হয় তাদের।
আরও পড়ুন: এবার ভারতের ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি পাকিস্তানের
অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মাটিরাঙ্গা ও পানছড়ি সীমান্তে বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
৩০১ দিন আগে
দুই বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে যাওয়ায় দুই ভারতীয়কে ধরে আনলেন স্থানীয়রা
দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে দুইজন বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ। এ ঘটনার পাল্টা পদক্ষেপে হিসেবে তাৎক্ষণিক দুজন ভারতীয়কে ধরে এনেছেন স্থানীয়রা।
শুক্রবার (২ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পরে এ নিয়ে পতাকা বৈঠকে বসেছেন দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
স্থানীয়রা জানান, বিরলের ৮ নম্বর ধর্মপুর ইউনিয়নের বিজিবির ধর্মজৈন বিওপির কাছে সীমান্তের ৩২০ নম্বর মেইন পিলারের সাব পিলার ৯ এস ও ১০ এস-এর মধ্যবর্তী স্থানে জমিতে ধান কাটছিলেন মাসুদ ও এনামুল নামের দুই বাংলাদেশি কৃষক। এ সময় বাংলাদেশের সীমানায় অনুপ্রবেশ করে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধরে নিয়ে যান।
এই ঘটনা জানতে পেরে স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে তারা একই এলাকা থেকে অবিনাশ টুডু ও ফিলিপ সরেন নামের দুই ভারতীয় আদিবাসী কৃষককে ধরে নিয়ে আসেন।
অবিনাশ টুডু ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর থানার অনন্তপুর গ্রামের সরন টুডুর ছেলে এবং একই গ্রামের ফিলিপ সরেন লতু সরেনের ছেলে।
আরও পড়ুন: পাটগ্রাম সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয়রা
বিজিবির ৪২ ব্যাটালিয়নের ধর্মজৈন বিওপির কমান্ডার নায়েক সুবেদার রেজাউল করিম জানান, ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি দুই কৃষককে ফেরত পেতে এবং ভারতীয় ওই দুই নাগরিককে ফেরত দিতে বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকে বসেছে বিজিবি।
স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও সীমান্ত এলাকা থেকে বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ। সে সময়ও ভারতীয় নাগরিককে ধরে এনেছিলেন তারা। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে উভয়কে নিজ নিজ দেশে হস্তান্তর করা হয়েছিল।
৩০৭ দিন আগে
মাছ ধরতে গিয়ে ভারতীয়দের মারধরের শিকার বাংলাদেশি, হাসপাতালে ভর্তি
শনিবার (২৯ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার লোহাকুচি সীমান্তের দুলালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর নাম মাদব চন্দ্র (৪০)। তিনি লোহাকুচি এলাকার মৃত মদনমোহনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, লোহাকুচি সীমান্তের মালদা নদীতে মাছ ধরতে টেপাই (বাঁশের তৈরি মাছ ধরার ফাঁদবিশেষ) স্থাপন করেন মাধব। কিন্তু প্রতিদিনই ওই টেপাইয়ের মাছ চুরি করে নিয়ে যায় ভারতীয় নাগরিকরা।
আজ (শনিবার) বেলা ১১টার দিকেও তিনি নদীতে গিয়ে ভারতীয়দের তার টেপাই থেকে মাছ চুরি করতে দেখেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে ভারতীয়রা সংঘবদ্ধ হয়ে মাধবকে মারধর করে। আহত হয়ে একপর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে অন্য এক ভারতীয় নাগরিকের খবরে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
আরও পড়ুন: চাঁদা না দেওয়ায় পিস্তল ঠেকিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধরের অভিযোগ
এ ঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পরে বিজিবি গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
এ বিষয়ে ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সিইও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদি বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফের কাছে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।’
তিনি জানান, আহত মাদব চন্দ্র বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সীমান্ত পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।
৩৪১ দিন আগে
সুনামগঞ্জে ২ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত এলাকা থেকে ২ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) তাহিরপুর উপজেলাধীন ১ নম্বর উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের চারাগাঁও বিওপি কর্তৃক সীমান্ত পিলার-১২৯৪/৩- এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জঙ্গলবাড়ি নামক স্থান হতে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।
জব্দ করা পণ্যগুলো হলো— শার্ট ৫ হাজার ১২৭টি, প্যান্টের কাপড় ১৫৬ মিটার, ব্লেজার কাপড় ১ হাজার ২৯৬ মিটার, পাঞ্জাবি কাপড় ২০ হাজার ৪৩০ মিটার ও স্কিন সানরাইজ ক্রীম ৯ হাজার পিস। আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯২ হাজার ৫০০ টাকা।
আরও পড়ুন: বেনাপোলে কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ
সুনামগঞ্জ ২৮ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চারাগাঁও বিওপির টহল দল জঙ্গলবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন ভারতীয় পণ্যগুলো আটক করে।’
তিনি বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তের চোরাকারবারিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। জব্দ করা মালামাল শুল্ক কার্যালয়, সুনামগঞ্জে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
৩৬৩ দিন আগে
জৈন্তাপুরে চেকপোস্টে ৬১ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ
সিলেট-তামাবিল সহাসড়কে ৬১ বোতল ভারতীয় মদসহ একটি ডিআই মিনি ট্রাক আটক করেছে সেনাবাহিনী। পরে ডিআই ট্রাকসহ মদগুলো জৈন্তাপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের সময় সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে সেনাবাহিনীর চেকপোষ্টে এসব পণ্য আটক করা হয়।
এ সময় চালক ট্রাক রেখে পালিয়ে যায়।
পরে ৩৭৫ মিলি'র ২০ বোতল Royal Stag, ৭৫০ মিলির ১০ বোতল Royal Stag, ৭৫০ মিলি'র ১১ বোতল Imperial Blue এবং ৩৭৫ মিলি'র ২০ বোতল Mc Dowells সহ সর্বমোট ৬১ বোতল মদ জব্দ করা হয়।
খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে জৈন্তাপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক শংকর দেব সেনাবাহিনীর চেকপোস্ট থেকে ৬১ বোতল মদসহ মিনি ট্রাকটি থানায় নিয়ে যান।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাশার বদরুজ্জামান বলেন, সেনা চেকপোষ্ট মদসহ ডিআই ট্রাক আটকের পর পুলিশ থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় তদন্তের পর মাদক কারবারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: সেন্টমার্টিনে দুই কেজি ক্রিস্টাল মেথ ও ৮৩ বোতল বিদেশি মদ জব্দ, গ্রেপ্তার ৭
৪৫৬ দিন আগে
ডিক্যাব সদস্যদের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনের মতবিনিময়
ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিক্যাব) সদস্যদের নিয়ে ভারত সরকারের আয়োজিত একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় হাইকমিশনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) ঢাকার ভারতের হাইকমিশনে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
চলতি বছরের মে মাসে ডিক্যাবের ২০ জন সদস্য সপ্তাহব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণের প্রথম ব্যাচ হিসেবে ভারত সফর করেছেন।
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা যৌথ ইতিহাস ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের বন্ধনকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই ভারতের সঙ্গে সমঝোতা সই-নবায়ন করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তিনি উল্লেখ করেন, গণমাধ্যম একটি সেতু হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের জনগণকে সংযুক্ত করে, সংলাপকে সহজতর করে এবং বোঝাপড়ার উন্নয়ন ঘটায়।
হাইকমিশনার আমাদের দুই দেশের গণমাধ্যমের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততার গুরুত্ব এবং আমাদের যৌথ মূল্যবোধ ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্বকারী ভারত-বাংলাদেশ অংশীদারত্বের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক আখ্যান রচনায় গণমাধ্যমের অবদানের ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে ডিক্যাব সদস্যরা তাদের ভারত সফরের অভিজ্ঞতা এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতি সম্পর্কে নিজেদের উপলব্ধি ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সফরটির ইতিবাচক ভূমিকা হিসেবে উল্লেখ করেন।
ডিক্যাব সদস্যদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বহুমুখী সক্ষমতা-বিনির্মাণ বিষয়ক বিনিময় কার্যক্রমের দীর্ঘকালীন ঐতিহ্যের অংশ।
আরও পড়ুন: এমপি আনার হত্যা: দুই আসামি ৬ দিনের রিমান্ডে
৬১৬ দিন আগে
গুদামে পচে নষ্ট হচ্ছে আলু, আরও আসছে ভারতীয় ট্রাক
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আনা ভারতীয় আলু তীব্র গরমে পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। প্রতিদিনি এই বন্দরের মাধ্যমে দেশে আলু আমদানি করা হচ্ছে। পচা আলুগুলো সড়কের পাশে ফেলায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ফলে পথচারীদের চলাচলেও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
বন্দরের স্থানীয় আমদানিকারক ও কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টরা জানান, বন্দরে হিমাগার (কোল্ড ষ্টোরেজ) ব্যবস্থা না থাকায় আলুসহ যেকোন কাঁচামাল আমদানি করা হলে এই অবস্থা হচ্ছে। হিলিতে বেশ কয়েকদিন ধরে তীব্র তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে। প্রতিদিন প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বয়ে যাচ্ছে। এর ফলে গুদামের ভেতরে বস্তায় থাকা আলু প্রচণ্ড গরমে পচে রস বের হচ্ছে। আবহাওয়ার বিরুপ প্রভাবের কারণে আমাদের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ভারত থেকে ৪ চালানে ১০০০ মেট্রিক টন আলু আমদানি
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ বলেন, দেশে আলুর দাম বেড়ে যাওয়ায় সরকার আলু আমদানি করার অনুমতি দেয়। ফলে বন্দরের আমদানিকারকরা প্রতিবেশি দেশ ভারত থেকে আলু আমদানি করছেন। প্রতিদিন তারা আলু আমদানি করে দেশের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করছেন। আমদানি করার পর ভারতীয় ট্রাক থেকে আলুর বস্তাগুলো খালাস করে গুদামে রাখার জন্য নেওয়া হয়। বিক্রির জন্য সেখানে ২ থেকে ৩দিন মজুদ থাকে।
বর্তমানে প্রচণ্ড গরমে বাইরে থেকে পাইকাররা কম আসছেন। আবার তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে পচে নষ্ট হচ্ছে। এই অবস্থায় আমদানিকারকরা আলু নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাদের লাভ তো দূরের কথা, এখন গুনতে হচ্ছে বড় অঙ্কের লোকসান।
তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত আমদানিকারকদের প্রণোদনার মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া না হলে দেশে পণ্য সংকটকালীন সময়ে পণ্য আমদানিতে নিরুৎসাহিত হবেন। বিষয়টি সরকারের খতিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করছি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বন্দরের মোকামে আমদানিকৃত ভারতীয় আলুর জাত ভেদে ৩৮-৪০ টাকা কেজিতে পাইকারী বিক্রি হচ্ছে। আর বন্দরের আশ-পাশের বাজারে খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায়। তবে ভারতীয় আলু কিনতে ভোক্তাদের আগ্রহ কম। তারা দেশি আলু কিনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
বন্দরের আমদানিকারকদের প্রতিনিধি সিরাজ হোসেন জানান, দেশে আলুর দাম বেশি। তাই আমরা ভারত থেকে আলু আমদানি করছি। কিন্তু সাম্প্রতিককালে হিলিসহ দেশে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বস্তায় থাকা আলু গরমে পচে নষ্ট হচ্ছে। প্রতি বস্তায় ২ থেকে ৩ কেজি করে নষ্ট আলু বের হচ্ছে। এখন আলু আমদানি মানেই আর্থিক ক্ষতি। আবার ভারতে গত কয়েকদিন ধরে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা দাম বেড়েছে। বন্দরে কোল্ড ষ্টোরেজ ব্যবস্থা থাকলে এই ক্ষতি হতো না।
পৌর শহরের বাসিন্দা আসাদুর রহমান জানান, ডাঙ্গাপাড়া-ছাতনি সড়কের পাশে ভারতীয় পচা আলুগুলো ফেলে দেওয়া হচ্ছে। এতে আমাদের যাতায়াতে অসুবিধা হচ্ছে। এমনিতেই তীব্র তাপে হাঁসফাঁস অবস্থা। তার উপর পচাগন্ধ আরও বিরক্তিকর। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজর দেওয়া দরকার।
এদিকে হিলি স্থলবন্দরের বেসরকারি অপারেটর পানামা হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেডের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক জানান, ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আলু আমদানি হচ্ছে। প্রতিদিনই আলু আসছে। আলু পচণশীল পণ্য হওয়ায় কাস্টমসের রাজস্ব আদায় সাপেক্ষে দ্রত খালাস করাসহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে নিতে আমদানিকারকদের সহযোগিতা করা হচ্ছে। তবে পোর্ট এলাকায় আলু সহ কাঁচাপণ্য রাখার জন্য কোল্ড ষ্টোরেজ ব্যবস্থা থাকলে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেন না।
আরও পড়ুন: তীব্র গরমে বন্দরে পচতে শুরু করেছে ৩৭০ টন আলু
৬৭৫ দিন আগে
সিলেটে ৫৫ বস্তা ভারতীয় চিনি আটক
সিলেটের জৈন্তাপুরে ৫৫ বস্তা ভারতীয় চিনি এবং ১০ বস্তা পেঁয়াজসহ একটি ডিআই ট্রাক ও একটি এইচ পিকআপ গাড়ি আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার(২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের ফেরীঘাট এলাকা ও চাঙ্গীল এলাকার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে অভিযান চালিয়ে পণ্যগুলো জব্দ করে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ।
আরও পড়ুন: সিলেটে ১২ লাখ টাকার ভারতীয় পেঁয়াজ জব্দ, আটক ৪
তবে গাড়িচালক ও চোরাকারবারিদের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের প্রেক্ষিতে আমি পৃথক অভিযান পরিচালনা করি ৷ অভিযানে ২টি গাড়িসহ ৫৫ বস্তা ভারতীয় চিনি এবং ১০ বস্তা পেঁয়াজ আটক করেছি ৷ এবিষয়ে দু’টি পৃথক মামলা করা হবে ৷ আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন: সিলেটে ১৪০ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ, ৩ চোরাকারবারী আটক
৭৩৭ দিন আগে
কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ভারতীয় নাগরিক
মাদক নিয়ে বাংলাদেশে আটকা পড়েছিলেন মো. দিদারুল ইসলাম নামে এক ভারতের নাগরিক। এক বছর কারাভোগ শেষে শনিবার দুপুর ২টায় দিনাজপুরের হিলি সীমান্তের চেকপোস্ট গেট দিয়ে তাকে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
দিদারুল ইসলামকে ভারতের হিলি অভিবাসন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন বাংলাদেশের হিলি অভিবাসন পুলিশ। এসময় সেখানে বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দিদারুল ভারতের পশ্চিবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি থানার খারুন (ভীম) গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে।
আরও পড়ুন: ২ বছর ৬ মাস কারাভোগ শেষে ২ বাংলাদেশি কিশোরকে দেশে ফেরত
বাংলাদেশের হিলি অভিবাসন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আশরাফুল জানান, ভারতীয় নাগরিক দিদারুল সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এসময় বিজিবি সদস্যরা তাকে মাদকসহ আটক করে। এই ঘটনায় বিজিবি বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে বিরামপুর থানায় মাদক মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে দিনাজপুর জেল হাজতে পাঠায়।
ওসি আরও জানান, মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত দিদারুলকে অনুপ্রবেশের দায়ে এক বছর ও মাদক মামলায় এক বছর সাজা দেন। একই সঙ্গে দুই মামলার সাজা চলায় এক বছরেই তার সাজার মেয়াদ শেষ হয়। পরে দুই দেশের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়ায় শনিবার দুপুরে তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে ভারতের হিলি অভিবাসন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলীপ কুমার জানান, বাংলাদেশের হিলি অভিবাসন পুলিশ দিদারুলকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর আমরা আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি।
আরও পড়ুন: ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরেছেন ২৫ বাংলাদেশি
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল ১২ বাংলাদেশি
৭৪০ দিন আগে