ভারী বর্ষণ
ভারী বর্ষণে খুলনার দৌলতপুর-খানজাহান আলী থানার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত
শুক্রবার মধ্যরাত থেকে রবিবার রাত পর্যন্ত গত দুই দিনে ভারী বর্ষণে খুলনা নগরীর দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানার বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার নিচু রাস্তাঘাট, ড্রেন, বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে গেছে।
বৃষ্টির পানিতে বসতঘরসহ রান্নাঘর তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে শত শত পরিবার। অনেক পরিবারে রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে গেছে। অভুক্ত থাকতে হচ্ছে পানিতে প্লাবিত অনেক পরিবারের সদস্যদের।
স্থানীয়দের তথ্যমতে, ভারী বৃষ্টিপাতে খানজাহান আলী থানাধীন যোগীপোল ৪, ৭ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা জাব্দিপুর, তেলিগাতী, ঢালীপাড়া, খানাবাড়ি, বিল ডাকাতিয়া গ্রাম, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল মোড়সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় পানি জমে গেছে।
এ সময় দৌলতপুর থানাধীন পাবলা, উত্তর বনিকপাড়া, মহেশ্বরপাশা পশ্চিমপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া খালিশপুর থানাধীন বাস্তুহারা, মুজগুন্নি, গোয়ালখালীসহ বেশ কয়েকটি নিচু এলাকায়ও পানি জমে গেছে।
এছাড়া সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্র, খাড়াবাড়ি গার্লস হাই স্কুল, শহীদ জিয়া আদর্শ মহাবিদ্যালয়, খানজাহান আলী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ, তেলিগাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতিভা প্রি ক্যাডেট স্কুল ও মিজান অ্যাকাডেমি, আলহেরা প্রি-ক্যাডেট মাদরাসা, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) প্রধান ফটক, খেলার মাঠ, আবাসিক হলের সামনে পানি থৈ থৈ করছে। এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানের ভবন এবং শ্রেণিকক্ষ পানিতে তলিয়ে গেছে।
৮ দিন আগে
সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত নামল, ৫ বিভাগে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস
ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় দেশের চার সমুদ্রবন্দর থেকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (১১ জুলাই) সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে এক বার্তায় রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি জানিয়েছে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।
তবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
সমুদ্রবন্দর থেকে সতর্কতা সংকেত নামলেও দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছার সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, লঘুচাপের প্রভাবে দেশের পাঁচটি বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামীকাল (রবিবার) দুপুর ১২টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে দেখা গেছে, বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা আগামী চার দিন অব্যাহত থেকে তার পর থেকে ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে।
আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সবচেয়ে বেশি ১৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলায়। এই সময়ে সর্বোচ্চ ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল রংপুরে এবং সর্বনিম্ন ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায়।
১০ দিন আগে
ভারী বর্ষণ: সাজেকে আটকা পড়েছে ৫ শতাধিক পর্যটক, রাঙ্গামাটির আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ছুটছে মানুষ
টানা ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির স্বাভাবিক জনজীবন। পাহাড় ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত পুরো রাঙ্গামাটি জেলায় ৩৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৪ হাজার ২৬৫ জন মানুষ আশ্রয়গ্রহণ করেছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টানা পাঁচ দিনের বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাঙ্গামাটিসহ উপজেলাগুলোর সড়কের বিভিন্ন অংশ ভাঙনসহ অনেক সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।
এরই মধ্যে রাঙ্গামাটি সদর মগবান ইউনিয়নে দলমনি চাকমা নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল (বুধবার) নদী পার হতে গিয়ে ভেসে যান তিনি। অন্যদিকে, বিলাইছড়িতে বহিরাগত এক ব্যবসায়ী নিখোঁজ রয়েছেন।
জেলাজুড়ে ভারী বর্ষণ এবং প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতি বিরাজমান থাকায় জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
এদিকে, টানা পাঁচ দিনের বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা, লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ এবং বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী ও পৌর এলাকার উগলছড়ি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে সাজেকে আটকা পড়েছে প্রায় ৫ শতাধিক পর্যটক।
১২ দিন আগে
লামায় টানা ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসে ঘুমন্ত শিশুসহ নিহত ৫
টানা চার দিনের ভারী বর্ষণের ফলে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় পাহাড় ধসে ঘুমন্ত অবস্থায় এক শিশুসহ দুই পরিবারের ৫ জন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি মিশন পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— মো. ইউনুছ (২৮), তার স্ত্রী রানু আক্তার (২২) ও চার বছরের ছেলে মো. সোলেমান এবং অপর পরিবারের মো. জুয়েল ( ২৭) ও তার স্ত্রী কুলসুমা আক্তার (২৩)।
অন্যদিকে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের এক হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত ও পাহাড় ধসে পড়ে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়েছে। এছাড়া লামা-আলীকদম সড়কের কেয়ারারঝিরি, রেপারপাড়া আবাসিক ও লাইনঝিরি এলাকা ঢলের পানিতে ডুবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এ ছাড়াও, টানা ভারী বর্ষণে বিভিন্ন ইউনিয়নে চলতি মৌসুমের বীজতলা এবং বিভিন্ন ফসলাদি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সড়কের উপর পাহাড় ধসে পড়ে, সড়ক ধসে ও ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়ে অভ্যন্তরীণসহ লামা-আলীকদম সড়ক যোগযোগও বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, উজান থেকে নেমে আসা সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলের পানি পৌর এলাকাসহ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের নিচু এলাকায় ঢুকে পড়ে। এতে ওইসব এলাকার ঘরবাড়ি, দোকানপাট, সরকারি-বেসরকারি কার্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়।
মাতামুহুরী নদী, লামা খাল, বমু খাল, ইয়াংছা খাল, বগাইছড়ি খাল, ও পোপা খালসহ বিভিন্ন স্থানের পাহাড়ি ঝিরিগুলোতে অস্বাভাবিকভাবে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গৃহবন্দি হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পেশাজীবির প্রায় ১২ হাজার মানুষ। কর্মহীন হয়ে বেকায়দায় পড়েছে ওইসব এলাকার শ্রমজীবি মানুষগুলো।
গত মঙ্গলবার সকাল থেকে শহরের দোকান ও ঘরবাড়ির মালামালসহ গৃহপালিত পশু নিরাপদে সরিয়ে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে বন্যা আক্রান্তরা।
এদিকে, প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধসে প্রাণহানির আশঙ্কায় পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদে আশ্রয় নিতে বিভিন্ন মাধ্যমে মাইকিং শুরু করে উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলো। এর পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা আশিকার উদ্যোগেও দুর্যোগ আগাম বার্তা ও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। দুর্যোগকবলিতরা আশ্রয় নিতে ৫৫ বিদ্যালয়কে অস্থায়ী আশ্রয়ন কেন্দ্র হিসেবে খুলে দেয় প্রশাসন। এতে কয়েকশ পরিবার আশ্রয়ন নিয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর নাগাদ মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হয়।
টানা ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে ভয়াবহ বন্যাসহ পাহাড় ধসে আরও মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন আজিনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন। তিনি বলেন, অব্যাহত ভারী বর্ষণের ফলে আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়ায় আজ ভোর ৪টার দিকে পৃথকভাবে আচমকা পাহাড় ধসে মো. ইউনুছ ও জুয়েল এর বসত ঘরের ওপর পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করেন। কিন্তু ততক্ষণে দুই পরিবারের ঘুমন্ত ৫ সদস্য নিহত হন।
এর আগে, রাত দেড়টার দিকে ইউনিয়নের উত্তর পাড়ায় আজিজনগর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রেহানা বেগমের ঘরে পাহাড় ধসে পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
ফাইতং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক জানান, তার ইউনিয়নে ৫০টির মতো ঘরবাড়ি পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম জানান, পাহাড় ধসে ৫০টি ও ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়েছে ১০০ ঘরবাড়ি। পানিবন্দি হয়েছে ১ হাজার পরিবার।
ফাসিয়াখালী ইউনিয়নে ব্যাপক হারে পাহাড় ধসে ঘরবাড়ি ও রাস্তা ঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয় বলে জানান ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য জিয়াবুল হক।
এছাড়া গজালিয়া, সরই, রুপসীপাড়া ইউনিয়নেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানা গেছে।
পাহাড় ধসে পাঁচজন নিহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কাইছার হামিদ বলেন, পাহাড় ধসে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক।
এ বিষয়ে লামা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন বলেন, টানা বর্ষণের শুরুতেই ঢলের পানিতে ও পাহাড় ধসের ঝুঁকিপূর্ণ পৌরবাসিদের যথাসময়ে নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং করে সতর্ক করা হয়। শুধু তাই নয়, বাড়ি বাড়ি গিয়েও তাগাদা দেওয়া হয়। এরপরেও পাহাড় ধসে আজিজনগরের মিশন পাড়ায় শিশুসহ ৫ জন নিহত ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে এক হাজারের মত দোকানপাট-ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পৌরসভার পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্রসহ বন্যাকবলিতদের মাঝে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়। মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল না থাকায় ও রাস্তা-ঘাট ভেঙে তছনছ হওয়ার কারণে আজ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করা সম্ভব হয়নি।
১২ দিন আগে
কক্সবাজারে ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসে নিহত ৯
কক্সবাজারে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট পাহাড় ধসে দুই পরিবারের সাত সদস্যসহ অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) ভোরে কক্সবাজারের পৃথক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ৮ জন উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এবং অন্যজন কক্সবাজার পৌরসভায় নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী।
তিনি জানান, গতকাল (রবিবার) রাত ১টার দিকে উখিয়ার ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি ঘরের ওপর পাহাড় ধসে পড়লে এক পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন—মোহাম্মদ কামাল হোসেন (৪৪), তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) এবং তাদের চার বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ আনাস।
একই সময়ে কুতুপালংয়ের ৭ নম্বর ক্যাম্পে পাহাড়ের ঢাল থেকে মাটি চাপা পড়ে একরাম (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়।
এরপর গতকাল দিবাগত রাত ৩টার দিকে ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপর এক পাহাড় ধসের ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যের প্রাণহানি ঘটে।
নিহতরা হলেন—উম্মে হাবিবা (২৭), তার বোন তানজিনা আক্তার (১৩) এবং দুই ছোট ভাই রিহান (৫) ও হারুনুর রশিদ (৩)। এই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
পৃথক আরেকটি ঘটনায়, আজ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কক্সবাজার শহরের সাত্তার ঘোনা এলাকায় আলী আকবরের (৫০) ঘরের ওপর পাহাড়ের বিশাল মাটির চাঙ্গর ধসে পড়ে। এতে আলী আকবর ও তার পরিবারের আরও দুই সদস্য ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলী আকবরকে মৃত ঘোষণা করেন।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গতকাল (রবিবার) সকাল থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণের কারণে এই পাহাড় ধসের ঘটনাগুলো ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করেন।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই ভারী বর্ষণ হয়েছে।
তিনি জানান, আজ (সোমবার) সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ২৫০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে এবং এই বৃষ্টি আরও দুই দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান জানান, পরবর্তী অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঝুঁকি এড়াতে পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
১৫ দিন আগে
চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, সাগরে ৩ নম্বর সংকেত
সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
এদিকে, আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমানের সই করা এক বার্তা থেকে জানা যায়, দেশের ওপর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু গতকাল (বৃহস্পতিবার) সকাল ৮টা থেকে সক্রিয় রয়েছে, যা অন্তত রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এর প্রভাবে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের সম্ভাবনাও রয়েছে।
কোনো নির্দিষ্টি এলাকায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে তাকে ভারী এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বর্ষণ হলে তাকে অতি ভারী বৃষ্টি হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করে আবহাওয়া অফিস।
৩৩৩ দিন আগে
ভারী বর্ষণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কা
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে চার বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। এছাড়া, অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধস হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) আবহাওয়ার এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয়তায় আজ (মঙ্গলবার) সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪-৮৮ মিমি/২৪ ঘণ্টা) থেকে অতি ভারী (৮৮ মিমি/২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে।
এ ছাড়া, অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে। সেইসঙ্গে ভারী বর্ষণজনিত কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন: দেশের ৬ জেলায় ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি বয়ে যেতে পারে
আরেক সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব বা দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, ঢাকাসহ পাশ্ববর্তী অঞ্চলের দুপুর ১টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসব এলাকায় আজ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
৩৭৮ দিন আগে
অতি ভারী বর্ষণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কা: বিএমডি
দেশে অতি ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন ও কক্সবাজার জেলার পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) ‘ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায়’ এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন ও কক্সবাজার জেলাসমূহের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে। সেইসাথে ভারী বর্ষণজনিত কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন: চীনে ভূমিধসে নিখোঁজ ২৯
সতর্কবার্তায় আবহাওয়াবিদ ড. বজলুর রশিদ বলেন, ‘উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘণীভূত হয়ে একই এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।’
‘এটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘণীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় ভারী (৪৪-৮৮ মি.মি. ২৪ ঘন্টা) থেকে অতি ভারী (৮৮ মি.মি./২৪ ঘন্টা) বর্ষণ হতে পারে।’
৪১৮ দিন আগে
ভারী বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে ঢাকাবাসী
শনিবার সকালে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়াসহ ভারী বর্ষণে ভোগান্তিতে পড়তে হয় ঢাকার বাসিন্দাদের।
বৃষ্টির কারণে রাজধানীর নিচু এলাকা ও বেশ কিছু গলি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সকালে বের হওয়া মানুষের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা স্বাভাবিক হতে থাকে।
দুর্গাপূজার ছুটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অধিকাংশ অফিস বন্ধ থাকলেও জলাবদ্ধতা ও কর্দমাক্ত রাস্তার কারণে মন্দিরমুখী হিন্দু ভক্তরা সমস্যায় পড়েন।
কিছু বেসরকারি অফিস খোলা থাকায় পরিবহন সংকটের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে অফিসগামীদের।
আরও পড়ুন: ঢাকার বাতাসের মান 'মাঝারি' পর্যায়ে
বৃষ্টি সকাল ৬টার দিকে শুরু হয়ে তা সকাল ৭ টা পর্যন্ত চলে।
আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন জানান, শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
সোমবার পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বৃষ্টিপাত কমেতে পারে। তারপর আবার বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে বৃষ্টিপাত হতে পারে: আবহাওয়া অধিদপ্তর
৬৪৭ দিন আগে
ভারী বর্ষণে পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ গেট
তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাটের সবগুলো খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে ৫১ দশমিক ৮৩ সেন্টিমিটার পানি প্রবাহ রেকর্ড করেছে পাউবো।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৬৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এদিকে তিস্তায় পানি বৃদ্ধিতে দেখা দিয়েছে নদ-নদীর ভাঙন।
এছাড়াও গত দু’দিন ধরে প্রচুর বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে উত্তরের জেলা লালমনিরহাটে। কখনো হালকা, কখনো মাঝারি আবার কখনো ভারী বৃষ্টি। এতে জনসাধারণের মাঝে যেমন স্বস্তি ফিরে এসেছে। তেমনি খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ কাজে যেতে না পারায় পড়েছেন চরম বিপাকে।
আরও পড়ুন: ভারী বর্ষণে ভেসে গেছে বিল ডাকাতিয়ার ৮২৫০টি মাছের ঘের, ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি
গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু রংপুরে ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ভারী বর্ষণের কারণে নদ-নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি সমানতালে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চর গড্ডিমারী এলাকার হোসেন আলী বলেন, ‘পানি বৃদ্ধিতে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছি। কিছু এলাকায় পানি প্রবেশ করে রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে।’
পাউবো ডালিয়া শাখার উপপ্রকৌশলী মোহাম্মদ রাশেদীন বলেন, ‘তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে।’
হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) জিয়াউল হক জিয়া বলেন, ‘দুদিন ধরে টানা বর্ষণের তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ওইসব ইউনিয়নের কিছু কিছু এলাকার রাস্তাঘাটে পানি উঠে চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।’
এদিকে তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হাক্কানি বলেন, ‘অসময়ের বন্যা ও ভাঙনে প্রতি বছর এক লাখ কোটি টাকার সম্পদ তিস্তার গর্ভে চলে যায়। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য নদী খনন, সংরক্ষণ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন করা ছাড়া বিকল্প নেই।’
আরও পড়ুন: খুলনায় ভারী বর্ষণে মৎস্য খাতে ক্ষতি ৬০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে
৬৬১ দিন আগে