রথযাত্রা
জমে উঠেছে বাগেরহাটের ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী রথের মেলা
বাগেরহাটের লাউপালায় ঐতিহ্যবাহী রথের মেলা জমে উঠেছে। শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সের মানুষের ঢল নেমেছে মেলায়। মাসব্যাপী এই মেলায় গ্রামবাংলার নানা ধরনের পসরা সাজিয়ে বসেছে দোকানিরা। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে থাকে মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলায় শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইডস, নানা ধরনের খেলনা, প্রসাধন সামগ্রী, গৃহস্থালী সামগ্রী, আসবাপত্র, বিনোদনের জন্য সার্কাস, নাগোরদোলাসহ নানা জিনিস এসেছে মেলায়। মেলায় ‘বালিশ মিষ্টি’ নামে পরিচিত বড় বড় মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে একেকটি ৫০০ টাকায়। মেলা ঘিরে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ রীতিমতো উৎসবে মেতে উঠেছে। মেলা প্রাঙ্গন ছড়াচ্ছে উচ্ছাস আর আনন্দ।
মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, দূরদূরান্ত থেকে ভক্ত, পূণ্যার্থী আর দর্শনার্থীরা এসেছেন মেলা প্রাঙ্গণে। বাবা-মায়ের কোলে চড়ে শিশুরা যেমন এসেছে, তেমনি বৃদ্ধরা এসেছেন লাঠি ভর করে। বিভিন্ন বয়সের মানুষ মেলায় এসেছেন। মেলায় বাগেরহাট জেলার বাসিন্দা ছাড়াও খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল এবং গোপালগঞ্জ থেকে আসা দর্শনার্থীদেরও দেখা মিলেছে।
মেলায় মানুষের ঘোরাঘুরি আর কেনাকাটায় কোনো কমতি নেই। বিক্রি ভালো হওয়ায় দোকানিরা প্রচুর পরিমাণ পসরা সাজিয়ে বসেছেন। মন্দিরের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে মূল সড়কের দুই পাশজুড়ে দোকানিদের হরেক রকমের পণ্য শোভা পাচ্ছে। মানুষের মধ্যে উৎসাহ আর উদ্দীপনা মেলা প্রাঙ্গণ ছাপিয়ে আশপাশে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে।
২ দিন আগে
এ দেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই, সবাই সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক: চিফ হুইপ
বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সবাই সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক এবং এ দেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম।
তিনি বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত আত্মত্যাগে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই রাষ্ট্রে ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বিভাজন বা বৈষম্যের স্থান নেই।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার কায়েতপাড়ায় শ্রী শ্রী যশোমাধব মন্দিরের মাধব অঙ্গনে আয়োজিত ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশোমাধব রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে রথমেলার উদ্বোধন করেন তিনি।
চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, এ দেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই; বাংলাদেশের হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সবাই সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক।
তিনি বলেন, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ডসহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকার কোনো ধরনের বৈষম্য করে না।
তিনি আরও বলেন, অতীতে সংখ্যালঘু ইস্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হতো। দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিমা ভাঙচুর, মন্দিরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটত, যার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা হতো। বর্তমানে এ ধরনের অপতৎপরতার কোনো স্থান নেই। বিএনপিতে উগ্রবাদ বা সাম্প্রদায়িকতার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চিফ হুইপ বলেন, দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ দেশের জনগণ জুলাইয়ে একটি নতুন সূর্যের উদয় প্রত্যক্ষ করেছে। অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করেই জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে।
তিনি বলেন, ধামরাইয়ের ঐতিহাসিক রথযাত্রা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এ ধরনের আয়োজন দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও জাতীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন ও সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ।
মেজর জেনারেল জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মোরাদ এবং ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মামুন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এ সময় গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক ভক্ত-অনুরাগী উপস্থিত ছিলেন।
শেষে চিফ হুইপ ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশোমাধব রথযাত্রার উদ্বোধন করেন এবং উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
৫ দিন আগে
বাগেরহাটে ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী লাউপালায় জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় পূণ্যার্থীদের ঢল
বাগেরহাটের প্রায় ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী শ্রীপাট লাউপালায় শ্রী শ্রী গোপাল জিউর মন্দিরে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশাল কাঠের রথে জগন্নাথদেবের সঙ্গে তার ভাই বলরাম এবং বোন সুভদ্রাকে বসিয়ে সুসজ্জিত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর সোয়া ১টার দিকে পূণ্যার্থীরা রথের দড়ি টেনে সামনের চত্ত্বরে নিয়ে আসেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, রথের দড়ি স্পর্শ করলে অসীম পূণ্যলাভ এবং জন্ম জন্মান্তরের সমস্ত পাপ নাশ হয়। এই বিশ্বাস নিয়ে নানা বয়সের শত শত নারী-পুরুষ রথ উৎসবে অংশ নেন। প্রতিবছরের মতো এ বছরও দূরদূরান্ত থেকে অসংখ্য পূণ্যার্থী এই রথযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।
লাউপালায় রথযাত্রা উপলক্ষে মাসব্যাপী গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মেলা বসেছে। মেলায় হস্ত ও কুটির শিল্প, মৃৎশিল্পসহ রকমারি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা।
এছাড়া বাগেরহাট শহরের রাধাগোবিন্দ মন্দির থেকে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা বের করা হয়। এরপর পূণ্যার্থীরা রথ টেনে শালতলাস্থ শ্রী শ্রী হরিসভা মন্দিরে নিয়ে আসেন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
আগমী ২৪ জুলাই উল্টো রথযাত্রার মধ্যে দিয়ে জগন্নাথদেব মন্দিরে ফিরে আসবেন। রথযাত্রা শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে যাতে অনুষ্ঠিত হয়, সেজন্য বাগেরহাট জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
রথযাত্রায় সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যের প্রতিফলন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রথযাত্রা উৎসবে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে৷ বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
শুক্রবার (২৭ জুন) ধামরাইয়ে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘রথযাত্রা কেন্দ্রিক মেলা সব বয়সী মানুষকে একত্রিত করে, এখানে মানুষ পরস্পর আনন্দ ভাগাভাগি করে। এ ধরনের উৎসবের মূল বার্তা হলো সাম্যের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়া।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, যেখানে বিভিন্ন ধর্ম, জাতি, পেশা ও শ্রেণির মানুষ যুগ যুগ ধরে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সব ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তার আশ্বাস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও অনিয়ম দূর করতে সংস্কার প্রয়োজন। এসব সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এজন্য সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং সাধারণ জনগণের সহযোগিতায় এ অগ্রগতি আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
ধামরাইকে ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘ধামরাইয়ের রথযাত্রা দেশের অন্যতম বৃহৎ রথযাত্রা উৎসব। এর সঙ্গে মাসব্যাপী হস্তশিল্প মেলা স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে।’
৩৮৯ দিন আগে
বগুড়ায় রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহতদের চিকিৎসার ব্যয় বহন করবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বগুড়ায় রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহতদের চিকিৎসার সব ব্যয় সরকার বহন করবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।
সোমবার (৮ জুলাই) সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে রথযাত্রায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন দুই রোগীকে দেখা শেষে এ কথা জানান তিনি।
চিকিৎসাধীন কেউই শঙ্কামুক্ত নন বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়ে আহতদের আত্মীয়-স্বজনদের সান্ত্বনা দেন এবং তাদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন।
তিনি বলেন, ‘রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তাদের আশ্বস্ত করেছি যে সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। যারা আহত হয়েছেন তাদের চিকিৎসার সব খরচ বাংলাদেশ সরকার বহন করবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রথযাত্রায় যে দুর্ঘটনা হয়েছে তা খুবই মর্মান্তিক এবং শোকাবহ। যে দুজন ভর্তি হয়েছে তাদের কেউই আশঙ্কামুক্ত নন।’
আহতদের অনেকেই স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন উল্লেখ করে সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘ বগুড়া ও বার্নে চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আহতদের যথাযথ ও সুষ্ঠু চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বগুড়ায় সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম ও স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের কর্মকর্তারা।
রবিবার বগুড়া জেলা শহরে রথযাত্রা চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজন নিহত ও ৪৩ জন আহত হয়।
সেউজগাড়ি আমতলা মোড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার এ ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বগুড়ার জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরুল কায়েসকে প্রধান করে গঠিত কমিটিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
৭৪৩ দিন আগে
বগুড়ায় রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৫ জনের মৃত্যু, আহত ৩০
বগুড়ায় রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন।
রবিবার (৭ জুলাই) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে বগুড়া শহরের সেউজগাড়ী আমতলী মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: নকলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু
নিহতরা হলেন, অলোক সরকার (৪০), আতশী রানী (৪০), রঞ্জিতা মোহন্ত (৬০), নরেশ মোহন্ত (৬৫) এবং অজ্ঞাত পরিচয় এক নারী।
স্থানীয়রা জানায়, সেউজগাড়ী ইসকন মন্দির থেকে রবিবার বিকেল ৫টায় রথযাত্রা বের হয়। ১০ মিনিট পথ অতিক্রম করার পর সেউজগাড়ী আমতলা এলাকায় পৌঁছালে রথের চূড়াটি সড়কের ওপর দিয়ে যাওয়া উচ্চ ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার স্পর্শ করে। এতে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
আহতদের মধ্যে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চারজন ও মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে একজন মারা যান।
বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিস বলেন, এখন পর্যন্ত পাঁজজন মারা গেছেন। মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইহান ওলিউল্লাহ বলেন, রথযাত্রার সময় রথের চূড়াটি বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: মেহেরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ বোনসহ ৩ জনের মৃত্যু
৭৪৪ দিন আগে
সিলেটে সংক্ষিপ্ত কর্মসূচিতে রথযাত্রা পালিত
জনসমাগম না করে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সংক্ষিপ্ত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ইসকন সিলেট মন্দিরে পালিত হয়েছে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব।
২২১৯ দিন আগে