মাদরাসাছাত্র
ইটভাটায় ট্রাক্টরচাপায় মাদরাসাছাত্র নিহত
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ট্রাক্টরের চাপায় তাওহীদ (১০) নামের এক মাদরাসাছাত্র নিহত হয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার পাঁচপাখিয়া গ্রামের ‘ভাই ভাই মোল্লা ব্রিকস’ ইটভাটায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তাওহীদ ওই গ্রামের জসিম শেখের ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, সকালে তাওহীদ ইটভাটায় খেলছিল। এ সময় মাটি টানার ট্রাক্টরটি পেছানোর সময় তাকে চাপা দিলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, দুর্ঘটনায় শিশুটি মারা গেছে। পরিবার অভিযোগ করলে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। নাহলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৯ দিন আগে
দাফনের ৯ মাস পর মাদরাসাছাত্রের দেহ উত্তোলন
আদালতের নির্দেশে কিশোরগঞ্জে মুদ্দাছির (৮) নামের এক মাদরাসাছাত্রের দেহ দাফনের ৯ মাস পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। সে ঢাকার একটি মাদরাসার আবাসিক হোস্টেলে মারা গিয়েছিল।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে তাড়াইল উপজেলার দামিহা ইউনিয়নের রাহেলা গ্রামের কবরস্থান থেকে দেহটি উত্তোলন করা হয়। এ সময় তাড়াইল উপজেলা সহকারী কমিশনার ও প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট জিসান আলী এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের এসআই নাজিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
নিহত মুদ্দাছির রাহেলা গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে। সে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার মাদরাসাতুল ইতকান উলুমিয়া কোরআন মাদরাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল।
২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর মাদরাসার চতুর্থ তলায় শিক্ষকদের টয়লেটের ভেন্টিলেটরের গ্রিলের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় মুদ্দাছিরের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনার পরদিন মুদ্দাছিরের বাবা জিয়াউর রহমান যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ক্বারী আনিছুর রহমানসহ তিন শিক্ষককে এতে আসামি করা হয়। ময়নাতদন্তের পর গ্রামের বাড়িতে নিহতের দেহ দাফন করা হয়।
তদন্ত চলাকালে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে দাবি করে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করেন মামলার বাদী। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ আগস্ট ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে দেহ উত্তোলনের আদেশ দেন।
আদালতের নির্দেশে শিশুটির দেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার।
১৫ দিন আগে
নড়াইলে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা, ৩ শিক্ষক আটক
নড়াইল শহরসংলগ্ন লস্করপুর-চাঁনমারি এলাকার মারকাযুল কোরআন মাদরাসার কিতাব বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র সৈয়দ সোলাইমান ইসলামের (১৪) মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মাদরাসায় নির্যাতনের শিকার হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদরাসাটির তিন শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
সোলাইমান সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের সৈয়দ ইকরামুল ইসলামের ছেলে। সে মাদরাসাটির আবাসিক ছাত্র ছিল।
সোলাইমানের বাবা ইকরামুল ইসলাম জানান, গেল মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে মাদরাসায় যায় সোলাইমান। পরদিন বেলা ১১টার দিকে মাদরাসা থেকে পরিবারের কাছে খবর দেওয়া হয়, সে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে নড়াইল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসার জন্য যশোর নেওয়ার পথে বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
ইকরামুল ইসলামের অভিযোগ, সোলাইমানের ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, ‘অসুস্থ হওয়ার ছয় ঘণ্টা পরও আমার ছেলে সোলাইমানকে হাসপাতালে ভর্তি করেনি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার রাতেই আমার ছেলেকে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’
তবে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মারকাযুল কোরআন মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নাজমুস সায়াদাৎ আল মামুন। তিনি বলেন, কোনো শিক্ষক সোলাইমানকে শারীরিক নির্যাতন করেননি। অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। মাদরাসার কেউ জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী যে শাস্তি হবে, তা মেনে নেওয়া হবে।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল সরোয়ার জানান, এ ঘটনায় মাদরাসাটির তিন শিক্ষক ইউসুফ হায়দার, হাসিবুর রহমান ও ফাহাদ শেখকে আটক করা হয়েছে। তবে এখনও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রকিবুল হাসান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
৪৭ দিন আগে
গাজীপুরে মাদরাসাছাত্র হত্যার রহস্য উন্মোচন, ভাইসহ গ্রেপ্তার ২
গাজীপুরে মাদরাসাছাত্র আব্দুর রাহিমকে (১৩) হত্যার পর গভীর শালবনে গর্ত করে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে গুম করা হয়। হত্যার রহস্য উদঘাটন করে এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাইসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন।
তিনি জানান, জেলার জয়দেবপুর থানার ডগরি নয়াপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে আব্দুর রাহিম স্থানীয় নয়াপাড়া এবাদিয়া দাখিল মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। গত ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সে নিখোঁজ হয়। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তার বাবা ৩ ফেব্রুয়ারি জয়দেবপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি জয়দেবপুর থানাধীন বিকেবাড়ি পদ্মপাড়া এলাকায় বাঁশরী রিসোর্টের দক্ষিণ পাশে সরকারি শালবনের গভীরে গর্তের ভেতর মাটি চাপা দেওয়া অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে মরদেহটি শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হলে পোশাক দেখে রাহিমের বাবা তার ছেলেকে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় ২৭ ফেব্রুয়ারি জয়দেবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়।
মামলার তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রাহিম তার বাবার কাছে মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করছিল। এ বিষয় নিয়ে বড় ভাই আলামিন হোসেন ক্ষুব্ধ হয়ে বন্ধু আশিক আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পনা করেন। সে অনুযায়ী ১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তারা রাহিমকে শালবনের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মাফলার দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে মুখে স্কচটেপ লাগানো হয়। একপর্যায়ে রাহিম বিষয়টি বাবাকে জানিয়ে দেবে বললে আলামিন তাকে গলাটিপে হত্যা করেন। পরে ঘটনাস্থলের পাশেই গর্ত করে মাটি চাপা দেওয়া হয় এবং আলামত নষ্ট করতে তার জ্যাকেট আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
পরবর্তী সময়ে গতকাল (৩ মার্চ) ভোরে জয়দেবপুর থানার মির্জাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলামিন হোসেন (২৩) ও আশিক আহমেদকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ২৬ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার বিকে বাড়ি এলাকার বাঁশরী রিসোর্টের দক্ষিণ পাশে শালবানের ভেতর বেশ কয়েকজন কিশোর টিকটক ভিডিও করতে যায়। শুটিং করার সময় বনের ভেতরে তীব্র দুর্গন্ধ তাদের নাকে আসে। পরে তারা সামনে এগিয়ে মাটিতে চাপা দেওয়া ও কিছু অংশ বের হওয়া অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পায়। তারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
২৩০ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল মাদরাসাছাত্রের
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আকাশ (১০) নামে এক মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ১ মে) সন্ধ্যায় উপজেলা বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আকাশ শ্রীঘরের উত্তরপাড়ার আনোয়ার হোসেন ছেলে এবং স্থানীয় মাদরাসায় পড়াশুনা করত।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ফুটবলার নিহত
স্থানীয়রা জানান, চার্জ থেকে অটোরিকশা খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় আকাশ। পরে পরিবারের লোকজন তাকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুব্রত বলেন, ‘ছেলেটি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।’
৫৩৬ দিন আগে
দিনাজপুরে নদীতে গোসল করতে নেমে ২ মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ
দিনাজপুরের কাহারোলে ঢেপা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ হয়েছে। রবিবার (২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার কান্তজী মন্দিরের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
রংপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাদের সন্ধানে নদীতে অভিযান চালাচ্ছে।
আরও পড়ুন: নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর
নিখোজ দুই শিক্ষার্থী হলো- জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ পাল্টাপুর গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে মিম ইসলাম (১৫) এবং কাহারোল উপজেলার দ্বীপনগর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে ইব্রাহিম ইসলাম (১৫)। তারা দুজন আলাদা মাদরাসার ছাত্র।
কাহারোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক জানান, রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনবন্ধু ঢেপা নদীর কান্তজী মন্দির প্রান্তে গোসল করতে নামে। এসময় দু'জন স্রোতের টানে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। তৃতীয় বন্ধু তীরে উঠে অন্যদের এখবর জানালে উদ্ধার অভিযানে নামে ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা।
তিনি বলেন, অবশেষে রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি তলব করা হয়। তবে ৬ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা পর্যন্ত নিখোজ ছাত্রদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমার ৬ সেন্টিমিটার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
সুনামগঞ্জে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল
১২০৬ দিন আগে
মাগুরায় নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পর নদী থেকে মাদরাসাছাত্রের লাশ উদ্ধার
মাগুরার মহম্মদপুরে মধুমতি নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর মাদরাসাছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে খুলনার ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল।
মৃত মাদরাসা ছাত্র ইয়ামিন শেখ (১২) মধুখালী উপজেলার গাজনা এলাকার রাজ্জাক শেখের ছেলে। সে মহম্মদপুর উপজেলার দাতিয়াদহ গ্রামের মামা মুনসুর ফকিরের বাড়িতে লেখাপড়া করত।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসিত কুমার রায় জানান, এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের দাতিয়াদহ গ্রামের মোল্লার ঘাট এলাকায় মধুমতি নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় সে।
আরও পড়ুন: নিখোঁজের ৩ দিন পর মেঘনা নদী থেকে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার
স্থানীয়রা জানান, গতকাল দুপুর থেকে পরিবার ও স্থানীয়রা নদীতে জাল টেনে ইয়ামিনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। কিন্তু না পেয়ে আজ (শুক্রবার) দুপুর ১২টায় খুলনা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল সন্ধান চালায়। পরে তার লাশ উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা আরও জানান, বাবা স্কুলে পড়াতে চাইলেও মা চেয়েছিলেন ছেলে মাদরাসায় পড়বে। তাই মামাবাড়িতে রেখে মাদরাসায় চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয় ইয়ামিনকে। ভর্তির এক দিন পর মধুমতি নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হয় সে।
নিখোঁজ ইয়ামিন শেখের মামা মুনসুর ফকির বলেন, বুধবার ভাগনে ইয়ামিনকে বাবুখালী আদর্শ দাখিল মাদরাসায় চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি করানো হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার সময় স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বাড়ির পাশে মধুমতি নদীতে গোসল করতে নামে ইয়ামিন। একপর্যায়ে সে পানিতে ডুবে যায়।
এ বিষয়ে মহম্মদপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা মো. মোস্তাইন আলী বলেন, খুলনা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম আধা ঘণ্টা নদীতে তল্লাশি চালিয়ে মাদরাসাছাত্রের লাশ উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে মহম্মদপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চিত্রা নদী থেকে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার
১৩১২ দিন আগে
নড়াইলে ট্রলির ধাক্কায় মাদরাসাছাত্র নিহত
নড়াইলের কালিয়ায় বালিবোঝাই ট্রলির চাকায় পিষ্ট হয়ে ইসমাইল শেখ নামে এক মাদরাসা ছাত্র নিহত হয়েছে। রবিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে নড়াইল-কালিয়া সড়কের আটলিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইসমাইল শেখ কালিয়া উপজেলার চাচুড়ি ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের ফুরকান শেখের ছেলে এবং স্থানীয় একটি মাদরাসার ছাত্র।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ইসমাইল শেখ সাইকেল চালিয়ে বাড়ির পাশে রাস্তায় উঠার সময় নড়াইল অভিমুখী একটি বেপরোয়া গতির বালিবোঝাই ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে ধাক্কা দেয়। তখন ইসমাইল সড়কে ছিটকে পড়ে ট্রলির চাকায় পিষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ দিকে স্থানীয়রা ট্রলিটিকে আটক করলেও চালক ট্রলিটি ফেলে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ তাসমীম আলম জানান, ঘাতক ট্রলিটিকে আটক করা হয়েছে, তবে চালক পালিয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন: রূপসায় ইটবাহী ট্রলির ধাক্কায় কলেজের অধ্যক্ষ নিহত
ট্রলির ধাক্কায় পাঁচ বছরের শিশু নিহত
১৩৭৪ দিন আগে
কুলিয়ারচরে অটোরিকশাচাপায় মাদরাসাছাত্র নিহত
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচাপায় কাউসার মিয়া নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। রবিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর একটার দিকে উপজেলার রামদী ইউনিয়নের পিরপুর এলাকার রাস্তায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কাউছার মিয়া (৭) ওই এলাকার মো. নূরুজ্জামানের ছেলে এবং স্থানীয় একটি নূরানী মাদরাসার ছাত্র।
আরও পড়ুন: বাগেরহাটে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংর্ঘষ, তিন মাদরাসাছাত্র নিহত
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর একটার দিকে পিরপুর এলাকার রাস্তায় দাঁড়িয়ে মাটি ভরাট কাজ দেখছিল কাউসার। এ সময় একটি অটোরিকশা পিছন দিক থেকে তাকে চাপা দেয়।
এতে গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে বাজিতপুরের জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখানকার চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় অটোরিকশা উল্টে মাদরাসাছাত্র নিহত
নোয়াখালীতে অটোরিকশা চাপায় মাদরাসাছাত্র নিহত
১৪০৯ দিন আগে
সিলেটে মাদরাসাছাত্রকে হোটেলে আটকে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ২
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার উমরপুর টাইটেল মাদরাসার এক ছাত্রকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
উদ্ধার ছাত্র আমিরুল ইসলাম (১৬) ওসমানীনগর উপজেলার কিয়ামপুর গ্রামের খায়রুল ইসলামের ছেলে ও উমরপুর টাইটেল মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।
গ্রেপ্তার মো. নজরুল ইসলাম ও মেনু মিয়া কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানাধীন আহুতিয়া গ্রামের মৃত শামসুদ্দিনের ছেলে।
রবিবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন অপহরণ ও উদ্ধারের ঘটনায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: রহিমা বেগম ‘অপহরণ’ মামলায় ৪ জনের জামিন
পুলিশ জানায়, গত ৯ অক্টোবর বাড়ি থেকে মাদরাসার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ মিলছিল না। ১২ অক্টোবর তার বাবা ওসমানীনগর থানায় লিখিতভাবে বিষয়টি অবহিত করেন। এ সংক্রান্ত মামলা হলে পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন ভুক্তভোগীকে উদ্ধারের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উদ্ধারকারী টিম তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে সমন্বয় সাধনের জন্য ওসমানীনগর সদস্যর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলামকে নির্দেশনা দেন। পুলিশ মাঠে নেমে জানতে পারে ভুক্তভোগীকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করছে একটি চক্র। মুক্তিপণ না দিলে তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়া হয়েছে।
উদ্ধারকারী টিমের সদস্যরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ৯টার দিকে সিলেটের রশিদপুরস্থ ফুলকলি শোরুমের সামনে থেকে আমিরুল ইসলামকে উদ্ধার করে।
সে পুলিশকে জানায়, তাকে অপহরণ করে হোটেলে আটকে রেখে হাত-মুখ বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে।
পরে অপহরণকারীদের গ্রেপ্তারে মাঠে নামে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় দুজনকে।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় ওসমানীনগর থানায় রবিবার নিয়মিত আইনে মামলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে মুক্তিপণের টাকাসহ ‘অপহরণকারী’ গ্রেপ্তার
সিরাজগঞ্জে অপহরণ, ১০ দিন পর সাভারে উদ্ধার
১৪৬৫ দিন আগে