রপ্তানি
আমদানি-নির্ভর পণ্যের জন্য ‘স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ’ গড়ে তোলা হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা মোকাবিলায় আমদানি-নির্ভর পণ্যের জন্য ‘স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ’ বা কৌশলগত মজুত গড়ে তোলা হচ্ছে। এর ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যাহত হলেও দেশের বাজারে পণ্যের ঘাটতি তৈরি হবে না এবং মূল্য স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের চতুর্থ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশের শিল্প খাতকে পুনরুজ্জীবিত করা, বাজারকে স্থিতিশীল রাখা এবং জরুরি পণ্যের নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার একটি সমন্বিত ও সময়োপযোগী কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বস্ত্র ও পাট খাতের প্রায় ৫০টি বন্ধ ও রুগ্ন মিলকে পর্যায়ক্রমে বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে, উৎপাদন বাড়বে এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। আগামী এক বছরের মধ্যে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
জেলা প্রশাসকদের প্রস্তাবনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ডিসিরা নিজ নিজ জেলার বাস্তবতা তুলে ধরে শিল্প পুনরুজ্জীবন, নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা, বন্ধ চিনিকল পুনরায় চালু এবং ডিসটিলারি স্থাপনের মাধ্যমে রপ্তানি সম্ভাবনা বাড়ানোর মতো কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক প্রস্তাব দিয়েছেন। সরকার এসব প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।’
বাজার ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, উৎপাদক থেকে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত মূল্য ব্যবধান কমাতে সরকার আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর (এআই-ভিত্তিক) সাপ্লাই চেইন (সরবরাহ শৃঙ্খল) পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আমদানি, মজুত, পাইকারি ও খুচরা প্রতিটি ধাপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে, যা বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা মোকাবিলায় আমদানি-নির্ভর পণ্যের জন্য ‘স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ’গড়ে তোলা হচ্ছে। এর ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যাহত হলেও দেশের বাজারে পণ্যের ঘাটতি তৈরি হবে না এবং মূল্য স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যক্রম প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, একটি শক্তিশালী উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে, যেখানে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। এর মাধ্যমে টিসিবির বাজার হস্তক্ষেপ আরও কার্যকর, সময়োপযোগী ও লক্ষ্যভিত্তিক হবে।
আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে বিশেষ কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, একটিও চামড়া যাতে নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মসজিদ-মাদরাসা-সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সরকারিভাবে লবণ সরবরাহ, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং গণমাধ্যমে প্রচারণা চালানো হবে। এছাড়া, কোরবানি-পরবর্তী সাত দিন চামড়া পরিবহন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে স্থানীয় সংরক্ষণ নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।
বাজার স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসকদের আরও সক্রিয় ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রশাসন ও নির্বাচিত সরকার সম্মিলিতভাবে কাজ করে সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা করবে, এটাই আমাদের অঙ্গীকার।’
ব্রিফিংয়ে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম, শিল্প সচিব, বাণিজ্য সচিব এবং বস্ত্র ও পাট সচিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
আগামীকাল বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আগামীকাল (মঙ্গলবার) যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে বন্ধ থাকবে বেনাপোল কাস্টমস হাউস ও বন্দরের কার্যক্রম। তবে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত চালু থাকবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি হবে না। বন্দর ও কাস্টমসের সকল কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে। তবে আগামী বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকে পুনরায় এই বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলবে বলে জানান তিনি।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, বিজয় দিবসের ছুটিতে দু-দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বেনাপোল দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
১৪৩ দিন আগে
ভারতের আমদানি নিষেধাজ্ঞায় বিপাকে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা
বাংলাদেশি কিছু পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের স্থলবন্দর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশি তৈরি পোশাক ও কিছু খাদ্যপণ্য। ভারতের এ সিদ্ধান্তের ফলে বিপাকে পড়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো।
প্রতিষ্ঠানগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের কঠোর সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও খারাপের দিকে ঠেলে দেবে।
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল ইউএনবিকে বলেন, ‘এখন বাংলাদেশের পোশাক ভারতে পৌঁছাতে আগের চেয়ে বেশি সময় লাগবে। এতে খরচও বাড়বে। অর্থাৎ, (ভারতে পোশাক) রপ্তানি কিছুটা কমে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘বিশ্ব বাণিজ্য যখন নানা সমস্যায় জর্জরিত, তখন এমন পাল্টাপাল্টি সিদ্ধান্ত উভয় পক্ষের ক্ষতির পরিমাণ বাড়াবে।’
আরও পড়ুন: দুই সমুদ্রবন্দর দিয়ে বাংলাদেশি তৈরি পোশাক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিল ভারত
বাংলাদেশ প্রতি বছর গড়ে ৫০ কোটি ডলারের পণ্য ভারতে রপ্তানি করে বলে জানান বিজিএমইএর সাবেক এই পরিচালক। বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের বড় ক্রেতা দেশ এবং সেখানে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের বাজার বড় হচ্ছিল। এখন এই সিদ্ধান্ত নতুন করে আমাদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াল।’
ভারতের এই নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তে ভুটান বা নেপালের ট্রানজিট পণ্য প্রভাবিত না হলেও সামগ্রিকভাবে ব্যবসায়িক সম্পর্কের ওপর এটি একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে জানান তিনি।
এদিকে, রপ্তানিকারকরা বলছেন, শুধু তৈরি পোশাক নয়; ফলমূল, কার্বনেটেড বেভারেজ, প্লাস্টিক ও পিভিসি পণ্য, কাঠের আসবাবপত্রসহ বেশ কিছু পণ্যের ওপরও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় স্থলবন্দরগুলোতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় সার্বিকভাবে ব্যবসা ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকছেই।
শনিবার ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর (ডিজিএফটি) এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশ থেকে কিছু পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে নির্দিষ্ট বন্দর ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে এক কূটনৈতিক সূত্র ইউএনবিকে জানায়, বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর দিয়ে ভারতীয় তুলা আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং স্থলবন্দরগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পর ভারত এই সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে ভারত সরকারের ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভারতের বন্দর ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না।
ডিজিএফটির বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে কোনো স্থলবন্দর দিয়ে তৈরি পোশাক আমদানি করা যাবে না। তবে ভারতের ব্যবসায়ীরা কেবল কলকাতা ও মুম্বাইয়ের নবসেবা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: আমরা কূটনীতিতে বিশ্বাসী, পুশ-ইন করি না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, অবিলম্বে নতুন এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
পাশাপাশি ভারতের আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশন (এলসিএস)/ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট (আইসিপি) এবং পশ্চিমবঙ্গের চ্যাংড়াবান্ধা ও ফুলবাড়ী শুল্ক স্টেশন দিয়ে ফল এবং ফলের স্বাদযুক্ত পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, প্লাস্টিক পণ্য ইত্যাদি রপ্তানি করা যাবে না।
তবে মাছ, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), ভোজ্যতেল ও ভাঙা পাথর নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখেনি ভারত।
৩৫৪ দিন আগে
ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে পারলে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব: উপদেষ্টা
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বিদেশে ইলিশের চাহিদা অনেক। সেক্ষেত্রে জাটকা নিধন বন্ধ করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদন বাড়াতে পারলে দেশের বাইরে ইলিশ রপ্তানি করা সম্ভব।
‘জাটকা ধরা বন্ধ হলে, ইলিশ উঠবে জাল ভরে’-এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বরিশাল বেলস পার্কে মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ইলিশের বাড়ি ভোলা আর বিভাগ বরিশাল। কেননা দেশে উৎপাদিত মোট ইলিশের ৬৫.৮৮ শতাংশ বরিশাল বিভাগে উৎপাদিত হয়। বরিশাল বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইলিশ উৎপাদিত হয় ভোলা জেলায়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ব্যাংক নামে একটি বিশেষায়িত ব্যাংক চালু করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান উপদেষ্টা। বলেন, ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হলে জেলেরা সেখান থেকে সহজ শর্তে ঋণ নিতে পারবে। জাটকা সংরক্ষণকালীন জেলেদের যে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয় তা আগের চেয়ে বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এসময় তিনি আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের কার্যক্রম চলমান থাকবে উল্লেখ করে উপস্থিত সকলকে জাটকা নিধন বন্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: পহেলা বৈশাখে ইলিশ না খাওয়ার আহ্বান মৎস্য উপদেষ্টার
মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. তোফাজ্জেল হোসেন। অনুষ্ঠান শেষে একটি বর্ণাঢ্য নৌ- র্যালির আয়োজন করা হয়। র্যালিটি কীর্তনখোলা নদীর ডিসি ঘাট হতে শুরু হয়ে চরমোনাইতে গিয়ে শেষ হয়।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার থেকে দেশের ইলিশ সমৃদ্ধ ২০টি জেলা ঢাকা, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ি, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জ, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরগুনা, ঝালকাঠী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, বাগেরহাট ও সিরাজগঞ্জে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৫ উদ্যাপিত হচ্ছে।
৩৯৪ দিন আগে
ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
টানা ৮ দিন বন্ধ থাকার পর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রবিবার (৬ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পুনরায় বন্দরের কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়।
ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা বলেন, ‘আজ (রবিবার) থেকে বন্দরের সব কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। ঈদের ছুটি ও সাপ্তাহিক বন্ধের কারণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঘোজাডাঙা ও ভোমরা স্থলবন্দর সিঅ্যন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ২৯ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল।’
আরও পড়ুন: আটদিন পর আমদানি-রপ্তানি শুরু হিলি স্থলবন্দরে
ভোমরা স্থলবন্দরের উপপরিচালক মো. রুহুল আমিন (ট্রাফিক) বলেন, ‘ভারত থেকে পণ্যবাহী গাড়ি বন্দরে এসেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রপ্তানি পণ্য নিয়ে ট্রাকগুলো বন্দরে এসেছে।’
এদিকে ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সূত্রে জানা গেছে, ছুটির মধ্যেও দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক ছিল। যাত্রীরা ভোগান্তি ছাড়াই সীমান্ত অতিক্রম করতে পেরেছেন
৩৯৬ দিন আগে
রাইস ব্রান তেল রপ্তানিতে ২৫ শতাংশ শুল্কারোপ
দেশের অভ্যন্তরে সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব ধরনের রাইস ব্রান তেল রপ্তানিতে ২৫ শতাংশ হারে রেগুলেটরি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এতে বলা হয়, ভোজ্যতেল একটি অপরিহার্য খাদ্যপণ্য, যার সরবরাহ মূলত আমদানি নির্ভর। দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের চাহিদার সিংহভাগ পূরণ হয় অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল আমদানিপূর্বক পরিশোধন কার্যক্রম থেকে।
‘তবে দেশে এক লাখ ২০ থেকে দেড় লাখ মেট্রিক টন রাইস ব্রান তেল(পরিশোধিত/অপরিশোধিত) উৎপাদিত হলেও তার সিংহভাগ প্রতিবেশি দেশে রপ্তানি হয়ে যায়। অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত এই তেল দেশের ভোজ্যতেলের অভ্যন্তরীণ চাহিদার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ মেটাতে সক্ষম।’
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত শুল্কারোপ, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ফল অমদানি বন্ধ
এনবিআর বলছে, ‘দেশে উৎপাদিত রাইস ব্রান তেল দেশের অভ্যন্তরে সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে ভোজ্যতেলের বাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে মর্মে আশা করা যায়। এ উদ্দেশ্যে ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে সব ধরনের রাইস ব্রান তেল রপ্তানিতে ২৫ শতাংশ হারে রেগুলেটরি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন আজ জারি করা হয়েছে।’
৪৫২ দিন আগে
রপ্তানিতে আশা জেগেছে বাগেরহাটের চাষিদের, টমেটো যাচ্ছে মালয়েশিয়ায়
বাগেরহাটে শীত মৌসুমের শেষ দিকে এসে টমেটোর ক্রেতা খুব একটা পাওয়া যাচ্ছিল না। হাট-বাজারে টমেটোর যেন ছড়াছড়ি। চাহিদা কমে যাওয়ায় কোনো কোনো চাষি জমি থেকে টেমেটো তোলা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিলেন। চাহিদা মতো মূল্য না পাওয়ায় চাষিরা টমেটো চাষে আগ্রহ হারাতে বসেছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে বাগেরহাটের টমেটো চাষিদের ভাগ্যে খুলতে শুরু করেছে।
ভাগ্য বদলের সূচনাটি হয়েছে বিদেশে টমেটো রপ্তানির মাধ্যমে। বাগেরহাট থেকে বিদেশে টমেটো রপ্তানি এটিই প্রথম উদ্যোগ। এরই মধ্যে বাগেরহাটের চাষিদের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় করে ৪০ টন টমেটো মালয়েশিয়ায় রপ্তানি করা হয়েছে। দেশি বায়ারের মাধ্যমে এসব টমেটো রপ্তানি করা হয়। আগামী ৪দিনের মধ্যে আরও ২৬ টন টমেটো রপ্তানির প্রস্তুতি চলছে। রপ্তানির খবরে চাষিরা টমেটো চাষে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। রপ্তানিকারকদের সঙ্গে জেলার বিভিন্ন এলাকার টমেটো চাষিদের যোগাযোগ করার কাজ চলছে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে। টমেটোর পাশাপাশি আগামীতে বাগেরহাট থেকে নানা ধরণের সবজি বিদেশে রপ্তানি হবে— এমন আশার কথা শুনিয়েছেন তরুণ উদ্যোক্তা প্রকৌশলী ফয়সাল আহম্মেদ।
যেসব জাতের টমেটো বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে, বাহুবলী, বিউটিফুল-২,বিপুল প্লাস, পিএম-১২২০, এবং মিন্টু সুপার। এসব টমেটো উচ্চ ফলনশীল জাতের এবং সুস্বাদু।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জের পাটলাই নদীতে নৌজটের পেছনে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট
বাগেরহাট সদর, চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েকদিন ধরে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,বিভিন্ন এলাকায় জমিতে এবং মৎস্যঘেরের পাড়ে গাছে গাছে কাঁচা-পাকা টমেটো ঝুলছে। অনেক জমিতে নারী-পুরুষ মিলে গাছ থেকে পাকা টমেটো তুলছেন। আবার মূল্য কম থাকার কারণে কোনো কোনো জমির টমেটো না তোলায় গাছে শুকিয়ে ঝরে পড়ছে। হাট-বাজারে টমেটোর ছড়াছড়ি। ভ্রাম্যমাণ ভ্যানে হ্যান্ডমাকিং করে টমেটো বিক্রি করা হচ্ছে। হাটে-বাজারে খুচরা কেজি প্রতি টমেটো ৮ থেকে ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও পাইকারিতে এর অর্ধেক দামে টমেটো বিক্রি হচ্ছে। প্রতি বছরই বাগেরহাটে শীত মৌসুমের এই পর্যায়ে (ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে) চাষিদের টমেটো বিক্রি করতে বেগ পেতে হয়। একারণে চাষিরা দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাট থেকে টমেটো রপ্তানির জন্য দাবি জানিয়ে আসছিল।
বাগেরহাট কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলায় এবছর দুই হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের টমেটো চাষ করা হয়েছে। হেক্টর প্রতি ৩৫ টন টমেটো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সেই হিসেবে জেলায় এবছর ৭৭ হাজার ৩৫০ টন টমেটো উৎপাদন হওয়ার কথা। কিন্তু টমেটো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। হেক্টর প্রতি ৪০ টন পর্যন্ত টমেটো উৎপাদন হয়েছে। এখনও গাছে গাছে টমেটো ঝুলছে। একথায় বাগেরহাটে টমেটোর বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চিতলামারী উপজেলায় ৮৬০ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ করা হয়।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শ্যামপাড়া গ্রামের মাধব মন্ডল জানান, এবছর সে তিন বিঘা জমিতে টমেটো চাষ করেছেন তিনি। টমেটোর ফলন ভালো হয়েছে। টমেটোর চাহিদা না থাকায় বিক্রি করতে পারছেন না। একারণে পাকা টমেটো ঝরে পড়ছে মাটিতে। টমেটো চাষ করে এবছর তাকে লোকসান গুনতে হবে।
চিতলমারীর চড়বানিয়ারি গ্রামের আরেক চাষি শৈলেন নাথ জানান, মৌসুমের প্রথম দিকে পাইকারি বাজারে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে টমেটো বিক্রি করেছে। তার ৮ বিঘা জমিতে গাছে গাছে পাকা টমেটো ঝুলছে। এখন পাইকারি বাজারে ৩ থেকে চার টাকা কেজি দরে টমেটো বিক্রি করতে হচ্ছে। যে দামে টমেটো বিক্রি হচ্ছে তাতে করে টমেটো তুলতে শ্রমিকের মজুরির টাকা উঠছে না। একারণে টমেটো চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে। মৌসুমের শেষ দিকে এসে তার মতো এলাকার সব চাষিদের টমেটো নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। বিক্রি করতে না পারায় হাজার হাজার বিঘা জমিতে টমেটো নষ্ট হচ্ছে। টমেটো বিদেশে রপ্তানি করার দাবি জানান তিনি।
আরও পড়ুন: বরগুনায় ১৪৭ চিকিৎসকের বিপরীতে কর্মরত ১৪, যোগদান করেননি ৯ জন
৪৫৭ দিন আগে
জুলাই-জানুয়ারিতে ২৩৫৫ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি
২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১২ শতাংশ। এই সময়ে মোট রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৫৫ কোটি মার্কিন ডলার। এটি দেশের রপ্তানি খাতে একটি ইতিবাচক প্রবণতাকে তুলে ধরে।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিসংখ্যানের তুলনায় ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ১ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
সোমবার বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, গত চার মাসে (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর) টানা দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি অর্জনের পর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশে। যেখানে এক মাসে রপ্তানি মূল্য ছিল ৩৬৬ কোটি ডলার।
নিটওয়্যার খাতে ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক রপ্তানিতে ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
আরও পড়ুন: জানুয়ারিতে বাংলাদেশের ৪৪৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি
প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যানগুলো উত্সাহজনক হলেও সেগুলো শিল্পের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো বিশেষত দাম এবং ব্যয়ের চাপকে পুরোপুরি প্রতিফলিত করে না।
রুবেল বলেন, এই প্রবণতাকে প্রভাবিত করে এমন নির্দিষ্ট কারণগুলো যেমন বাজার-নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ড, পণ্য এবং বাজারের ঘনত্ব এবং অন্যান্য পরিবর্তনগুলো শনাক্ত করার জন্য আরও বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
গত বছর বৈশ্বিক বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে সঙ্কুচিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার ফলে তীব্র মূল্য প্রতিযোগিতাও দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য কিছু সুযোগ রয়েছে।
রুবেল বলেন, তবে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আর্থিক/ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতাসহ ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে সহায়তার জন্য বেশ কয়েকটি অগ্রাধিকার মোকাবিলা করা দরকার।
৪৫৮ দিন আগে
জানুয়ারিতে বাংলাদেশের ৪৪৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ৪৪৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।
এছাড়া চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এটিও আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল আড়াই হাজার কোটি ডলার।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। সর্বশেষ তথ্য-উপাত্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের স্থিতিস্থাপকতা ও প্রতিযোগিতার সক্ষমতা প্রদর্শন করে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তুলে ধরেছে।
অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে অধিকাংশ খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি বেড়েছে ১২ শতাংশ, নিটওয়্যার ১২ শতাংশ এবং বুনন পোশাক খাতে ১১ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এ সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৩৫০ কোটি ডলারের।
আরও পড়ুন: বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে রপ্তানির ভিত্তি শক্তিশালী করুন: ড. ইউনূস
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি পণ্য, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত মাছ এবং প্লাস্টিক পণ্যসহ অন্যান্য প্রধান রপ্তানি খাতেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১২ দশমিক ৪৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়।
রপ্তানি সম্পর্কে একটি আনুষ্ঠানিক মন্তব্যে ইপিবি বলেছে, এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যটি বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে।
৪৫৮ দিন আগে
আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও হিলি স্থলবন্দরে যাত্রী পারাপার চলছে
ভারতে ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
রবিবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে বন্ধ রয়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। তবে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে পুনরায় শুরু হবে আমদানি-রপ্তানি।
এদিকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।
বন্দরের হিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান জানান, আজ (রবিবার) ভারতে ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপিত হচ্ছে। সেখানে সরকারি ছুটি থাকায় ভারতের ব্যবসায়ীরা হিলি স্থলবন্দরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেন। বিষয়টি আমাদের পত্রের মাধ্যমে জানান।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, বন্দরে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ব্যবহার করে বৈধ পাসপোর্ট-ভিসা নিয়ে যাত্রীরা দুই দেশের মধ্যে চলাচল করেন। ফলে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারত-পাকিস্তান থেকে ১ লাখ টন চাল আমদানি করবে বাংলাদেশ
বন্দরের হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম জানান, বন্দরের বেসরকারি অপারেটর পানামা হিলি পোর্টের ওয়্যারহাউজে থাকা ভারতীয় আমদানি করা পণ্যবাহী ট্রাক থেকে খালাস কার্যক্রমসহ আমাদের অফিশিয়াল কাজকর্ম স্বাভাবিক নিয়মে চলছে।
এ কারণে ব্যবসায়ীরা শুল্ককর পরিশোধ করে তাদের পণ্য ছাড় করে গন্তব্যে নিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান মো. শফিউল আলম।
৪৬৬ দিন আগে