গুলিবিদ্ধ
কু্ষ্টিয়ায় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি, গুলিবিদ্ধ ৩
কুষ্টিয়ায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য চঞ্চলসহ (২৯) তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় ভেড়ামারা উপজেলার দক্ষিণ রেলগেট-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য চঞ্চল, কাচারীপাড়া এলাকার যুবদল সদস্য ফরিদ হোসেনের ছেলে জীবন হোসেন এবং একই এলাকার গোলাম কিবরিয়ার ছেলে ও ছাত্রদলের সদস্য কাইছার আহমেদ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে চঞ্চলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করার পরামর্শ দেন।
চঞ্চল জানান, গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় ইফতার শেষে বাড়ি থেকে মসজিদে যাওয়ার পথে পূর্ব শত্রুতার জেরে জাসদ নেতা ছাদু, ওসামা, মাটি ও নিতুলসহ কয়েকজন তার পথরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. হোসেন ইমাম জানান, গতকাল রাত ১০টার দিকে চঞ্চল নামে এক যুবক সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। তার মাথার পেছনে গুলি চামড়া ছুঁয়ে বেরিয়ে গেছে। তবে তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, দক্ষিণ রেলগেট এলাকায় মোটরসাইকেলকে পাশ দেওয়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গুলিবর্ষণের বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৯ দিন আগে
রাজধানীতে মাদক কারবারীদের গুলিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক গুলিবিদ্ধ
রাজধানীর সায়েদাবাদের বাস টার্মিনালে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে মাদক কারবারিদের গুলিতে মো. সিদ্দিকুর রহমান (৩৮) নামে একজন ইন্সপেক্টর (পরিদর্শক) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সায়দাবাদ এলাকায় অভিযানের সময় ডিএনসির এই ইন্সপেক্টরকে গুলি করে পালিয়ে যান মাদক কারবারীরা।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দুপুর ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তার চিকিৎসা চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ সার্কেলের উপপরিচালক রাজিউর রহমান জানান, ১ মার্চ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত আমাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযান চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আমাদের ৭টি টিম বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছিল। আমাদের একটি টিম সায়দাবাদ রেললাইন এলাকায় অভিযানের জন্য অপেক্ষা করছিল। এ সময় ৩ জন মাদক কারবারীকে শনাক্ত করে আমাদের টিম। পরে তাদের মধ্য থেকে একজনকে আটক করার চেষ্টা করলে তিনি পকেট থেকে পিস্তল বের করে ৪ রাউন্ড গুলি করেন। এতে আমাদের পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমানের বাম পায়ের হাঁটুর নিচে পিস্তলের একটি গুলি লাগে। গুলি করে ওই মাদক কারবারীরা পালিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে বলে জানান তিনি।
১৯ দিন আগে
অবৈধ বালু উত্তোলনে বাধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ গ্রামবাসী গুলিবিদ্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে বাধা দিতে গিয়ে বালু ব্যবসায়ীদের ছোড়া ছররা গুলিতে চারজন গ্রামবাসী আহত হয়েছেন।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— ওই গ্রামের আলিম মিয়া, নূরু মিয়া, সফর মিয়া ও নুরুল মিয়া।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নবীনগরের মেঘনা নদীতে সামিউল ট্রেডার্স ইজারা নিয়ে বালু উত্তোলন করছে। কিন্তু বালু উত্তোলনকারীরা অবৈধভাবে নির্দিষ্ট সীমা ছেড়ে চরলাপাং গ্রামে এসে বালু উত্তোলন করে থাকে। এতে ওই গ্রামের কৃষি জমিসহ আশপাশের এলাকা ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে।
আজ (রবিবার) সকালে চরলাপাং গ্রামে বালু উত্তোলন করার সময় স্থানীয়রা বাধা দেন। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় পার্শ্ববর্তী রায়পুরা উপজেলার মির্জাচর এলাকা থেকে স্পিডবোট ও নৌকায় করে আসা একদল ‘বালু সন্ত্রাসী’ এলোপাতাড়ি ছররা গুলি ছোড়ে। এতে চারজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়া গ্রামবাসীর ওপর গুলির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
২৭ দিন আগে
নবীনগরে পূর্বশত্রুতার জেরে যুবক গুলিবিদ্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে ইমন (২২) নামে এক যুবককে গুলি করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নবীনগর উপজেলার বরিকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামের বাদ্যকর পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ ইমন একই এলাকার জসিম মিয়ার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়, বরিকান্দি ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার সন্ধ্যায় ইমন ব্যক্তিগত কাজে বাড়ির পাশের সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা হঠাৎ তাকে ঘিরে ফেলেন এবং খুব কাছ থেকে লক্ষ্য করে তার শরীরে পরপর ৩ রাউন্ড গুলি করে। এতে ইমন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলির বিকট শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
এ সময় বাজার ও আশপাশের এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দোকানপাট দ্রুত বন্ধ হয়ে যায় এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যান। হামলার পর অভিযুক্তরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় ইমনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা জানান, তার শরীরে তিনটি গুলি করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
তার পরিবার জানায়, উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
৩২ দিন আগে
নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ হয়ে স্কুলছাত্র নিহত
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় গোষ্ঠীগত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মুস্তাকিম মিয়া (১৪) নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুস্তাকিম ওই এলাকার সৌদি প্রবাসী মাসুদ রানার ছেলে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সায়দাবাদ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব চলছিল। এসব বিরোধকে কেন্দ্র করে এর আগেও একাধিকবার সংঘর্ষ হয়। এর জেরে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ৮ জন গুলিবিদ্ধ হন এবং এলাকায় বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকার এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন হানিফ মাস্টার এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে আছেন এরশাদ মিয়া। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় আজ (বুধবার) সকালে এরশাদ মিয়ার পক্ষের লোকজন দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হানিফ মাস্টারের অনুসারীদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে এরশাদ গ্রুপের সাবেক ইউপি সদস্য ফিরোজ মিয়ার ভাতিজা মাসুম ওরফে চায়না গুলি ছোড়েন। এতে বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থী মুস্তাকিম গুলিবিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে দাবি পরিবারের।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সায়দাবাদ এলাকার রফিকুল ইসলাম (৩৭), সোহান (২৬) ও রোজিনা বেগম (৩৫) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
নিহতের মা শাহানা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে ছিল। তখন হঠাৎ গুলি এসে লাগে। আমরা কোনো দলের সঙ্গে জড়িত নেই। যারা আমার বুক খালি করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিমল চন্দ্র ধর বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুস্তাকিম নামে এক কিশোরকে হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষা করে দেখা যায় তার শরীরের বাম পাশে গুলির চিহ্ন রয়েছে এবং গুলিটি শরীর ভেদ করে বের হয়ে গেছে। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
৪৫ দিন আগে
মিয়ানমার থেকে ফের গুলি, টেকনাফ সীমান্তে দুই কিশোর গুলিবিদ্ধ
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদের সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার থেকে সীমান্তের দিক থেকে ছোড়া গুলিতে সোহেল (১৫) ও ওবায়দুল্লাহ (১৪) নামে দুই কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের জীম্বংখালী-সংলগ্ন নাফ নদ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলো— হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কানজরপাড়া এলাকার বাসিন্দা শেখ কামালের ছেলে সোহেল এবং একই এলাকার মোহাম্মদ ইউনুছের ছেলে ওবায়দুল্লাহ।
স্থানীয়রা জানান, আজ (মঙ্গলবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হোয়াইক্যং জীম্বংখালী বিওপির পূর্ব পাশে নাফ নদ-সংলগ্ন কেওড়া বাগানে লাকড়ি সংগ্রহ করতে যায় সোহেল ও ওবায়দুল্লাহ। এ সময় হঠাৎ মিয়ানমার সীমান্তের দিক থেকে ছোড়া গুলিতে তারা দুজন গুলিবিদ্ধ হয়।
গুলিবিদ্ধ ওবায়দুল্লাহর মামা মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনি আরও জানান, সোহেলের বাঁ পা ও হাতে গুলি লেগেছে এবং ওবায়দুল্লাহর মাথায় গুলি লেগেছে। বর্তমানে দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম জানান, হোয়াইক্যং সীমান্তে নাফ নদের প্রায় ৫০০ গজ ওপারে মিয়ানমারের ভেতর থেকে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর দুই কিশোর গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে একজনের মাথায় এবং অন্যজনের পায়ে গুলি লেগেছে।
তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং সীমান্ত পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।
এর আগে, গত ১১ জানুয়ারি হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে হুজাইফা আফনান নামে এক বাংলাদেশি শিশু গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। তার পরের দিন একই এলাকায় সীমান্তে স্থল মাইন বিষ্ফোরণে আবু হানিফ নামে এক জেলের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন থেকে সীমান্তে বসবাসকারীরা আতঙ্কের দিন পার করে আসছিল। এখন আবারও সীমান্তের ওপার থেকে আসা গুলিতে বাংলাদেশি কিশোর গুলিবিদ্ধ হলো।
৫৩ দিন আগে
টাঙ্গাইলে প্রশিক্ষণ চলাকালে শিক্ষানবিশ পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ
টাঙ্গাইল জেলার মহেড়া পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (পিটিসি) প্রশিক্ষণ চলাকালীন ফায়ারিং বাটে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন মাসুম (১৯) নামে এক ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি)।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে প্রশিক্ষণ চলাকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান-র্যাবের হেলিকপ্টারে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (এআইজি) মারুফ আব্দুল্লাহ এবং উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক।
তারা জানান, মহেড়া পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ফায়ারিং বাটে পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎ একটি চায়না রাইফেলের গুলি মাসুমের পিঠের বাঁ কাঁধে বিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরপরই তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য র্যাবের হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ঢামেকের চিকিৎসকরা।
৬১ দিন আগে
খুলনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক খুন
খুলনার রূপসায় আব্দুল রাশেদ পিকুল (২৬) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার বাগমারা এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পিকুল রূপসা উপজেলার বাগমারা এলাকার বাসিন্দা আব্দুল আওয়ালের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল (শনিবার) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার কদমতলা বালুর মাঠে পিকুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন।
রূপসা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সবুর বলেন, গতকাল রাতে পিকুলকে কয়েকজন ব্যক্তি গুলি করেন। এর মধ্যে দুইটি গুলি বুকে এবং একটি গুলি তার মাথায় বিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলির শব্দে স্থানীয়রা বের হয়ে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয়রা খুমেক হাসপাতালে নিয়ে যান।
হত্যার কারণ উদঘাটন এবং হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
৬৯ দিন আগে
খুলনায় এনসিপির শ্রমিক সংগঠনের বিভাগীয় প্রধানকে গুলি
খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় নেতা আহত হয়েছেন।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মোতালেব শিকদার (৪২) নামের ওই ব্যক্তির মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা।
মোতালেব শিকদার জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও খুলনা বিভাগীয় প্রধান। খুলনা মহানগরীর শেখ পাড়া এলাকার মুসলিম শিকদারের ছেলে তিনি।
আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) অনিমেষ মণ্ডল বলেন, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর উপস্থিত জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুমেক হাসপাতাল নিয়ে যায়। পরে তার মাথার সিটি স্ক্যান করার জন্য সেখান থেকে শেখপাড়া সিটি ইমেজিং সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে থানার কোন এলাকায় তার ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। গুলিবিদ্ধ মোতালেবের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৮৯ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের ফায়ারিং অনুশীলনে পথচারী গুলিবিদ্ধ
চুয়াডাঙ্গায় জেলা পুলিশের বার্ষিক ফায়ারিং অনুশীলনের সময় বাবু (৩১) নামের এক পথচারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে সদর উপজেলার হায়দারপুরে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
আহত বাবু পেশায় একজন পারটেক্স মিস্ত্রি এবং চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সাতগাড়ির আব্দুল হামিদের ছেলে।
জেলা পুলিশ জানায়, বার্ষিক মার্কসম্যানশিপ (ফায়ারিং) অনুশীলন ৯ ডিসেম্বর শুরু হয়ে ১১ ডিসেম্বর পর্ন্ত প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা–৬ বিজিবির ডিঙ্গেদাহ ক্যাম্পের ফায়ারিং বাটে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রেঞ্জের তিন কিলোমিটার এলাকায় বসবাসকারীদের অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের জন্য আগেই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল।
তবে বাবুর ভাই রাশেদের অভিযোগ, আজ কোনো ধরনের মাইকিং বা সতর্কতা ছাড়াই ফায়ারিং চলছিল। পাঁচ বছর আগে এখানে এক নারী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। আজ আমার ভাই মোটরসাইকেলে ব্যক্তিগত কাজে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হলো।
চুয়াডাঙ্গা–৬ বিজিবির নায়েক সুবেদার কামরুল ইসলাম বলেন, জেলা পুলিশের জন্য ৬ বিজিবির ফায়ারিং বাট তিন দিন বরাদ্দ ছিল। আজ সকাল থেকে ফায়ার চলছে। এ সময় একজন বেসামরিক ব্যক্তির বুকে গুলি লাগে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি) ডা. এহসানুল হক তন্ময় বলেন, এক্স–রে করে দেখা গেছে, বাবুর বুকের বাঁ পাশে গুলি রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে রামেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ৬ বিজিবির ফায়ারিং রেঞ্জে জেলা পুলিশের বার্ষিক ফায়ারিং চলছিল। শুনেছি একজন মোটরসাইকেল আরোহী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। হাসপাতালে গিয়ে জেনেছি তিনি আশঙ্কামুক্ত।
১০০ দিন আগে