অগ্নিকাণ্ড
ঈদের আগমূহুর্তে চট্টগ্রামে মার্কেটে আগুন: নিহত ২
চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানার টেরিবাজার এলাকায় একটি বহুতল মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে দুজন নিহত হয়েছেন। ঈদের আগমুহূর্তে সৃষ্ট ঘটা এ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতটি দোকান পুড়ে গেছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টেরিবাজারের কেবি অর্কিড প্লাজা নামে ১০ থেকে ১২ তলাবিশিষ্ট ভবনের চতুর্থ তলায় একটি টেইলার্সের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
নিহত দুজন হলেন— পটিয়া উপজেলার বধুপুর এলাকার মোহাম্মদ ইউনুস (৫২) এবং বোয়ালখালী এলাকার সোলাইমান। তারা দুজনই চতুর্থ তলার একটি টেইলার্সের কর্মচারী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি স্টেশনের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল ১০টা ৫৩ মিনিট থেকে বেলা ১১টার মধ্যে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
আগুনে আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সদর হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল মন্নান জানান, মার্কেট-কাম-রেসিডেন্স ধরনের ভবনটির চতুর্থ তলায় আগুন লাগলেও দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে এনে ওই ফ্লোরেই সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হয়েছে। তবে আগুনের তীব্রতা ও ধোঁয়ার কারণে ওপরের কয়েকটি তলাও আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আগুনে চতুর্থ তলার দর্জি এবং কাপড়ের দোকানসহ অন্তত সাতটি দোকান পুড়ে গেছে। আরও চারটি দোকানের ক্ষতি হয়েছে। ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়া অন্তত তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেহরির পর থেকে এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যুৎ ফিরে আসার পরপরই আগুন লাগে।
টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যে দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত, সেখানে কর্মচারীদের বেতন-বোনাস দেওয়ার জন্য আনুমানিক ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা নগদ রাখা ছিল।
কেবি অর্কিড প্লাজার নিচের পাঁচ তলায় শপিং মল এবং ওপরের তলাগুলোতে আবাসিক ফ্ল্যাট রয়েছে। ভবনটিতে জুয়েলারি দোকান, ব্যাংকের শাখা, দর্জির দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। আগুন লাগার সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
৩ দিন আগে
সিলেটে সুপার শপে অগ্নিকাণ্ড
সিলেট নগরীর মজুমদারি এলাকায় একটি সুপার শপে অগ্নিকান্ড ঘটেছে।
রবিবার (৮ মার্চ) রাত ৯টার দিকে মজুমদারি এলাকার মেহজাবিন সুপার শপে আগুন লাগে। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
মেহজাবিন সুপার শপটির স্বত্বাধিকারী মো. ফরিদ উদ্দিন তাপাদার জানান, তার দোকানের সকল মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সিলেট ফায়ার সার্ভিসের তালতলা কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে, সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার কুতুব উদ্দিনের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।
এ বিষয়ে কুতুব উদ্দিন জানান, অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিয়ে জানানো হবে।
১৩ দিন আগে
সিলেটে আগুনে পুড়ল বসতঘর
সিলেট নগরীর ভাতালিয়া এলাকায় একটি টিনশেড ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় ঘরের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী পুড়ে গেছে।
শনিবার (৭ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ভাতালিয়া এলাকার ৮ নম্বর বাসায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
নগরীর তালতলা ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের টিম লিডার আজহারুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি আরও বলেন, আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে। তবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করেছেন। এ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
১৫ দিন আগে
মতলবে স্ট্যান্ডে থাকা তিন বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার মুন্সীরহাট বাস স্ট্যান্ডে জৈনপুর এক্সপ্রেস নামক দাঁড়িয়ে থাকা ৩টি বাসে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এ যাত্রীবাহী বাসগুলো নিয়মিত চাঁদপুর-ঢাকা রুটে চলাচল করে।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণের ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে একটি বাস সম্পূর্ণ এবং অপর ২টি বাস আংশিক পুড়ে গেছে । এছাড়া মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশও অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। স্থানীয়রা জানান, উপজেলার প্রাচীন ও ব্যস্ত মুন্সীরহাট দক্ষিণ বাজারে বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা জৈনপুর এক্সপ্রেস বাসে আগুন দেখতে পান পথচারীরা। সঙ্গে সঙ্গে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।এরইমধ্যে স্থানীয় লোকজন মতলব দক্ষিণ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আধা ঘণ্টা চেষ্টা করে রাত ৯টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। মতলব দক্ষিণ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. ইউসুফ আলী ইউএনবিকে বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুনে জৈনপুর এক্সপ্রেসের একটি বাস পুড়ে গেছে এবং আরও দুটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে পারেননি এই কর্মকর্তা।বাস মালিক কামাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘আমি ঢাকায় আছি, না এসে কিছু বলা যাচ্ছে না।’ তবে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থার নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
২২ দিন আগে
গাজীপুরে পৃথক অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল দোকান ও গোডাউন
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান পুড়ে গেছে। অপর অগ্নিকাণ্ডে জেলার টঙ্গীতে একটি পরিত্যক্ত মালামালের গোডাউন পুড়ে গেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টঙ্গীর মিলগেট এলাকায় একটি পরিত্যক্ত মালামালের গোডাউনে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আধা ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এর আগে, আজ ভোর ৫টার দিকে কালিয়াকৈরের গাছবাড়ি বাজারে আগুন লাগে। এতে পুড়ে গেছে ৯টি দোকানের মালামাল।
ফায়ার সার্ভিস খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ ইফতেখার হুসেইন রায়হান জানান, অগ্নিকাণ্ডে দোকানের মালামাল পুড়ে গেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডগুলোর কারণ এখনও জানা যায়নি।
২৩ দিন আগে
রাতে শপিং মলে আগুন, খুলনায় পুড়েছে পাঁচ দোকান
খুলনা নিউমার্কেট-সংলগ্ন বায়তুন নুর শপিং কমপ্লেক্সে আগুন লেগেছে। আগুনে ওই মার্কেটের ৫টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দুই ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যসহ স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন।
ফায়ার সার্ভিসের খুলনা বিভাগের উপপরিচালক আব্দুল মালেক বলেন, বায়তুন নুর শপিং সেন্টারে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। বয়রা থেকে ৪টি এবং টুটপাড়া থেকে ২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে। এ ঘটনায় ওই মার্কেটের ৫টি দোকানে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২টি দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
মার্কেটের সামনে বৈদ্যুতিক ও ইন্টারনেটের তার পুড়ে গেছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে তিনি প্রাথমিকভাবে নিজের ধারণার কথা বলেছেন। তবে ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করে বলতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
২৬ দিন আগে
নড়াইলে বিএনপি সভাপতির বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
নড়াইল সদর উপজেলার হবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ূন মোল্যার বাড়িতে পেট্রোল বোমা মেরে প্রতিপক্ষের লোকজন অগ্নিসংযোগ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হুমায়ুন মোল্যা হবখালী ইউনিয়নের বিলডুমুরতলা এলাকার বাসিন্দা।
বিএনপি নেতা হুমায়ূন মোল্যার পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার রাত ১টার দিকে বিকট শব্দ পেয়ে তাদের ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় তারা ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখতে পান। আগুনে ধান, রবিশস্যসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে ঘরে কোনো লোক ছিলেন না।
তারা আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনে তারা নড়াইল-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলামের পক্ষে কাজ করায় বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকরা তাদের ঘরে পেট্রোল বোমা মেরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ধানের শীষের সমর্থক হবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম টিংকু বলেন, বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা ষড়যন্ত্র করে আগুন দিয়ে আমাদের লোকজনের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া বলেন, আগুনের বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৩৩ দিন আগে
গাজীপুরে ভয়াবহ আগুনে ৩৬ বসতঘর ভস্মীভূত
গাজীপুরের শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে একটি কলোনির ৩৬টি বসতঘর পুড়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর মুহূর্তেই তা আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনে নগদ টাকা, টেলিভিশন, ফ্রিজ, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভাড়াটিয়াদের সব মালামাল পুড়ে যায়। খবর পেয়ে মাওনা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের বেশিরভাগই নিম্ন আয়ের পোশাক শ্রমিক। ঘটনার সময় তারা কর্মস্থলে থাকায় ঘর থেকে কোনো কিছুই বের করতে পারেননি।
ভুক্তভোগীদের দাবি, এ ঘটনায় প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. নুরুল করিম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।
৪৫ দিন আগে
গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ড
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ভোরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার সংরক্ষণাগারে এ আগুন লাগে।
তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত জানা না গেলেও সংরক্ষণাগারে থাকা পর্যাপ্ত ওষুধ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আসবাবপত্রসহ কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন।
আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এর মধ্যে রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘ভোর ৫টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি। স্টোর রুমে গলাচিপা-রাঙ্গাবালী উপজেলার ওষুধ, সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি, জরুরি রেজিস্ট্রারসহ অন্যান্য মালামাল রয়েছে। এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করা হয়নি।’
ফায়ার সার্ভিসের গলাচিপা স্টেশনের উপকর্মকর্তা কামাল হোসেনে জানান, আগুন লাগার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুটি পাম্পসহ উপজেলা সদর হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়েছে তাদের দুটি ইউনিট। পরে দশমিনা থেকে আরও একটি ইউনিট উপস্থিত হয়। আগুন লাগার সূত্র তদন্তের পর বলা যাবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
৫৯ দিন আগে
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, পুড়ে গেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিসহ শত শত ঘর
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ভোরে সংঘটিত এই আগুনে শত শত ঘর (শেল্টার) ছাড়াও বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা পুড়ে গেছে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোর ৪টার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকায় অবস্থিত ১৬ নম্বর ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ আনিছ রাত পৌনে ৩টার দিকে গ্যাসের চুলায় পানি গরম করতে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এতে চুলা থেকে আগুন ধরে দ্রুত পাশের ঘনবসতিপূর্ণ শেল্টারগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তাদের সঙ্গে রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকরাও অংশ নেন। দীর্ঘ পৌনে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
১৬ নম্বর ক্যাম্পের ডি-ব্লকের হেড মাঝি মোহাম্মদ রিয়াজ জানান, আগুনে ৪৪৮টি ঘর, ২টি মসজিদ, ১০টি স্কুল ও ১টি মাদ্রাসা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানান, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় আগুন অন্য ব্লকে ছড়াতে পারেনি।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমা বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। পাশাপাশি জরুরি মানবিক সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অগ্নিকাণ্ড আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। এর আগে, গত ২৬ ডিসেম্বর ৪ নম্বর ক্যাম্পে একটি হাসপাতাল এবং ২৫ ডিসেম্বর কুতুপালং ক্যাম্পে আগুনে বেশ কিছু ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৬১ দিন আগে