তরুণী
রংপুরে বিয়ের নাটক সাজিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার
রংপুরের কাউনিয়ায় ভুয়া বিয়ের নাটক সাজিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত পলাতক আসামি আজমাইন আব্দুল্লাহ উৎসকে (২৬) প্রায় দুই মাস পর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে তাকে ধর্ষণ আইনের ধারার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রংপুর আদালতে পাঠায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) হারাগাছ থানা পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হারাগাছ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার আজমাইন আব্দুল্লাহ উৎস কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌর এলাকার সারাই জাগরণ পাগড়া গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বরাত দিয়ে এসআই রুহুল আমীন জানান, অভিযুক্ত আজমাইন বিবাহিত। বিয়ের বিষয়টি গোপন করে তিনি ১৮ বছরের এক কলেজছাত্রীকে হারাগাছ থেকে রংপুরে কলেজে যাওয়া-আসার পথে প্রেমের প্রস্তাব দেন। মেয়েটি শুরুতে প্রথমে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তবে, পরবর্তী সময়ে আজমাইন ফেসবুক মেসেঞ্জার ও হোয়াটসআপে কথাকপনের মাধ্যমে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
গত বছরের ২ ডিসেম্বর আজমাইন মেয়েটিকে বিয়ের কথা বলে রংপুরে আদালতের পাশে লেকের পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে তিনি স্ট্যাম্পে সই নিয়ে মেয়েটিকে জানান যে তাদের দুইজনের বিয়ে হয়েছে। পরে ওইদিন হারাগাছ ধুমগড়া এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়িতে মেয়েটিকে নিয়ে স্ত্রী পরিচয়ে সারা রাত অবস্থান করেন আজমাইন। এরপর বিভিন্ন স্থানে মেয়েটিকে নিয়ে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে মেয়েটির বিয়ের কাবিননামার কাগজ দেখতে চাইলে বিভিন্ন টালবাহানা করতে থাকেন আসামি। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে গত ২৪ এপ্রিল ভুক্তভোগী সাক্ষীদের নিয়ে আজমাইনের বাড়িতে যান। সেখানে ভুক্তভোগীকে জানান যে তিনি বিবাহিত, মেয়েটিকে বিয়ে করতে পারবেন না। প্রতারণা করে মিথ্যা বিয়ের নাটক সাজিয়ে তার সঙ্গে যৌনমিলন করেছেন বলে মেয়েটিকে জানানো হয়। তখন ভুক্তভোগী তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদ করেন। এ সময় আজমাইন তাকে টাকার বিনিময়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন এবং এ বিষয়ে তাকে বিরক্ত করলে গোপনে ধারণ করা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান বলেন, এ ব্যাপারে গত ৬ মে মেয়েটি বাদী হয়ে রংপুর আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে ১২ মে আজমাইন আব্দুল্লাহ উৎসের বিরুদ্ধে হারাগাছ থানায় ধর্ষণ মামলা হয়। মামলা হওয়ার পর আজমাইনকে গ্রেপ্তারে মাঠে নামে পুলিশ, কিন্তু তিনি গা ঢাকা দেন। প্রায় দুই মাস চেষ্টা চালিয়ে অবশেষে সোমবার র্যাব-১-এর সহায়তায় ঢাকার বিমানবন্দর থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে হারাগাছ থানায় নিয়ে এসে আজ (বুধবার) দুপুরে তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রংপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
৬ দিন আগে
প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে অপহরণ, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে এক তরুণীকে অপহরণ মামলার প্রধান আসামি জয় দাসকে (২৩) নেত্রকোনা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯ ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি)। এ সময় যৌথ অভিযান চালিয়ে অপহৃত তরুণীকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) র্যাব-৯ এর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার জয় দাস নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী থানার শিবপুর গ্রামের হরিধন দাসের ছেলে।
বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, ভুক্তভোগী তরুণীকে সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানাধীন করেরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় করেরপাড়া সিটি মডেল স্কুল থেকে সদ্য এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে জয় প্রায়ই তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি ভুক্তভোগী তরুণী তার পরিবারকে জানালে, তার বাবা অভিযুক্তের বোন জামাই রিংকু দাসের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করেন। তখন রিংকু দাস ওই তরুণীকে আর বিরক্ত করা হবে না বলে আশ্বাস দেন।
গত ১৬ জুলাই দুপুর ৩টার দিকে ভুক্তভোগী হাওলাদারপাড়ায় তার খালার বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি সেখানে না পৌঁছালে তার পরিবার খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে তারা প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানতে পারেন, করেরপাড়া পয়েন্ট এলাকা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় জয় ও অজ্ঞাতনামা ২ থেকে ৩ জন মিলে জোরপূর্বক ওই তরুণীকে অপহরণ করে নিয়ে গেছেন।
র্যাব জানায়, এই ঘটনায় তরুণীর বাবা বাদী হয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) জালালাবাদ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলার পর আসামিদের গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব-৯।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার র্যাব-৯ (সদর কোম্পানি) ও এসএমপি পুলিশের একটি যৌথ দল নেত্রকোনার খালিয়াজুরী থানার মুরাদপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি জয়কে গ্রেপ্তার করা হয় এবং অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উদ্ধার হওয়া তরুণী ও গ্রেপ্তার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
১৩ দিন আগে
কক্সবাজারে লাবণী পয়েন্ট থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্ট এলাকা থেকে এক অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে সমুদ্র সৈকত-সংলগ্ন ড্রিংকস কর্নারের সামনে একটি দোকানের মেঝে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পর্যটন করপোরেশনের ড্রিংকস কর্নার-সংলগ্ন একটি লাইব্রেরি ও ফার্স্টফুড দোকানের মেঝেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ছমি উদ্দিন জানান, নিহত নারীর পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তার বয়স নির্ধারণের চেষ্টা চলছে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৯০ দিন আগে
বাবার কাছ থেকে তরুণীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, পরে হত্যার অভিযোগ
নরসিংদীর মাধবদীতে আমেনা আক্তার (১৫) নামে এক তরুণীকে তার বাবার কাছ থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদী থানার মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষাখেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, নিহতের পিতা আশরাফ হোসেন বরিশালের বাসিন্দা। কাজের সুবাদে স্ত্রী-কন্যাসহ মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরার নেতৃত্বে ৫-৬ জনের একটি দল এলাকা থেকে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসাও করা হয়।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে আশরাফ হোসেন তার কাজ শেষে মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছলে নূরার নেতৃত্বে আবারও ৫ জন মিলে তার বাবার কাছ থেকে আমেনাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান। পরে মেয়েটির পরিরেরর লোকজন বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুজির পরও না পেয়ে বাড়ি ফিরে যান। সকালে একই এলাকার একটি সরিষাখেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় আমেনা আক্তারের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে নিহত মেয়ের বাবা মো. আশরাফ জানান, নূরার নেতৃত্বে ৫-৬ জন লোক আমার সামনে থেকে আমার মেয়েকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে রাতে আর পাইনি। সকালে আমরা জানতে পারি আমেনার মরদেহ ঘটনাস্থলে পড়ে আছে। আমার সন্তানকে যারা হত্যা করেছে আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, মেয়েটির সঙ্গে নূরার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এটি মেয়েটির পরিবার মেনে নেয়নি। গতকাল (বুধবার) তাকে বাবার কাছ থেকে নূরা তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল বলে জেনেছি। পরে সকালে মেয়েটির মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অপরাধীদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ। ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক করা হয়েছে। ধর্ষণের বিষয়টি তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।
১৫৯ দিন আগে
রাজশাহীতে ফেসবুক লাইভে এসে তরুণীর আত্মহত্যা
রাজশাহীতে ফেসবুক লাইভে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক তরুণী। প্রাথমিকভাবে প্রেমঘটিত মনোমালিন্যকে এ ঘটনার কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর রাজপাড়া থানার কাদের মণ্ডলের মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তরুণীর নাম রোজিনা সরকার পাখি (২১)। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে তার পালিত মা রোজী খাতুনের (৪০) সঙ্গে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়। তার বাবার নাম ইদ্রিস আলী।
এ বিষয়ে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এক যুবকের সঙ্গে প্রেমঘটিত মনোমালিন্যের জেরে তিনি এ পথ বেছে নেন। আত্মহত্যার আগে তিনি ফেসবুকে লাইভে ছিলেন এবং নিজের আইডি থেকে আত্মহত্যার ইঙ্গিত দিয়ে একাধিক পোস্ট দেন।
বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুর প্রায় ৫ ঘণ্টা আগে রোজিনা তার ফেসবুক আইডিতে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আজকে আমার শেষ দিন। আল্লাহ মাফ করুক। জানি না জান্নাতে যাব নাকি জাহান্নামে যাব। পৃথিবীতে আমার জন্য কোনো সুখ নেই। আল্লাহ হাফেজ, প্রিয় বন্ধুরা।’
মৃত্যুর ২ ঘণ্টা আগে তিনি আরেকটি পোস্টে লেখেন, ‘বিদায় এই সুন্দর পৃথিবী।’ এছাড়া মৃত্যুর আগে কথিত প্রেমিককে উদ্দেশ করে ‘আই লাভ ইউ’ ও ‘আই মিস ইউ’ লিখেও পোস্ট দেন।
পরে তিনি ফেসবুক লাইভে এসে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে।
১৫৯ দিন আগে
নেত্রকোণায় ধর্ষণচেষ্টায় প্রেমিকের বন্ধুকে ব্লেড দিয়ে আঘাত তরুণীর
নেত্রকোণার পূর্বধলায় ধর্ষণচেষ্টার সময় প্রেমিকের বন্ধুর পুরুষাঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দিয়েছেন এক তরুণী। সোমবার (৭ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার রাজধলা বিলের পশ্চিম পাশে এ ঘটনা ঘটে।
ধর্ষণচেষ্টাকারী আহত যুবকের নাম পারভেজ (২৫)। তিনি উপজেলা সদর ইউনিয়নের তারাকান্দা গ্রামের মান্নাফ মিয়ার ছেলে।
আর যৌন নিপীড়নের শিকার তরুণী একই উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়নের বিষমপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলার স্থানীয় একটি ডিগ্রি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
স্থানীয়দের হাতে আটক ওই তরুণীর দাবি, জনৈক জাহিদ নামের এক যুবকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে সে বিকাল ৪টার দিকে উপজেলা রাজধলা বিলপাড়ে আসে। এসময় প্রেমিক জাহিদ ফোনে তার বন্ধু পারভেজকে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা দুজন মিলে তাকে বিলের পশ্চিম পাশে একটি বাগানের পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে জোরপূর্ব ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় ওই তরুণীর ব্যাগে থাকা একটি ব্লেড দিয়ে পারভেজের পুরুষাঙ্গে আঘাত করে। এতে পারভেজের পুরুষাঙ্গের অর্ধেক কেটে যায়। পরে তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
স্থানীয় লোকজন ওই তরুণীকে আটক করলেও পরে ছেড়ে দেয়।
আরও পড়ুন: যশোরে ফের শিশু ‘ধর্ষণের চেষ্টা’, পুলিশি হেফাজতেও অভিযুক্তের ওপর চড়াও স্থানীয়রা
পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, যুবকের পুরুষাঙ্গের প্রায় অর্ধেক কেটে গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান। তবে এই বিষয়ে কোনো অভিযোগ পেলে আইগত ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান ওসি।
৪৮৩ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে তরুণীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার
মুন্সিগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে থেকে সহিদা বেগম নামে এক তরুণীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে দোগাছি এলাকায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ফাঁকা গুলির খোসাও উদ্ধার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় মসজিদ কমিটি নিয়ে সংঘর্ষে যুবক নিহত, আটক ৩
সহিদা রাজধানীর ওয়ারীর একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন।
এদিকে ওই গৃহপরিচারিকার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে পিবিআইয়ের বিশেষ টিম।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে ওই নারীকে এক যুবকের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করতে দেখেছেন তারা। এ সময় কথা কাটাকাটিও হয় তাদের মধ্যে। এছাড়া লাশের পাশেই ছিলো একটি মোটরসাইকেল। এদিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করায় এক্সপ্রেসওয়েতে অপরাধ বাড়ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শ্রীনগর সার্কেল) মো. আনিছুর রহমান বলেন, সাহিদার মা জরিনা খাতুন মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে খুব কাছ থেকে সাহিদাকে গুলি করে পালিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
আরও পড়ুন: ভারত থেকে দেশে ফেরার পথে ৫ বাংলাদেশি আটক
৬১২ দিন আগে
বরিশালে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
বরিশাল নগরীতে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় যুবদল নেতা ইরমান আলী শোভনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
ইরমান রুপাতলি নতুন আবাসিক এলাকার বাসিন্দা। তিনি ২৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বর্তমানে ওয়ার্ড যুবদলের পদপ্রত্যাশী।
আরও পড়ুন: গাংনীতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার
নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করা তরুণী বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকালে বন্ধুর সঙ্গে রুপাতলিতে ঘুরতে গেলে শোভনসহ ৩-৪ জন আমাকে রুমে নিয়ে গিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। এছাড়া আমার বন্ধুকে মারধর করে তার মোটরসাইকেল আটকে রেখে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে তারা। টাকা না পাওয়ায় তারা তাকে বেধড়ক মারধর করে।’
এরপর বুধবার সকালে কৌশলে পালিয়ে গিয়ে ওই যুবক বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ গিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে বলে জানান তিনি। সেসময় শোভনকে আটক করে থানায় নিয়ে এলেও বাকিরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন ওই তরুণী। এরপর ওই মামলায় শোভনকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।
এ বিষয়ে ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
আরও পড়ুন: মায়া চৌধুরীর বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৬
৬২২ দিন আগে
গান বাজানোয় সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী তরুণীকে পিটিয়ে হত্যা
সাতক্ষীরায় বাড়ির সামনে দিয়ে গান বাজিয়ে যাওয়ায় চুমকি (১৫) নামে এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদরের লাবসা ইউনিয়নের থানাঘাটা মোড়ে ঘটনাটি ঘটে।
আটক ইলিয়াস হোসেন একই এলাকার একরামুল হোসেনের ছেলে এবং চুমকি একই এলাকার রেজাউল ইসলামের প্রতিবন্ধী মেয়ে।
আরও পড়ুন: গভীর রাতে ঘরে ঢুকে নারীকে হত্যা, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট
স্থানীয়রা জানান, চুমকি রাস্তা দিয়ে একটি স্পিকারে জোরে গান বাজিয়ে যাচ্ছিলেন। জোরে গান বাজানোর কারণে হাতুড়ি দিয়ে চুমকির মাথায় কয়েকটি আঘাত করেন ইলিয়াস। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চুমকির। পরে ইলিয়াস ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা আটক করে মারধর করেন। র্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পে খবর দিলে র্যাব সদস্যরা এসে ইলিয়াস ও তার বাবা-মাসহ পাঁচজনকে আটক করে নিয়ে যায়।
সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মমতাজ মুজিদ বলেন, চুমকিকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। তার মাথায় বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
র্যাব-৬ সাতক্ষীরার কমান্ডার মো. ফয়সাল তানভীর বলেন, এ ঘটনায় র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ইলিয়াস হোসেন, তার মা ও বাবাসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে। যাছাই-বাছাই শেষে অভিযুক্তদের বিষয়ে জানানো হবে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ইলিয়াস মাদকাশক্ত। জোরে গান বাজানোর কারণে তাকে হত্যা করেছে।
আরও পড়ুন: নওগাঁয় স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
৬৮৯ দিন আগে
চট্টগ্রামে ভাড়া বাসা খুঁজতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী, গ্রেপ্তার ১
চাকুরির সন্ধানে চট্টগ্রামে এসে বাসা খুঁজতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৮ বছরের এক তরুণী।
বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে নগরীর কর্ণফুলী থানার শিকলবাহা এলাকায় এই ঘটনার পর শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে থানায় ধর্ষণ মামলা করে তার পরিবার।
মামলার আসামিরা হলেন- মো. আকাশ, ওমর ফারুক, মো. সোলেমান, মো. রাজু, মো. নাজমুন, মো. জোবাইদ ও মো. আসিফ।
তাদের মধ্যে মামলার প্রধান আসামি মো. আকাশ গ্রেপ্তার হলেও বাকিরা এখনও পলাতক। তারা সবাই উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীকে ট্রেনের কেবিনে ধর্ষণের দায়ে অ্যাটেনডেন্ট গ্রেপ্তার
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির হোসেন জানান, তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর নানী। পুলিশ প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকী আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর বাড়ি কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায়। তিনি চাকরির সন্ধানে বৃহস্পতিবার পেকুয়া থেকে কর্ণফুলী আসেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী পেকুয়া থেকে বিকালে কর্ণফুলীর মইজ্জারটেক এলে সেখানে মাহিন্দ্রাচালক মো. শওকতের সঙ্গে পরিচয় হয়। সে সময় এই এলাকার গার্মেন্টে চাকরি করবে জানিয়ে ভুক্তভোগী তরুণী তাকে কর্ণফুলী এলাকায় একটি ভাড়া বাসা খুঁজে দিতে বলেন। পরে মাহিন্দ্রাচালক বাসা খোঁজার জন্য তার পরিচিত দুইজন নারীসহ শিকলবাহা এলাকায় বাসা খুঁজতে থাকেন।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিকলবাহা ইউনিয়নের বিল্লাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা তাদের মারধর করে ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক অটোরিকশায় তুলে নিয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পেছনে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড
৯২৭ দিন আগে