সড়ক দুর্ঘটনা
চট্টগ্রামে অটোরিকশায় ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ২
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় একটি অটোরিকশা লেভেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেন ধাক্কা দিয়েছে। এতে চালকসহ দুজন নিহত হন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের পূর্ব কাঠগড় বিওসির মোড় লেভেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন আবু তাহের (৫০) ও অটোরিকশাচালক আব্দুস শুক্কুর (৪০)।
আবু তাহের কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৬ নম্বর মাইঙ্গাপাড়া এলাকার আব্দুল মাবুদ ওরফে কানা মামুদের ছেলে। অন্যদিকে আব্দুস শুক্কুর ধর্মপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, লেভেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী একটি ট্রেন অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয় এবং আহত একজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান।
দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনগণ রেললাইনে অবস্থান নিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
১০ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ আরোহী নিহত
পটুয়াখালী কুয়াকাটা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চার আরোহী নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বসাকবাজার-সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন: অটোরিকশাচালক কাইয়ুম উদ্দিন (৫০), যাত্রী শিল্পী রানী (৪০), তিথী রানী (২৩) এবং চালকের শ্যালক মো. জাহাঙ্গীর। তাদের সবার বাড়ি গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের বাউরিয়া-বৌবাজার এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বরগুনার তালতলী থেকে ঢাকাগামী ‘ইমরান পরিবহন’-এর একটি বাস সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে দুটি যানবাহনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি মাছের ঘেরে পড়ে যায় এবং অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
ঘটনাস্থলেই ইজিবাইকচালক কাইয়ুম, শিল্পী রানী ও তিথী রানী নিহত হন। গুরুতর আহত জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
১৬ ঘণ্টা আগে
মুন্সীগঞ্জে প্রাইভেটকারে বাসের ধাক্কা, নিহত ৪
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারের চালকসহ চারজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটে গজারিয়া ফায়ার স্টেশনে দুর্ঘটনার খবর আসে। এরপর দুটি ইউনিট দ্রুত পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত প্রাইভেটকারের চালকের দেহ উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ভবেরচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ‘নিউ বলেশ্বর’ নামের যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে প্রাইভেটকারটির আরোহীরা মায়ামি রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া শেষে কিছু পথ উল্টোপথে গিয়ে ঢাকার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় দ্রুতগতির বাসটি প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দিয়ে সড়কদ্বীপের ওপর উঠে উল্টে যায়। অন্যদিকে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
পুলিশ আরও জানায়, দুর্ঘটনার সময় প্রাইভেটকারটিতে চালকসহ মোট পাঁচজন ছিলেন। তবে বাসটি উল্টে গেলেও যাত্রীদের বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি।
১ দিন আগে
ময়মনসিংহে বাসচাপায় নিহত ২, আহত অন্তত ১০
ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বাসের চাপায় ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কাজির সিমলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ইউনাইটেড পরিবহনের একটি বাস কাজির সিমলা এলাকায় পৌঁছালে প্রথমে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মাহেন্দ্রকে চাপা দেয়। পরে বাসটি একটি যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে মাহেন্দ্র ও অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে যায়।
এতে তিনটি পরিবহনের অন্তত ১০ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মধ্যে দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ জানান, পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘাতক বাসটি জব্দ করা গেলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
২ দিন আগে
স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে প্রাণ গেল অন্তঃসত্ত্বার
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চুরখাই পাঁচরাস্তার মোড়ের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাদিয়া আফরিন ইভা (৩৪) ভালুকা পৌর শহরের মেহেদী হাসানের স্ত্রী। তিনি ভালুকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ইভা তার স্বামীর মোটরসাইকেলে করে ভালুকা থেকে ময়মনসিংহ সদরের কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখান থেকে ময়মনসিংহ শহরে ঘোরাঘুরির পর তারা ভালুকায় ফিরছিলেন। পথে স্পিড ব্রেকারে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারালে ইভা পড়ে যান। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম জানান, সড়কের স্পিড ব্রেকারে সাদা রঙের কোনো চিহ্ন ছিল না। এ কারণে সেটি দেখতে না পেয়ে মোটরসাইকেলটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারালে ইভা পড়ে যান। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয় এবং তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। তবে তার স্বামী মেহেদী হাসানের কোনো শারীরিক ক্ষতি হয়নি।
ওসি আরও জানান, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
৭ দিন আগে
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় ২ মোটরসাইকেলচালক নিহত
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন। এছাড়া একজন মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ বিজয়পুর এলাকায় শারমিন ক্লিনিকের সামনে আরাফাত রহমান বাবু (৩২) নামে এক মোটরসাইকেলচালক নিহত হন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম (৩১) নামে এক মোটরসাইকেলআরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।
নিহত আরাফাত গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী গ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমানে মাহিলাড়া এলাকায় বসবাসরত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. হানিফ আকনের পালিত ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। এ ঘটনায় আহত আসাদুল ইসলামও আশোকাঠী গ্রামের বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে কুয়াকাটাগামী যাত্রীবাহী তাজবী পরিবহন দুর্ঘটনাস্থলের স্পিড ব্রেকার অতিক্রমকালে বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলটি সজোরে বাসটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ সময় মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী দুজনই ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পাশের উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা আরাফাত রহমান বাবুকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আসাদুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার কটকস্থল এলাকায় বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সড়ক দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান তুরাগ (৩২) নামে অপর এক মোটরসাইকেলআরোহী নিহত হয়েছেন।
নিহত মেহেদী বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের রাজকর এলাকার মৃত আব্দুল গনি হাওলাদারের ছেলে ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোস্তফা কামাল চিশতির ছোট ভাই।
মেহেদীর সঙ্গে থাকা বন্ধু তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, রাতে তারা চার বন্ধু দুইটি মোটরসাইকেলযোগে ঢাকা থেকে বাবুগঞ্জের নিজ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। পথে গৌরনদীর কটকস্থল এলাকায় পৌঁছালে মেহেদীর চালানো মোটরসাইকেলটি মহাসড়কের মাঝখানে থাকা খাদে পড়ে যায়। এ সময় তিনি মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির দুর্ঘটনা ঘটে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আজকের (শুক্রবার) দুর্ঘটনাকবলিত যান দুটি আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতের দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ট্রাকটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করায় সেটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। উভয় ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
৯ দিন আগে
ময়মনসিংহে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত
ময়মনসিংহে ট্রাকচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে এক শিশুসহ আরও চার যাত্রী।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর আকুয়া বাইপাস মোড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন: সোনিয়া আক্তার (৩০) ও সাদেক আলী (২৭)। সাদেক আলী ফুলবাড়িয়া উপজেলার চৌদার গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে, আর সোনিয়ার বাড়ি একই উপজেলার জোরবাড়িয়া গ্রামে। তারা দুইজনই সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আল আমিন জানান, দুর্ঘটনায় সোনিয়ার ছেলে সাজিদ (৬) ও অটারিকশার চালক হারুন গুরুতর আহত হয়েছে।
সাদেক আলীর এক স্বজন জানান, সাদেকের এক আত্মীয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সাদেক তাকে দেখতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা দিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আকুয়া বাইপাস মোড় পৌঁছালে একটি ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার যাত্রী সোনিয়া নিহত হন। এ সময় আহত হন আরও পাঁচজন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদেক আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুসহ বাকীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৯ দিন আগে
কুমিল্লায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, আহত ৮
কুমিল্লার চান্দিনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এভার গ্রীন নামে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে উল্টে গেছে। এতে অন্তত ৮ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে চান্দিনা উপজেলার কেরণখাল ইউনিয়নের কুড়েরপার এলাকায় ঢাকামুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, কক্সবাজার বাস টার্মিনাল থেকে ২৫ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। পথিমধ্যে মহাসড়কের চান্দিনা কুড়েরপার এলাকার একটি ব্রিকফিল্ডের সামনে পৌঁছালে দ্রুতগতির বাসটি ব্রেক ফেল করে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং সড়কের পাশের খাদে উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন এবং আহতদের উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
বাসের যাত্রী আব্দুর রহমান জানান, ‘কক্সবাজার থেকে ছাড়ার পর চট্টগ্রাম অংশেই সাতকানিয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে চান্দিনা পৌঁছালে গাড়িটির ব্রেক আবারও অকার্যকর হয়ে পড়ে, যার ফলে চালক আর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। ফলে বাসটি খাদে পড়ে অন্তত ৮ জন যাত্রী আহত হয়।’
বাসের সুপারভাইজার মাশরাফি জানান, সাতকানিয়া এলাকায় বাসের একটি চাকা পাংচার হয়েছিল। সেখানে চাকা পরিবর্তন করার পর যাত্রা শুরু করলেও কুড়েরপার এলাকায় এসে হঠাৎ ব্রেক ফেল করায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। তিনি আরও জানান, বাসটিতে যাত্রী ছিল ২৫ জন।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই হাইওয়ে পুলিশ ও চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
৯ দিন আগে
দেশে ফেরার পথে সৌদির সড়কে প্রাণ গেল সিলেটের ২ প্রবাসীর
সৌদি আরবে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুজনের বাড়ি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায়।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তায়েফ শহরের আল-খুরমা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। দেশে ফেরার স্বপ্ন নিয়ে জেদ্দা বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার সময় তাদের গাড়িটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে গাড়ির চালকসহ চারজনই প্রাণ হারান।
সিলেটের নিহত দুই প্রবাসী হলেন আব্দুল করিম ও খালিদ আহমদ। তাদের বাড়ি কানাইঘাট উপজেলার ৭ নম্বর দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের গাছবাড়ী এলাকার লামার তালুক গ্রামে।
স্বজনদের কাছ থেকে জানা যায়, দীর্ঘদিন সৌদি আরবে প্রবাসজীবন কাটানোর পর দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তারা। প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা করার স্বপ্ন নিয়ে তারা লাগেজ গুছিয়ে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনাও দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই যাত্রাই হয়ে ওঠে তাদের জীবনের শেষযাত্রা।
এদিকে দুই প্রবাসীর মৃত্যুতে তাদের নিজ এলাকায় স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রিয়জনদের দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা পরিবারগুলোর আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয় কান্নায়। পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় হৃদয়বিদারক পরিবেশ।
দুই প্রবাসীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। পাওয়ার পর তিনি পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে তাদের বাড়িতে যান। এ ঘটনায় পরিবার দুটির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে চলতি বছরের জুন মাসে কাতারে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় কানাইঘাট উপজেলার পাঁচ প্রবাসী নিহত হন। সেই শোক কাটতে না কাটতেই জুলাই মাসে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আরও এক কানাইঘাট প্রবাসীর মৃত্যু হয়। এরই মধ্যে আবারও সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কানাইঘাটের দুই প্রবাসীর মৃত্যুতে উপজেলাজুড়ে নতুন করে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ।
১২ দিন আগে
কুমিল্লায় মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের বাস খাদে, আহত ২০
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের একটি ভ্রমণ বাস খাদে পড়ে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার জিংলাতলী এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা সবাই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী। তারা বার্ষিক ভ্রমণে বরিশাল থেকে কক্সবাজারে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা ভ্রমণ বাতিল করে ফিরে গেছেন।
আহতরা হলেন: যাওয়াত, ফেরদৌস, কৌশি, মিরাজ, মুরসালিন, ইমন মৃধা, আরিফ, শফিকুল ইসলাম, মালিহা মেহনাজ, রায়হান, সাজিয়া, তাসপিয়া, আরিফুল ইসলাম, সামিউল, রাজর্ষি, তাসনীম, হুমায়রা, মিলা, নিসা ও তানজিনা।
এদের মধ্যে ৯ জনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নূর উদ্দিন বাহার বলেন, আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করি। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিতে মোট ৪০ জন ছাত্র ছিলেন। তাদের মধ্যে আহত হন ২০ জন। ৯ জনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
১২ দিন আগে