গ্যাস সরবরাহ
সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান গ্যাস পাইপলাইন স্থানান্তরের টাই-ইন কাজের জন্য শুক্রবার সকাল থেকে সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি জানায়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা আশুলিয়া বাজার থেকে বাইপাইল পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এ কারণে ঢাকা ইপিজেড, মালঞ্চ পাওয়ার প্লান্ট, বেক্সিমকো ডিআরএস (বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স), কাশিমপুর, সারদাগঞ্জ, হাজী মার্কেট, শ্রীপুর, চন্দ্রা, চন্দ্রা মোড় এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।
এছাড়া নবীনগর, সাভার টাউন, সাভার ক্যান্টনমেন্ট, উলাইল, ব্যাংক টাউন, সাভার রেডিও কলোনি, কলমা, দোসাইদ, কুমকুমারী, আক্রান, চারাবাগ, বড় আশুলিয়া, টঙ্গাবাড়ী, কাঠগড়া, জিরাবো, গাজীরচট, নয়াপাড়া, দেওয়ান ইদ্রিস সড়কের উভয় পাশের এলাকা, নয়ারহাট, বলিভদ্রপুর, পল্লীবিদ্যুৎ, ডেন্ডারবর, ভাদাইল, লতিফপুর, মানিকগঞ্জ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
অন্যদিকে এসব এলাকার আশপাশে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
২ দিন আগে
সেপ্টেম্বরে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন
সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ২৪ ডলারের বেশি দরে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পোসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে ১৩ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) ২৪.৬২৫ ডলারে কেনা হবে।
এছাড়া ২৩ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কাছ থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪.২৫ ডলার দরে আরও এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান (আরএফকিউ) প্রক্রিয়ায় সরকারি ক্রয় বিধিমালা-২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক)-এর আওতায় প্রস্তাবটি কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়। ক্রয়প্রক্রিয়া ও সুপারিশ করা দরদাতাদের প্রস্তাব বিবেচনার পর কমিটি তা অনুমোদন করে।
বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ আমদানিকৃত এলএনজির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। এরই মধ্যে সেপ্টেম্বরের জন্য আরও দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দিল সরকার।
২৬ দিন আগে
মহেশখালীর দুই টার্মিনাল থেকেই গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে, ১৯ আগস্ট স্বাভাবিক হওয়ার আশা
দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। মহেশখালীর সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল দুটিই একসঙ্গে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ভাসমান টার্মিনাল দুটি থেকে আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোর ৪টায় সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সামিট এলএনজি টার্মিনালের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ বৈরী আবহাওয়া ও অধিক বেগে বাতাস প্রবাহের কারণে গত ১০ আগস্ট সিঙ্গাপুর বন্দরে ফিরে যায়। ফলে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যায়।
পরবর্তীতে গত ১৪ আগস্ট নতুন একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ টার্মিনালে পৌঁছালে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে আজ ভোর থেকে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়।
বর্তমানে এ টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হবে।
অন্যদিকে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি আংশিক মেরামতের পর বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গড়ে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
সূত্র বলছে, আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে এ টার্মিনালের মেরামতকাজ সম্পন্ন হলে সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে দৈনিক প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হবে।
স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত টার্মিনাল থেকে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। অর্থাৎ দুই টার্মিনাল থেকে সম্মিলিতভাবে দৈনিক গড়ে প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়ে থাকে।
বর্তমানে দুই টার্মিনাল থেকে সম্মিলিতভাবে দৈনিক প্রায় ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে সামিট থেকে ৪৬০ এবং এক্সিলারেট থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে দুই টার্মিনাল থেকেই গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে দৈনিক ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
৩৫ দিন আগে
আংশিক চালু হয়েছে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল, রাতেই গ্যাস সরবরাহ বাড়বে
কারিগরি ত্রুটির কারণে গত দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় আংশিকভাবে চালু হয়েছে।
পেট্রোবাংলার সদস্য (অপারেশন) ড. রফিকুল ইসলাম জানান, ভাসমান সংরক্ষণ ও পুনর্গ্যাসীকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) চালু হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) প্রায় ১১৫ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আজ রাতের মধ্যেই গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ৭৫০ থেকে ৮০০ এমএমসিএফডিতে পৌঁছাবে।
গত ২১ জুলাই কারিগরি ত্রুটির কারণে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল দিয়ে এলএনজি আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দেশে গ্যাস সংকট শুরু হয়।
অন্য একটি এফএসআরইউ আগেই বন্ধ থাকায় ওই সময় থেকে বাংলাদেশ এলএনজি আমদানির জন্য কার্যত একটি মাত্র সচল টার্মিনালের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ফলে পুনর্গ্যাসীকরণ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
এদিকে, পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরেকটি এলএনজি কার্গো ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছেছে এবং শুক্রবার থেকে তা খালাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন অতিরিক্ত ২০ থেকে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
৪৪ দিন আগে
রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে ৬ ঘণ্টা
পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের বাড়তি চাহিদা মোকাবিলা এবং নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সারা দেশে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। রমজানে ৬ ঘন্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখতে হবে। একইসঙ্গে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সিএনজি ও ফিলিং স্টেশন সার্বক্ষণিক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
চিঠিতে বলা হয়, প্রথম রমজান থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে বিকেল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত। অর্থাৎ টানা ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে স্টেশনগুলো। আগে এই সময়সূচি ছিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৫ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব সিএনজি ও ফিলিং স্টেশন সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে।
আগামী ২৬ মার্চ থেকে আবার আগের নিয়মে ফিরে যাবে সময়সূচি। তখন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে।
এই উদ্যোগের ফলে একইসঙ্গে মহাসড়কে যাত্রীবাহী যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং জ্বালানি সংকট এড়ানো সহজ হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।
২১১ দিন আগে
গ্যাস সরবরাহ ও বায়ুমান উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৬৪ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক
বাংলাদেশে গ্যাস সরবরাহ অবকাঠামো উন্নয়ন ও দুষণ রোধে বায়ুমান উন্নয়নে ৬৪ কোটি ডলারের দুটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালনা পর্ষদ।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি খাতে নিরাপত্তা জোরদার প্রকল্পে সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার জন্য ব্যয়-সাশ্রয়ী অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি করে গ্যাস সরবরাহ নিরাপত্তা জোরদার করতে ৩৫ কোটি ডলার সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বায়ুমান উন্নয়ন প্রকল্পে ২৯ কোটি ডলার দেওয়া হবে।
জ্বালানি খাত নিরাপত্তা জোরদার প্রকল্পে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) একটি গ্যারান্টি ব্যবহার করে সাত বছরের মধ্যে ২১০ কোটি ডলার পর্যন্ত বেসরকারি পুঁজি সংগ্রহ করার কথা রয়েছে। এর ফলে নতুন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন: ডিএনসিসির খালগুলোর টেকসই উন্নয়নে সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক
আইডিএ গ্যারান্টির সহায়তা পেট্রোবাংলার আর্থিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে এবং এলএনজি সরবরাহ নিরাপদ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
মূলত, বাংলাদেশে যে পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করা হয় তার এক-চতুর্থাংশেরও বেশি অংশ এলএনজি আমদানিনির্ভর। এ ছাড়া, দেশের মোট গ্যাসের প্রায় ৪২ শতাংশ বিদ্যুৎ খাতে ব্যবহার হয়, তাই সরবরাহে ঘাটতি হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়। এতে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এলএনজি আমদানির জন্য অর্থ দেওয়ার নিশ্চয়তা ও কার্যকর মূলধনের ব্যবস্থা থাকবে, ফলে ব্যয়বহুল স্পট মার্কেট গ্যাস আমদানির (তাৎক্ষণিক চাহিদা পূরণের জন্য আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্বল্পমেয়াদে গ্যাস কেনা) ওপর নির্ভরতা কমাবে।
অন্যদিকে, বায়ুমান উন্নয়ন প্রকল্পে ২৯ কোটি ডলার সহয়তা দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের বাতাসের মান উন্নয়ন করতে একটি সমন্বিত কৌশল গ্রহণের কথা রয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে ২০১৯ সালে এক লাখ ৫৯ হাজারের বেশি অকালমৃত্যু ঘটেছে। এতে সার্বিকভাবে স্বাস্থ্য খাতের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮ দশমিক ৩ শতাংশের সমান।
ঢাকা শহর বিশ্বে সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর একটি। শহরটিতে বার্ষিক ফাইন পার্টিকুলেট ম্যাটারের (পিএম ২.৫) মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বায়ুমান নির্দেশিকার তুলনায় ১৮ গুণ বেশি। প্রকল্পটি পরিবেশ অধিদপ্তরের বায়ুমান পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ককে নতুন ও উন্নত স্টেশনের মাধ্যমে শক্তিশালী করবে বলে জানানো হয়েছে।
এ ছাড়াও, শিল্পকারখানার মূল দূষণ উৎসের বাস্তব সময় নিরীক্ষণের জন্য এই প্রকল্পের আওতায় স্বয়ংক্রিয় নির্গমন নিরীক্ষণ প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে সহায়তা করা হবে। এই স্বয়ংক্রিয় নিরীক্ষণ ব্যবস্থার সমন্বিত নেটওয়ার্কের ভিত্তিতে নির্গমন সীমা বাস্তবায়ন ও প্রধান উৎসগুলো থেকে সংগৃহীত প্রাথমিক তথ্য প্রকাশ নিশ্চিত করা হবে।
এই প্রকল্পে যানবাহনের নির্গমন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করা হবে এবং ৪০০টি পুরনো দূষণকারী ডিজেল বাসের পরিবর্তে নতুন, শূন্য-নির্গমনক্ষম ইলেকট্রিক বাস চালু করা হবে। এই বাসগুলো একক অপারেটরভিত্তিক ফ্র্যাঞ্চাইজ মডেলের অধীনে পরিচালিত হবে যাতে সেবার মান উন্নত হয়। ইলেকট্রিক বাসগুলোর জন্য চার্জিং, পার্কিং এবং রক্ষণাবেক্ষণের ডিপো নির্মাণ করা হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন করে পাঁচটি যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি, অকার্যকর দুটি কেন্দ্রকে সক্রিয় করতে এগুলো উন্নত করা হবে ও কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এছাড়াও যানবাহন থেকে দূষণ নির্গমন পরীক্ষায় ২০টি ভ্রাম্যমাণ ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে।
পরিবহন খাতে এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রতি বছর প্রায় দুই হাজার ৭৩৪ মেট্রিক টন প্রাথমিক পিএম২.৫ নির্গমন কমবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য জ্বালানিনিরাপত্তা ও বায়ুর মান উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। গ্যাস সরবরাহের সংকট ও শহর এলাকায় বায়ুদূষণের মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের লক্ষ্যে এ দুই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প এ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়ক হবে।’
এ ছাড়া, বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও এনার্জি সেক্টর সিকিউরিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার ওলায়িংকা বিসিরিউ এডেবিরি বলেন, ‘এই প্রকল্প ব্যয়-সাশ্রয়ীভাবে গ্যাস সরবরাহ নিরাপত্তা জোরদার করবে এবং শিল্প ও গৃহস্থালী ব্যবহারকারীদের জন্য নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ নিশ্চিত করবে।’
আরও পড়ুন: সরকারি খাতের কর্মদক্ষতা বাড়াতে ২৫০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক
তিনি আরও বলেন, ‘নির্ভরযোগ্য গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে প্রকল্পটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা জোরদারে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে।’
তাছাড়া দেশের বায়ুমান উন্নয়নে একটি নতুন ধারার প্রথম প্রকল্প হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রধান পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ ক্লিন এয়ার প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার আনা লুইসা গোমেস লিমা।
তিনি আরও বলেন, ‘বায়ু দেশের সীমানা পেরিয়ে চলাচল করে, তাই এককভাবে কোনো দেশ বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এই প্রকল্প আঞ্চলিক সংলাপ ও তথ্য বিনিময় জোরদারে সহায়তা করবে, যা বায়ুদূষণ হ্রাসে ভূমিকা রাখবে।’
৪৫৭ দিন আগে
সন্ধ্যা ৬টা থেকে যেসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ
গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) ডেমরা সিজিএসে মোডিফিকেশন কাজের জন্য রাজধানীর বেশকিছু জায়গায় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে, যা চলবে আগামীকাল সকাল ৬টা পর্যন্ত।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক (মিডিয়া ও জনসংযোগ) মো. আল আমিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ১৭ ডিসেম্বর সকাল ছয়টা পর্যন্ত মোট ১২ ঘণ্টা ডেমরা সিজিএসের ডাউনস্ক্রিম গ্যাস বিতরণ নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত সমগ্র ডেমরা, মাতুয়াইল, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, রায়েরবাগ, ধোলাইর পাড়, সায়েদাবাদ, নন্দীপাড়া, খিলগাঁও, বাসাবো, মতিঝিল, রামপুরা, বাড্ডা, মালিবাগ, বনশ্রী, শাহজাহানপুর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান, বনানী এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাসের স্বল্পচাপ/তীব্র স্বল্পচাপ বিরাজ করবে। এছাড়া কোথাও কোথাও গ্যাসের চাপ শূন্যে নেমে যেতে পারে।
আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জের মনোহরদীতে বৃহস্পতিবার থেকে ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে গ্যাস
গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাসগ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত বলে বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।
৬৪২ দিন আগে
ঢাকার যেসব এলাকায় বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকবে গ্যাস সরবরাহ
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির চলমান রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকায় ১২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বুধবার (২০ নভেম্বর) এক ঘোষণায় তিতাস গ্যাস জানায়, সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ইসলামবাগ, রহমতগঞ্জ, লালবাগ ডিপিডিসি সাবস্টেশন সংলগ্ন এলাকা, লক্ষ্মীবাজার, চন্ডিরঘাট ও আশপাশের এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকদের ১২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হবে।
সংলগ্ন এলাকার গ্রাহকরাও এই সময়ে কম গ্যাসের চাপ অনুভব করতে পারেন।
আরও পড়ুন: সিলেটে গ্যাসের সংকট, ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন
তিতাস গ্যাস সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করেছে যে গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ এবং সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নতির জন্য গ্যাস সরবরাহ সাময়িক বন্ধ রাখা প্রয়োজন।
বাসিন্দাদের সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করার এবং সাময়িক বিঘ্ন মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
আরও পড়ুন: শিল্প কারখানায় গ্যাস সংযোগ পুনরায় চালু করার কথা ভাবছে সরকার
৬৬৮ দিন আগে
সামিটের এলএনজি টার্মিনালে গ্যাস সরবরাহে লাগতে পারে আরও ১০ দিন: নসরুল হামিদ
জাতীয় গ্যাস গ্রিডে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য সামিট গ্রুপের এলএনজি টার্মিনালের কার্যক্রম ফের শুরু করতে আরও ১০ দিন সময় লাগবে।
বুধবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে চুক্তি সই অনুষ্ঠানের ফাঁকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সামিটের এফএসআরইউতে গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে আরও ১০ দিন সময় লাগতে পারে।
মঙ্গলবার সামিট গ্রুপের ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী কাজ শুরু করতে ব্যর্থ হওয়ার পর প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎ সরবরাহ ৩-৪ দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হবে ও গ্যাস সরবরাহ জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে: নসরুল হামিদ
কর্মকর্তারা জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর গত ২৭ মে থেকে ৫০০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ ক্ষমতাসম্পন্ন এলএনজি টার্মিনালটির কার্যক্রম বন্ধ ছিল।
ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরে এটিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয় এবং মেরামত কাজ শেষ করে মহেশখালীতে অপারেশন সাইট এলাকায় ফিরিয়ে আনা হয়।
কিন্তু কার্যক্রম শুরুর আগে আবার যান্ত্রিক ত্রুটির সম্মুখীন হয় এটি। এরপর দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে তারা পুনলায় গ্যাস সরবরাহ চালুর জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সামগ্রিকভাবে ৫০০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়া। এতে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।
সারা দেশে দুটি এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। একটি হলো ৬০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতাসম্পন্ন এক্সিলারেট এনার্জি এবং অপরটি সামিট গ্রুপের মালিকানাধীন ৫০০ এমএমসিএফডি টার্মিনাল।
কর্মকর্তারা জানান, সামিট এলএনজি টার্মিনালের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দেশে চলমান গ্যাস সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
বুধবার প্রায় ৪ হাজার এমএমসিএফডি চাহিদার বিপরীতে ২ হাজার ৬৩৭ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কারিগরি ও অন্যান্য কারণে মাঝেমধ্যে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল আসতে পারে: নসরুল হামিদ
গ্যাস বিতরণে সিস্টেম লস ২২ শতাংশ থেকে সাড়ে ৭ শতাংশে নেমে এসেছে: নসরুল হামিদ
৭৮০ দিন আগে
আনোয়ারা-ফৌজদারহাট গ্যাস পাইপলাইন মেরামত সম্পন্ন, বাড়বে গ্যাস সরবরাহ
আনোয়ারা-ফৌজদারহাট গ্যাস পাইপলাইনের মেরামত কাজ শেষ করেছে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)। ফলে চলমান গ্যাস সংকট প্রশমিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের আনোয়ারা-ফৌজদারহাট পাইপলাইনের মেরামতের কাজ শুক্রবার সকাল ৭টা ২০ মিনিটে সম্পন্ন হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, আজ (শুক্রবার) দুপুর থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। ৭০ পিএসআইতে বর্তমান সরবরাহের চাপের সঙ্গে মিলিয়ে সঞ্চালন ও চাপ ধীরে ধীরে বাড়ানো হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকাল ৫টার দিকে কর্ণফুলী টানেল ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানির (কাফকো) মাঝামাঝি স্থানে ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের আনোয়ারা-ফৌজদারহাট পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎ সরবরাহ ৩-৪ দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হবে ও গ্যাস সরবরাহ জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে: নসরুল হামিদ
এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য সব পাইপলাইনের ম্যাপিং করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
এদিকে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে দেশে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি জানায়, দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রায় ২০০০ মেগাওয়াট ঘাটতি ছিল।
এই পরিস্থিতির জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়াকে দায়ী করছেন বিদ্যুৎ ইউটিলিটি কর্মকর্তারা।
পেট্রোবাংলার সরকারি হিসাবে দেখা গেছে, আমদানি করা এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে দৈনিক ২২৫৩ মিলিয়ন ঘনফুটে (এমএমসিএফডি)।
পিডিবির কর্মকর্তারা জানান, পেট্রোবাংলার এলএনজি সরবরাহ ক্ষমতা ১১০০ এমএমসিএফডি থেকে ২৪৩ এমএমসিএফডিতে নেমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে যায়।
আরও পড়ুন: গ্যাস সংকট: ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কবলে দেশ
৭৯৯ দিন আগে