বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক
জাইকা বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী, সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী। দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও জনসেবামূলক বিভিন্ন খাতে জাইকার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও জাইকার মধ্যকার সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) সচিবালয়ে জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাইকার চলমান এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় সরকার খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে চান। আমরা সবাই তার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছি।
মন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে সরকার। এ ক্ষেত্রে জাইকার অভিজ্ঞতা, কারিগরি সহায়তা ও বিনিয়োগ দেশের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, এনডিসি এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও জাইকার দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারত্বকে আরও সুসংহত করবে এবং স্থানীয় সরকার খাতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র সৃষ্টি করবে।
৫ দিন আগে
যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বাড়াবে বাংলাদেশ-জাইকা
বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা—জাইকা’র প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনবিষয়ক মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশের যোগাযোগ খাতের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, মেট্রোরেল প্রকল্প, সড়ক ও সেতু অবকাঠামো, এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, কারিগরি সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন প্রকল্পে জাইকার সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া এবং জাইকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর আধুনিকায়নে জাইকা দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। বিশেষ করে মেট্রোরেল, সড়ক, সেতু এবং অন্যান্য কৌশলগত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নিরাপদ, আধুনিক, টেকসই ও সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে গণপরিবহন, স্মার্ট পরিবহন ব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় জাইকা ভবিষ্যতেও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে। চলমান প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনাময় খাতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ মেট্রোরেল প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন, মাতারবাড়ী অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে একমত হন।
এ সময় বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।
৮ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি মিতসুই প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা
জাপানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানির একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
বৈঠকে দুই পক্ষ বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন বলে তিনি জানান। শিপলু বলেন, বৈঠকে খাদ্য, কৃষি, জ্বালানি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ (আইসিটি) বিভিন্ন খাতে সম্ভাব্য বিনিয়োগ ও ব্যবসার প্রসারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্যরা প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেছেন যে বর্তমান সরকার বিনিয়োগবান্ধব নীতি অনুসরণ করছে এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ ও তা সহজতর করতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
শিপলু আরও বলেন, প্রতিনিধিদলকে জানানো হয়েছে যে বিনিয়োগকারীদের ব্যবসা পরিচালনা এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য সরকার বিভিন্ন সংস্থা ও বিভাগের সেবাগুলোকে একটি ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ ব্যবস্থার আওতায় আনার পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগ প্রকল্পগুলো আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানি জাপানের অন্যতম বৃহৎ একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বৈশ্বিক পর্যায়ে লজিস্টিকস, অবকাঠামো, ধাতু, জ্বালানি এবং খাদ্য বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খান এবং অর্থ সচিব মো. খাইরুজ্জামান মজুমদার।
অন্যদিকে, মিতসুই প্রতিনিধিদলে ছিলেন এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং নির্বাহী ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাকোতো সাতো, এশিয়া-প্যাসিফিক বিজনেস ইউনিটের চিফ স্ট্র্যাটেজি কর্মকর্তা তাকানোবু মুরাইয়ামা, মিতসুই বাংলাদেশের কান্ট্রি চেয়ারম্যান কেনিচিরো কাওয়ামোতো এবং প্রতিষ্ঠানটির ঢাকা শাখার ডেপুটি জেনারেল ব্যবস্থাপক মো. মনিরুজ্জামান।
৩৭ দিন আগে
জ্বালানিসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে আরও জাপানি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ
নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অবকাঠামো, ওষুধ শিল্প, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, শ্রমবাজার এবং উৎপাদনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে জাপানি বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২০ এপ্রিল সেনেগালের ডাকারে অনুষ্ঠিত ‘শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক ডাকার আন্তর্জাতিক ফোরামে’র একটি উচ্চ পর্যায়ের প্যানেল বৈঠকের পর জাপানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওনিশি ইয়োহেইয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এ আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াসহ দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করে।
এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় জাপানের অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মিয়ানমারে তাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসন সহজতর করতে জাপানের আরও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
৮০ দিন আগে
আগামী তিন বছরে জাপান ১২ লাখের অধিক বিদেশি কর্মী নিয়োগ দেবে
‘জাপান টাইমস’-এর ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ এর প্রতিবেদন অনুসারে বর্ণিত চারটি ক্যাটাগরির মধ্যে শুধু ‘দক্ষতার জন্য কর্মসংস্থান’ (ইএসডি) এবং ‘নির্দিষ্ট দক্ষ কর্মী’ (এসএসডব্লিউ) ক্যাটাগরিতে আগামী মার্চ ২০২৯ সালের মধ্যে জাপান ১২ লাখের অধিক বিদেশি কর্মী নিয়োগ করবে।
বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির প্রথম সভায় এ কথা উল্লেখ করা হয়।
সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে বিদেশের শ্রম বাজার সম্প্রসারণের হালনাগাদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো প্রকার শৈথল্য দেখানো যাবে না।
তিনি বলেন, বিদেশি কর্মীর চাহিদা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, শতভাগ শ্রম অধিকার ও উচ্চ বেতনের নিশ্চয়তা থাকায় বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে জাপান বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় একটি শ্রমবাজার।
সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জাপান প্রধানত চারটি ভিসা ক্যাটাগরিতে কর্মী গ্রহণ করে থাকে। ‘জাপান টাইমস’-এর ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ এর প্রতিবেদন অনুসারে বর্ণিত চারটি ক্যাটাগরির মধ্যে শুধু ‘দক্ষতার জন্য কর্মসংস্থান’ (ইএসডি) এবং ‘নির্দিষ্ট দক্ষ কর্মী’ (এসএসডব্লিউ) ক্যাটাগরিতে আগামী মার্চ ২০২৯ সালের মধ্যে জাপান ১২ লাখের অধিক বিদেশি কর্মী নিয়োগ করবে। অন্যদিকে বাংলাদেশের সর্বশেষ জনশুমারি মোতাবেক, দেশের অভ্যন্তরের শ্রমিকের চাহিদা পূরণের পর বর্তমানে প্রায় আড়াই কোটি অতিরিক্ত কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে। দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে যার একটি বিরাট অংশ জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে।
বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে আগামী পাঁচ বছরে ১ কোটি বাংলাদেশি কর্মীর প্রবাসে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে লক্ষ্যে দেশভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল (বুধবার) বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বলা হয়, জাপানি ভাষা শিক্ষক/প্রশিক্ষক নিয়োগ ও চাহিদা অনুসারে দক্ষ জনশক্তি প্রস্তুতকরণ, জাপানে ‘ল্যাংগুয়েজ স্টুডেন্ট’ ভিসায় শিক্ষার্থী প্রেরণের হার বৃদ্ধিকরণ, বাংলাদেশে এসএসডব্লিউ-এর ১৬টি ক্ষেত্রের মধ্যে ৬টির পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
অপর ১০টি ক্ষেত্রের দক্ষতার পরীক্ষা শুরুকরণ, ঢাকায় জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ, এসএসডব্লিউ ও ইএসডি পদ্ধতির জন্য যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ পূর্বক জাপানি কোম্পানির নিকট হতে কর্মীর চাহিদা সংখ্যা বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণ, বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে জাপানের ভাষা প্রশিক্ষকের সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ, শ্রমবাজার সার্চ করে জাপানের বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিবেদন প্রেরণ করবে এবং জাপানিজ ভাষা পরীক্ষার আসন সংখ্যা ও পরীক্ষাকেন্দ্র বৃদ্ধি করার বিষয়ে সভায় বিস্তৃত আলোচনা হয়।
এ ছাড়াও পর্যায়ক্রমে সকল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রতে (টিটিসি) জাপানিজ ভাষা শিক্ষা কোর্স চালুকরণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশি জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষক নিয়োগ করা। সরাসরি নিয়োগের পাশাপাশি ‘ভার্চুয়াল টিচিং’ প্ল্যাটফর্মে জাপানিজ প্রশিক্ষক নিয়োগ করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
সভায় কমিটির সদস্য প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দপ্তর/সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১২৭ দিন আগে
পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) মাধ্যমে দেশটি মেট্রোরেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। দেশটির সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। জাপান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপান সহযোগিতা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে কয়েকটি উপযুক্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে।
বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ পুনর্গঠন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তার নতুন পদে নিযুক্তির জন্য অভিনন্দন জানান।
বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ডিএমপির সড়ক নিরাপত্তা প্রজেক্টটি গত বছর শেষ হয়েছে। আমরা পুলিশ ও ডিএমপির সঙ্গে আরও কাজ করতে আগ্রহী।
চলতি বছর হলি আর্টিজান হামলার দশ বছর পূর্তি হবে উল্লেখ করে সাইদা শিন-ইচি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানের নাগরিকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাপানের নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন, জাপানের পক্ষ থেকে যেকোনো অনুরোধ আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্ম সচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) কোমিনে কেন, প্রথম সচিব (অর্থনীতি) মোচিদা ইউতারোসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
১২৯ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাইয়ে তাকাইচি জাপানের সরকার ও দেশটির জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
অভিনন্দন বার্তায় তাকাইচি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই জাপান একটি বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনে ধারাবাহিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অভিনন্দন বার্তার মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রাকে স্বাগত জানান তাকাইচি। দুই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি তার বার্তায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও মজবুত এবং একটি সমৃদ্ধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ার লক্ষ্য অর্জনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একযোগে কাজ করার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
১৪২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ঢাকা-টোকিও সম্পর্ক আরও গভীর হবে: মোমেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, জাপান দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত।
বুধবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। এই সফরের মাধ্যমে তা আরও গভীর হবে।’
মোমেন বলেন, জাপান বিস্তৃত সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে আগ্রহী। আমরা একে অপরকে পছন্দ করি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২৯ নভেম্বর টোকিওর উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকির সাম্প্রতিক নির্বাচন সংক্রান্ত মন্তব্যের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, অবশ্যই কেউ তাকে এইভাবে অবহিত করেছে, তিনি যেভাবে শুনেছেন সেভাবে বলেছেন।
মোমেন বলেন, তিনি (রাষ্ট্রদূত) সাদাসিধাভাবে এ কথা বলেছেন। তিনি বাংলাদেশের একজন ভালো বন্ধু।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের সঙ্গে ‘কৌশলগত’ অংশীদারিত্ব চায় জাপান
জাতীয় নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা সম্পর্কে জাপানি রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’: পুলিশ সংগঠন
১৩২৪ দিন আগে
বাংলাদেশ-জাপান দীর্ঘদিনের বন্ধন আগামীতে আরও সুদৃঢ় হবে: মন্ত্রী
বাংলাদেশ-জাপান দীর্ঘদিনের বন্ধন আগামীতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে বৃহস্পতিবার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
২১৪৩ দিন আগে